মিটিং শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পরিবহকে দেখতে যাবেন। জুনিয়র ডাক্তারদের তিনি পাল্টা শর্ত দিয়েছিলেন কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার। ছাত্ররা কথা রাখার ইঙ্গিত দিতেই ইন্সটিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সের দিকে ছুটলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন স্বাস্থ্য দফতরের অধিকর্তারাও।

গত সোমবার মহম্মদ শহিদ নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এনআরএস চত্ত্বর। রোগীর পরিবারের সঙ্গে বহিরাগতরা যোগ দিয়ে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেখানেই জখম হন পরিবহ। জখন হন আরেক জুনিয়র ডাক্তার যশ টেকওয়ানি। অভিযোগ ছিল পুলিশের নাকের ডগায় দুই লরি বহিরাগত হাসপাতালে ঢুতে হামলা চালিয়েছে। তার পরে অনেক জলঘোলা হয়েছে। সেই সমস্যা মিটেছে ৮ দিন পরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করে জুনিয়র ডাক্তাররা বুঝে নিয়েছেন প্রশাসন কতটা উদ্যোগী তাঁদের সুরক্ষার ব্যাপারে। ৩১ জন প্রতিনিধি এনআরএস-এ ফিরতেই শুরু হয়েছে সেলিব্রেশান। আর মমতাও কথা রাখতে ২ ঘণ্টার দীর্ঘ বৈঠকের শেষে পৌঁছে গিয়েছেন মল্লিকবাজার ইন্সটিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সের সাততলায়স পরিবাহর কাছে।

প্রসঙ্গত, পরিবাহ এখন অনেকটাই সুস্থ। পরিবহর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সব বিষয়ে খোঁজ নেন চিকিৎসকের বোর্ডের কাছে। একথা জানিয়েছেন পরিবহর চিকিৎসকেরা মুখ্যমন্ত্রী মিনিট দশেক কাটান পরিবহর সঙ্গে। বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পরিবাহ ভাল আছে। মুখ্যমন্ত্রী পরিবহকে জানিয়েছেন, সরকার দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।