পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না চারদিন ধরে। ভেঙে পড়ছিল চিকিৎসা পরিষেবা। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কথাতেও কাজ হয়নি। তিনি ফিরে গেলেও জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি জারি রেখেছেন। এবার তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালাল বহিরাগতরা। বাইরে থেকে ছুঁড়ে মারা হল ইঁট, বোতল।

অভিযোগের তীর রোগীর পরিবারের দিকে। গোটা এলাকাকে ঘিরে ফেলেছে পুলিশরে বিরাট বাহিনী। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে শুধুই কি রোগীর আত্মীয়রা রয়েছেন এই আক্রমণকারীদের মধ্যে? আন্দোলনকারীদের দাবি, বহিরাগতরাও ঢোকার চেষ্টা করছেন। 

ইতিমধ্যে চিকিৎসকদের গোটা বিষয়টির মোকাবিলার অনুরোধ করে চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে খুব একটা লাভও হয়নি।  ছাত্ররা কোনও রকম নতি স্বীকারে রাজি নয়। তার মধ্যে এই হামলা বিষয়টিকে যে আরও জটিল করে তুলবে, সে কথা হলফ করে বলা যায়।  

এদিন মমতা বন্দোপাধ্য়ায় চিকিৎসকদের কর্মবিরতির সিদ্ধান্তকে তুমুল ভর্ৎসনা করেন। তাঁদের বহিরাগত বলেও মন্তব্য করেন মমতা। তিনি সময় বেধে দিয়ে বলেন, কাজ শুরু না করলে জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি চলে গিয়েছেন, পেরিয়েছে সময়, চিকিৎসকরা এখনও নিজেদের দাবিতে অনড়। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে  পড়েছে রাজধানীতেও। এদিকে চিকিৎসা না পেয়ে বিপর্যস্ত রাজার হাজার হাজার রোগীও। মিলছে শিশু মৃত্যুর খবরও। বলা যায় কার্যত ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। চিকিৎসকদের দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই উল্টে ক্ষমা চাইতে হবে তাঁর মন্তব্যের জন্যে।