শুক্রবার, সকাল থেকেই চলছে সপুত্র মুকুল রায়ের ঘর ওয়াপসির জল্পনা। তবে এখন আর জল্পনা বলা যায় না, বলা ভাল তৃণমূলে মুকুলের ফেরাটা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ইতিমধ্য়েই তৃণমূল ভবনে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে সল্টলেকের বাড়ি থেকে তৃণমূল ভবনে যোগ দেবেন ঘোষণা করেই বেরিয়েছিলেন মুকুল। তিনিও তৃণমূল ভবনে পৌঁছে গিয়েছেন। এরপর এক দলীয় বৈঠকের পরই বেলা সাড়ে ৩টেয় মুকুল রায় ও শুভ্রাংশু রায়ককে পাশে নিয়েই সাংবাদিক সম্মেলন করবেন মমতা। সেখানেই ঘটবে যোগদান, এমনটাই জানা গিয়েছে।

এদিন সকালেই মমতা জানিয়েছিলেন, তৃণমূল ভবনে একটি দলীয় বৈঠক আছে। জানিয়েছিলেন, যেসব দলত্যাগীরা দলে ফিরতে চাইছেন, তাদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই এই বৈঠক, এমনটাই জানা গিয়েছিল। কিন্তু, সেখানে এতবড় চমক থাকতে পারে, তার কোনও আভাস মেলেনি। তবে, তারপরই মুকুল রায়ের বাড়িতে বৈঠক করতে আসেন পুত্র শুভ্রাংশু রায়। এরপরই সল্টলেকের বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় মুকুল রায় বিষয়টি পরিষ্কার করে দেন।

জানা গিয়েছে, বিজেপি-তে যাওয়ার পর থেকে কখনই স্বস্তিতে ছিলেন না মুকুল। ২০২০ সালেও একবার তাঁর ঘরে ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু, তারপর সেই সম্ভাবনা মিলিয়েও যায়। এরপর মাত্র কয়েকদিন আগে মুকুল রায়ের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের গোপন বৈঠক হয় বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু, তা কাক-পক্ষীতেও টের পায়নি।

আরও পড়ুন - মুকুলকে বরণ করলেন অভিষেক, শুভেন্দুর কথা উঠতেই খেপে গেলেন মমতা, দেখুন

আরও পড়ুন - প্রত্যাবর্তনের দিন মুকুল রায়কে 'গরু'র সঙ্গে তুলনা, ফের বোমা ফাটালেন বীরভূমের কেষ্ট

আরও পড়ুন - গদ্দারও দুই প্রকার, নরমপন্থী ও চরমপন্থী - দলে কাদের ফেরাবেন, কী বললেন মমতা

বৃহস্পতিবার রাতে মুকুলের দলে ফেরার বিষয়টি পাকা হয়। কিন্তু, তৃণমূল কংগ্রেস ও মুকুল রায় - দুই পক্ষ থেকেই দারুণ গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়। বিজেপি নেতারা আঁচও করতে পারেননি। এদিন সকালে সংবাদমাধ্যম মারফত বিষয়টি জানার পর, বিজেপি নেতাদের অনেকেই মুকুলকে ফোন করেন, কিন্তু, তিনি কোনও ফোন ধরেননি, এমনটাই জানিয়েছে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ মহল।