পোলবা পুলকার দুর্ঘটনায় আহত ছাত্র ঋষভের অবস্থার ক্রমেই অবনতি ঘটছিল। অবশেষে থেমে গেল সব লড়াই শনিবার ভোর পাঁচটায় সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মরেই গেল খুদে ঋষভ।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিল ঋষভ। ক্রমেই তার অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। কিডনি, লিভার, ফুসফুসের সংক্রমণ বেড়ে গিয়েছিল। মাল্টি অর্গান ফেলিওর হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। একমো যন্ত্রের সাপোর্ট থাকলেও অবস্থার কোনও উন্নতিই হচ্ছিল না দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ঋষভের। চিকিৎসকদের সব অস্ত্রই ব্যর্থ হচ্ছিল। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিল খুদে ছাত্রটি। অবশেষে সেই লড়াই থেমেই গেল।

আরও পড়ুন: করোনার সাথে ভারতে এবার সোয়াইন ফ্লু আতঙ্ক, বন্ধ হল তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার দফতর

এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওথোরাসিক ভাসকুলার সার্জারি বিভাগে পূর্ণ ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল ঋষভকে। কাজ করছিল না কিডনি সহ একাধিক অর্ডান। এই পরিস্থিতিতে ঋষভকে নিয়ে শুক্রবার দুপুরে ফের মেডিক্যাল বোর্ড বসে। একমো ও সম্পূর্ণ ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছিল ঋষভকে। 

আরও পড়ুন: প্রশ্নপত্র ফাঁসের 'হ্যাটট্রিক', এবার পরীক্ষা শুরুর আগেই হোয়াটসঅ্যাপে মিলল ভূগোলের পেপার

মাল্টি অরগ্যান ফেলিওর হয়েই শনিবার ভোরে মৃত্যু হয়েছে ঋষভ সিং-এর। শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ ঋষভের রক্তচাপ শূন্যে নেমে আসে। সংক্রমণ শরীরে ছড়িয়ে পড়াতেই মৃত্যু বলে হাসপাতাল সূত্রে জানান হয়েছে। 

শুক্রবার থেকেই ঋষভের শরীরে সংক্রমণ বাড়ছিল। ডায়ালিসিস করার ভাবনাও শুরু করেন চিকিৎসকার। তাকে ৩৮ ইউনিট রক্ত ও প্লাজমা দিতে হয়। কিন্তু এসব সত্বেও বাঁচানো গেল না দ্বিতীয় শ্রেণির খুদে পড়ুয়াকে। 

অন্যদিকে পুলকার দুর্ঘটনায় আহত আরেক ছাত্র দিব্যাংশুর অবস্থা এখন অনেকটাই স্থিতিশীল। দিব্যাংশুকে বৃহস্পতিবারই ভেন্টিলেশন থেকে বার করা হয়েছে। শুক্রবার মায়ের ডাকে সাড়াও দিয়েছে সে।