পরিচালকঃ মৈনাক ভৌমিক
অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ ঋতব্রত, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়

গল্পঃ  শহরের বিখ্যাত মিষ্টির দোকানের মালিক খুন। সেই দিকেই কড়া নজর শান্তিলালের। তিনি তাঁর থার্ড আই হিসেবে নিয়োগ করলেন বিক্রমকে। জুনিয়র গোয়েন্দার সবজান্তা স্বভাবেই একের পর এক রহস্যের জট খুলতে পারেন শান্তিলালা, শেষে পৌঁছে যান আসল খুনির কাছে।    

অভিনয়ঃ ছবিতে ঋতব্রতর অভিনয় বেশ খানিকটা চোখে লাগে। তাঁর রোবটের মত আচরণ কোথাও গিয়ে সিনেমার খামতি হয়ে দাঁড়ায়। তবে শান্তিলাল তাঁর চরিত্রে অনবদ্য। কোথাও গিয়ে ছবির বেশ কিছু জায়গায় একটু বেশিই নাটকিয় লাগে। তবে অভিনয় নিয়ে বিশেষ কিছু বলার জায়গা রাখল না জুনিয়র গোয়েন্দা। অনুষ্কা ছবিতে অভিনয়ের তেমন সুযোগ পায়নি।  

চিত্রনাট্যঃ রহস্য থাকলেও তার সমাধানে রইল একাধিক খামতি। বিক্রমকে একটু বেশিই জ্ঞানী করতে গিয়ে তা যেন মুখোস্থ বিদ্যের জায়গা দখল করে। গোটা ছবিতেই সিনিয়র গোয়েন্দা আর জুনিয়র গোয়েন্দার মেল বন্ধন। সংলাপেও বেশ কিছুটা খামতি নজরে আসে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বেশ কিছু অংশে ফাঁক থেকে গেল। বিশেষ কিছু অংশে কোথায়, কেন, কখনের উত্তর পাওয়া গেল না।  

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ ছবির পরিচালক মূলত নজর দিয়েছিলেন ছবির সিনেমাটোগ্রাফির দিকে। প্রথম থেকেই ছবিতে এক ঝাঁচকচকে বিষয় নজরে পড়ে। তবে আরও একটু অন্য ধাচের হতে পাড়ত ছবির ক্যামেরা। অতিসাধারণভাবেই পর্দায় তুলে ধরা হল এই ছবিকে।    

পরিচালনাঃ গোয়েন্দ গল্প নিয়ে পরিচলকদের খানিক যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। কারণ দর্শক উপভোগ করার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম থেকেই প্রয়োগ করতে থাকেন নিজের বিচার বুদ্ধি। যার ফলে ছবির কোনও বিশেষ অংশে যদি খামতি থেকে যায় তবে তা ঘিরে মনোসংযোগ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে প্রবল। এক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটল।