পরিচালকঃ প্রতীম ডি গুপ্ত

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ ঋত্বিক চক্রবর্তী, পাওলি দাম

গল্পঃ শান্তিলাল একজন সাংবাদিক, কর্ম জগতে তাঁর সেভাবে মন না বসায় তিনি একটু ভিন্নস্বাদের খবরের পেছনে ঘোরার কথা ভাবেন। এমনই সময় প্রকাশ্যে আসে চলচ্চিত্র জগতের নায়িকা, যাঁর পর্দার দাপটের পেছনে রয়েছে অজানা সত্য, কী এই রহস্য তারই খোঁজে শান্তিলাল।

অভিনয়ঃ অভিনয় নিয়ে কখনও কোনও আখেপ রাখেননি ঋত্বিক চক্রবর্তী। চরিত্রের চাহিদা অনুসারে ষোলকলা পূরণ করলেন তিনি। কিন্তু কোথাও যেন পাওলি দামের প্রাণের অভাব ছিল ছবিতে। শুধু তাই নয়, মধ্যে কেটে যাওয়া বেশ কিছু বছরের তাঁর চারিত্রও ও শারীরিক পরিবর্ত  না হওয়াতেও দর্শকের মনে কিন্তুর সৃষ্টি হয়। 

চিত্রনাট্যঃ ছবির চিত্রনাট্যে অনেক বেশি খামতি থাকার কারণেই ছবিটি দানা বাঁধতে পারলা না সেভাবে। ছাপসা মধ্যবিত্ত সাংবাদিকের সিঙ্গাপুরে পাড়ি দেওয়া থেকে শুরু করে পাওলি দামের দীর্ঘ ২০-ত্রিশ বছরের কেরিয়ার, সেখানে তাঁর চোখে মুখে রইল না কোনও বয়সের ছাপ, রইল না কোনও পার্থক্য। ছবিটিকে যদি রহস্য ছবিরই তকমা দিতে হয় তবে ছবির শেষ অংশ নিয়ে বেজায় প্রশ্ন জাগে মানুষের মনে। রহস্যটা কী! তা আদৌ কতটা খোলসা হবে! সে বিষয় প্রকাশ্যে কিছু বোঝা গেল না ছবি থেকে।  

সিনেমাটোগ্রাফিঃ সিনেমাটোগ্রফির দিক থেকে এই ছবি বিশেষ কোনও ছাপ রেখে গেল না। তবে শুভঙ্কর ভড়ের ক্যামেরার কাজ অনবদ্য। প্রথা মেনেই এই বিষয় তিনি নজর কাড়লেন সকলের। যার ফলে এই দিক থেকে ছবিটি একধাপ এগিয়ে রইল। প্রতিটি ফ্রেমই যেন যত্ন সহকারে তৈরি। 

পরিচালনাঃ ভিন্ন ঘরানার ছবিই বেশ তৈরি করে থাকেন পরিচালক। এই প্রথম এই ধরনের ছবির কাজে হাত দিলেন তিনি। কিন্তু তা থেকে মন ভরল না দর্শকদের। রহস্যকে সুন্দরভাবে ফুঁটিয়ে তোলা তো দুরের কথা তা সঠিকভাবে দানাই বাঁধল না পর্দায়।