পরিচালকঃ অভিষেক শর্মা

অভিনেতা-অভিনেত্রীঃ সোনাম কাপুর, অনিল কাপুর, দুলকার সলমন

গল্পঃ ভারতের বিশ্বকাপ জেতার দিনই জন্ম হয় জোয়ার। সালটা ১৯৮৩। তখন থেকেই ভারতের ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর এক নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়। সমস্যা তৈরি হয় তাঁর বেড়ে ওঠার পর। সেখান থেকেই শুরু নয়া জল্পনা। জোয়ার কথায় নাকি ক্রিকেট টিম ওঠে বসে। তাঁর ইচ্ছেতেই ছক্কা হাঁকায় টিম। কিন্তু এমনভাবেই যখন জোয়া প্রায় মাতাজি হয়ে ওঠেন, তখন তিনি অনুভব করেন তিনি জড়িয়ে পড়েছে ম্যাচ ফিক্সিং-এর সঙ্গে।   

অভিনয়ঃ ছবিতে একাই ছক্কা হাঁকালেন সোনাম কাপুর। ছবির আদ্যপান্ত জুড়ে বয়ে নিয়ে যাওয়ার দায় ছিল বোধ হয় একা তাঁরই।  ফলে বাকিতে সেই অর্থে পাওয়া গেল না ছবিতে। সাংবাদিক জোয়াকে যখন ক্রিকেট টিমের ফোটো তুলতে পাঠানো হয়, তখন থেকেই জীবনের মোড় ঘুরে যায় জোয়ার। প্রতিটি ধাপেই সোনাম নিজের চরিত্র সুন্দরভাবে ফুঁটিয়ে তুলেছে। দুলকারের অভিনয়ও বেশ যত্নশীল। 

চিত্রনাট্যঃ হাস্যরস, মজা, ড্রামা, রোম্যান্স প্রতিটি উপাদানই সমান অনুপাতে ধরা দিল এই ছবিতে। লাকি চার্ম থেকে শুরু করে বাস্তব, অন্ধবিশ্বাস, সবই কোথাও যেন মিলে মিশে একাকার হয়ে গেল। ফলে ছবিটির চিত্রনাট্য যথেষ্ট মনে ধর দর্শকদের। ফ্যামিলি মেলোড্রামা থেকে খানিক ভিন্ন স্বাদের এই ছবির মুলেই রয়েছে তার সংলাপ। 

সিনেম্যাটোগ্রাফিঃ ছবির পরিচালক মূলত নজর দিয়েছিলেন ছবির সিনেমাটোগ্রাফির দিকে। প্রথম থেকেই ছবিতে এক ঝাঁচকচকে বিষয় নজরে পড়ে। ক্রিকেট মাঠ থেকে শুরু করে রোম্যান্টিক দৃশ্য, সবই যেন একটু বিশেষ যত্নসহকারে তুলে ধরা হল এই ছবিতে।      

পরিচালনাঃ লার্কি চার্ম না বাস্তবে কঠোর পরিশ্রম, দুইয়ের সামঞ্জস্য রেখেই তৈরি হল জোয়া ফ্যাক্টর। প্রতিটি ধাপেই যেন বিশ্বাস-অবিশ্বাসের টানা পোড়েন। ফলে কোনও দিকেই বেশি ঝোঁকার সাহস নিলেন না পরিচালক। ছবির সংলাপ থেকে শুরু করে উপস্থাপনা, বেশ মজা করেই তৈরি এই ছবি। যদিও প্রথমার্ধ থেকে ছবির দ্বিতীয়ার্ধেই বেশি মনোসংযোগ ধরে রাখে পরিচালক।