সেলিয়াক রোগের সম্ভাব্য কারণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এক বিশেষ ব্যকটেরিয়া যা  গ্লুটেন প্রোটিনের সদৃশ্য। গবেষকদের মত এটি একটি বংশগত অটোইমিউন-জাতীয় অবস্থা যা অষ্ট্রেলিয়ার ৭০ জনের মধ্যে একজনের রয়েছে। সিলিয়াক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আজীবন গ্লুটেন মুক্ত ডায়েট অনুসরণ করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২ কোটি ২৪ লক্ষ মানুষ মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত। সাধারণ পুরুষের তুলনায় নারীরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। যৌবনে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।

আরও পড়ুন- শীতকালে সর্দি-কাশির সমস্যা সমাধানে, রইল কিছু অব্যর্থ ঘরোয়া প্রতিকার

লেডেন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার এবং ওয়াল্টার এবং এলিজা হল ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল রিসার্চের গবেষকদের সহযোগিতায় এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে নেচার স্ট্রাকচারাল অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি জার্নালে। মোনাশ বায়োমিডিসিন ডিসকভারি ইনস্টিটিউট (বিডিআই) এবং এআরসি সেন্টার অব এক্সিলেন্স ইন এডভান্সড মলিকুলার ইমেজিংয়ের বিজ্ঞানীরা এখন সিলিয়াক রোগের বিকাশের সম্ভাব্য পরিবেশগত কারণ হিসাবে মাইক্রোবায়াল এক্সপোজারের জন্য একটি আণবিক ভিত্তির উপর গবেষণা করছেন। গবেষনা থেকে জানা গিয়েছে এই রোগ ও এর বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে।

আরও পড়ুন- শিশুর দাঁত মজবুত করতে ভরসা রাখুন এই খাবারগুলিতে

সেলিয়াক রোগ কী? সেলিয়াক হল এক ধরনের অটোইমিউন ডিজিজ। যা জন্মগত কারণেও হতে পারে। এই রোগের ফলে ডায়রিয়া, স্টিয়াটোরিয়া, পুষ্টি ও ভিটামিনের অভাব এবং শিশুরা দৈহিক উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। এই রোগ টাইপ ১ ডায়াবেটিস, অটোইমিউন ডিজঅর্ডার, মাইক্রোস্কপিক কোলাইটিস, ল্যাক্টোজ ইন্টলারেন্স, ডাউন সিন্ড্রোম এবং ইন্টেস্টাইনাল ক্যান্সার রোগীদের বেশি হয়ে থাকে। এই রোগ থেকে পুরোপুরি সুস্থ হতে কয়েক মাস অথবা কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। এই রোগ থেকে মুক্তির জন্য খাদ্য তালিকা থেকে তাই গ্লুটেন জাতীয় খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।