রিচা বড়ুয়া, বিনোদন সম্পাদক, এশিয়া নেট নিউজ
পরিচালকঃ এফ গ্রে গ্রে 
অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ ক্রিস হেমসওর্থ, তেসা থমসন, রেবেকা ফারগুসন, কুমাইল নানাইজানি, এমা থমসন, লিয়াম নেসন।

গল্পঃ ম্যান ইন ব্ল্যাক ছবিতে একটি মেয়ের জার্নির গল্প ফুঁটে ওঠে। যার নাম মোলি। তার চোখে ছোট থেকেই একটাই স্বপ্ন, সে এজেন্সি ম্যান ইন ব্ল্যাক-এ যোগদান করতে চায়।  সে জগত ঘুরে দেখতে বেশি পছন্দ করে, তার দুচোখে সত্য খোঁজার স্বপ্ন। ছবিতে একদিকে যেমন উঠে এসেছে মোলির গল্প তেমনই অন্য দিকে প্রাধান্য পেয়েছে এজেন্ট এইচ-এর রহস্য। 
অভিনয়ঃ প্রথম থেকেই এই ছবির স্টারকাস্টদের নিয়ে অনেক আশা জন্মেছিল দর্শকের মনে। কিন্তু এবার সেই ছবিতেই দেখা গেল দুই নতুন মুখ। ক্রিস হেমসওর্থ ও তেসা থমসন। যাদের অভিনয় দক্ষতা ততটা নজর কাড়ল না দর্শকের। ফলেই শুরুতেই থেকে গেল খামতি। কোথাও যেন দর্শক পর্দা জুড়েই খুঁজে বেড়ালেন টমি লি জন ও উইল স্মিথকে। তবে ছবিতে পাওন চরিত্রের একটি বিশেষ ভুমিকা রয়েছে। সেই চরিত্রেই মোলিকে পাওয়া যায় হালকা মেজাজে।
চিত্রনাট্যঃ ছবির চিত্রনাট্য অসংখ্য টানাপোড়েন থাকলেও মাঝে মধ্যে স্বস্তি দিয়েছে মোলি। তার মজার সংলাপ অনেকটা ছবির জড়তাকে কাটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে। যে কিনা পৃথিবীর বুকে লুকিয়ে থাকে, বাইরের গ্রহ থেকে সংঘাত হানার প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করাই যার লক্ষ্য। গল্পের পটভূমি আরও একটু জোড়ালো ও ধারালো হলে তা দর্শকের মনে দাগ কাটতে পারত। 
সিনেমাটোগ্রাফিঃ এই ধরনের হাইটেক ছবিতে নিঃসন্দেহে সিনেমাটোগ্রাফির একটা ভুমিকা থাকে। ছবির ট্রেলার দেখেই সকলের সামনে উঠে এসেছিল। অসাধারণ ভিএফএক্স, ও সিজিআই-এর ব্যাবহারে ছবিটি অন্য মাত্রা পেয়েছ। ক্যামের সুন্দর উপস্থাপনায় ছবির অন্য খামতিগুলো অনেক অংশে চাপা পরে যায়। 
পরিচালনাঃ যেহেতু ছবির দূর্বল চিত্রনাট্য ফলেই নতুন করে আর পরিচালকের কিছু করার রইল না এই ছবিতে। সংলাপও আরেকটু জোড়ালো হতে পারত। সেই সব খামতিই ফুলে উঠল ছবির পরতে-পরতে। যার ফলে পরিচালনাতে নিজের সবটা দেওয়ার পরও নজর কারল না ম্যান ইন ব্ল্যাক ছবি। ছবির স্টার বদলের সিদ্ধান্তও এই ছবির অপর এখ খামতির কারণ। যদিও ছবির শেষ অংশ সেই সব না পাওয়াকে অনেকটা পূর্ণ করে দেয়। অসাধারণ ক্লাইম্যাক্স-এ মন জয় করল ম্যান ইন ব্ল্যাক।