সুপ্রিম কোর্টে গেলেন বিজেপি নেতা তথা বঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী বিধানসভা নির্বাচনের নন্দীগ্রামের পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, সেই ফলকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার, ১৪ জুলাই সেই মামলাই কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অন্য কোনও হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনই কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি হয়েছে। পরবর্তী শুনানির দিন দেওয়া হয়েছে ১২ অগাস্ট। এর মধ্যেই 'দিদি'র বিরুদ্ধে বড় চাল দিলেন 'দাদা'।

বুধবারই এই মামলার অনলইন শুনানিতে বিচারপতি শম্পা সরকার-এর এক বিচারপতির বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন বৈধ বলে গ্রহণ করেন। আদালত নন্দীগ্রামের ইভিএম, নথি ,ভিডিও রেকর্ডিং-সহ নির্বাচনের সংক্রান্ত যাবতীয় নথি সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তী শুনানির দিন উপস্থিত থাকার জন্য সমন পাঠানো হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী, নন্দীগ্রামের রিটার্নিং অফিসার, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের। এরপরই এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফল অনুসারে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী ১,৯৯৬ ভোটের ব্যবধানে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে পরাজিত করেছেন। তবে সরকার গঠনের পরই সেই ফলাফলকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমে এই মামলা উঠেছিল কৌশিক চন্দের এজলাসে। কিন্তু তিনি বিজেপির আইনজীবী সেলের সদস্য, এই অভিযোগ তুলে মামলা অন্য বেঞ্চে সরানোর আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করে তারপর মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন কৌশিক চন্দ। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল বিষয়টি বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে পাঠিয়েছিলেন।