সেন্ট্রাল অ্য়াভিনিউতে বিজেপির মিছিল আটকালো পুলিশ। বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের। এরপরেই পুলিশের বাস এনে শুরু হয় আটক। বিজেপি বিধায়কদের টেনে হিঁচড়ে বাসে তোলার অভিযোগ।

আরও পড়ুন, আজই সম্ভবত তৃণমূলে প্রণব পুত্র, অভিজিৎকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

জানা গিয়েছে, আটক করা হয়েছে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভাপতি অগ্নিমিত্রা পালকেও। প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেছেন, আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি বলে আমাদের গ্রেফতার করছে কলকাতা পুলিশ।' এই মুহূর্তে পাওয়া খবর অনুযায়ী মিছিলে লাঠি চার্জ শুরু হয়েছে। একটা অংশ ভেঙে এগিয়ে যেতে পারলেও বাকিদের গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। চাঁদনি চক গণেশ অ্যাভিনিউয়ের কাছে ব্যারিকেড আগলে দাঁড়িয়ে পুলিশ। মিছিলে রয়েছেন রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, রাজু বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এদিকে রাজ্য়ে কোভিড পরিস্থিতিতে কোনওরকম জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ব্যারিকেডগুলির সামনে ব্যানার ঝুলিয়ে কোভিড বিধি নিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এই বিধি লঙ্ঘন করলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে আগেই জানানো হয়েছিল।  এহেন পরিস্থিতিতে পুলিশের তরফে বাধা আসবে, তা ভাল করেই জানতেন বিজেপি নেতারা। পুলিশি বাধা এড়াতে মহিলাদের সামনে রেখে মিছিলের পরিকল্পনা নেয় বিজেপি। তবে শেষ অবধি তাতেও কাজ হয়নি। শেষ অবধি মহিলাদেরও আটক করা হয়।

আরও পড়ুন, সলিসিটর জেনারেলের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠক, তুষার মেহতার অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি তৃণমূলের 

প্রসঙ্গত,  সোমবার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের প্রতিবাদে পুরসভা ঘেরাওয়ের পরিকল্পনা ছিল রাজ্য় বিজেপির। উল্লেখ্য, 'কসবা ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূল নেতারা জড়িত' বলে প্রথম থেকেই অভিযোগ করে আসছে বিজেপি। বিশেষ করে দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে শাসকদলের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের ছবি প্রকাশ্যে আসতে তা আরও উসকে গিয়েছে। সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে মামলাও করা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এদিন প্রতিবাদে নামে গেরুয়া শিবির।