পরিচালকঃ নিখিল আডভানি

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ জন আব্রাহম, ম্রুনাল ঠাকুর 

গল্পঃ  দিল্লি পুলিশ স্পেশাল সেলের অফিসার সঞ্জীব কুমার যাদবের একটি আন্ডার কভার অপারেশ নিয়ে তৈরি এই ছবির গল্প। যেখানে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল তাঁর এনকাউন্টারকে ঘিরে। বাটলা হাউসের এই অপারেশনে মারা গিয়েছিলেন দুই জঙ্গিসহ এক পুলিশ অফিসার। ধামা চাপা পড়ে থাকা সেই অফিসারের গল্পই ফুটে উঠেছে বাটলা হাউসের মধ্যে দিয়ে। 

অভিনয়ঃ এই ছবির প্রাণ কেন্দ্র ছিল জন আব্রাহম। পরিচিত ভুমিকায় পাওয়া গেল জন আব্রাহমকে। এই ধরনের চরিত্রে জন বরাবরই নিজের বিশেষত্ব রাখার চেষ্টা করে। এই ছবিতেও তাঁর ব্যতিক্রম রইল না। প্রথম ছবি হিসেবে ম্রুণাল ঠাকুরও বেশ নজর কাড়ল সকলের। তবে তাঁর চরিত্র কম থাকায় সেভাবে অভিনয়ের সুযোগ পেলেন না তিনি। তবে ছবিতে এক ঝলক হলও নোরা নিজের পরিচিত ছাপ রেখে গেলেন।  

চিত্রনাট্যঃ চিত্রনাট্যে খানিক খামতি থেকে গেল এই ছবিতে। প্রথমার্ধ থেকে দ্বিতীয়ার্ধ অনেক বেশি আকর্ষণীয়। প্রথমে দর্শকদের মনোসংযোগ খানিকটা হারিয়েছে এই ছবিতে। তবে ছবির পরের অংশে তা অনেকখানি পুরণ করে দেয়। জনের মুখে সংলাপ অনেক বেশি পরিণত, যা এই ছবিতে এক বিশেষ মাত্রা দিয়েছে। 

সিনেমাটোগ্রাফিঃ ছবিতে ক্যামেরার বিশেষ ভুমিকা দেখা না গেলেও, এই ছবিতে এডিটিং  নিয়ে প্রশ্ন তুছেন অনেকেই। দ্রুততার সঙ্গে ছবির উপস্থাপনার ফলে তা দর্শকদের চোখে লাগে। ছবিতে সেভাবে গ্রাফিক্সের কাজ নেই। ক্যামেরা অধিকাংশ সময়ই স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রেখে পরিকল্পনা করা হল। তবে তা আরও ভালো হতে পারত। 

পরিচালনাঃ পরিচালনার ক্ষেত্রে এই ছবি কোনও বিশেষে ছাপ রাখল না। কারণ এই ধরনের ছবিতে জনকে দেখে যাঁরা অভ্যস্থ তাঁদের কাছে নতুন কিছু লাগবে না, একই ধাঁচে ও একই ছাঁচে গড়া এই ছবির আদ্যপান্ত। যার ফলে অনেকেরই মনে হতে পারে ছবিতে জন আব্রাহম অনেক বেশি প্রেডিক্টেবল। তবে প্রেক্ষাগৃহ থেকে বেড়িয়ে আসার পর দর্শকদের মনে খানিক স্বস্তি থাকবে, কারণ ছবির শেষ অনেক যত্নের সঙ্গে তৈরি করা হয়েছে।