আঁচিলের জন্য অনেক সময়ই অস্বস্তি বা বিরক্তি বোধ করেন অনেকেই। তাই কসমেটিক পদ্ধতির পরিবর্তে প্রাকৃতিক পন্থা বেছে নিতে পারেন, যষ্টিমধু দিয়েই ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল সরানোর কার্যকর ও নিরাপদ পরামর্শ দিচ্ছেন ডা. ঐশ্বর্য।

ব্রণ, ফুসকুড়ির মতো সমস্যা যদিও বা নিজে থেকে কমে যায়, আঁচিল ভীষণ নাছোড়বান্দা। ঘরোয়াভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা কাজে আসে না বললেই চলে। যদিও এটি ক্ষতিকর নয়, তবুও দেখতে অস্বস্তিকর ও মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে। অনেকেই কসমেটিক সার্জারি বা ডার্মাটোলজিক ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে এর থেকে মুক্তি পেতে চান। কিন্তু ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করেও এটি সম্পূর্ণরূপে দূর করা সম্ভব, এমনটাই জানাচ্ছেন ডা. ঐশ্বর্য তাঁর সাম্প্রতিক ইউটিউব ভিডিওতে।

আঁচিল কী ও কেন হয়?

আঁচিল এক ধরনের ছোট, নরম, চামড়ার রঙের টিস্যু যা সাধারণত গলা, বগল, চোখের পাতা, স্তনের নিচে, শরীরের ভাঁজে দেখা যায়। বিভিন্ন ভাইরাস, হরমোনের পরিবর্তন, ওজনবৃদ্ধিজনিত কারণে ঘর্ষণ, ভাইরাল সংক্রমণ, বংশগত কারণেও হয়ে থাকে।

সারাতে যা যা ঘরোয়া উপকরণ লাগবে-

* যষ্টিমধুর পাউডার বা গুঁড়ো

* অ্যাপল সাইডার ভিনেগার বা নারকেল তেল

যষ্টিমধুতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান। যা ত্বকের সংবেদনশীল জায়গা গুলোকে শান্ত করে ও টিস্যুর প্রাকৃতিক ক্ষয় প্রক্রিয়াকে বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও বেস হিসেবে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার বা নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন তবে অস্বস্তির হাত থেকে বাঁচতে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন?

১. এক চামচ লিকোরিস পাউডারের সঙ্গে সামান্য নারকেল তেল মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। ২. যেখানে আঁচিল রয়েছে, সেই জায়গায় দিনে ২ বার এই মিশ্রণ লাগান। ৩. কমপক্ষে ১৫–২০ দিন নিয়মিত ব্যবহার করুন।

কখন ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন?

উপরোক্ত ঘরোয়া পদ্ধতি প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ কিছু ক্ষেত্রে, তবে বিশেষ দরকারে ডাক্তার দেখানো জরুরি, যেমন- আঁচিল হঠাৎ রঙ বা আকার পরিবর্তন করলে, ব্যথা বা রক্তপাত শুরু হলে, অনেকগুলো নতুন আঁচিল বা তিল একসঙ্গে দেখা দিলে, কোনও জায়গা অস্বাভাবিক রকম চুলকালে বা ফুলে উঠলে। এসব লক্ষণগুলি বিশেষ কোনো রোগের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে তাই নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

বিশেষ দ্রব্যষ্টঃ এই প্রতিবেদন শুধুমাত্র তথ্য সরবরাহের জন্যই। এজাতীয় সমস্যা থাকবে অবশ্যই কোনও পদক্ষেপ করার আগে চিকিৎসের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।