তৃণমূলের মন্ত্রিসভা ছাড়ার দুই সপ্তাহ পর বিধায়ক পদ ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফা পত্র দেন তিনি। শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন পুরুলিয়ায় এক কংগ্রেস বিধায়ক। গত ২৮ নভেম্বর রাজ্য মন্ত্রিসভার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। আজ তিনি বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা পত্র জমা দেন। ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু।

আরও পড়ুন-উত্তরবঙ্গ কি বিজেপির গড়, কোচবিহার থেকে পালটা প্রত্যাঘাতের ডাক মমতার

বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ বিধানসভায় যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে নিজের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে গেলে অনুপস্থিত ছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। অধ্যক্ষ না থাকায় বিধানসভার সচিবের কাছে ইস্তফা পত্র দেন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সচিবকে ইস্তফা পত্র দিয়ে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ইমেল করে ইস্তফা পত্র পাঠান শুভেন্দু।

আরও পড়ুন-'মুসলিম ভোটাররা আপনার জাগির নয়', বিহার ভোট নিয়ে মমতার কটাক্ষের পালটা জবাব ওয়াইসির

আগামী শনিবার রাজ্য সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, অমিতের মেদিনীপুরের সভা রয়েছে। তার আগেই দিল্লিতে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন শুভেন্দু। আবার, অমিত শাহের উপস্থিতিতে মেদিনীপুরের সভায় শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর।

নন্দীগ্রাম আন্দোলন থেকেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অনুগত সৈনিক ছিলেন তৎকালীন দক্ষিণ কাঁথির সাংসদ শুভেন্দু অধিকারী। ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার গঠনের পর থেকেই দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন শুভেন্দু। কিন্তু একুশের বিধানসভা ভোটের আগে দল থেকে অনেক দূরে সরে যান তিনি। দুই সপ্তাহ আগে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। ছেড়ে দেন একাধিক সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদ। এবার বিধায়ক পদেও ছাড়লেন বাংলার জনপ্রিয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী।