টলিপাড়ায় পা রাখলেও ঝান্ডা গাঁড়তে পারল না বিজেপি। টালিগঞ্জের আর্টিস্ট ফোরামের নির্বাচনে প্রায় সব পদেই জয় পেল তৃণমূল ঘনিষ্ঠরা। যার জেরে বিধানসভা ভোটের আগে একটা বড় ধাক্কা খেল বিজেপি ব্রিগেড। 

তাপস সহ তিন মৃত্যুর জন্য দায়ী কেন্দ্র, বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

লোকসভা ভোটের আগে থেকেই শুরু হয়েছিল কাজ। টালিগঞ্জে প্রভাব বিস্তার করতে বিভিন্ন শিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য়ে ১৮ টি আসন পাওয়ার পর গেরুয়া হাওয়ায় ভাসতে শুরু করে টালিগঞ্জ। পার্নো মিত্র থেকে রূপাঞ্জনা অনেক শিল্পীই যোগ দেন বিজেপিতে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আর্টিস্ট ফোরামের পদ ছাড়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় জল্পনা। সবার মুখেই এক কথা। তবে কি তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের হাত থেকে বিজেপির হাতে চলে আসবে আর্টিস্ট ফোরাম?

কী গল্প কলকাতাকে শোনাল রোবট কন্যা সোফিয়া, দেখুন সেরা ১২ ছবি

বাস্তবে দেখা গেল তৃণমূল ও বাম ঘনিষ্ঠদের ওপরই ভরসা রাখল টালিগঞ্জের শিল্পীরা।  গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীদের পিছনে রেখে ফোরামের কার্যকরী সভাপতি হলেন শংকর চক্রবর্তী। পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়। ফোরামে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন বিশিষ্ট অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। রবিবার দিনভর ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচারস আর্টিস্ট ফোরামের নতুন কমিটি তৈরির জন্য ভোটগ্রহণ পর্ব চলেছে। 

কেজরিওয়ালের পথ ধরেই কি বিধানসভার বৈতরণী পার হতে চাইছেন মমতা

সোমবার ফল প্রকাশের পরই আগামী ২ বছরের জন্য আর্টিস্ট ফোরাম চলে গেল তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের হাতে। ফল প্রকাশের পর সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি  শংকর চত্রবর্তী বলেন, বুম্বাদা যদি আর্টিস্ট ফোরামের কোনও একটি দায়িত্বে থাকতেন, তাহলে খুব ভাল হত। উনি নিজে এই পদ ছেড়ে যাওয়ার আগে অবশ্য বলেছিলেন, এবার এখানে শংকর লডুক।প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পদ ছাড়ার পরই আমাকে এই পদে সমর্থন করার কথা বলেছিলেন। আমি ধন্যবাদ জানাই সকল কলাকূশরীদের। সবাই তাঁর কথা মেনেই ভোট দিয়েছেন। ভরতের সঙ্গে আমার খুব বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা হয়েছে। ও খুব কম ভোটে পিছিয়ে। 

কার্যকরী সভাপতি – শংকর চক্রবর্তী, সহ সভাপতি – পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় , সাধারণ সম্পাদক – অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়, সহ সম্পাদক – রানা মিত্র, দেবদূত ঘোষ, যুগ্ম সম্পাদক – শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি রায়

এ বছর কার্যকরী সভাপতি হওয়ার দৌড়ে শংকর চক্রবর্তী, ভরত কল, অঞ্জনা বসু ও পার্থসারথি দেবের নাম ছিল। কিন্তু শেষ হাসি হাসেন শংকর চক্রবর্তী। জানা গেছে, ফোরামে বিজেপি  ঘনিষ্ঠরা হারলেও এবার তাদের ভোটের সংখ্যা বেড়েছে। তাই এখনই হাল ছাড়ার পাত্র নয় বিজেপি ব্রিগেড।