পরিচালকঃ রাজ চক্রবর্তী
অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ ঋত্বিক চক্রবর্তী, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী

গল্পঃ মেহুল-বাবাই দার প্রেম পর্যায় দিয়ে শুরু গল্প। সেখান থেকেই স্বপ্ন দেখা শুরু। কিন্তু হঠাতই পরীক্ষার ফলাফলের দিন মেহুল জানতে পারে বাবাইদার আত্মহত্যার কথা। সেখান থেকেই বদলে যায় জীবন, মেহুলই কি ছিল বাবাই দার মনে! প্রশ্নে মুখে পড়তে হয় মেহুলকে, চিঠি পেয়ে বদলে যায় মেহুলের ভালোবাসা। 

অভিনয়ঃ অনবদ্য অভিনয় করেছেন সকলেই। কড়া শাসন থেকে শুরু করে ভালোবাসা, স্নেহ সব ভূমিকাতেই যেন বাবাই দা দশে দশ। অন্য দিকে স্কুলের গণ্ডি না পেড়তেই মেহুল নিজের জীবনে খুঁজে পায় তার স্বপ্নের রাজকুমারকে।  সারল্যতার সঙ্গে অভিনয় করে সকলের নজর কাড়লেন শুভশ্রী। গৌরব চক্রবর্তীও ছবিতে বেজায় নজর কাড়া অভিনয় করেছেন। 

চিত্রনাট্যঃ গল্পের বেশ কিছুটা অংশ মনে জায়গা করে নিলেও, বেশ কিছু অংশ আবার প্রশ্ন তুলে ধরে। ছবিটিতে মেহুলের দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরা হয়েছে। তার হাত ধরেই চেনা বাবাই দাকে। কিন্তু বাবাই দার মনে কী ছিল তা বোঝা দায়। তবে মেহুলের পরীক্ষার ফলাফলের দিন তাঁর আত্মহত্যা, ধর্ষণের মামলায় জড়িয়ে পরার পরও বাড়িতে থেকে যাওয়া, সব মিলিয়ে যেন কোথাও একটা কিন্তু থেকে গেল। 

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ ছবিতে সিনেম্যাটোগ্রাফির এক বিশেষ দিক রয়েছে। অনবদ্য ঝাঁচকচকে ছবি তুলে ধরা হল পর্দায়। মেহুল ও বাবাই দার সম্পর্কের খুনসুটি , তাঁদের আলাপাচারিতা, পাশে থাকা, সম্পর্ক ভাঙা সবই যেন নাটকিয় কায়দায় পর্দায় তুলে ধরা হল। যা ছবিকে একটি বিশেষমাত্রা দিল।     

পরিচালনাঃ ছবির পরিচালনা নিয়েও বিশেষ কিছু বলার থাকে না। এই ধরনের ছবি পরিচালনা করতে রাজ চক্রবর্তী সিদ্ধহস্ত। প্রেম, প্রেম থেকে বিচ্ছেদ, সবই যেন যত্ন সহকারে সাজিয়ে রাখলেন রাজ। ছবির চিত্রনাট্যে খানিক বদল হলে হয়তো এই ছবির উপস্থাপনা একটু ভিন্ন হতে পারত। মোটের ওপর বাবাই দা-কে না পাওয়াই যেন ছবির মূল ইউএসপি হয়ে গেল।