<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="yes"?>
<rss xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" version="2.0">
    <channel>
        <title>Asianet News Bangla</title>
        <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
        <description><![CDATA[Bangla News - No.1 News channel in Kolkata, which delivers Local and International news in Bangla language.]]></description>
        <image>
            <url>https://static-assets.asianetnews.com/images/ogimages/OG_Bangla.jpg</url>
            <width>143</width>
            <height>100</height>
            <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
            <title>Asianet News Bangla</title>
        </image>
        <lastBuildDate>Mon, 09 Feb 2026 14:01:40 +0530</lastBuildDate>
        <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/rss/india-independence" rel="self" type="application/rss+xml"/>
        <item>
            <title><![CDATA[নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মদিন, ফিরে দেখা বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীকে]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india-independence/indian-bravehearts/today-is-subhas-chandra-bose-129th-birthday-a-look-back-at-netaji/photoshow-0nsd8ap</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india-independence/indian-bravehearts/today-is-subhas-chandra-bose-129th-birthday-a-look-back-at-netaji/photoshow-0nsd8ap</guid>
            <pubDate>Fri, 23 Jan 2026 09:26:22 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মদিন। ওড়িশার কটকে জন্মগ্রহণ। সেখানেই তাঁর শৈশব কেটেছিল। কিন্তু তাঁর বেড়ে ওঠা কলকাতায়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্বাধীনতা আন্দোলনে জ়়ড়িয়ে পড়াও কলকাতায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kdbcbets570e0ygejwzqjynq,imgname-gettyimages-1354431983--1--1766687357785.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মদিন। ওড়িশার কটকে জন্মগ্রহণ। সেখানেই তাঁর শৈশব কেটেছিল। কিন্তু তাঁর বেড়ে ওঠা কলকাতায়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্বাধীনতা আন্দোলনে জ়়ড়িয়ে পড়াও কলকাতায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;আজ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৯তম জন্মদিন। ওড়িশার কটকে জন্মগ্রহণ। সেখানেই তাঁর শৈশব কেটেছিল। কিন্তু তাঁর বেড়ে ওঠা কলকাতায়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও স্বাধীনতা আন্দোলনে জ়়ড়িয়ে পড়াও কলকাতায়। নেতাজির জন্মদিনে ফিরে দেখা এই বীর বিপ্লবীকে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১৯১৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রবেশিকা পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন। ১৯১৯ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সারা বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১৯৩৭ সালে ইউরোপে থাকার সময়ই অস্ট্রিয় বংশোদ্ভূত এমিলি শেঙ্কলকে। তাঁদের একমাত্র কন্যা অনিতা বসু পাফ বর্তমানে জার্মানির বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'জন গণ মন' গানটিকে তিনি প্রথম পছন্দ করেছিলেন। এখনও জনপ্রিয় স্লোগান 'জয়হিন্দ' তারই দেওয়া।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;নেতাজি আর গান্ধিজির সম্পর্ক কিন্তু দীর্ঘ টানাপোড়েনের। দুই নেতার আদর্শগত ফারাক ছিল। কিন্তু নেতাজিও প্রথম মহাত্মা গান্ধীকে 'জাতির জনক' নামে সম্বোধন করেছিলেন। বিদেশের মাটি, সিঙ্গাপুর থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি গান্ধীজিকে জাতির জনক নামে সম্বোধন করেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১৯২১ সাল থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সরকার তাঁকে মোট ৪১ বার জেলবন্দি করেছিল। কলকাতায় নিজের বাড়িতে নজরবন্দি থাকার সময়ই মহম্মদ জিয়াউদ্দিন ছদ্মনামে বাড়ি ছাড়েন। বিমা এজেন্টের পরিচয় নিয়ে প্রথমে কাবুল যান। তারপরে মস্কো যাওয়ার সময় কাউন্ট অরল্যান্ডো মাজোত্তা নামের ইতালিয় পাসপোর্ট ব্যবহার করেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;নেতাজি সুপারি খেতে পছন্দ করতেন। তবে পরবর্তীকালে তিনি সুপারি খাওয়া ছেড়ে হরিতকি খাওয়া শুরু করেছিলেন। তিনি ভোজন রসিক ছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দর আদর্শে অনুপ্রাণিত ছিলেন নেতাজি। বই ছিল তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india-independence/indian-bravehearts/today-is-subhas-chandra-bose-129th-birthday-a-look-back-at-netaji/photoshow-0nsd8ap"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[স্বাধীনতা পেয়েই কেন প্রজাতন্ত্র হয়নি ভারত? এর পিছনে রয়েছে গোপন কিছু তথ্য]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/the-story-behind-indias-journey-to-becoming-a-republic-nvss/photoshow-0y4kvy9</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/the-story-behind-indias-journey-to-becoming-a-republic-nvss/photoshow-0y4kvy9</guid>
            <pubDate>Thu, 22 Jan 2026 13:37:40 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;প্রজাতন্ত্র দিবস: প্রতি বছর ২৬শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। স্কুলে পতাকা উত্তোলন এবং মিষ্টি বিতরণ করা একটি সাধারণ বিষয়। তবে, প্রজাতন্ত্র দিবস সম্পর্কিত এমন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য রয়েছে যা অনেকেরই অজানা। চলুন জেনে নেওয়া যাক।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kfj39xcn0qqfe9z0by218ss2,imgname-republic-day-1769060234645.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রজাতন্ত্র দিবস: প্রতি বছর ২৬শে জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হয়। স্কুলে পতাকা উত্তোলন এবং মিষ্টি বিতরণ করা একটি সাধারণ বিষয়। তবে, প্রজাতন্ত্র দিবস সম্পর্কিত এমন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য রয়েছে যা অনেকেরই অজানা। চলুন জেনে নেওয়া যাক।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;২৬শে জানুয়ারি একটি ঐতিহাসিক দিন। ১৯৩০ সালের এই দিনে লাহোর কংগ্রেসে &ldquo;পূর্ণ স্বরাজ&rdquo; ঘোষিত হয়। এই দিনটিকে সম্মান জানাতেই ২৬শে জানুয়ারিকে সংবিধান কার্যকর করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীন হলেও, তখনই প্রজাতন্ত্র হয়নি। ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রিটিশ রাজা রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। সংবিধান কার্যকর হওয়ার পরেই ভারত একটি সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভারতীয় সংবিধান তৈরি করতে ২ বছর ১১ মাস ১৮ দিন সময় লেগেছিল। গণপরিষদ ১৬৫ দিন ধরে বৈঠক করে প্রতিটি বিষয়ে আলোচনা করে। এটি দেশের ভবিষ্যতের জন্য নেওয়া একটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত ছিল।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সংবিধান ১৯৪৯ সালের ২৬শে নভেম্বর তৈরি হলেও, তা কার্যকর করা হয়নি। ১৯৩০ সালের পূর্ণ স্বরাজ ঘোষণার দিনটিকে সম্মান জানাতে দুই মাস পর, ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারি এটি কার্যকর করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভারতীয় সংবিধানের মূল কপিগুলি ছাপা হয়নি, বরং প্রেম বিহারী নারায়ণ রায়জাদা হাতে লিখেছিলেন। পাতাগুলিতে ভারতীয় সংস্কৃতির চিত্রও রয়েছে। এই কপিগুলি সংসদে সুরক্ষিত আছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভারতীয় সংবিধানের কথা উঠলেই ডঃ বি.আর. আম্বেদকরের নাম আসে। খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সমতা, ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকারের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর অবদান অতুলনীয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ রাজপথে হয়নি, এটি তৎকালীন আরউইন স্টেডিয়ামে হয়েছিল। ১৯৫৫ সাল থেকে রাজপথ (এখন কর্তব্য পথ) কুচকাওয়াজের স্থায়ী স্থান হয়ে ওঠে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এই দিনে ভারতীয়রা নিজেদেরকে একটি সংবিধান দিয়েছিল, যা প্রত্যেক নাগরিককে অধিকার এবং দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়। জনগণ সচেতন থাকলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়, এই দিনটি সেই বার্তাই দেয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/the-story-behind-indias-journey-to-becoming-a-republic-nvss/photoshow-0y4kvy9"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[স্বামী বিবেকানন্দ: সন্ন্যাসী হয়েও বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র দিয়েছিলেন স্বামীজি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/special/know-swamiji-indian-revolution-spiritual-leader/articleshow-2wi17we</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/special/know-swamiji-indian-revolution-spiritual-leader/articleshow-2wi17we</guid>
            <pubDate>Fri, 09 Jan 2026 13:01:37 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;১৮৭৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচে ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। ভারতের স্বামী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি। অনুশীলন সমিতি থেকে শুরু করে অসহযোগ আন্দোলন- সর্বত্রই চলত তাঁর মন্ত্রে। বিপ্লবীদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন স্বামীজি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kegcnkbfnc8rewm31txwpn2t,imgname-gettyimages-1446518950-170667a-1767929204079.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সৌরভ চক্রবর্তী&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুরুটা হয়েছিল ১৮৫৭ সালে মঙ্গল পান্ডের &lsquo;হল্লা বোল&rsquo; দিয়ে! সেই বছরই রাজা রামমোহন রায়ের ব্রাহ্ম সমাজ স্থাপনের প্রচেষ্টা সফল হয় এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম স্নাতক হন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;নরেন্দ্রনাথ দত্ত&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;১৮৭৯ সালের ব্যাচে ছিলেন আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, পি.সি. রায় (আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়) এবং নরেন্দ্রনাথ দত্ত ( স্বামী বিবেকানন্দ)। প্রফুল্লচন্দ্র রায় ইংল্যান্ডে যান, সেখানে তিনি এ.জে.সি. বসুর (আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু) সঙ্গে দেখা করেন এবং তারা একই সঙ্গে দেশে ফিরে এসে প্রেসিডেন্সি কলেজে ভারতীয়দের পড়ানোর জন্য শিক্ষাজগতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯০২ সালে অরবিন্দ ঘোষ, বারীন ঘোষ, যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (বাঘা যতীন), রাসবিহারী বসু, রাজা এস.সি. মল্লিকের সঙ্গে অনুশীলন সমিতি গঠন করেন। অনুশীলন সমিতির ঢাকা শাখার প্রধান হন মাস্টারদা সূর্য সেন। অনুশীলন সমিতি প্রতি মুহূর্তে আরও বড় হতে থাকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অরবিন্দ দাদাভাই নওরোজীকে কংগ্রেসের &lsquo;স্বরাজ, স্বদেশী, বয়কট এবং জাতীয় শিক্ষা&rsquo; নীতি নির্ধারণে সাহায্য করেন। অরবিন্দ কংগ্রেসের প্রকৃত স্তম্ভ লালা লাজপত রায়, বিপিন চন্দ্র পাল এবং বাল গঙ্গাধর তিলকের সঙ্গে সেই সময়ই ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯০৮ সালে অনুশীলন সমিতি বাংলার এবং ভারতের যুবকদের আকৃষ্ট করে। অনুশীলন সমিতির সুনাম বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। প্রফুল্ল চাকী এবং ক্ষুদিরাম বসু বোমা নিক্ষেপ করেন। বিশ্বের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ বিপ্লবী বীরের মৃত্যু বরণ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আলিপুর বোমা মামলায় দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস অরবিন্দ ঘোষের পক্ষে সফলভাবে সওয়াল করেন এবং তার ফাঁসির সাজা থেকে তাঁকে রক্ষা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;সুভাষচন্দ্র বসুর উত্থান&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;বিপ্লবীদের পাশাপাশি, অনুশীলন সমিতি এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই সময়ের বিশ্বের সেরা কয়েকজন শিক্ষাবিদ ছিলেন, যারা তাদের মেধা দিয়ে পশ্চিমী বিশ্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যেমন সত্যেন্দ্রনাথ বসু, সি.ভি. রমন, পি.সি. মহলানবিশ এবং মেঘনাদ সাহা। মহলানবিশ পরে ট্রিনিটি কেমব্রিজে যান, যেখানে তিনি শ্রীনিবাসন রামানুজনের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন। বিশ্ব তখন আইনস্টাইনকে পেল, কিন্তু আইনস্টাইন তার পরিসংখ্যান পেয়েছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ বসুর কাছ থেকে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পণ্ডিতদের এক বছরের জুনিয়র ছিলেন ভারতীয় স্বাধীনতার প্রধান স্থপতি সুভাষচন্দ্র বসু।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর, অনুশীলন সমিতি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং বাঘা যতীনের নেতৃত্বে যুগান্তর দল নেতৃত্ব গ্রহণ করে। রাসবিহারী বসু এবং শচীন্দ্রনাথ সান্যাল অনুশীলন সমিতিকে গোটা ভারতে বিস্তারে সাহায্য করেছিলেন। তাঁরা লালা হর দয়াল, ভি.জি. পিংলে এবং কর্তার সিং সারাভার নেতৃত্বে গঠিত গদর পার্টির সহযোগী হিসেবে ভারতের স্বাধীনতার সংগ্রামে যুক্ত হন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দক্ষিণ আফ্রিকায় ট্রেন থেকে নামিয়ে দেওয়ার ঘটনার পর গান্ধীজি দৃশ্যপটে আসেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এস. রামানুজন প্রথম ভারতীয় হিসেবে কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের ফেলো এবং রয়্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জালিয়ানওয়ালাবাগ ও গান্ধীজির আন্দোলন প্রত্যাহার&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এরপর ঘটে জালিয়ানওয়ালা বাগের হত্যাকাণ্ড। চৌরি চৌরার ঘটনা ঘটে এবং গান্ধীজি অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস কংগ্রেস ত্যাগ করে মতিলাল নেহরুর সঙ্গে স্বরাজ্য দল গঠন করেন। শচীন্দ্রনাথ সান্যাল, রামপ্রসাদ বিসমিল (মাতৃবেদীর) এবং আশফাকউল্লাহ খান হিন্দুস্তান রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন গঠন করেন। চন্দ্রশেখর আজাদ এই সংগঠনের সবচেয়ে দক্ষ ও সাহসী জেনারেল হন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;ক্ষুদিরামের বীরত্বে অনুপ্রাণিত ভারত&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;কর্তার সিং সারাভার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নওজোয়ান ভারত সভার ভগত সিং এবং সুখদেব থাপর এইচআরএ-তে যোগ দেন। কাকোরি ট্রেন ডাকাতির পর এবং বিসমিল ও খানের গ্রেপ্তারের পর তাঁরা এইচআরএ-কে হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন হিসেবে পুনর্গঠন করেন। নতুন সদস্য সংগ্রহ চলতে থাকে। ১৯২৮ সালে, লালা লাজপত রায়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ভগত, সুখদেব, আজাদ এবং শিবরাম রাজগুরু জেমস স্কট ভেবে সন্ডার্সকে গুলি করেন। যতীন দাস, যিনি শচীন্দ্রনাথ সান্যালের কাছ থেকে বোমা তৈরির কৌশল শিখেছিলেন, তিনি এইচএসআরএ-তে যোগ দেন এবং তাঁদের বোমা তৈরিতে সাহায্য করেন। যেটি পরে ১৯২৯ সালে অ্যাসেম্বলিতে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। হসরত মোহানির উদ্ভাবিত &quot;ইনকিলাব জিন্দাবাদ&quot; স্লোগানটি সারা দেশে প্রতিধ্বনিত হয় এবং পথে অহিংসাকে পদদলিত করে। ১৯৩১ সালে, আজাদ জীবিত ধরা পড়ার পরিবর্তে তাঁর বিখ্যাত কোল্ট রাইফেল দিয়ে আত্মহত্যা করেন এবং ভগত, সুখদেব ও রাজগুরু ক্ষুদিরামের কথাগুলোই পুনরাবৃত্তি করে ফাঁসির সাজা বরণ করে নেন, &quot;মা, একবার বিদায় দাও, আমি শীঘ্রই ফিরে আসব। সারা ভারত আমাকে দেখবে, যখন আমি হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি পরব।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই সমস্ত কিছুর মধ্যে স্থপতি সুভাষ বসু বাংলায় একটি পরিচিত নাম ছিলেন। ১৯২৪ সালে তিনি সিটি মেয়র এবং ১৯২৭ সালে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯২৮ সালে তিনি বিনয় বসু (মুক্তি সংঘের), বাদল গুপ্ত এবং দীনেশ গুপ্তের সঙ্গে বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স গঠন করেন। ১৯৩০ সালে বিডিডি ত্রয়ী কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ইম্পেরিয়াল পুলিশকে আক্রমণ করে এবং ইন্সপেক্টর জেনারেল সিম্পসনকে হত্যা করে। বাদল পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে শহীদের মৃত্যু বরণ করেন। আর দীনেশ ও বিনয় আজাদের পথ অনুসরণ করে আত্মহত্যা। এবং সি.ভি. রমন ভারতের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সুভাসের হাত ধরে দেশ স্বাধীনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে ভারত&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯৩০-এর দশকে মুসোলিনির মতো ইউরোপীয় নেতারা তাঁদের ভারতীয় প্রতিপক্ষ সুভাষের সঙ্গে পরিচিত হন। ব্রিটিশরা অশান্তির ভয়ে তাঁর 'দ্য ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল' বইটি নিষিদ্ধ করে। সুভাষ ভারতের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি এবং জাতীয় বীর হিসেবে দেশে ফিরে আসেন। সুভাষ কংগ্রেস সভাপতি হন, যা গান্ধীর জন্য অত্যন্ত হতাশার কারণ ছিল; তিনি একজন অহিংস খাদি পরিহিত ব্রিটিশ অনুগত হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই ভীত ছিলেন। তিনি বিরোধিতা করেন এবং সুভাষকে নিজের মন্ত্রিসভা গঠনের পরামর্শ দেন। সুভাষ কংগ্রেস ত্যাগ করেন এবং ১৯৩৯ সালে ফরোয়ার্ড ব্লক গঠন করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তারপরই সুভাষ ভারতীয় যুদ্ধবন্দীদের সংগ্রহের জন্য রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন, কিন্তু পরিবর্তে জার্মানিতে পৌঁছাতে সক্ষম হন। তিনি মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় নেতা হিটলারের সঙ্গে দেখা করেন। ফুয়েরার সুভাষকে নেতাজি হওয়ার পথ করে দেন। তিনি আজাদ হিন্দ লেজিয়ন গঠন করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হিটলারের মস্কো আক্রমণের ফলে মোহভঙ্গ হয়ে তিনি ১৯৪৩ সালে হিদেকি তোজোর জাপানের উদ্দেশ্যে সাবমেরিনে যাত্রা করেন। আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠিত হয় ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ বন্দিদের নিয়ে এবং প্রবাসী ও অনুশীলন সমিতির নেতা রাসবিহারী বসুর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স লীগের সমর্থনে। ১৪ই এপ্রিল ১৯৪৪ সালে মণিপুরের মৈরাংয়ে প্রথমবারের মতো ভারতের পতাকা উত্তোলন করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস, ৪ঠা জুলাই ১৯৪৪-এ আজাদ হিন্দ রেডিওতে সুভাষের বিখ্যাত উক্তি &quot;তোমরা আমাকে রক্ত ​​দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব&quot; প্রচারিত হয়। ৬ তারিখে অন্য একটি সম্প্রচারে সুভাষ গান্ধীজিকে &quot;জাতির জনক&quot; হিসেবে সম্বোধন করেন। আমাদের মাতৃভূমির জন্য &quot;বাপু&quot;কে গ্রহণ করা হয়েছিল, তাই জওহরলাল নেহেরু &quot;চাচা&quot; নামে পরিচিত হন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯৪৫ সালে বিমান দুর্ঘটনার তত্ত্ব সামনে আসে। এবং এরপর থেকে নেহেরু পণ্ডিত নেহেরু নামে পরিচিত হন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯৪৬ সালের মধ্যে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর কাহিনী এবং আইএনএ অফিসারদের বিচার ভারতীয় নৌ বিদ্রোহের জন্ম দেয় এবং ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারতকে তাদের ডোমিনিয়ন হিসেবে রেখে এবং পণ্ডিতের প্রশাসনিক ক্ষমতার অধীনে সাম্প্রদায়িকভাবে বিভক্ত করে ভারত ত্যাগ করে!&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;বিপ্লবের মন্ত্র স্বামীজির&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;অনুশীলন সমিতি থেকে আইএনএ পর্যন্ত, উপরে উল্লিখিত সমস্ত নেতাদের উপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৭৯ সালের ব্যাচের দেশপ্রেমিক সাধকের আধ্যাত্মিক নির্দেশনা ও প্রভাব ছিল। এটি ছিল সকলের উপর একটি আকর্ষণীয়ভাবে অবিচল এবং সর্বব্যাপী প্রভাব, যাকে সুভাষ &quot;আধুনিক ভারতের নির্মাতা&quot; বলে উল্লেখ করেছিলেন; যিনি চেয়েছিলেন: &quot;এমন একটি যন্ত্র চালু করতে যা মহততম ধারণাগুলোকে দরিদ্রতম এবং হীনতম ব্যক্তির দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে&quot; - স্বামী বিবেকানন্দ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সপ্তর্ষির অবতার স্বামী বিবেকানন্দকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;লেখক পরিচিতিঃ সৌরভ চক্রবর্তী&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;DIC, FRSA, FRAS, CEng (IET এবং IEI), CMgr (MCMI)&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উদ্যোক্তা - ভারতীয় GenZদের জন্য বিল্ডিং&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন, ইউকে এবং বোস্টন ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ছাত্র&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সনাতন ও ভারতীয় ইতিহাস প্রেমী, রাজনৈতিক উত্সাহী, পর্যবেক্ষক এবং কলামিস্ট&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;(মতামত লেখকের একান্ত ব্যক্তিগত)&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/special/know-swamiji-indian-revolution-spiritual-leader/articleshow-2wi17we"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানবতার লড়াইয়ের উদাহরণ, বললেন রাষ্ট্রপতি  দ্রৌপদীমুর্মু]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/sindoor-testament-fight-against-terrorism-president-79th-independence-day-eve/articleshow-4uioq5t</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/sindoor-testament-fight-against-terrorism-president-79th-independence-day-eve/articleshow-4uioq5t</guid>
            <pubDate>Thu, 14 Aug 2025 20:21:58 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দেশের উদ্দেশ্যে ভাষণে অপারেশন সিঁদুরে সেনাবাহিনীর অক্লান্ত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। জম্মু ও কাশ্মীরেরনাগরিকদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে 'কাপুরুষোচিত ও অমানবিক' বলেছেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k2mgyejztkejkkx3j5zj2ckq,imgname-image-1c5b19ae-91a6-4b07-abad-c9ab2eb8e455-1755183004255.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু দেশের উদ্দেশ্যে ভাষণে অপারেশন সিঁদুরে সেনাবাহিনীর অক্লান্ত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। অপারেশনটি পহেলগাঁও ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার প্রতিশোধ হিসেবে শুরু হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে 'কাপুরুষোচিত ও অমানবিক' আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেছেন, অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মানবতার লড়াইয়ের উদাহরণ হিসেবে ইতিহাসে স্থান পাবে। &quot;এই বছর, আমাদের সন্ত্রাসবাদের মোকাবেলা করতে হয়েছে। কাশ্মীরে ছুটিতে থাকা নিরীহ নাগরিকদের হত্যা করা কাপুরুষোচিত এবং সম্পূর্ণ অমানবিক। ভারত দৃঢ় সংকল্প নিয়ে সিদ্ধান্তমূলকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। অপারেশন সিঁদুর দেখিয়েছে যে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশ রক্ষার জন্য যেকোনও পরিস্থিতির মোকাবেলায় প্রস্তুত। কৌশলগত স্পষ্টতা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার সঙ্গে, তারা সীমান্তের ওপারে সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি ধ্বংস করেছে। আমি বিশ্বাস করি, অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মানবতার লড়াইয়ের উদাহরণ হিসেবে ইতিহাসে স্থান পাবে,&quot; রাষ্ট্রপতি মুর্মু তার ভার্চুয়াল ভাষণে বলেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন দেশের ঐক্যের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন দলের সাংসদদের সমন্বয়ে গঠিত বহু-দলীয় প্রতিনিধি দলের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। বিশ্ব বুঝতে পেরেছে যে ভারত তার নাগরিকদের প্রতিরক্ষায় প্রতিশোধ নিতে দ্বিধা করবে না, তিনি বলেছেন। &quot;আমাদের প্রতিক্রিয়ায়, সবচেয়ে লক্ষণীয় ছিল আমাদের ঐক্য, যা আমাদের বিভক্ত করতে চাওয়া তাদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া। বিভিন্ন দেশে ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য গঠিত বহু-দলীয় প্রতিনিধি দলেও আমাদের ঐক্য প্রদর্শিত হয়েছে। বিশ্ব ভারতের অবস্থান লক্ষ্য করেছে, যে আমরা আক্রমণকারী হব না, তবে আমাদের নাগরিকদের প্রতিরক্ষায় প্রতিশোধ নিতে আমরা দ্বিধা করব না,&quot; রাষ্ট্রপতি মুর্মু জোর দিয়ে বলেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্বদেশী উৎপাদনে প্রতিরক্ষা খাতের বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন যে অপারেশন সিন্দুরের ফলাফল এই প্রমাণ দিয়েছে যে ভারত অনেক নিরাপত্তা প্রয়োজন মেটাতে স্বনির্ভর হতে পেরেছে। অপারেশন সিঁদুর প্রতিরক্ষা খাতে 'আত্মনির্ভর ভারত মিশনের একটি পরীক্ষাও ছিল।' &quot;ফলাফল প্রমাণ করেছে যে আমরা সঠিক পথে আছি। আমাদের স্বদেশী উৎপাদন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তরে পৌঁছেছে যা আমাদের অনেক নিরাপত্তা প্রয়োজন মেটাতে স্বনির্ভর করে তোলে। স্বাধীনতার পর থেকে এগুলি ভারতের প্রতিরক্ষা ইতিহাসে যুগান্তকারী অর্জন,&quot; রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/sindoor-testament-fight-against-terrorism-president-79th-independence-day-eve/articleshow-4uioq5t"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পরিত্যক্ত সোনার খনিতে মিলল  নতুন প্রজাতির বিরল সাপ! কতটা বিষাক্ত এই ডেনড্রেলাফিস?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/how-poisonous-is-this-new-snake-species-dendrelaphis-anbak/articleshow-6g9ew4u</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/how-poisonous-is-this-new-snake-species-dendrelaphis-anbak/articleshow-6g9ew4u</guid>
            <pubDate>Sat, 31 Jan 2026 12:52:10 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;পরিত্যক্ত সোনার খনিতে মিলল নতুন প্রজাতির বিরল সাপ! কতটা বিষাক্ত এই ডেনড্রেলাফিস?&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kg5c5w8phjq60cr731e39xwv,imgname-dendrelaphis-atra-ai-image-1769707073814.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;লক্কুন্ডি এলাকায় সম্প্রতি সোনা-সহ নানা ধাতব বস্তু, রাজাদের আমলের নিদর্শন, মন্দিরের চিহ্ন, নাগশিল্প-সহ বহু ঐতিহাসিক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে একাধিক নাগ সাপেরও দেখা মিলেছে। ঠিক এই ঘটনার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর খবর এসেছে পাপুয়া নিউ গিনি থেকে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সোনার খনি হিসেবে পরিচিত একটি পুরনো খনিতে আবিষ্কৃত হয়েছে সম্পূর্ণ কালো রঙের বিরল এক সাপ।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই নতুন প্রজাতির নাম দেওয়া হয়েছে &lsquo;ডেনড্রেলাফিস আত্রা&rsquo;। ২০০৪ সালে বন্ধ হওয়া খনিতে মিলল আত্রা পাপুয়া নিউ গিনির মিলন বে প্রদেশের কাছে মিসিমা দ্বীপে একসময় একটি বিশাল সোনার খনি চালু ছিল। এটি বিশ্বের বড় সোনার খনিগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে ২০০৪ সালে খনিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর সেই এলাকায় ঝোপঝাড় ও জঙ্গল গড়ে ওঠে। সম্প্রতি সেই পরিত্যক্ত খনির আশপাশেই এই নতুন সাপের প্রজাতির সন্ধান পান গবেষকরা। কেমন এই নতুন প্রজাতির সাপ? ডেনড্রেলাফিস আত্রা সম্পূর্ণ কুচকুচে কালো রঙের। মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত একই রঙ দেখা যায়। চোখও কালো হলেও আলো পড়লে চকচকে হয়ে ওঠে। বিজ্ঞানীদের মতে, আকারে এই সাপ তুলনামূলক বড়। পরিত্যক্ত এলাকা ও ঘন জঙ্গলে সহজেই এরা বসবাস করতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই সাপ বিষাক্ত নয়। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ফ্রেড ক্রাউস এই সাপ নিয়ে গবেষণা করেছেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি জানিয়েছেন, ওই এলাকায় শুধু এই প্রজাতিই নয়, চারটিরও বেশি নতুন প্রজাতির গাছবাসী সাপ থাকতে পারে। খনন কাজ ফের শুরুতে বাধা মিসিমা দ্বীপে আবারও খনন কাজ শুরু করার পরিকল্পনা করেছিল পাপুয়া নিউ গিনি সরকার। আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে ফের সোনা উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু নতুন ও বিরল সাপের প্রজাতি আবিষ্কারের পর সেই পরিকল্পনায় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। পরিবেশবিদ ও গবেষকদের মতে, আবার খনন শুরু হলে ওই এলাকার পরিবেশ ও প্রাণীজগতের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। বিশেষ করে এমন বিরল প্রাণীদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে। তাই তাঁরা খনন প্রকল্প নিয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দিয়েছেন। উপসংহার পরিত্যক্ত সোনার খনিতে নতুন প্রজাতির সাপের আবিষ্কার শুধু বৈজ্ঞানিক দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, পরিবেশ সংরক্ষণের দিক থেকেও বড় বার্তা দেয়। উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করাও যে সমান জরুরি, ডেনড্রেলাফিস আত্রার আবিষ্কার সেই কথাই আবার মনে করিয়ে দিল।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Anulekha Kar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/how-poisonous-is-this-new-snake-species-dendrelaphis-anbak/articleshow-6g9ew4u"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['প্রকৃতি আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছে',  স্বাধীনতা দিবসে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/i-day-2025-pm-modi-addresses-nation-expresses-solidarity-with-disaster-victims/articleshow-7svz79t</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/i-day-2025-pm-modi-addresses-nation-expresses-solidarity-with-disaster-victims/articleshow-7svz79t</guid>
            <pubDate>Fri, 15 Aug 2025 08:40:39 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে দেশব্যাপী সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k2nv6qnewbmxqe8j7qrxcz4h,imgname-image-a2d869e6-af25-41fb-af7b-e66f9dfda71f-1755227315886.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে দেশব্যাপী সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&quot;প্রকৃতি আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছে...গত কয়েকদিন ধরে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিধ্বস, মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং আরও অনেক দুর্যোগের সম্মুখীন হচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমাদের সমবেদনা রইল,&quot; লাল কেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন। তিনি সংকট মোকাবেলায় রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের যৌথ প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে বলেন, &quot;রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ তৎপরতা এবং পুনর্বাসন কাজে পূর্ণ শক্তি নিয়ে কাজ করছে।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তওয়ারের চেসোটি এলাকায় ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বন্যার ফলে মৃতের সংখ্যা ৪৫ জনে পৌঁছেছে এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে বলে শুক্রবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তওয়ারের দুর্গম এলাকায় ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বন্যা দেখা দেয়। মাচাইল মাতা যাত্রা পথে এই দুর্যোগে গ্রামটি বিধ্বস্ত হয়েছে। আবহাওয়া এবং দুর্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে, কিস্তওয়ার পুলিশ জেলা জুড়ে নাগরিক এবং তীর্থযাত্রীদের, বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় সহায়তা করার জন্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এদিকে, হিমাচল প্রদেশে, গত ২৪ ঘন্টার ধারাবাহিক ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন অংশে নতুন করে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শিক্ষামন্ত্রী রোহিত ঠাকুর বৃহস্পতিবার বলেছেন, রাতারাতি কোনও বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে অবকাঠামোগত ক্ষতি, বিশেষ করে সড়ক নেটওয়ার্কের ক্ষতি উল্লেখযোগ্য। 'চলমান বৃষ্টির কারণে একাধিক স্থানে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। গত রাতেও উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে, যদিও বেশিরভাগই অবকাঠামো সম্পর্কিত,&quot; ঠাকুর সাংবাদিকদের বলেন। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে রামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মেঘভাঙা বৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৭৯ তম স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করে বলেন, &quot;আজ, লাল কেল্লার প্রাকার থেকে, আমি অপারেশন সিঁদুরে সাহসী সৈনিকদের তাদের অক্লান্ত সেবার জন্য স্যালুট জানানোর সুযোগ পেয়েছি।&quot; তার আগমনে তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা স্বাগত জানান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় পতাকা রক্ষী, ভারতীয় বিমান বাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং দিল্লি পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত ১২৮ জনের একটি গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়। উইং কমান্ডার অরুণ নাগর আন্তঃবাহিনী গার্ড অফ অনারের নেতৃত্ব দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/i-day-2025-pm-modi-addresses-nation-expresses-solidarity-with-disaster-victims/articleshow-7svz79t"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রক্ত আর জল একসঙ্গে প্রবাহিত হবে না, স্বাধীনতা দিবসে পাকিস্তানকে  হুঁশিয়ারি মোদীর]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/india-asserts-control-over-river-waters-pm-modi-addresses-nation-on-79th-i-day/photoshow-hra7mug</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/india-asserts-control-over-river-waters-pm-modi-addresses-nation-on-79th-i-day/photoshow-hra7mug</guid>
            <pubDate>Fri, 15 Aug 2025 09:24:28 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে দেশের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা এবং কৃষকদের অধিকারের প্রতি ভারতের অবিচল অঙ্গীকারের উপর জোর দিয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k2nxhjhh0wkj9dzmvms5smbj,imgname-gyw6gt0xqaascxw-1755229768240.jpeg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে দেশের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা এবং কৃষকদের অধিকারের প্রতি ভারতের অবিচল অঙ্গীকারের উপর জোর দিয়েছেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার লাল কেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার টানা ১২তম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা এবং কৃষকদের অধিকারের প্রতি ভারতের অবিচল অঙ্গীকারের উপর জোর দিয়েছেন। তাঁর ভাষণে, তিনি ঘোষণা করেছেন যে ভারত নদীর জলের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে এবং সিন্ধু জল চুক্তিকে &quot;অন্যায়&quot; বলে বর্ণনা করেছেন। তার কথায় এই চুক্তি প্রতিবেশী দেশকে লাভবান করে। উল্টে ভারতীয় কৃষকদের বঞ্চিত করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে কৃষকদের এবং জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপোস &quot;গ্রহণযোগ্য নয়... আর নয়।&quot;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী মোদীর এটি টানা ১২তম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ, তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চেয়ে বেশি টানা ভাষণ দিয়েছেন, যিনি টানা ১১টি এবং মোট ১৬টি ভাষণ দিয়েছিলেন। তাঁর ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, &quot;ভারত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে রক্ত ​​​​এবং জল একসঙ্গে প্রবাহিত হবে না। সিন্ধু জল চুক্তি ভারতের জনগণের প্রতি অন্যায় ছিল। ভারতের নদীগুলি শত্রু দেশকে সেচের জল দিচ্ছিল, কিন্তু সেই সময় আমাদের দেশের কৃষকরা চাষের জন্য জল পায় না। এখন, ভারতের জল শুধুমাত্র ভারত এবং তার কৃষকদের জন্যই বরাদ্দ।&quot; 'আমাদের দেশের মানুষ স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছে যে সিন্ধু চুক্তি কতটা অন্যায় এবং একতরফা। ভারতে উৎপন্ন নদীগুলির জল আমাদের শত্রুদের জমিতে সেচের জল দিচ্ছিল। যখন আমার নিজের দেশের কৃষক এবং জমি জল ছাড়াই তৃষ্ণার্ত থাকে। এটি এমন একটি চুক্তি যা গত সাত দশক ধরে আমার দেশের কৃষকদের অকল্পনীয় ক্ষতি করেছে। এখন, পানির অধিকার শুধুমাত্র ভারতের কৃষকদের,&quot; তিনি আরও যোগ করেন।'&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে, প্রধানমন্ত্রী ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও গণহত্যার কথা তুলে পারমাণবিক হুমকির বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, &quot;সমগ্র ভারত ক্ষুব্ধ হয়েছিল এবং এই ধরনের গণহত্যায় সমগ্র বিশ্ব হতবাক হয়েছিল... অপারেশন সিঁদুর সেই ক্ষোভেরই প্রকাশ.... পাকিস্তানে ধ্বংস এতটাই ব্যাপক যে প্রতিদিন নতুন নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে।&quot; তিনি বলেন, &quot;আমি খুব গর্বিত যে লাল কেল্লার প্রাচীর থেকে অপারেশন সিঁদুরের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাচ্ছি। আমাদের সাহসী জওয়ানরা শত্রুকে তার কল্পনার বাইরে শাস্তি দিয়েছে। ২২ এপ্রিল, সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদীরা পহেলগাঁওতে এসে ধর্ম জিজ্ঞাসা করে মানুষকে হত্যা করে। সমগ্র ভারত ক্ষুব্ধ হয়েছিল এবং এই ধরনের গণহত্যায় সমগ্র বিশ্ব হতবাক হয়েছিল। অপারেশন সিঁদুর সেই ক্ষোভেরই প্রকাশ,&quot; বলে দাবি করেন নরেন্দ্র মোদী।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, &quot;২২ এপ্রিলের পর, আমরা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছি। তারা কৌশল, লক্ষ্য এবং সময় নির্ধারণ করে। আমাদের বাহিনী যা করেছে তা কয়েক দশক ধরে কখনও করা হয়নি। আমরা শত্রু ভূখণ্ডে শত শত কিলোমিটার ভিতরে প্রবেশ করেছি এবং তাদের জঙ্গিদের সদর দফতর মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছি। পাকিস্তানে ধ্বংস এতটাই ব্যাপক যে প্রতিদিন নতুন নতুন তথ্য বেরিয়ে আসছে।&quot;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এর আগে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লাল কেল্লায় তেরঙ্গা উত্তোলন করেন, যখন জাতি ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ফ্লাইং অফিসার রশিকা শর্মা প্রধানমন্ত্রীকে পতাকা উত্তোলনে সহায়তা করেন, এর পরে ভারতীয় বিমান বাহিনীর দুটি Mi-১৭ হেলিকপ্টার থেকে ফুলের পাপড়ি বর্ষণ করা হয় - একটিতে জাতীয় পতাকা এবং অন্যটিতে 'অপারেশন সিঁদুর' পতাকা। উইং কমান্ডার বিনয় পুনিয়া এবং উইং কমান্ডার আদিত্য জয়সওয়াল বিমানটি চালনা করেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রীকে লাল কেল্লায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা রক্ষী, ভারতীয় বিমান বাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং দিল্লি পুলিশের মোট ১২৮ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত আনুষ্ঠানিক গার্ড অফ অনার গ্রহণ করেন। উইং কমান্ডার অরুণ নাগর আন্তঃবাহিনী গার্ড অফ অনারের নেতৃত্ব দেন। লাল কেল্লায় পৌঁছানোর আগে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজঘাট পরিদর্শন করেন এবং মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান, যখন দেশটি তার ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে। এই বছরের উদযাপন 'নয়া ভারত' মেনে করা হচ্ছে। যা ২০৪৭ সালের মধ্যে 'বিকশিত ভারত' অর্জনের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/india-asserts-control-over-river-waters-pm-modi-addresses-nation-on-79th-i-day/photoshow-hra7mug"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[প্রজাতন্ত্র দিবস ২০২৬: অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যে জড়িয়ে থাক ছাত্র-শিক্ষকদের ভাষণ, রইল উদাহরণ]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/inspiring-republic-day-2026-speeches-for-students-and-teachers-bpsb/articleshow-iwfedgq</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/inspiring-republic-day-2026-speeches-for-students-and-teachers-bpsb/articleshow-iwfedgq</guid>
            <pubDate>Tue, 20 Jan 2026 10:17:11 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;প্রজাতন্ত্র দিবস ২০২৬-এর ভাষণ: প্রজাতন্ত্র দিবস ২০২৬-এ কীভাবে ভাষণ দেবেন? এখানে প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণের সঠিক শুরু এবং প্রভাবশালী শেষের উপায় জানুন, সাথে স্কুল ও কলেজ ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকদের জন্য তৈরি সেরা প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণ।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kfb5t129pwy7xd7ej1qxqcch,imgname-republic-day-speech-tips-1768827978825.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণ ২০২৬:&lt;/strong&gt; ২৬শে জানুয়ারি ভারতের ইতিহাসে সেই স্বর্ণালী দিন, যেদিন দেশ শুধু স্বাধীনতা নয়, নিজের নিয়ম নিজে তৈরি করার অধিকারও পেয়েছিল। প্রজাতন্ত্র দিবস আমাদের সংবিধান, গণতন্ত্র এবং নাগরিক কর্তব্যের কথা মনে করিয়ে দেয়। স্কুল থেকে কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত এই দিনে প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণের মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশপ্রেম, দায়িত্ব এবং রাষ্ট্র নির্মাণের বার্তা দেওয়া হয়। আপনিও যদি প্রজাতন্ত্র দিবস ২০২৬-এ একটি প্রভাবশালী ভাষণ দিতে চান, তাহলে এখানে জানুন কীভাবে ভাষণের সঠিক শুরু করবেন, কীভাবে একটি প্রভাবশালী সমাপ্তি দেবেন এবং স্কুল ছাত্রছাত্রী, কলেজ ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুত করা ভাষণ পড়ুন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণের শুরু কীভাবে করবেন?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;আপনি এই লাইনগুলি দিয়ে শুরু করতে পারেন- &ldquo;মাননীয় প্রধান অতিথি, শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ/অধ্যক্ষা মহোদয়/মহোদয়া, সম্মানিত শিক্ষকগণ এবং আমার প্রিয় বন্ধুদের আমার सादर নমস্কার। আজ আমরা সবাই এখানে আমাদের দেশের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের জন্য একত্রিত হয়েছি।&rdquo;&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণ&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ/অধ্যক্ষা মহোদয়/মহোদয়া, সম্মানিত শিক্ষকগণ এবং আমার প্রিয় বন্ধুরা,&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজকের দিনটি আমাদের দেশের জন্য গর্ব ও সম্মানের দিন। ২৬ জানুয়ারী ১৯৫০-এ, ভারত তার নিজস্ব সংবিধান গ্রহণ করে এবং একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমাদের সংবিধান আমাদের সমতা, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের অধিকার দেয়। আমাদের সংবিধানের প্রণেতা ডঃ ভীমরাও আম্বেদকর আমাদের একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো দিয়েছেন, যার উপর ভিত্তি করে আমাদের দেশ আজ এগিয়ে চলেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজ ছাত্রছাত্রী হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো সৎ থাকা, শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকা এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা। আমাদের পড়াশোনা করে ভালো নাগরিক হতে হবে, যাতে আমরা ভারতকে বিশ্বের দরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আসুন, এই প্রজাতন্ত্র দিবসে আমরা শপথ নিই যে আমরা আমাদের দেশকে সম্মান করব এবং একে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের সম্পূর্ণ অবদান রাখব।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জয় হিন্দ! জয় ভারত!&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;কলেজের ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রজাতন্ত্র দিবস ২০২৬ ভাষণ&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মাননীয় অতিথি, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ এবং আমার প্রিয় বন্ধুরা,&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজ আমরা ভারতের প্রজাতন্ত্র হয়ে ওঠার গৌরবময় যাত্রাকে স্মরণ করতে এখানে সমবেত হয়েছি। প্রজাতন্ত্র দিবস শুধু একটি জাতীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের অধিকার এবং কর্তব্যেরও প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভারতীয় সংবিধান আমাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সমতার অধিকার এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের চেতনা শেখায়। আজকের যুবসমাজই ভারতের ভবিষ্যৎ। প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং উদ্ভাবনের এই যুগে আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমাদের শুধু নিজেদের অধিকার নিয়ে কথা বললেই চলবে না, নিজেদের কর্তব্যগুলোও বুঝতে হবে। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হয়েই আমরা দুর্নীতি, বৈষম্য এবং সামাজিক কুফল দূর করতে পারি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই প্রজাতন্ত্র দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞা করি যে আমরা আমাদের জ্ঞান ও শক্তিকে রাষ্ট্র গঠনে ব্যবহার করব।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বন্দে মাতরম! জয় হিন্দ!&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;শিক্ষকদের জন্য প্রজাতন্ত্র দিবস ভাষণ ২০২৬&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মাননীয় প্রধান অতিথি, সম্মানিত অভিভাবকগণ, প্রিয় শিক্ষার্থী এবং আমার সহকর্মীবৃন্দ,&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজকের দিনটি আমাদের সংবিধানের শক্তি এবং গণতন্ত্রের আত্মার কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রজাতন্ত্র দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ভারতের আসল শক্তি তার নাগরিকরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একজন শিক্ষক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শুধু শিক্ষা দেওয়া নয়, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলাও। আজকের ছাত্রছাত্রীরাই আগামী দিনের নেতা, বিজ্ঞানী, ডাক্তার এবং শিক্ষক হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের পাশাপাশি মৌলিক কর্তব্যগুলোও জীবনে গ্রহণ করা সময়ের দাবি। আমরা যদি আমাদের কর্তব্য পালন করি, তাহলে ভারত অবশ্যই বিশ্বগুরু হয়ে উঠবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আসুন, এই প্রজাতন্ত্র দিবসে আমরা সবাই মিলে একটি শক্তিশালী, শিক্ষিত এবং আত্মনির্ভর ভারত গড়ার শপথ নিই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জয় হিন্দ! জয় ভারত!&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণের প্রভাবশালী সমাপ্তি কীভাবে করবেন?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;আপনি শেষে এই লাইনগুলি বলতে পারেন- &ldquo;এই কথা বলেই আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি এবং আপনাদের সকলকে প্রজাতন্ত্র দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জয় হিন্দ! জয় ভারত!&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/inspiring-republic-day-2026-speeches-for-students-and-teachers-bpsb/articleshow-iwfedgq"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মাত্র ৫৬ মিনিটেই কেল্লাফতে! মোদী ভেঙে চুরমার করে দিলেন ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/pm-modi-break-indira-gandhis-record-with-12-consecutive-independence-day-speech/photoshow-mfa61rh</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/pm-modi-break-indira-gandhis-record-with-12-consecutive-independence-day-speech/photoshow-mfa61rh</guid>
            <pubDate>Fri, 15 Aug 2025 11:49:36 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লাল কেল্লা থেকে টানা ১২তম বারের মতো স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। সামনে শুধু প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k2p5x73e1m46290fse78r2af,imgname-indira-modi-2-1755238538350.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লাল কেল্লা থেকে টানা ১২তম বারের মতো স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। সামনে শুধু প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার লালকেল্লা থেকে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন। এই নিয়ে তিনি এক টানা ১২ বার স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিলেন । তিনি ভেঙে দিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর রেকর্ড। এর পূর্বে একমাত্র ইন্দিরা গান্ধী সর্বাধিক টানা ১১তম বার স্বাধীনতার ভাষণ দিয়েছিলেন। নরেন্দ্র মোদী প্রথম ২০১৪ সালে লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন এবং ২০১৪ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর তিনি ভাষণ দিচ্ছেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইন্দিরা গান্ধী তাঁর কার্যকালে টানা ১১ বার স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়েছিলেন, যদিও তিনি মোট ১৬ বার ভাষণ দিয়েছেন। এই মাইলফলকের মাধ্যমে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওহরলাল নেহেরুর পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বিতীয় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টানা ১২ বার স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিলেন। নেহেরু মোট ১৭ বার টানা ভাষণ দিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এদিন গেরুয়া রঙের পাগড়ি পরে, প্রধানমন্ত্রী মোদী ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর ভাষণ শুরু করেন, গত দশকগুলিতে ভারতের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। 'বিকশিত ভারত'-এর জন্য তাঁর সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন এবং দেশকে স্বনির্ভর করার আহ্বান জানান। তিনি 'আত্মনির্ভর ভারত' উদ্যোগের অধীনে স্বনির্ভরতার গুরুত্বের উপর জোর দেন, যুবক, বিজ্ঞানী এবং সরকারি বিভাগগুলিকে দেশীয় প্রযুক্তি বিকাশে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান। তিনি এই ধারণার প্রশংসা করেন, অপারেশন সিঁদুরকে এই ধরনের স্বনির্ভরতার উদাহরণ এবং 'মেইড ইন ইন্ডিয়া'-র শক্তি প্রদর্শনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইন্দিরা গান্ধী ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৭৭ সালের মার্চ পর্যন্ত ও ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সবমিলিয়ে তিনি ১৬ বার লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতার ভাষণ দিয়েছিলেন। তবে একটানা ১১ বার ভাষণ দিয়েছিলেন প্রথম মেয়াদে। সেই রেকর্ডই এই দিন ভেঙে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;শুধু ইন্দিরা গান্ধী নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজের রেকর্ডও নিজেই ভেঙে দেন। এর পূর্বে ২০২৪ সালে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে একটানা ৯৮ মিনিট অর্থাৎ ১ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট ভাষণ দিয়ে রেকর্ড করেছিলেন। গতবার ভেঙেছিলেন নিজের ২০২৩এর রেকর্ড। ২০২৩এ ভাষণের সময় ছিল ৯০ মিনিট। কিন্তু এবার তিনি মাত্র ৫৬ মিনিটের ভাষণ দেন। অর্থাৎ সবথেকে কম সময়ের ভাষণ দেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/pm-modi-break-indira-gandhis-record-with-12-consecutive-independence-day-speech/photoshow-mfa61rh"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[RSS হল বিশ্বের বৃহত্তম NGO, স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে বললেন মোদী]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/rss-worlds-biggest-ngo-dedicated-to-nation-building-pm-modi/articleshow-mr11q9t</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/rss-worlds-biggest-ngo-dedicated-to-nation-building-pm-modi/articleshow-mr11q9t</guid>
            <pubDate>Fri, 15 Aug 2025 14:18:39 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে RSS-কে 'বিশ্বের বৃহত্তম NGO' হিসেবে আখ্যা দিয়ে জাতীয় নির্মাণে তাদের অবদানের প্রশংসা করেছেন। RSS প্রধান মোহন ভাগবতও স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k2p8jttcf1syaqyxvec65169,imgname-pm-narendra-modi-red-fort-1755241343816.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-কে জাতীয় সেবার ১০০ বছর পূর্ণ করার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি RSS-কে 'বিশ্বের বৃহত্তম NGO' হিসেবে বর্ণনা করে দেশ নির্মাণে তাদের শতাব্দী-ব্যাপী অবদানের প্রশংসা করেছেন। &quot;আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে চাই যে ১০০ বছর আগে একটি সংগঠন জন্মগ্রহণ করেছিল - রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। জাতির সেবায় ১০০ বছর একটি গর্বের, সোনালী অধ্যায়। 'ব্যক্তি নির্মাণ থেকে রাষ্ট্র নির্মাণ' এই সংকল্প নিয়ে, মা ভারতীর কল্যাণের লক্ষ্যে, স্বয়ংসেবকরা আমাদের মাতৃভূমির কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন... এক অর্থে, RSS হল বিশ্বের বৃহত্তম NGO। এর ১০০ বছরের নিষ্ঠার ইতিহাস রয়েছে,&quot; মোদী বলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, RSS প্রধান মোহন ভাগবত উৎকল বিপন্ন সহায়তা সমিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছেন। উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে ভাগবত ভারতকে 'বিশ্বে শান্তি ও সুখ আনার' এবং বিশ্বব্যাপী তার ধর্ম ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে একটি 'অনন্য দেশ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। &quot;ভারত একটি অনন্য দেশ। এটি বিশ্বে শান্তি ও সুখ আনতে এবং তার ধর্ম অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেষ্টা করে... আমরা স্বাধীন হওয়ার কারণ ছিল আমাদের দেশের প্রত্যেকে যাতে সুখ, সাহস, নিরাপত্তা, শান্তি এবং সম্মান অর্জন করতে পারে। আজ, বিশ্ব টলমল করছে। ২০০০ বছর ধরে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সত্ত্বেও, এর সমস্যার সমাধান এখনও পাওয়া যায়নি। বিশ্বকে একটি সমাধান প্রদান করা এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে, ধর্মীয় নীতিগুলিতে প্রোথিত, সুখ ও শান্তিতে ভরা একটি নতুন বিশ্ব তৈরি করা আমাদের কর্তব্য,&quot; তিনি বলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজ সকালে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা রক্ষী, ভারতীয় বিমান বাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং দিল্লি পুলিশের মোট ১২৮ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত আনুষ্ঠানিক গার্ড অফ অনার গ্রহণ করেছেন। উইং কমান্ডার অরুণ নাগর আন্তঃবাহিনী গার্ড অফ অনারের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এদিকে, বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথি, স্পেশাল অলিম্পিক ২০২৫-এর ভারতীয় দল, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা, খেলো ইন্ডিয়া প্যারা গেমসের স্বর্ণপদকপ্রাপ্তরা এবং জাতীয় মৌমাছি পালন ও মধু মিশনের আওতায় প্রশিক্ষিত এবং আর্থিকভাবে সহায়তা প্রাপ্ত সেরা কৃষকরা এ বছর লালকেল্লায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/rss-worlds-biggest-ngo-dedicated-to-nation-building-pm-modi/articleshow-mr11q9t"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের আগে  জানুন কী ভাবে পরিবর্তন হয়েছিল জাতীয় পতাকার, রইল  ব্যবহারের নিয়ম]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/79th-independence-day-history-and-significance-of-the-indian-tricolor/photoshow-p7o1fgv</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/79th-independence-day-history-and-significance-of-the-indian-tricolor/photoshow-p7o1fgv</guid>
            <pubDate>Thu, 14 Aug 2025 18:16:40 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;আসন্ন ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে, আসুন জেনে নেই আমাদের প্রিয় জাতীয় পতাকা, তেরঙ্গার ইতিহাস এবং এর গুরুত্ব সম্পর্কে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k2m763kszh7a9b8t4727f2sd,imgname-ani6934424-1755172769401.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আসন্ন ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে, আসুন জেনে নেই আমাদের প্রিয় জাতীয় পতাকা, তেরঙ্গার ইতিহাস এবং এর গুরুত্ব সম্পর্কে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। তবে এখন থেকেই সারা দেশ জুড়ে উড়ছে জাতীয় পতাকা। আসুন আমাদের প্রিয় জাতীয় পতাকার ইতিহাস এবং তাৎপর্য সম্পর্কে জেনে নেই। ভারতীয় জাতীয় পতাকা, যা তেরঙ্গা নামেও পরিচিত, আনুষ্ঠানিকভাবে ২২ জুলাই, ১৯৪৭ সালে গৃহীত হয়েছিল। এর নকশায় তিনটি সমান আনুভূমিক রেখা রয়েছে - উপরে গাঢ় গেরুয়া, মাঝখানে সাদা এবং নীচে গাঢ় সবুজ। সাদা রেখার মাঝখানে ২৪ টি দণ্ড বিশিষ্ট নীল অশোকচক্র রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধর্মচক্র, যা ৩য় শতাব্দীতে মৌর্য সম্রাট অশোকের দ্বারা নির্মিত সারনাথ সিংহ রাজধানীতে দেখা যায়,&quot;আইনের চাকা&quot; প্রতীকী।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তেরঙ্গা জাতির সংগ্রাম, বলিদান এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। স্বাধীনতার জন্য অক্লান্ত ভাবে লড়াই করেছে যারা তাদের জাতীয় পতাকা উজ্জীবিত করে। এটি ঐক্য, বৈচিত্র্য এবং দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। পতাকা সংহিতা ২০০২, পতাকা প্রদর্শনের নিয়ম করে, যাতে এটি সম্মান এবং মর্যাদার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়। যদিও পতাকা সংহিতা, ২০০২, তেরঙ্গার প্রাপ্য সম্মান এবং মর্যাদার কথা বলে। এটি ব্যক্তিগত, সরকারী এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কেমনভাবে পতাকা প্রদর্শন করবে - সেই নিয়ম স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছে। নিয়মে জাতীয় পতাকাকে সর্বোচ্চ সম্মাণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। হাতে কাটা খাদি বা মেশিনে তৈরি পলিয়েস্টার যাই হোক না কেন, পতাকা জাতির গর্ব হিসেবে বিবেচিত হবে। সংহিতা পতাকা প্রদর্শনের সঠিক পদ্ধতি উল্লেখ করে, যাতে এটি সর্বদা সর্বোচ্চ সম্মান পায়, কখনও মাটিতে স্পর্শ করতে বা জলে ভাসতে দেওয়া যাবে না, এবং ক্ষতিগ্রস্ত হলে সম্মানের সঙ্গে নষ্ট করা হবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;স্বাধীনতা দিবসে, জাতীয় পতাকা পতাকা দন্ডের নীচে রাখা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী এটি উপরে উত্তোলন করেন। বিপরীতে, গণতন্ত্র দিবসে (২৬ জানুয়ারী), পতাকা ভাঁজ করা বা রোল করা হয় এবং পতাকা দন্ডের শীর্ষে সংযুক্ত করা হয়, যেখান থেকে রাষ্ট্রপতি এটি উন্মোচন করেন বিনা টেনে তোলা। প্রথম অনানুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা ৭ আগস্ট, ১৯০৬ সালে কলকাতার পারসি বাগান স্কোয়ারে উত্তোলন করা হয়েছিল। শচীন্দ্রপ্রসাদ বসু এবং হেমচন্দ্র কানুনগো প্রথম নকশা করেছিলেন সেই পতাকা। সেই সময় জাতীয় পতাকায় তিনটি আনুভূমিক রেখা ছিল - সবুজ, হলুদ এবং লাল - আটটি সাদা পদ্ম, একটি সূর্য এবং একটি অর্ধচন্দ্র সহ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯০৭ সালে, ম্যাডাম ভিকাজি কামা একটি পতাকা নকশা করেন যা বার্লিন কমিটির পতাকার মতো ছিল, তিনটি আনুভূমিক রেখা - কেশর, সবুজ এবং লাল - সাহস, বিশ্বাস এবং বলিদানের প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১৯১৭ সালে, হোম রুল আন্দোলনের সময় একটি পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল, যা স্ব-শাসনের দাবি জানায়। ১৯২১ সালে, পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া স্বরাজ পতাকা নকশা করেন, যা পরে একটি চরকা এবং তিনটি রঙ - লাল, সবুজ এবং সাদা - ভারতের প্রধান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য পরিবর্তন করা হয়েছিল। মহাত্মা গান্ধী শান্তি এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের প্রতীক হিসেবে একটি সাদা রেখা যোগ করার প্রস্তাব দেন। পতাকাটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে, এবং ১৯৩১ সালের মধ্যে, এতে গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ রেখা চরকার সঙ্গে ছিল, যা সাহস, শান্তি এবং সমৃদ্ধির প্রতীক। জওহরলাল নেহেরু চরকার স্থলে অশোক চক্র ব্যবহার করে পতাকা পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। চূড়ান্ত রূপান্তর ১৯৩১ সালে হয়। পতাকার রঙ চূড়ান্ত করা হয় - গেরুয়া সাহসের জন্য, সাদা শান্তির জন্য এবং সবুজ উর্বরতা এবং বৃদ্ধির জন্য। ধর্মচক্র চরকার স্থান নিয়েছে, যা আইনের চিরন্তন চাকা এবং অগ্রগতির প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;২২ জুলাই, ১৯৪৭ সালে, গণপরিষদ সুরাইয়া ত্যাবজির নকশা করা অশোক চক্র সহ জাতীয় পতাকা গ্রহণ করে, যা চরকার স্থান নিয়েছে। পতাকার রঙ - গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ - সাহস, শান্তি এবং উর্বরতার প্রতিনিধিত্ব করে, যখন অশোক চক্র আইন, ন্যায়বিচার এবং ধার্মিকতার প্রতীক। ভারতীয় জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে গ্রহণ করা হয়েছিল এবং তখন থেকে এটি জাতীয় গর্ব এবং ঐক্যের প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১৫ আগস্ট, ২০২৫ সালে, ভারত নয়াদিল্লির লালকেল্লা একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে। এই বছরের উদযাপনের বিষয়বস্তু হল &quot;নয়া ভারত&quot;, যা ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত জাতি হওয়ার ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। এই অনুষ্ঠানে ২১ বার তোপ ধ্বনি, সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী এবং অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির দিকে ভারতের যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/79th-independence-day-history-and-significance-of-the-indian-tricolor/photoshow-p7o1fgv"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['বন্দে মাতরম'গানের প্রথম সুরকার কে ছিলেন? উত্তরটা কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নয়]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/special/meet-jadubhatta-the-first-composer-of-the-vande-mataram-song/photoshow-q36o19s</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/special/meet-jadubhatta-the-first-composer-of-the-vande-mataram-song/photoshow-q36o19s</guid>
            <pubDate>Sun, 25 Jan 2026 17:05:17 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Vande Mataram 1st composer: 'বন্দে মাতরম'- ভারতের জাতীয় স্তোত্র। ১৮৮২ সালে বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায় 'আনন্দমঠ'রচনা করেছিলেন। এই বছর এই গানের ১৪৪ বছর। কিন্তু এই গানটির সুর প্রথম কে দিয়েছিলেন?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kfk5vrerh5m24fd3evfffknf,imgname-image-3cc11018-22d2-4122-9163-7ad673f1b25e-1769096471000.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Vande Mataram 1st composer: 'বন্দে মাতরম'- ভারতের জাতীয় স্তোত্র। ১৮৮২ সালে বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায় 'আনন্দমঠ'রচনা করেছিলেন। এই বছর এই গানের ১৪৪ বছর। কিন্তু এই গানটির সুর প্রথম কে দিয়েছিলেন?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;'বন্দে মাতরম'- ভারতের জাতীয় স্তোত্র। ১৮৮২ সালে বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায় 'আনন্দমঠ'রচনা করেছিলেন। সেই উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত একটি গান হল। 'বন্দে মাতরম'। ঋষি অরবিন্দ ঘোষ 'বন্দে মাতরম'কে বঙ্গদেশের জাতীয় সঙ্গীত বলে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন হল কে এই গানের প্রথম সুরকার?&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এই গানের গুরুত্ব অনেক। ১৮৯৬ সালে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনে প্রথম রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই গানটি গাওয়া হয়েছিল। এই গানটি প্রথম গেয়েছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তারপরে অনেকেই গানটিকে নিজেদের মত করে গেয়েছিলেন। জনপ্রিয়তার তালিকায় রয়েছেন, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, এরআর রহমানও।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১৯৫০ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত এই গানটিকে জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা দেওয়া হয়। আর সেই সময়ই 'বন্দে মাতরম'-জাতীয় স্তোত্রের মর্যাদা পায়। তবে বর্তমানে 'বন্দে মাতরম' নিয়ে প্রচুর বিতর্ক হচ্ছে। এই গানটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তুলেছে মোদী সরকার। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো 'বন্দে মাতরম'গানটি এবার ১৪৪ বছরে পা দিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে 'বন্দে মাতরম' গাইলেও এই গানের প্রথম সুরকার যদুভট্ট। পুরো নাম যদুনাথ ভট্টাচার্য। অনেক ঐতিহাসিক দাবি করেন যদুভট্ট ভাটপাড়ায় বসে প্রথম 'বন্দে মাতরম'-এর সুর তৈরি করেছিলেন। তিনি মালহার রাগ আর কাওয়ালি তালে- গানটির সুর দিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর বঙ্কিমচন্দ্রের জীবনেও প্রভাব রয়েছে যদুভট্টের। তিনি রবীন্দ্রনাথের সঙ্গীত গুরু। বঙ্কিম চট্টোপাধ্য়ায়কেও গান শিয়েছিলেন যদুভট্ট। রবীন্দ্রনাথ 'জীবনস্মৃতি'কে বিষ্ণুপুর ঘরনার যদুভট্টের কথা উল্লেখ করেছেন। কথিত রয়েছে যদু ভট্ট বঙ্কিমচন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথকে ১৭৭ বছর পুরনো তানপুরা নিয়ে গান শেখাতেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাংলার শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ইতিহাসে যদুভট্ট এক যুগান্তারী পুরুষ। ১৮৪০ সালে জন্ম। জীবনের অনেকটা সময় কেটেছিল বিষ্ণুপুরের কাছে খাদাকুড়়ি নামের একটি গ্রামে। তাঁর বাবা মসুসূদন ভট্টাচার্য ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পী। তিনি তাঁর বাবার কাছেই সেতার আর মৃদঙ্গ বাজানো শেখেন। গান শেখেন পণ্ডিত রামশঙ্কর ভট্টাচার্য ও গঙ্গানারায়ণ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। বিষ্ণুপুর রাজসভার রাজগায়ক ছিলেন তিনি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/special/meet-jadubhatta-the-first-composer-of-the-vande-mataram-song/photoshow-q36o19s"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Indian Pension Scheme: বন্ধ হয়ে যেতে পারে বহু প্রবীণের পেনশন! অবসরের পর টাকা পাওয়ায় বিরাট বদল আনল কেন্দ্র]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/business/the-government-brought-a-huge-change-in-receiving-money-after-retirement-anbak/photoshow-q9aw1lm</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/business/the-government-brought-a-huge-change-in-receiving-money-after-retirement-anbak/photoshow-q9aw1lm</guid>
            <pubDate>Mon, 09 Feb 2026 13:00:17 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Indian Pension Scheme: বন্ধ হয়ে যেতে পারে বহু প্রবীণের পেনশন! অবসরের পর টাকা পাওয়ায় বিরাট বদল আনল কেন্দ্র&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kdmtxkcxbtx5ek820afd0fxy,imgname-yogi-government-up-old-age-pension-scheme-success-1767004622237.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Indian Pension Scheme: বন্ধ হয়ে যেতে পারে বহু প্রবীণের পেনশন! অবসরের পর টাকা পাওয়ায় বিরাট বদল আনল কেন্দ্র&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;দেশজুড়ে পেনশন ব্যবস্থায় বড়সড় সংস্কারের পথে হাঁটছে কেন্দ্র। সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে বেসরকারি ক্ষেত্রের চাকরিজীবী&mdash; সকলের অবসরকালীন নিরাপত্তাকে আরও শক্ত করতে পেনশন সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। জাতীয় পেনশন সিস্টেম (NPS), ইপিএফও (EPFO) এবং কর সংক্রান্ত নীতিতে এই বদলের প্রভাব পড়বে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে। বর্তমান সময়ে শুধু মাসিক পেনশন নয়, বরং অবসরের পর আর্থিক স্থিতি কীভাবে আরও নিরাপদ করা যায়, সেই দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সেই লক্ষ্যেই পেনশন ব্যবস্থাকে আরও নমনীয় ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হচ্ছে। NPS-এ বাড়ছে সুবিধা জাতীয় পেনশন সিস্টেমে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট বয়সের পরে টাকা তোলার সীমাবদ্ধতা ছিল, কিন্তু নতুন নিয়মে সদস্যরা আরও দীর্ঘ সময় NPS-এ টাকা রাখতে পারবেন। ফলে অবসরজীবনে নিয়মিত আয়ের সুযোগ বাড়বে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;একই সঙ্গে টাকা তোলার ক্ষেত্রেও আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে। সম্পূর্ণ অর্থ একবারে না তুলে ধাপে ধাপে তোলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে অবসরপ্রাপ্তরা দীর্ঘ সময় ধরে আর্থিক সুরক্ষা পান। এতে হঠাৎ বড় অঙ্কের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও কমবে। EPFO পেনশনে আধুনিকীকরণ EPFO পেনশন ব্যবস্থাতেও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। পেনশন বিতরণ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এখন দেশের যে কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেনশন পাওয়া সহজ হচ্ছে এবং কাগজপত্রের ঝামেলাও কমছে। এছাড়াও পিএফ ও পেনশন তোলার ক্ষেত্রে অনলাইন পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে, যাতে অবসরপ্রাপ্তদের অফিসে অফিসে ঘুরতে না হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এর ফলে বয়স্ক পেনশনভোগীদের জন্য ব্যবস্থা অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কর নীতিতেও বদল পেনশনপ্রাপকদের জন্য কর সংক্রান্ত নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। কমিউটেড পেনশন, ফ্যামিলি পেনশন এবং NPS থেকে পাওয়া অর্থের কর কাঠামো আরও স্পষ্ট করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই&mdash; অবসরপ্রাপ্তদের উপর করের চাপ কমিয়ে হাতে পাওয়া অর্থ বাড়ানো।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বদলের ফলে পেনশনভোগীরা মাসিক আয়ের বড় অংশ নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবেন এবং চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার খরচ সামলানো সহজ হবে। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও নতুন ভাবনা সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ব্যবস্থায়ও সংস্কার আনা হচ্ছে। অবসরকালীন ভাতা, স্বাস্থ্যসুবিধা এবং মাসিক পেনশনের কাঠামোকে আরও সমন্বিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে ভবিষ্যতে অবসর নেওয়ার পর আর্থিক নিরাপত্তা আরও শক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের চাকরিজীবীদের জন্য এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে চাকরির সময় সঞ্চয় ও অবসরের পর আয়ের মধ্যে ভালো ভারসাম্য বজায় থাকে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কেন এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে মানুষের আয়ু বেড়েছে, কিন্তু সেই সঙ্গে বেড়েছে চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার খরচও। তাই শুধু চাকরির সময় নয়, অবসরজীবনেও স্থায়ী আয়ের উৎস থাকা জরুরি। পেনশনের নিয়মে এই পরিবর্তনগুলি সেই দিকেই একটি বড় পদক্ষেপ।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পেনশন ব্যবস্থার এই সংস্কার অবসরপ্রাপ্তদের শুধু আর্থিক সুরক্ষা দেবে না, বরং ভবিষ্যতের কর্মজীবীদেরও সঞ্চয়ের বিষয়ে আরও সচেতন করবে। সব মিলিয়ে বলা যায়, পেনশনে আসা এই বড় বদল সাধারণ মানুষের অবসরজীবনের ছবি বদলে দিতে চলেছে। আগামী দিনে পেনশন আর শুধু মাসিক ভাতা নয়, বরং নিরাপদ ও পরিকল্পিত জীবনযাপনের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Anulekha Kar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/business/the-government-brought-a-huge-change-in-receiving-money-after-retirement-anbak/photoshow-q9aw1lm"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Union Budget 2026 Live Updates: Pakistan Cricket Team T20 World Cup - ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট! সরকারের ঘোষণা গ্রহণযোগ্য নয়, আইসিসি জানেইনা?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/union-budget-2026-live-updates-in-bengali-fm-nirmala-sitaraman-speech/liveblog-updates-qgrubv3</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/union-budget-2026-live-updates-in-bengali-fm-nirmala-sitaraman-speech/liveblog-updates-qgrubv3</guid>
            <pubDate>Mon, 02 Feb 2026 00:04:20 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Union Budget 2026-27 Live Updates: &amp;nbsp;রবিবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন। কোন কোন জিনিসের দাম বাড়ল?, দাম কমল কোন জিনিসের? আজকে কী ভাষণ দিলেন অর্থমন্ত্রী? এই লাইভ ব্লগে পড়ুন বাজেট ভাষণ থেকে শুরু করে সব Major Updates, বড় ঘোষণা ও সেক্টর-ভিত্তিক পরিবর্তন&mdash;যার প্রভাব পড়বে আয়কর, GST, চাকরি, কৃষি, রেলওয়ে, পরিকাঠামো, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য ও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kfz50wskbxtqg1epd56bsejn,imgname-jay-shah-mohsin-naqvi-1769498243891.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Asianet News</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/union-budget-2026-live-updates-in-bengali-fm-nirmala-sitaraman-speech/liveblog-updates-qgrubv3"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[LPG: গ্যাস বুকিংয়ের আগে এবার জমা দিতেই হবে এই কার্ড! কড়া নির্দেশ জারি করল কেন্দ্র, কীভাবে করবেন? রইল বিস্তারিত]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/you-must-submit-aadhar-before-booking-lpg-anbak/photoshow-qgs9mc5</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/you-must-submit-aadhar-before-booking-lpg-anbak/photoshow-qgs9mc5</guid>
            <pubDate>Tue, 20 Jan 2026 13:58:26 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;LPG: গ্যাস বুকিং করার আগেই জমা দিতে হবে এই কার্ড! নইলে ভয়ঙ্কর সমস্যার মুখে পড়বেন গ্রাহকেরা! আজই করিয়ে নিন, কীভাবে? রইল বিস্তারিত&hellip;..&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kbc54tvp0j3rn8vvwvmqx6e9,imgname-unnamed--18--1764565871476.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;LPG: গ্যাস বুকিং করার আগেই জমা দিতে হবে এই কার্ড! নইলে ভয়ঙ্কর সমস্যার মুখে পড়বেন গ্রাহকেরা! আজই করিয়ে নিন, কীভাবে? রইল বিস্তারিত&hellip;..&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এবার LPG সংযোগকে অবশ্যই Aadhaar কার্ডের সঙ্গে লিংক করতে হবে। যারা এখনও লিংক করেননি, নইলে মারাত্মক সমস্যায় পড়তে পারেন গ্রাহকেরা!&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভারত সরকার PAHAL বা DBTL স্কিমের মাধ্যমে LPG-এর ভর্তুকি দেয়। এতে গ্রাহক প্রথমে সম্পূর্ণ দামে সিলিন্ডার কেনেন এবং পরে নির্দিষ্ট ভর্তুকির টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত আসে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;Aadhaar লিংক করার মূল উদ্দেশ্য হল যাতে ভর্তুকির টাকা সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছায় এবং একই ব্যক্তির নামে একাধিক সংযোগ থাকলে তা চিহ্নিত করা যায়। Aadhaar লিংক না থাকলে অনেক সময় ভর্তুকি ক্রেডিট হয় না।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভর্তুকির টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসে। এতে ভুল বা ডুপ্লিকেট LPG সংযোগ ধরা পড়ে। সরকারি সুবিধা পেতে ভবিষ্যতে কোনও সমস্যায় পড়তে হয় না।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সংক্ষেপে বলা যায়, Aadhaar লিংক মানেই ভর্তুকি পাওয়ার নিশ্চয়তা। কীভাবে Aadhaar কে LPG সংযোগের সঙ্গে লিংক করবেন? Aadhaar&ndash;LPG লিংক করার জন্য একাধিক উপায় আছে। গ্রাহক নিজের সুবিধা অনুযায়ী যেকোনও একটি পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;অনলাইনে লিংক করার পদ্ধতি&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রথমে আপনার LPG কোম্পানির ওয়েবসাইটে যান (Indane, Bharat Gas বা HP Gas)। সেখানে Aadhaar linking বা LPG seeding অপশন নির্বাচন করুন। Consumer Number, Aadhaar নম্বর এবং মোবাইল নম্বর দিন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মোবাইলে আসা OTP দিয়ে ভেরিফিকেশন করুন। সব ঠিক থাকলে সাবমিট করুন। সাধারণত দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে লিংক সম্পন্ন হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;SMS দিয়ে লিংক আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর থেকে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;UID স্পেস Aadhaar নম্বর এই ফরম্যাটে SMS পাঠাতে হয় নির্দিষ্ট নম্বরে। LPG কোম্পানি অনুযায়ী নম্বর আলাদা হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এ ছাড়া কল সেন্টার বা IVRS দিয়েও লিঙ্ক করা যাবে। টোল ফ্রি নম্বরে কল করে নির্দেশ অনুযায়ী Aadhaar নম্বর ও Consumer Number দিয়ে লিংক করা যায়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এ ছাড়া ডিস্ট্রিবিউটর অফিসে গিয়ে লিঙ্ক করা যাবে। নিজের LPG ডিস্ট্রিবিউটর অফিসে Aadhaar কার্ডের কপি, Consumer Number ও মোবাইল নম্বর নিয়ে যান। ফর্ম পূরণ করে দিলে অফিস থেকেই লিংক করে দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;লিংক হয়েছে কিনা কীভাবে জানবেন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আপনি LPG কোম্পানির ওয়েবসাইটে গিয়ে Consumer Number বা Aadhaar দিয়ে স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;যদি সেখানে &ldquo;Linked&rdquo; লেখা থাকে, তাহলে আপনার Aadhaar ও LPG সংযোগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে। এরপর ভর্তুকির টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Anulekha Kar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india-independence/news/you-must-submit-aadhar-before-booking-lpg-anbak/photoshow-qgs9mc5"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[News Round Up: বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ভারত-আমেরিকার বৈঠক থেকে এসআইআর ইস্যু, সারাদিনের খবর এক ক্লিকে]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/west-bengal-news/daily-news-rundown-15-september-2025-top-headlines-highlights-in-bangla-anbmp/articleshow-ss9zkz3</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/west-bengal-news/daily-news-rundown-15-september-2025-top-headlines-highlights-in-bangla-anbmp/articleshow-ss9zkz3</guid>
            <pubDate>Mon, 15 Sep 2025 20:32:28 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;সারা দিনের সেরা খবর, গোটা দিনের বাছাই করা খবর, যা না পড়লেই নয়। আজকের সেরা পাঁচটি খবরে নজর বুলিয়ে নিন এক মিনিটে। একটা ক্লিকেই গোটা দুনিয়ার সেরা খবর পেয়ে যান এশিয়ানেট বাংলার নিউজ রাউন্ড আপে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k33smz0t0c8ppkrstgw9x6vs,imgname-w-1280-h-720-croprect-0x0x0x0-imgid-01k2hxyftjwgzgszrq699981sd-imgname-whatsapp-image-2025-08-13-at-15.56.57-18259372-1755095973714-1755695447065.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;১. &lt;/strong&gt;আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে ভারতের আলোচনার টেবিলে আসার কথা জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী পিটার নাভারো। সম্প্রতি দিল্লিতে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য বৈঠকের আগে বিস্ফোরক দাবি করলেন তিনি। নাভারোর এই মন্তব্য দু'দেশের মধ্যে আসন্ন বাণিজ্য আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।&lt;strong&gt; বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন&hellip;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে এক টেবিলে বসছে নয়া দিল্লি, ট্রাম্প উপদেষ্টার মন্তব্যে শোরগোল&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;২.&lt;/strong&gt; ভারতের কাছে লজ্জার পরাজয় এবং তারপর আজব দাবি পাকিস্তানের। এবার ম্যাচ রেফারিকে সাসপেন্ড করার দাবি জানিয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে নালিশ জানাল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। জানা যাচ্ছে, পাক বোর্ড দাবি করেছে, ভারত-পাক ম্যাচের রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটকে সাসপেন্ড করা না হলে, তারা পরের ম্যাচে মাঠেই নামবে না। &lt;strong&gt;বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন&hellip;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;IND vs PAK: হেরে গিয়ে নতুন নাটক পাকিস্তানের! এবার ম্যাচ রেফারিকে সাসপেন্ড করার দাবি পাক বোর্ডের&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৩. &lt;/strong&gt;বিহারে চলছে ভোটার তালিকার নিবিড় সমীক্ষা বা এসআইআর। আর তাতে কোনও কারচুপি বা বেআইনি কারবার ধরা পড়লে বাতিল করে দেওয়া হবে গোটা পদ্ধতিটাই। সোমবার এই কথা স্পষ্ট করে জানাল দেশের শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত রায় সারা দেশের জন্যই কার্যকর হবে।&lt;strong&gt; বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন&hellip;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;'এসআইআর-এ কারচুপি ধরা পড়লেই তা বাতিল', মামলার চূড়ান্ত রায় নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৪. &lt;/strong&gt;ট্রাম্পের কথা মানছে না ইউরোপের দেশগুলি। কারণ, রুশ-ইউক্রেন সঙ্ঘাতের মধ্যেই দেদার সস্তায় রাশিয়া থেকে তেল কিনছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশগুলি। যা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার দাবি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো ভুক্ত দেশগুলি এখনও সস্তায় রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনেই যাচ্ছে। মস্কোর প্রতি নরম মনোভাব পোষণ করছে। &lt;strong&gt;বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন&hellip;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সস্তায় তেল কিনে মস্কোর প্রতি নরম মনোভাব পোষণ, ইউরোপকে তুলোধনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৫. &lt;/strong&gt;সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের প্রতিবাদে গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জেন জি-দের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে এভারেস্টের দেশ। প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়েন ওলি শর্মা। তার জায়গায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম প্রাক্তন মহিলা বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে। গত শুক্রবার অর্থাৎ ১২ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন দেখার কার্কির হাত ধরে নেপালে আদেও শান্তি ফেরে কীনা! &lt;strong&gt;বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন&hellip;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;'ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকতে আসিনি', কত দিন প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন সুশীলা কার্কি?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/west-bengal-news/daily-news-rundown-15-september-2025-top-headlines-highlights-in-bangla-anbmp/articleshow-ss9zkz3"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ভারতের ত্রিবর্ণ পতাকার জ্যোতিষ গুরুত্ব জানেন! দেশের অন্তর্নিহিত বার্তা রয়েছে তিন রঙে]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/independence-day-2025-astrological-point-of-the-tricolor-are-very-special-bpsb/articleshow-t3gxf9p</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/independence-day-2025-astrological-point-of-the-tricolor-are-very-special-bpsb/articleshow-t3gxf9p</guid>
            <pubDate>Fri, 15 Aug 2025 11:08:50 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;ত্রিবর্ণের এই চারটি রঙ একসাথে ভারতের আত্মাকে প্রতিফলিত করে। যেখানে সাহস, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ধর্মের পথ রয়েছে। এটিই ভারতের আসল পরিচয়।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k21zt809mx6cg53vxckvnqs9,imgname-indian-flag-code-of-conduct-1754561060873.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ভারতের জাতীয় পতাকা কেবল একটি পতাকা নয় বরং দেশের চেতনা, সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের প্রতীক। এর মাঝখানে রয়েছে জাফরান, সাদা এবং সবুজ রঙ এবং নীল অশোক চক্র। জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকেও এই রঙগুলির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে, যা দেশের চিন্তাভাবনা এবং দিকনির্দেশনা প্রতিফলিত করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;জাফরান রঙ কী বলে?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জাফরান রঙ সাহস, ত্যাগ এবং শক্তির প্রতীক। জ্যোতিষশাস্ত্রে এটি মঙ্গল এবং সূর্যের সাথে যুক্ত। মঙ্গল গ্রহ উৎসাহ এবং শক্তি দেয় যখন সূর্য নেতৃত্ব এবং আত্মবিশ্বাসের একটি উপাদান। এই কারণেই ত্রিবর্ণের উপরের রঙ দেশের বীরদের আত্মাকে প্রতিফলিত করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সাদা রঙ কী বলে?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সাদা রঙ শান্তি, সত্য এবং পবিত্রতার প্রতীক। এটি চাঁদ এবং শুক্রের সাথে যুক্ত। চাঁদ মন এবং আবেগের স্থিতিশীলতার প্রতিনিধিত্ব করে যখন শুক্র প্রেম এবং সৌন্দর্যের প্রতিনিধিত্ব করে। ত্রিবর্ণের এই রঙ দেশের ঐক্য এবং অহিংসার নীতিকে প্রতিফলিত করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সবুজ রঙ কী বলে?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সবুজ রঙ সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং কৃষি ঐতিহ্যের প্রতীক। জ্যোতিষশাস্ত্রে, এটি বুধ গ্রহের সাথে যুক্ত, যা বুদ্ধিমত্তা এবং যোগাযোগের কারক। এই রঙ দেশের সবুজতা, উন্নয়ন এবং ভারসাম্য নির্দেশ করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;নীল রঙ কী বলে?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অশোক চক্রের আকারে ত্রিবর্ণের মাঝখানে থাকা নীল রঙটি শনি এবং বৃহস্পতির সাথে যুক্ত। শনি শৃঙ্খলা এবং কর্তব্যের প্রতীক, অন্যদিকে বৃহস্পতি জ্ঞান এবং সম্প্রসারণের প্রতীক। অশোক চক্র ধর্ম, সত্য এবং অবিচ্ছিন্ন অগ্রগতির বার্তা দেয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ত্রিবর্ণের এই চারটি রঙ একসাথে ভারতের আত্মাকে প্রতিফলিত করে। যেখানে সাহস, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ধর্মের পথ রয়েছে। এটিই ভারতের আসল পরিচয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/independence-day-2025-astrological-point-of-the-tricolor-are-very-special-bpsb/articleshow-t3gxf9p"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[নতুন চাকরি পেলেই মোদী সরকার দেবে ১৫,০০০ টাকা, ১৫ অগস্ট থেকে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/pm-modi-to-inaugurate-pm-vbry-on-independence-day-aims-for-employment/photoshow-v6pt54m</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/pm-modi-to-inaugurate-pm-vbry-on-independence-day-aims-for-employment/photoshow-v6pt54m</guid>
            <pubDate>Fri, 15 Aug 2025 10:26:29 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে ১ লক্ষ কোটি টাকার প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত কর্মসংস্থান যোজনা (PM VBRY) উদ্বোধন করেছেন। &amp;nbsp;লক্ষ্য ৩.৫ কোটি তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া, প্রথম চাকরিতে যোগদানের সময় ১৫,০০০ টাকা প্রদান করা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k2p0pz1ft3res85db0npx2sx,imgname-pm-narendra-modi-speech-1755233090604.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে ১ লক্ষ কোটি টাকার প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত কর্মসংস্থান যোজনা (PM VBRY) উদ্বোধন করেছেন। &amp;nbsp;লক্ষ্য ৩.৫ কোটি তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া, প্রথম চাকরিতে যোগদানের সময় ১৫,০০০ টাকা প্রদান করা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;স্বাধীনতা দিবসের দিনে লালকেল্লা থেকে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। এবার থেকে প্রথম চাকরিতে যোগদান করলেই দেওয়া হবে নদগ ১৫ হাজার টাকা। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৩.৫ কোটি তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি ঘোষণা করেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত কর্মসংস্থান যোজনা' লাগু হচ্ছে আজ অর্থাৎ ১৫ অগস্ট থেকেই। শুক্রবার লালকেল্লা থেকে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ সহ প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত কর্মসংস্থান যোজনা (পিএম-ভিবিআরওয়াই) উদ্বোধন করেছেন। এই প্রকল্পটির লক্ষ্য ৩.৫ কোটি তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া এবং প্রথম চাকরিতে যোগদানের সময় ১৫,০০০ টাকা প্রদান করা।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&quot;আমার দেশের যুব সমাজ, আজ ১৫ই আগস্ট, এবং ঠিক এই দিনেই আমরা আমাদের দেশের যুবকদের জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকার একটি যোজনা শুরু করছি। আজ থেকে, প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত কর্মসংস্থান যোজনা বাস্তবায়িত হচ্ছে,&quot; প্রধানমন্ত্রী মোদী ঐতিহাসিক লাল কেল্লা থেকে একটানা ১২তম বারের মতো স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিতে গিয়ে এই ঘোষণা করেন। কর্মসংস্থান সংযুক্ত প্রণোদনা (ELI) PM VBRY আগস্ট ২০২৫ থেকে চালু হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে জুলাই ২০২৭ পর্যন্ত দুই বছরে দেশের তরুণদের জন্য ৩.৫ কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। এই প্রকল্পটির লক্ষ্য ১.৯২ কোটি প্রথমবারের মতো কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা, তাদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে সাহায্য করা।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&quot;এই প্রকল্পটির আওতায়, বেসরকারি ক্ষেত্রে প্রথম চাকরি পাওয়া তরুণ-তরুণীরা সরকারের কাছ থেকে ১৫,০০০ টাকা পাবেন। যেসব কোম্পানি বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে তাদেরও বিশেষ সুযোগ দ দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত কর্মসংস্থান যোজনা তরুণদের জন্য প্রায় ৩.৫ কোটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে,&quot; প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন। এই ঘোষণার পরই লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে উপস্থিত তরুণদের কাছ থেকে জোরালো শুভেচ্ছা পান মোদী। প্রচুর মানুষ হাততালি দিয়ে স্বাগত জানায়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও ঘোষণা করেন যে, এই বছরের শেষের দিকে ভারতে তৈরি সেমিকন্ডাক্টর চিপ বাজারে পাওয়া যাবে, যা ভারতের প্রযুক্তিগত যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কীর্তি। &quot;দেশের যুবকদের এবং বিশ্বজুড়ে যারা ভারতের প্রযুক্তিগত শক্তি বোঝেন, তাদের কাছে আমি এটা বলতে চাই: এই বছরের শেষের দিকে, 'ভারতে তৈরি' চিপ বাজারে পাওয়া যাবে,&quot; প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন। সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ভারতকে স্বনির্ভর করার জন্য সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি । অতীতের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ভারতে সেমিকন্ডাক্টর উন্নয়নের ধারণা ৫০-৬০ বছর আগে উদ্ভূত হয়েছিল, কিন্তু অনেক জটিলতার কারণে আটকে ছিল। তিনি আরও বলেন যে, অতীতের সরকারগুলির নিস্ক্রিয়তার কারণে ভারত তেমন অগ্রগতি করতে পারেনি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মোদী জোর দিয়ে বলেন যে বর্তমান সরকার সেই উত্তরাধিকার থেকে মুক্তি পেয়েছে এবং একটি শক্তিশালী ঘরোয়া সেমিকন্ডাক্টর বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলার জন্য মিশন মোডে এগিয়ে চলছে এই ঘোষণা এমন মোদী ক, ছেন যখন ভারত ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং সরবরাহ শৃঙ্খল পুনর্বিন্যাসের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য একটি বিশ্বব্যাপী কেন্দ্র হিসাবে নিজেকে স্থাপন করার চেষ্টা করছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/pm-modi-to-inaugurate-pm-vbry-on-independence-day-aims-for-employment/photoshow-v6pt54m"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Union Budget 2026: বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বাড়বে AI- এর ব্যবহার! স্পষ্ট বার্তা নির্মলা সীতারামনের]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/business/business-news/union-budget-2026-the-use-of-ai-will-increase-further-in-various-fields-anbak/articleshow-vwscmgr</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/business/business-news/union-budget-2026-the-use-of-ai-will-increase-further-in-various-fields-anbak/articleshow-vwscmgr</guid>
            <pubDate>Sun, 01 Feb 2026 11:26:42 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Union Budget 2026: বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও বাড়বে AI- এর ব্যবহার! স্পষ্ট বার্তা নির্মলা সীতারামনের&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kc748hxnat9rc6qxf3wdhwzt,imgname-artificial-intelligence-1765470914485.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;২০২৬&ndash;২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট সংসদে পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। প্রথা ভেঙে এই প্রথম রবিবার পেশ হল বাজেট। প্রতিবছরের মতো ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ হল।দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা, সাধারণ মানুষের উপর করের চাপ কমানো এবং ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানোই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাজেটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল অবকাঠামো ও স্টার্ট-আপ সেক্টরে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারি পরিষেবায় এআই ব্যবহারের পরিধি বাড়িয়ে কাজের গতি ও স্বচ্ছতা আনার পরিকল্পনার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও প্রশাসনে প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবা চালুর রূপরেখাও তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ঋণ সহায়তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। রেল, সড়ক ও ডিজিটাল পরিকাঠামোয় বিনিয়োগ বাড়িয়ে দেশের সামগ্রিক বৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করার কথাও উঠে এসেছে বাজেট ভাষণে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Anulekha Kar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/business/business-news/union-budget-2026-the-use-of-ai-will-increase-further-in-various-fields-anbak/articleshow-vwscmgr"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পাহাড় চূড়ায় দেশপ্রেম ও ঐক্য প্রদর্শন! ১৪০০০ ফুট উচ্চতায় জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/indian-army-itbp-locals-unite-for-historic-tiranga-march-at-14000-ft/articleshow-yw328gi</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/indian-army-itbp-locals-unite-for-historic-tiranga-march-at-14000-ft/articleshow-yw328gi</guid>
            <pubDate>Fri, 15 Aug 2025 16:30:59 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলার চুনার ১৪,০০০ ফুট উচ্চতায় ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গজরাজ কর্পসের নেতৃত্বে একটি ঐতিহাসিক জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করেছি&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-ani20250815093336,imgname-image-26a5768a-3270-4ce3-9707-332d4ba9f45e.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;১৪,০০০ ফুট উচ্চতায়, দেশপ্রেম এবং ঐক্যের এক অসাধারণ প্রদর্শন। প্রধান উদ্যোক্তা ভারতীয় সেনাবাহিনীর গজরাজ কর্পস। সঙ্গে ছিলেন অরুণাচল প্রদেশের স্থানীয় বাসিন্দাররা তাওয়াং জেলার চুনার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা নিয়ে একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬০ জন গোর্খা সৈন্য এবং ২৫ জন আইটিবিপি কর্মী ১০০ মিটার দীর্ঘ জাতীয় পতাকা বহন করে মিছিল করেন। তাওয়াং জেলার মাগো এবং চুনা গ্রামের প্রায় ১৫০ জন স্থানীয় গ্রামবাসী, শিশু-কিশোর সহ সকলে মিলে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সহকারী কমিশনার থুতান ওয়াংচুর নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন এই আয়োজন পরিচালনা করে এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী মূলত উদ্যোগ নিয়েছিল। বারাণসীর (উত্তরপ্রদেশ) সারনাথের সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ হায়ার তিব্বতীয় স্টাডিজ থেকে ২৩ জন ছাত্র এবং একজন শিক্ষকও এই মিছিলে যোগ দেন। মিছিলের পর, সকল সংস্থা 'প্লাস্টিকমুক্ত অঞ্চল' পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণ করে এবং হিমালয়ের ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্র রক্ষার প্রচারও চালায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় তিরঙ্গা উত্তোলন ঐক্যের প্রতীক হয়ে ওঠে - সৈন্যরা সীমান্ত রক্ষা করছে, গ্রামবাসীরা ঐতিহ্য রক্ষা করছে এবং প্রশাসকরা টেকসই উন্নয়নের পক্ষে কাজ করছে। &quot;আজাদি কা অমৃত মহোৎসব&quot; উপলক্ষে এই মিছিল সকলকে মূল্যবান নাগরিক হওয়ার শিক্ষা দেয় এবং জাতির ভবিষ্যৎ সকলের কাঁধে নির্ভর করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু এই প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন এবং একে &quot;শীর্ষে ভারতের প্রকৃত চেতনা&quot; বলে অভিহিত করেছেন। মাগো এবং চুনা গ্রামের প্রতিটি ঘরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এই ঐক্যবদ্ধ দেশপ্রেমের কর্ম একটি শক্তিশালী স্মরণ করিয়ে দেয় যে আমাদের স্বাধীনতা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব এবং সম্মিলিত উদযাপনের কারণ।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>India Independence</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/indian-army-itbp-locals-unite-for-historic-tiranga-march-at-14000-ft/articleshow-yw328gi"/>
        </item>
    </channel>
</rss>
