পরিচালকঃ হিতেশ কৈবল্য

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ আয়ুষ্মান খুরানা, জিতেন্দ্র কুমার, নীনা গুপ্তা, গজরাজ রাও

গল্পঃ ছেলের সম্বন্ধ দেখা শুরু হয় বাড়ি থেকে, না ছেলের পাত্রী নয়, পাত্রী পছন্দ। এমনই পরিস্থিতির মুখে পড়ে হতবাক আয়ুষ্মান খুরানার পরিবার। ছেলের মুখে এ কথা শোনা মাত্রই মাথায় আসে সমাজ কী বলবে! গল্পের প্রতিটি ভাঁজেই যোগ্য উত্তর দিয়ে বেড়ে চলে গতি। পরিশেষে কী পরিণতি হয় আয়ুষ্মানের সম্পর্কের, কীভাবে পাশে পায় পরিবারকে, ছবি সেই গল্পই বলে। 

অভিনয়ঃ অভিনয়ের ক্ষেত্রে আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না আয়ুষ্মান। প্রতিটি চরিত্রই তিনি পর্দায় যেভাবে ফুঁটিয়ে তোলেন তা প্রশংসার দাবি রাখে। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটল না। চোখ ধাঁধাঁনো অভিনয়, ততই ভালো চরিত্রের উপস্থাপনা। এক কথায় আবারও অভিনয়ে বাজিমাত করলেন আয়ুষ্মান খুরানা। 

চিত্রনাট্যঃ চিত্রনাট্যের দিক থেকে কোথাও কোনও খামতি রাখা হয়নি। সমাজের অতি প্রাসঙ্গিত একটি বিষয়কে যত্নের সঙ্গে পর্দায় চুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। মজার ছলে অনঢ়গল বলে চলা একরাশ বাস্তব কাহিনি, যা পরতে পরতে ছবিতে উপভোগ করে দর্শক। কোনও বিশেষ প্রেক্ষাপটে নয়, ভালোবাসার মোড়কে গড়া হয়েছে এই ছবিকে। 

সিনেমাটোগ্রাফিঃ সিনেম্যাটোগ্রাফি নিয়ে বিশেষ কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না এই ছবি। পর্দায় ঝাঁচকচকে উপস্থাপনা। মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রেক্ষাপটে তৈরি গল্পকে খুব যত্নের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। প্রথম থেকেই গল্পে একাধিক মোড়। যা দর্শককে ভাবতে শেখাবে। পরিস্থিতিতে অনেকবেশি সহজ আকারে তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। 

পরিচালনাঃ পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ প্রশংসার দাবি রাখে। কারণ, সমকামীতাকে এত যত্নের সঙ্গে তুলে ধরেছেন পর্দায়, যা একটি পারিবারিক ছবির আকার ধারন করেছে। স্বাভাবিক সম্পর্কের মতই যে এ অনুভূতিও স্বাভাবিক, তা জোর গলায় বলার ক্ষমতা রাখে এই ছবি। তাই ভারসাম্য বজায় রেখেই সংলাপের তোপ ব্যবহার করা হয়েছে ছবিতে।