পরিচালনাঃ নভদ্বীপ সিং
অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ সইফ আলি খান, মানাভ জি, দীপক দোব্রিয়াল, সাইমন সিং

গল্পঃ ভারতবর্ষ তখনও দেখেনি স্বাধীনতার মুখ। এমনই পরিস্থিতিতে যখন উত্তাল দেশের এক অংশ তখনই অন্য অংশে চলছে অরাজকতা, কুসংস্কারের তাণ্ডব। সেনাদের অত্যাচার, এমনই পরিস্থিতিতে সামনে উঠে আসেন এক নাগা সাধু। যাঁর দাপটে বুন্দেলখণ্ডের আনাচে কানাচে নেমে আসত নিস্তব্ধতা। 

চিত্রনাট্যঃ গল্পে একটা সুন্দর বার্তা থাকলেও চিত্রনাট্যের মাধ্যমে তা তুলে ধরা গেল না। কোথাও গিয়ে যেন বেজায় খামতি রয়ে গেল এই ছবির আদ্যপান্ত জুড়ে। ট্রেলার লঞ্চ-এর পর থেকেই ছবি ঘিরে ছিল বেশ উত্তেজনা। কিন্তু ততটা গুছিয়ে ওঠা গেল না ছবির ক্ষেত্রে। গল্প বলার ধরন খানিকটা দীর্ঘ হয়ে ওঠায় বেশ সমস্যায় পড়তে হয় চরিত্রদের। 

অভিনয়ঃ সইফ আলি খান নিজের দিক থেকে কোনও প্রকার খামতি ছাড়েনি এই ছবির ক্ষেত্রে। অভিনয়ের দাপটেই এক মাত্র টেনে নিয়ে যাওয়া যায় এই ছবিকে। তবে কোথাও গিয়ে সেই চেষ্টা যেন যেন ব্যর্থ হয়ে ওঠে শুধু মাত্র সঠিক ভাবে গল্প না বলার কারণে। ছবিতে অন্যান্য চরিত্ররাও বেজায় নজর কাড়ে। 

সিনেমাটোগ্রাফিঃ ছবিতে ক্যামেরা করা হয় খুবই যত্ন সহকারে। প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্যামেরার একটি নির্দিষ্ঠ মাপকাঠি ছিল। পর্দায় দৃশ্য ফুঁটিয়ে তোলার ক্ষেত্রেও যেন এক বিশেষ ছাপ রেখে গেল এই ছবি। সিক্যুয়েন্স গুলোকে যুব যত্ন করে শ্যুট করা হলেও কোথাও গিয়ে যেন ছবির আদ্যপান্ত জুড়ে খামতির ছাপ থেকে গেল। 

পরিচালনাঃ অন্যান্য ছবির তুলনায় এই ছবিতে পরিচালকের ছাপের বরই অভাব নজরে আসে। গল্পে সেভাবে বিষয়বস্তু না থাকায় চরিত্রের ওপর জোর দেওয়া হয়। যা চোখে লাগে। কোথাও গিয়ে মনোসংযোগ হারাতে হয় দর্শকদের। গল্প দীর্ঘ হওয়ার কারণে খামতিগুলো অতিমাত্রায় নজরে আসে। পরিচালনার ক্ষেত্রে আরও একটু বেশি যত্নশীল হওয়া যেত।