<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="yes"?>
<rss xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" version="2.0">
    <channel>
        <title>Asianet News Bangla</title>
        <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
        <description><![CDATA[Bangla News - No.1 News channel in Kolkata, which delivers Local and International news in Bangla language.]]></description>
        <image>
            <url>https://static-assets.asianetnews.com/images/ogimages/OG_Bangla.jpg</url>
            <width>143</width>
            <height>100</height>
            <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
            <title>Asianet News Bangla</title>
        </image>
        <lastBuildDate>Mon, 29 Jun 2026 15:42:00 +0530</lastBuildDate>
        <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/rss/religion" rel="self" type="application/rss+xml"/>
        <item>
            <title><![CDATA[Baba Vanga Prediction: বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী! আগামী ৭ দিনে ৫ রাশির কপাল খুলবে, হাতে আসবে টাকা]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/baba-vanga-astrology-forecast-for-5-zodiacs-june-29-to-july-5-2026-bpsb/photoshow-31bcl1l</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/baba-vanga-astrology-forecast-for-5-zodiacs-june-29-to-july-5-2026-bpsb/photoshow-31bcl1l</guid>
            <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 14:00:48 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, আগামী ৭ দিন ৫টি রাশির জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের হতে চলেছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই সময়ে কোন কোন রাশির জাতক-জাতিকারা লাভবান হতে পারেন।]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kva2aza23bnt7exp9dyykzqc,imgname-baba-vanga-3-1781675687234.jpeg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, আগামী ৭ দিন ৫টি রাশির জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের হতে চলেছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই সময়ে কোন কোন রাশির জাতক-জাতিকারা লাভবান হতে পারেন।&lt;img&gt;বুলগেরিয়ার রহস্যময়ী ভবিষ্যৎদ্রষ্টা বাবা ভাঙ্গার বহু ভবিষ্যদ্বাণীই সত্যি হয়েছে। বহু শতক আগে করা তাঁর অনেক কথাই এখনও পর্যন্ত মিলে গিয়েছে, যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আজও মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এবার তাঁর করা ২০২৬ সালের ২৯ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সাপ্তাহিক ভবিষ্যদ্বাণী আলোচনার কেন্দ্রে। বাবা ভাঙ্গার মতে, আগামী ৭ দিন ৫টি রাশির জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যের হতে চলেছে।&lt;img&gt;বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী অনুসারে, ২৯ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সময়টা মেষ রাশির জাতকদের জন্য সৌভাগ্যের। এই সময়ে আপনার ক্যারিয়ারে অনেক নতুন পথ খুলবে। একাধিক চাকরির সুযোগ আসবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ভালো সমর্থন পাবেন এবং আপনার আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।&lt;img&gt;বাবা ভাঙ্গার মতে, নতুন সপ্তাহে মিথুন রাশির জাতকরা অনেক নতুন শুভ সঙ্কেত পাবেন। যদি গাড়ি বা সম্পত্তি কেনার পরিকল্পনা থাকে, তবে এটি তার জন্য ভালো সময়। এই সপ্তাহে ভ্রমণের যোগও তৈরি হচ্ছে। বন্ধুদের কাছ থেকে কোনও সুখবর পেতে পারেন। পাশাপাশি, বাড়ির পরিবেশ আনন্দমুখর থাকবে।&lt;img&gt;বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়বে। ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন পাবেন। পাশাপাশি, আপনি একটি নতুন প্রকল্প শুরু করার দিকে মনোযোগ দেবেন। সন্তানদের প্রতিভা বিকাশের ভালো সুযোগ আসবে। এছাড়া, আপনার মনমতো কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;img&gt;বৃশ্চিক রাশির জাতকদের জন্য এই নতুন সপ্তাহটি আত্মবিশ্বাসে ভরপুর থাকবে। এই সময়ে বিনিয়োগ করা টাকা থেকে ভালো লাভ পাবেন। কর্মক্ষেত্রে আপনাকে কিছু নতুন দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে, যা আপনি সততার সঙ্গে পালন করবেন। বাড়ির পরিবেশ বেশ মনোরম থাকবে।&lt;img&gt;মীন রাশির জাতকদের জন্য এই নতুন সপ্তাহটি শুভ হবে। এই সময়ে সন্তানদের প্রতিভা বিকাশের ভালো সুযোগ আসবে। তরুণরা অনেক চাকরির সুযোগ পাবেন। আপনার আর্থিক অবস্থাও ভালো থাকবে। আপনার সমস্ত প্রচেষ্টা সফল হবে। স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই।]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/baba-vanga-astrology-forecast-for-5-zodiacs-june-29-to-july-5-2026-bpsb/photoshow-31bcl1l"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026: পালাবদলের বাংলায় বিজেপি সরকারের আমলে প্রথম দুর্গাপুজো, রইল শারদোৎসবের সময়সূচি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-here-is-the-full-list-of-date-and-time-in-west-bengal-puja-anbmp/photoshow-64sk4z0</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-here-is-the-full-list-of-date-and-time-in-west-bengal-puja-anbmp/photoshow-64sk4z0</guid>
            <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:25:18 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja Date and Time: আষাঢ় মাস মানেই মনটা যেন কেমন উরু-উরু। জগন্নাথদেবের রথযাত্রার পরই শুরু হয়ে যাবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের তোড়জোড়। এই বছর কবে থেকে শুরু হচ্ছে দুর্গাপুজো? কবে বা পড়েছে মহালয়ার তিথি? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি&hellip;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01ktxk1nfbgbxqsp40getvb5pq,imgname-chatgpt-image-jun-12--2026--02-41-32-pm-1781257000427.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja Date and Time: আষাঢ় মাস মানেই মনটা যেন কেমন উরু-উরু। জগন্নাথদেবের রথযাত্রার পরই শুরু হয়ে যাবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের তোড়জোড়। এই বছর কবে থেকে শুরু হচ্ছে দুর্গাপুজো? কবে বা পড়েছে মহালয়ার তিথি? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি&hellip;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাংলায় শাসক শিবিরের পালাবদলের পর এই বছর হতে চলেছে প্রথম দুর্গাপুজো। ফলে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব নিয়ে একদিকে যেমন মনে আনন্দ জাগছে তেমনই গেরুয়া জমানায় বাংলায় কতটা জাঁকজমক হবে পুজো! তা নিয়েও বাঁধছে সন্দেহ। তৈরি হচ্ছে উদ্বেগ। এতসবের মাঝে এই বছর দুর্গাপুজো পড়েছে বাংলা কার্ত্তিক মাসে। ফলে হাতে এখনও অনেকটা সময় রয়েছে বাঙালির প্রিয় পুজোর প্যাণ্ডেল হপিংয়ের।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;২০২৫ সালের রেশ কাটতে না কাটতেই আপামর বাঙালি মেতে উঠেছে চলতি বছরের হিসেব-নিকেশ নিয়ে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত এবং গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকার গণনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোর সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট ও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সালে পুজো কিছুটা দেরিতে অর্থাৎ অক্টোবর মাসে শুরু হবে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল দিনগুলি অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে পড়েছে। মহালয়া ১০ অক্টোবর, বাংলা ২২ আশ্বিন শনিবার। মহা পঞ্চমী ১৫ অক্টোবর, (২৭ আশ্বিন) বৃহস্পতিবার। মহা ষষ্ঠী (বোধন) ১৬ অক্টোবর, &amp;nbsp;২৮ আশ্বিন শুক্রবার।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহা সপ্তমী ১৭ অক্টোবর, বাংলায় ২৯ আশ্বিন শনিবার। মহাষ্টমী ১৯ অক্টোবর, বাংলা ১ কার্তিক সোমবার। মহানবমী ২০ অক্টোবর, ২ কার্তিক মঙ্গলবার। বিজয়া দশমী ২১ অক্টোবর, ৩ কার্তিক বুধবার পড়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, এবার পুজোর শেষ দিনগুলি অর্থাৎ অষ্টমী, নবমী ও দশমী পড়েছে বাংলা কার্তিক মাসে। সপ্তমী ও অষ্টমীর মাঝে বিরতি:- তিথির হেরফেরের কারণে ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সপ্তমী পুজোর পর ১৮ অক্টোবর (রবিবার) কোনও মূল তিথি না থাকায়, ১৯ অক্টোবর (সোমবার) মহাষ্টমী ও সন্ধিপুজো অনুষ্ঠিত হবে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-here-is-the-full-list-of-date-and-time-in-west-bengal-puja-anbmp/photoshow-64sk4z0"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[লাল পরেই রাজা, লাল পরেই ফকির! জ্যোতিষ মতে কার জন্য লাল ভাগ্য ফেরায়, কার জন্য যমের মতো?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/according-to-astrology-for-whom-does-red-bring-a-stroke-of-luck-and-for-whom-does-it-prove-fatal/articleshow-9u5t0y8</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/according-to-astrology-for-whom-does-red-bring-a-stroke-of-luck-and-for-whom-does-it-prove-fatal/articleshow-9u5t0y8</guid>
            <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 18:50:25 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;জ্যোতিষীরা বলছেন, লাল রং হলো গ্রহরাজ মঙ্গলের রং। মঙ্গল মানে সাহস, এনার্জি, রক্ত, আগুন। টিপস: মঙ্গলবার লাল পরলে মঙ্গল স্ট্রং হয়। কিন্তু কর্কট/মীন রাশি মঙ্গলবার লাল একদম না। বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব কোণে লাল রাখলে মঙ্গল দোষ কাটে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01jkfxeby5q4xpd5x1t4k9tqh8,imgname-gettyimages-136645057--1-.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আপনার বন্ধু রাহুল। মেষ রাশি। লাল টি-শার্ট পরে ইন্টারভিউ দিতে গেল। চাকরি কনফার্ম। আপনার বোন মিতা। কর্কট রাশি। লাল শাড়ি পরে শ্বশুরবাড়ি গেল। শাশুড়ির সাথে দিনে ৩ বার ঝগড়া।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কাকতালীয়? জ্যোতিষ বলছে না। এটা &quot;গ্রহের খেলা&quot;। লাল রং সরাসরি মঙ্গল গ্রহকে অ্যাক্টিভেট করে। মঙ্গল স্ট্রং হলে কেউ রাজা, উইক হলে কেউ ধ্বংস।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*কার জন্য লাল = ভাগ্য ফেরানোর চাবি? &quot;লালের রাজা&quot; ২ রাশি:*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*১. মেষ রাশি - Mesh Rashi - ২১ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মেষের অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। মানে লাল হলো ওদের &quot;নিজের রং&quot;।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*লাল পরলে কী হবে?* আত্মবিশ্বাস ১০ গুণ। চাকরির ইন্টারভিউ, কম্পিটিশন, খেলাধুলা - সব জায়গায় জেতার এনার্জি। মঙ্গলের দশা চললে লাল পোখরাজ বা লাল কোরালের বদলে কাজ দেবে। বিয়ের বাধা, ভাই-বোনের ঝামেলাও কাটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*কিন্তু সাবধান:* রাগও ১০ গুণ বাড়বে। মাথা গরম করে ডিসিশন নেবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*২. বৃশ্চিক রাশি - Vrishchik Rashi - ২৩ অক্টোবর থেকে ২১ নভেম্বর*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বৃশ্চিকেরও অধিপতি মঙ্গল। ওরা লাল পরলে &quot;ম্যাগনেটিক পার্সোনালিটি&quot; পায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*লাল পরলে কী হবে?* গোপন শত্রু নাশ, জমি-বাড়ির সমস্যা মেটে, পুলিশ-কোর্টের কাজে জয়। সার্জারি, ইলেকট্রিক, আর্মির কাজ যারা করেন তাদের জন্য লাল বর্মের মতো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*কিন্তু সাবধান:* জেদ বাড়বে। সম্পর্ক ভাঙার রিস্ক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*কার জন্য লাল = যমের দূত? &quot;লাল দেখলেই বিপদ&quot; ২ রাশি:*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*১. কর্কট রাশি - Karkat Rashi - ২১ জুন থেকে ২ জুলাই*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কর্কটের অধিপতি চাঁদ। চাঁদ = ঠান্ডা, জল, মন। মঙ্গল = আগুন, রক্ত। আগুন-জল একসাথে? ধোঁয়া + ঝামেলা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*লাল পরলে কী হবে?* মাথা গরম, মুড সুইং, মায়ের সাথে ঝগড়া, জলে ডোবার ভয়, প্রেমে ব্রেকআপ। পেটের সমস্যা, ব্লাড প্রেশারও বাড়বে। কর্কট মেয়েরা লাল সিঁদুর ছাড়া অন্য কিছু পরুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*বিকল্প:* সাদা, মুক্তো রং, হালকা নীল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*২. মীন রাশি - Meen Rashi - ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চ*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মীনের অধিপতি বৃহস্পতি। বৃহস্পতি = জ্ঞান, ধর্ম। মঙ্গল = যুদ্ধ। জ্ঞানীর হাতে অস্ত্র দিলে সে নিজেই কাটা পড়বে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*লাল পরলে কী হবে?* কনফিউশন, ডিপ্রেশন, টাকার লস, সন্তানের পড়াশোনায় বাধা। মীন রাশির মানুষ স্বপ্নবাজ - লাল পরলে পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাবে। অ্যাক্সিডেন্টের যোগও বাড়ে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*বিকল্প:* হলুদ, গোলাপি, ক্রিম রং।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*মাঝামাঝি রাশি - &quot;লাল চলবে, কিন্তু লিমিটে&quot;:*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*বৃষ, কন্যা, তুলা, মকর:* লাল ওদের শত্রুও না, বন্ধুও না। ছোট অ্যাকসেসরি হিসেবে পরতে পারেন - লাল চুড়ি, লাল টিপ, লাল রুমাল। ফুল লাল পোশাক না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*সিংহ, ধনু, কুম্ভ:* লাল মোটামুটি শুভ। সিংহ-ধনুর আগুন লালের সাথে ম্যাচ করে। কুম্ভের জন্য লাল সাহস যোগায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*লাল ব্যবহারের ৩টে সোনার নিয়ম:*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*নিয়ম ১: দিন দেখে পরুন*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মঙ্গলবার + লাল = ডাবল মঙ্গল। মেষ/বৃশ্চিক হলে মঙ্গলবার লাল পরুন - চাকরি-ব্যবসায় জোর আসবে। কর্কট/মীন হলে মঙ্গলবার লাল ছোঁবেনও না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*নিয়ম ২: শরীরের কোথায় পরছেন*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মাথায় লাল ফিতে = বুদ্ধি গরম। কোমরে লাল কোমরবন্ধ = সাহস বাড়বে। পায়ে লাল মোজা = অ্যাক্সিডেন্ট যোগ। তাই মেষ/বৃশ্চিক ছাড়া কেউ পায়ে লাল না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*নিয়ম ৩: বাড়িতে কোথায় রাখবেন*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাস্তু মতে বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব কোণ &quot;অগ্নি কোণ&quot;। ওখানে লাল ফুলদানি, লাল পর্দা রাখলে মঙ্গল দোষ কাটে। কিন্তু বাড়ির বেডরুমে লাল চাদর? স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া বাড়বে ১০%। বেডরুমে সাদা/হালকা সবুজ বেস্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*একটা কড়া সত্যি:*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রং দিয়ে ভাগ্য ১০% বদলায় না। আপনার কর্ম + গ্রহের দশা মেইন। লাল শুধু &quot;বুস্টার&quot;। মেষ রাশি হয়ে সারাদিন ঘুমালে লাল পরেও চাকরি পাবেন না। কর্কট রাশি হয়ে ধৈর্য রাখলে লাল না পরেও সুখী হবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*শেষ কথা:*&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লাল ভালোবাসার রং, রক্তের রং, বিপদের সিগন্যালের রং। তাই ব্যবহার করুন বুঝে। বিয়ের কনে লাল পরবেই - ওটা নিয়ম। কিন্তু ডেইলি লাইফে আপনার রাশি চেক করে পরুন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/according-to-astrology-for-whom-does-red-bring-a-stroke-of-luck-and-for-whom-does-it-prove-fatal/articleshow-9u5t0y8"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ambubachi 2026: অম্বুবাচীতেও ভক্তদের জন্য খোলা তারাপীঠের মন্দির, আসল কারণ জানলে অবাক হবেন!]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ambubachi-2026-know-the-actual-reason-why-the-tarapith-temple-is-open-for-pilgrims-anbmp/photoshow-atk2xyc</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ambubachi-2026-know-the-actual-reason-why-the-tarapith-temple-is-open-for-pilgrims-anbmp/photoshow-atk2xyc</guid>
            <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 10:44:41 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ambubachi 2026: শুরু হয়ে গিয়েছে অম্বুবাচী তিথি। শাস্ত্র মতে এই সময়ে ধরিত্রী রজঃস্বলা হন বলে কঠোর নিয়ম -অনুশাসনের মধ্যে দিয়ে যান হিন্দু বিধবা, সাধু সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারীরা। কিন্তু এই সময়েও খোলা থাকে তারাপীঠ মন্দির। কিন্তু কেন জানেন? জানুন আরও বিশদে।।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01fda43ntewfje6ck80xdmvq8x,imgname-tara-maa-jpg.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Ambubachi 2026: শুরু হয়ে গিয়েছে অম্বুবাচী তিথি। শাস্ত্র মতে এই সময়ে ধরিত্রী রজঃস্বলা হন বলে কঠোর নিয়ম -অনুশাসনের মধ্যে দিয়ে যান হিন্দু বিধবা, সাধু সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারীরা। কিন্তু এই সময়েও খোলা থাকে তারাপীঠ মন্দির। কিন্তু কেন জানেন? জানুন আরও বিশদে।।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;হিন্দু শাস্ত্র মতে অম্বুবাচী হলো আষাঢ় মাসের এমন একটি তিথি যে সময়ে প্রকৃতি রজঃস্বলা হন। শাস্ত্র মতে এই সময়ে হিন্দু বিধবা, ব্রহ্মচারী, সাধু-সন্ন্যাসীদের কঠোর অনুশাসনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। নানারকম আচার পালন করেন হিন্দু বিধবারা। এই সময়ে বেশিরভাগ মন্দির বন্ধ থাকে। কিন্তু ধরিত্রী রজঃস্বলা হলেও নিয়ম করে খোলা থাকে বীরভূমের তারাপীঠের তারা মায়ের মন্দির। এর পিছনে আসল কারণটা জানলে অবাক হবেন আপনি।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;অম্বুবাচী মেলার সময়েও বীরভূমের বিখ্যাত তারাপীঠ মন্দির ভক্তদের জন্য সম্পূর্ণ খোলা থাকে। এর পিছনে রয়েছে অন্য বিশেষ কারণ। অসমের কামাখ্যা মন্দিরের মতো তারাপীঠের মা তারা দেবী ঋতুমতী হন না, কারণ এখানে দেবী কালীর রূপ 'তারা' হিসেবে পূজিত হন। তাই কামাখ্যা মন্দির অম্বুবাচীর তিন দিন বন্ধ থাকলেও, তারাপীঠে পুজো এবং দর্শনে কোনও বাধা থাকে না।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এই সময়ে মা তারাকে কোনও অন্নভোগ বা গরম খাবার দেওয়া হয় না। এই তিন দিন দেবীকে মূলত ফলাহার এবং শীতল ভোগ নিবেদন করা হয়। আম, কাঁঠাল, দুধ, ছানা এবং মিষ্টি দিয়ে এই বিশেষ ভোগ প্রস্তুত করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কামাখ্যা ধামের পাশাপাশি এই সময়ে তারাপীঠ মহাশ্মশানেও প্রচুর সাধু, তান্ত্রিক এবং অঘোরী সন্ন্যাসীদের আগমন ঘটে। মন্দিরের পাশাপাশি শ্মশান এলাকাতেও বিশেষ যজ্ঞ ও সাধনা চলে। এই সময়ে মায়ের বিগ্রহকে বিশেষভাবে সাজানো হয়। সাধারণত লাল বেনারসী ও বিশেষ অলংকারে দেবী সেজে ওঠেন। এবং ভক্ত ও দর্শণার্থীদের জন্য মন্দিরের দ্বার সবসময় খোলা থাকে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের অম্বুবাচীর সময়সূচী হলো:-&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অম্বুবাচী শুরু (প্রবৃত্তি): ২২ জুন, সোমবার (রাত ৯টা বেজে ৮ মিনিটে)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অম্বুবাচী শেষ (নিবৃত্তি): ২৬ জুন, শুক্রবার (রাত ১০টা বেজে ৫৭ মিনিটে)।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্রমতে, এই চার দিন (২৩, ২৪, ২৫ এবং ২৬ জুনের রাত পর্যন্ত) মূল নিষেধকাল বা অম্বুবাচী তিথি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এই সময়ে মূলত কামাখ্যা মন্দিরের গর্ভগৃহ বন্ধ থাকে এবং ২৬ জুন সকালে দেবীর বিশেষ স্নান ও পূজার পর কামাখ্যা ধামের মূল মন্দির ভক্তদের দর্শনের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ambubachi-2026-know-the-actual-reason-why-the-tarapith-temple-is-open-for-pilgrims-anbmp/photoshow-atk2xyc"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Puja Vrat Tips:  ধূপকাঠি নাকি ধুনো? পুজোয় কোনটা দিলে দেবতা বেশি তুষ্ট হন? জানুন শাস্ত্রের উত্তর]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/which-is-best-dhoop-or-dhuna-for-pujo-days-see-some-benefits-hindu-worship-rules-anb/articleshow-c9e1pp1</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/which-is-best-dhoop-or-dhuna-for-pujo-days-see-some-benefits-hindu-worship-rules-anb/articleshow-c9e1pp1</guid>
            <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 11:01:26 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Puja Vrat Tips: সন্ধ্যার পুজোয় ধূপকাঠি জ্বালাবেন নাকি ধুনুচিতে ধুনো দেবেন &ndash; এই দ্বন্দ্ব অনেকেরই। শাস্ত্র বলছে দুটোর উদ্দেশ্য আলাদা। ধূপকাঠি মানে সুগন্ধ, আর ধুনো মানে শুদ্ধিকরণ। ঈশ্বর ভক্তি দেখেন, ধোঁয়া নয়।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kkaqfh8tvxwf093n6yfknwkn,imgname-sheetala-mata-puja-vidhi-01-1773107922202.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;PujaVrat Tips: &lt;/strong&gt;সন্ধ্যা নামলেই বাঙালি ঘরের পুজোর ঘর থেকে ভেসে আসে ধূপের গন্ধ। কারও হাতে ধূপকাঠি, কারও হাতে জ্বলন্ত ধুনুচি। দুটোই সুগন্ধ দেয়, দুটোই ঠাকুরের সামনে জ্বলে। কিন্তু মনে প্রশ্ন জাগে, দেবতা আসলে কোনটায় বেশি খুশি হন? শাস্ত্র আর বিজ্ঞান &ndash; দুই দিক থেকেই উত্তরটা একটু আলাদা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্র মতে &quot;ধূপ&quot; শব্দের অর্থই হল সুগন্ধি। তাই দেবতাকে ধূপ দেওয়া অঙ্গ। পুরাণে &quot;ষোড়শ উপাচারে&quot; ধূপ-দীপের উল্লেখ আছে। কিন্তু এখানেই একটা বড় শর্ত আছে। শাস্ত্রে বাঁশের কাঠি যুক্ত ধূপকাঠি জ্বালাতে কড়া নিষেধ। কারণ বাঁশকে অশুভ, অপবিত্র মানা হয়। বিশেষ করে পিতৃপক্ষে বাঁশ পোড়ানো মহাপ। তাই বাজারের সস্তার ধূপকাঠি জ্বালানোর আগে প্যাকেটে &quot;Bamboo-less&quot; লেখাটা দেখে নেওয়া জরুরি। কাঠি ছাড়া শঙ্খ ধূপ বা জেল ধূপ জ্বালালে এই দোষ থাকে না।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;জানুন ধূপ-ধুনো দেওয়ার আসল কারণ:-&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে ধুনো হল হাজার বছরের পুরোনো রীতি। ঘুঁটে, গুগ্গুল, লোবান, নিমপাতা, তেজপাতা, কর্পূর একসাথে পোড়ালেই তৈরি হয় ধুনো। আরতি মানেই ধুনো ছাড়া অসম্পূর্ণ। শাস্ত্র বলছে ধুনোর ধোঁয়া সাত্ত্বিক। এই ধোঁয়া শুধু গন্ধ দেয় না, ঘরের বাতাস শুদ্ধ করে, নেগেটিভ এনার্জি কাটে, বাস্তু দোষ নাশ করে। তাই বিশেষ পুজো, অমাবস্যা, গৃহপ্রবেশের মতো বড় কাজে মুনি-ঋষিরা সবসময় ধুনো দিতেই বলেছেন। ধুনো মানে যজ্ঞের একটা ছোট রূপ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এবার আসি বিজ্ঞানের কথায়। সস্তার ধূপকাঠিতে কাঠের গুঁড়ো, কয়লার গুঁড়ো আর কড়া কেমিক্যাল পারফিউম মেশানো থাকে। জ্বালালে PM 2.5, কার্বন মনোক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্যাস বের হয়। বন্ধ ঘরে রোজ জ্বালালে মাথা ধরা, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট পর্যন্ত হতে পারে। WHO-ও বেশি ধূপকাঠি জ্বালাতে বারণ করে। কিন্তু ধুনোর বেলায় ছবিটা উল্টো। ঘুঁটে আর নিমপাতা পোড়ালে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধোঁয়া তৈরি হয়। বর্ষাকালে ধুনো দিলে মশা-মাছি পালায়, ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব কেটে যায়। আয়ুর্বেদেও শ্বাসকষ্ট কমাতে ধুনোর ধোঁয়া নিতে বলা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাহলে শেষ সিদ্ধান্ত কী দাঁড়াল? ঈশ্বর ধূপকাঠি দেখেন না, ধুনোও দেখেন না। উনি দেখেন আপনার মন। আপনার ডাক যদি সত্যি হয়, একটা ফুল দিলেও উনি তুষ্ট হন। ধূপকাঠি না থাকলে মনের ধূপই সবচেয়ে বড় ধূপ। তবে নিয়ম মেনে পুজো করতে চাইলে একটা সহজ হিসাব রাখুন। রোজকার নিত্য পুজোর জন্য বাঁশ ছাড়া কাঠি ধূপ বা শঙ্খ ধূপই যথেষ্ট। তাড়াতাড়ি হয়, ঘরও নোংরা হয় না। আরতি, শনিবারের পুজো, অমাবস্যা বা ঘর শুদ্ধ করার জন্য ধুনুচিতে ঘুঁটে দিয়ে গুগ্গুল-কর্পূর মিশিয়ে ধুনো দিন। ধুনোর শক্তি অনেক বেশি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষে মাত্র তিনটে নিয়ম মাথায় রাখুন। এক, বাঁশের কাঠি একদম বর্জন করুন। দুই, ধূপ বা ধুনো যাই জ্বালান, ঘরের জানলা একটু খোলা রাখুন যাতে ধোঁয়া জমে না যায়। আর তিন, জ্বালানোর সময় মনটা ঠাকুরের পায়ে রাখুন। কারণ ধূপে গন্ধ আছে, ধুনোয় শক্তি আছে, আর ভক্তিতে ঈশ্বর আছেন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/which-is-best-dhoop-or-dhuna-for-pujo-days-see-some-benefits-hindu-worship-rules-anb/articleshow-c9e1pp1"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Puja Vrat: অমরনাথের অমৃতকথা: কেন শিব পার্বতীকে নিয়ে গুহায় লুকোলেন? নন্দী-গণেশকে ত্যাগের কারণ]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/the-amrit-katha-of-amarnath-why-did-shiva-hide-in-the-cave-with-parvati/articleshow-etw6nl5</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/the-amrit-katha-of-amarnath-why-did-shiva-hide-in-the-cave-with-parvati/articleshow-etw6nl5</guid>
            <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 20:34:59 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Puja Vrat: পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী পার্বতী শিবকে জিজ্ঞেস করেন &quot;আপনি অমর, আমি মরণশীল কেন?&quot; শিব অমরত্বের &quot;অমরকথা&quot; শোনাতে নির্জন গুহা খোঁজেন। পথে পহেলগাঁওতে নন্দীকে, চন্দনবাড়িতে চাঁদকে, শেষনাগে সাপকে, পঞ্চতরণীতে ৫টা তত্ত্বকে ত্যাগ করেন।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k0chs9y7cjz5m0newkhckmgz,imgname-gwa9bm6bkaqtstv-1752767965127.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Puja Vrat: &lt;/strong&gt;হিমালয়ের কোলে ১৩,৫০ ফুট উঁচুতে বরফের গুহা। ভিতরে ঝুলছে বরফের শিবলিঙ্গ। প্রতি বছর জুলাই-আগস্টে ওটা নিজে থেকেই বড় হয়, শ্রাবণ পূর্ণিমায় চূড়া ছোঁয়, তারপর গলে যায়। এটাই অমরনাথ।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;কেন &quot;অমরনাথ&quot;? অমরকথার গল্প:&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;১. পার্বতীর প্রশ্ন + শিবের প্রতিজ্ঞা&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একদিন দেবী পার্বতী শিবকে বলেন: &quot;প্রভু, আপনি কল্প-কল্প ধরে আছেন। আমি জন্ম-মৃত্যুর চক্রে আটকে যাই কেন?&quot; শিব বলেন &quot;তোমায় অমরত্বের গোপন কথা শোনাবো।&quot; কিন্তু সেই কথা যেন কেউ না শোনে। তাই নির্জন জায়গা খুঁজতে বেরোলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. পথে একে একে সব ত্যাগ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কৈলাস থেকে বেরিয়ে শিব প্রথমে পহেলগাঁওতে তাঁর বাহন নন্দীকে ছেড়ে দেন। কারণ অমরত্বের কথা শুনলে নন্দীও অমর হয়ে যাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চন্দনবাড়িতে মাথার চাঁদকে খুলে রাখেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষনাগ লেকে গলার বাসুকি নাগকে ছেড়ে দেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পঞ্চতরণীতে পৃথিবী, জল, আগুন, বায়ু, আকাশ - পঞ্চতত্ত্ব ত্যাগ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গুহার মুখে পুত্র গণেশকে আর দ্বাররক্ষী ভৈরবকে দাঁড় করিয়ে একা ভিতরে যান পার্বতীকে নিয়ে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. গুহার ভিতর অমরকথা ও পায়রার কাহিনি&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গুহার ভিতর শিব পার্বতীকে অমরকথা শোনাতে শুরু করলেন। কথার মাঝে পার্বতী ঘুমিয়ে পড়েন। শিব বুঝতে পারেননি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কিন্তু গুহার এক কোণে ২টো পায়রা লুকিয়ে ছিল। তারাও পুরো কথা শুনে ফেলে। ফলে পায়রা ২টো অমর হয়ে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কথা শেষে শিব বুঝতে পারেন পার্বতী ঘুমোচ্ছে। রেগে পায়রা মারতে গেলে পায়রা ২টো গুহার ফাটল দিয়ে বেরিয়ে যায়। আজও ভক্তরা গুহার ভিতর জোড়া পায়রা দেখতে পায় বলে বিশ্বাস।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. বরফের শিবলিঙ্গের রহস্য&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গুহার ছাদ থেকে ফোঁটা ফোঁটা জল পড়ে জমে শিবলিঙ্গ তৈরি হয়। শ্রাবণ মাসে চাঁদের আলো পড়ে ওটা সাদা ধবধবে হয়। পূর্ণিমায় সবচেয়ে বড়, অমাবস্যায় গলে ছোট হয়ে যায়। বিজ্ঞান বলে এটা &quot;stalagmite&quot;। ভক্তরা বলে এটা স্বয়ম্ভু শিব।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যাত্রার ৫টা স্টপেজ = ৫টা ত্যাগের প্রতীক:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পহেলগাঁও = নন্দী ত্যাগ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চন্দনবাড়ি = চন্দ্র ত্যাগ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষনাগ = নাগ ত্যাগ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পঞ্চতরণী = পঞ্চতত্ত্ব ত্যাগ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গুহা = মোহ-মায়া ত্যাগ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভক্তদের বিশ্বাস:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যে একবার অমরনাথ দর্শন করে, তার জন্ম-মৃত্যুর চক্র কাটে। বরফের শিবলিঙ্গ ছুঁলে সব পাপ ধুয়ে যায়। গুহার জল খেলে রোগ সারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যাওয়ার আগে ৩টে কথা:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. রেজিস্ট্রেশন + মেডিকেল ফিট সার্টিফিকেট মাস্ট।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. অক্সিজেন কম, তাই আস্তে হাঁটো। &quot;বম বম ভোলে&quot; বলতে বলতে যাও।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. গুহার ভিতর ফোন-ক্যামেরা বারণ। শুধু মন দিয়ে দর্শন করো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষ কথা:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অমরনাথ শুধু তীর্থ না, এটা ত্যাগের শিক্ষা। শিব নিজের সবচেয়ে প্রিয় নন্দী-গণেশকেও ছেড়েছেন শুধু পার্বতীকে একটা সত্য বলার জন্য। সেই সত্যটা হলো - &quot;মৃত্যুকে জয় করতে হলে মোহ ত্যাগ করতে হয়&quot;।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/the-amrit-katha-of-amarnath-why-did-shiva-hide-in-the-cave-with-parvati/articleshow-etw6nl5"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ram Mandir  EXCLUSIVE: কাজ শেষ, কিন্তু আসল চ্যালেঞ্জ সবে শুরু, জানালেন প্রকল্প প্রধান নৃপেন্দ্র মিশ্র]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/ayodhya-ram-mandir-exclusive-nripendra-misra-reveals-ram-mandir-challenges-and-future-plans/articleshow-igsiyg3</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/ayodhya-ram-mandir-exclusive-nripendra-misra-reveals-ram-mandir-challenges-and-future-plans/articleshow-igsiyg3</guid>
            <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 11:53:06 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র এই প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জের খুঁটিনাটি জানিয়েছেন। দেশজুড়ে ভক্তদের দানে তৈরি এই মন্দিরটি সনাতন ধর্মের বৃহত্তর ভাবনাকে মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। রইল রাম মন্দির নির্মাণের অজানা কথা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kw3vqbg4hexc702t5bjtwhsc,imgname-whatsapp-image-2026-06-26-at-2.21.55-pm-1782469349154-1782541168132.jpeg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;স্বাধীন ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্পের পেছনের গল্প এবার সামনে এল। রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নৃপেন্দ্র মিশ্র এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এই বিশাল কর্মকাণ্ডের খুঁটিনাটি তুলে ধরেছেন। এশিয়ানেট নিউজেবলকে দেওয়া এই এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে তিনি অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির প্রযুক্তিগত, প্রশাসনিক এবং আধ্যাত্মিক দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, তীর্থযাত্রীদের বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা দিতে এখনও কী কী কাজ বাকি রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;রাম মন্দির নির্মাণের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, আজ মন্দির দেখে সবকিছু সহজ মনে হলেও, নির্মাণের প্রতিটি ধাপে জটিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ ছিল। সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিগত বাধাগুলোর মধ্যে একটি ছিল টাইটেনিয়ামের যন্ত্রাংশ নিয়ে। ইঞ্জিনিয়াররা দেখেন যে, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ৫২ শতাংশেরও বেশি ধাতু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য কমিটি প্রাইভেট সেক্টরের বিশেষজ্ঞ-সহ একাধিক পেশাদারের মতামত নেয়। এরপরই একটি প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক এবং আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী সমাধান বের করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাম মন্দিরকে &quot;ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত একটি স্বপ্ন&quot; বলে উল্লেখ করে মিশ্র জানান, এর কৃতিত্ব কোনও একজন ব্যক্তির নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভক্ত, সাধু এবং পণ্ডিতদের, যারা ভেবেছিলেন ভগবান রামের মন্দির কেমন হওয়া উচিত। মন্দিরের প্রতিটি শৈল্পিক সিদ্ধান্ত, এমনকি সাধুদের ব্রোঞ্জের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রেও বেদ, পুরাণ এবং ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে। একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল ৭৯ জন সাধু ও ব্যক্তিত্বকে বেছে নেয়, যাদের জীবন মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরামের আদর্শকে প্রতিফলিত করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মন্দিরের কাজ নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে মিশ্র একটি অকপট উত্তর দেন। তিনি বলেন, &quot;ভক্তদের মুখের অভিব্যক্তি দেখেই আমার সন্তুষ্টি আসবে।&quot; তাঁর মতে, এই প্রকল্পের বিচার শুধু স্থাপত্য দিয়ে নয়, বরং তীর্থযাত্রীরা কতটা আরামে দর্শন করতে পারছেন, তা দিয়ে হওয়া উচিত।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;তীর্থযাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও ভালো করার চেষ্টা&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;নৃপেন্দ্র মিশ্র অনুমান করেন যে, তীর্থযাত্রীদের দৃষ্টিকোণ থেকে মন্দিরের পরিকাঠামো বর্তমানে &quot;প্রায় ৬০ শতাংশ সম্পূর্ণ&quot;। এখনও বেশ কিছু উন্নতির কাজ বাকি রয়েছে। যেমন, একাধিক ভাষায় সাইনবোর্ড, আরও পানীয় জলের ব্যবস্থা, ছায়াযুক্ত হাঁটার পথ, জুতো রাখার উন্নত ব্যবস্থা, সহজে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ এবং বয়স্ক ও সারা ভারত থেকে আসা দর্শনার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নৃপেন মিশ্র আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পরিকল্পনা পর্যায়ে একটি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন&mdash;রাম মন্দিরকে যেন কখনও শুধু উত্তর ভারতের মন্দির বলে মনে না হয়। বরং এটি সনাতন ধর্মের বৃহত্তর চেতনাকে প্রতিফলিত করবে, যা প্রতিটি অঞ্চল, ভাষা এবং ঐতিহ্যের ভক্তদের স্বাগত জানাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই বিশেষ সাক্ষাৎকারে মন্দিরের ৭১ একরের বিশাল কমপ্লেক্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও উঠে এসেছে। ভবিষ্যতে এখানে একটি থ্রি-ডি রামকথা মিউজিয়াম, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য বড় অডিটোরিয়াম, উন্নত উদ্যান, তীর্থযাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা, জলাশয় ব্যবহার করে প্রাকৃতিক শীতলীকরণ ব্যবস্থা এবং রাম জন্মভূমি আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী কর সেবকদের স্মরণে স্মারক তৈরি করা হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নৃপেন মিশ্র ব্যাখ্যা করেন যে, অযোধ্যার তীব্র গরমেও যাতে তীর্থযাত্রা আরামদায়ক হয়, তার জন্য প্রাকৃতিক শীতলীকরণ কৌশল, আচ্ছাদিত হাঁটার পথ, পানীয় জলের স্টেশন এবং ছায়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দর্শনার্থীদের মতামত নিয়ে ক্রমাগত উন্নতির কাজ চলছে, তাই এই প্রকল্পটি একটি সমাপ্ত সৌধ না হয়ে, একটি চলমান প্রক্রিয়া হয়ে উঠেছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;নৃপেন্দ্র মিশ্রের আধ্যাত্মিক যাত্রা&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;নিজের ব্যক্তিগত যাত্রার কথা বলতে গিয়ে মিশ্র জানান, রাম মন্দির প্রকল্পটি তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে বদলে দিয়েছে। কয়েক দশক ধরে জনপ্রশাসনে কাজ করার পর, এমনকি প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পরেও, তিনি একসময় সাফল্যকে ব্যক্তিগত কৃতিত্বের চোখে দেখতেন। কিন্তু মন্দিরের কাজে পাঁচ বছর সময় কাটানোর পর তিনি বিনয়ী হতে শিখেছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তিনি আধ্যাত্মিক গুরু মাতা অমৃতানন্দময়ীর একটি বার্তার কথা স্মরণ করেন। মাতা তাঁকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, প্রত্যেক ব্যক্তি ঈশ্বরের দ্বারা নির্বাচিত &quot;একটি যন্ত্র মাত্র&quot;, যিনি একটি ঐশ্বরিক দায়িত্ব পালন করেন। এই বার্তাটি নেতৃত্ব এবং সেবা সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আমূল বদলে দেয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মিশ্রের মতে, এই প্রকল্পের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল সম্মিলিত অংশগ্রহণের মনোভাব। ইঞ্জিনিয়ার, ঠিকাদার, কারিগর এবং প্রযুক্তি সংস্থাগুলো শুধুমাত্র পেশাদার হিসেবে নয়, ভক্ত হিসেবে এগিয়ে এসেছে। বেশ কয়েকটি সংস্থা স্বেচ্ছায় তাদের পেশাগত ফি মকুব করে দিয়েছে, তাদের কাজকে ভগবান রামের প্রতি উৎসর্গ হিসেবে বিবেচনা করে। সারা দেশের ৪ লক্ষেরও বেশি গ্রামের ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছ থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ৩,২০০ কোটি টাকার অনুদানে এই মন্দির তৈরি হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মিশ্রের জন্য সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল &quot;ঈশ্বরের টাকা&quot; রক্ষা করা, যে কথাটি তিনি বারবার বলেছেন। তাঁর কথায়, প্রতিটি খরচ জবাবদিহিতা এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে খতিয়ে দেখা হয়েছে, কারণ এই মন্দির লক্ষ লক্ষ ভক্তের।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নির্মাণ কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গে রাম মন্দির শুধুমাত্র একটি স্থাপত্যের বিস্ময় হিসেবেই নয়, বিশ্বাস, সেবা এবং জাতীয় অংশগ্রহণের এক জীবন্ত প্রতীক হিসেবেও উঠে আসছে। এশিয়ানেট নিউজেবলের সঙ্গে এই বিশেষ কথোপকথনে নৃপেন্দ্র মিশ্র স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মন্দিরের কাঠামো প্রায় সম্পূর্ণ হলেও, প্রতিটি ভক্তের জন্য আদর্শ তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতা তৈরির মিশন সবে শুরু হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/ayodhya-ram-mandir-exclusive-nripendra-misra-reveals-ram-mandir-challenges-and-future-plans/articleshow-igsiyg3"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ঘরের যত্রতত্র চুল ফেললেই সর্বনাশ! নামবে মারাত্মক দারিদ্র্য! আজই সাবধান হোন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/carelessly-discarding-hair-can-spell-disaster-vastu-says-it-invites-poverty-while-doctors-warn-it-spreads-disease/articleshow-lfqpp9i</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/carelessly-discarding-hair-can-spell-disaster-vastu-says-it-invites-poverty-while-doctors-warn-it-spreads-disease/articleshow-lfqpp9i</guid>
            <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 15:30:07 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বাস্তুশাস্ত্র আর লোকবিশ্বাস বলছে, যেখানে-সেখানে চুল ফেললে অমঙ্গল আসে। শাস্ত্র + সায়েন্স দুই মিলে একটাই সমাধান: চুল কাটার পর কাগজে মুড়ে ডাস্টবিনে ফেলুন বা জলে ভাসিয়ে দিন। শনিবার চুল-নখ কাটা অশুভ।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01ktnmrj40fy2eqemh851hhr3h,imgname-hair-fall-control--1--1780990363776.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;চুল আঁচড়ালেন, ঝরে পড়া চুল হাতের কাছে যা পেলেন সেখানেই ফেলে দিলেন। বাথরুমের সিঙ্কে, বিছানার চাদরে, অফিসের টেবিলে, এমনকি রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে। &quot;এ আর এমন কী&quot; ভেবে আপনি উড়িয়ে দিলেও বাস্তুশাস্ত্র আর পুরোনো ঠাকুমা-দিদিমারা মাথা নাড়েন। তারা বলছেন, এই ছোট ভুলটাই ডেকে আনতে পারে চরম অমঙ্গল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*বাস্তু-জ্যোতিষ কী বলছে? চুল ফেলার ৩টে কুফল:*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*কুফল ১: টাকা-পয়সা আটকে যায়, দারিদ্র্য আসে*:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাস্তু মতে চুল হলো &quot;শনির কারক&quot;। শনি মানে কর্মফল। যেখানে-সেখানে চুল ফেললে শনির অশুভ দৃষ্টি পড়ে। ফলে আয়ের রাস্তা বন্ধ হয়। ব্যবসায় লোকসান, চাকরিতে প্রমোশন আটকে যায়। ঘরের উত্তর-পূর্ব কোণে চুল জমলে &quot;কুবের স্থান&quot; দূষিত হয়। তাই লোকবিশ্বাস - চুল ফেলতে হয় কাগজে মুড়ে বা জলে ভাসিয়ে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*কুফল ২: শত্রু বৃদ্ধি + বদনজর লাগে*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তন্ত্রশাস্ত্রে চুল, নখ, রক্ত দিয়ে &quot;অভিচার&quot; করা হয়। আপনার ফেলে দেওয়া চুল কেউ পেয়ে গেলে আপনার ক্ষতি করতে পারে - এই বিশ্বাস যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। তাই মা-ঠাকুমারা বলতেন চুল পুড়িয়ে ফেলতে বা গঙ্গায় ভাসাতে। চুল রাস্তায় পড়ে থাকলে শত্রু আপনার নামে কুনজর দিতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*কুফল ৩: সংসারে অশান্তি + সম্পর্ক নষ্ট*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাস্তু বলছে, বিছানা, সোফা, রান্নাঘরে চুল পড়ে থাকলে &quot;নেগেটিভ এনার্জি&quot; তৈরি হয়। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অকারণে ঝগড়া বাড়ে। বাচ্চারা জেদি হয়। ঘরে শান্তি থাকে না। কারণ চুল হলো মৃত কোষ, এটা পচে গিয়ে দূষণ তৈরি করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*ডাক্তাররা কী বলছেন? অমঙ্গলের পাশাপাশি ৩টে রোগের ঝুঁকি:*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*ঝুঁকি ১: ড্রেন জ্যাম + ফাঙ্গাল ইনফেকশন*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চুল জলে গলে না। বাথরুমের সিঙ্ক বা শাওয়ারের ড্রেনে চুল জমে পাইপ বন্ধ হয়ে যায়। প্লাম্বার ডাকতে ৫০-১০ টাকা গচ্চা। আর জমা জলে জন্মায় ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস। সেই জল পায়ে লাগলে পায়ের আঙুলে ফাঙ্গাস, গোড়ালি ফাটা, চুলকানি হবেই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*ঝুঁকি ২: স্ক্যাল্প ইনফেকশন*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ঝরে পড়া চুলে &quot;ডেড স্কিন সেল + তেল&quot; লেগে থাকে। সেই চুল যদি বালিশ, কম্বল, তোয়ালেতে লেগে থাকে, তাহলে আবার স্ক্যাল্পে লেগে &quot;ড্যান্ড্রাফ, ফলিকুলাইটিস&quot; তৈরি করে। মানে চুল পড়া আরও বাড়বে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*ঝুঁকি ৩: পোষ্য-পাখির মৃত্যু ঝুঁকি*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাড়িতে কুকুর, বিড়াল বা পাখি থাকলে সাবধান। তারা খেলতে খেলতে মেঝের চুল মুখে নিয়ে নেয়। চুল পেটে গিয়ে জট পাকিয়ে &quot;ইনটেস্টাইনাল ব্লকেজ&quot; করে। অপারেশন ছাড়া বাঁচানো মুশকিল। পশু ডাক্তাররা একে &quot;Hairball Obstruction&quot; বলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*তাহলে চুল ফেলবেন কোথায়? শাস্ত্র + সায়েন্স মিলিয়ে ৪টে নিয়ম:*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*নিয়ম ১: কাগজে মুড়ে ডাস্টবিনে ফেলুন*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চুল আঁচড়ানোর পর ঝরে পড়া চুল টিস্যু বা খবরের কাগজে মুড়ে ডাস্টবিনে ফেলুন। খোলা ডাস্টবিনে ফেলবেন না। ঢাকনা দেওয়া ডাস্টবিন বেস্ট। এতে বদনজরও আটকাবে, ড্রেনও বাঁচবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*নিয়ম ২: বাথরুমে &quot;হেয়ার ক্যাচার&quot; লাগান*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শাওয়ারের মুখে ৫০ টাকার সিলিকন হেয়ার ক্যাচার লাগিয়ে দিন। সপ্তাহে একবার চুল তুলে কাগজে মুড়ে ফেলুন।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*নিয়ম ৩: শনিবার চুল-নখ কাটুন*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জ্যোতিষ মতে শনিবার চুল-নখ কাটা শুভ। কাটা চুল জলে ভাসিয়ে দিন। গঙ্গা না পেলে বালতির জলে ভাসিয়ে টয়লেটে ফ্লাশ করুন। &quot;জলে ভাসিয়ে দিলে শনির দোষ কাটে&quot; - এই বিশ্বাস প্রাচীন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*নিয়ম ৪: বিছানা-সোফা রোজ ঝাড়ুন*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাতে শোওয়ার আগে হাত দিয়ে বালিশ-চাদর ঝেড়ে নিন। চুল জমতে দেবেন না। সপ্তাহে একবার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার চালান। নেগেটিভ এনার্জি + ধুলো দুই সাফ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*একটা বড় ভুল যা ৯০% মানুষ করে:*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চুল কেটে টয়লেটে ফ্লাশ করা। মনে হয় &quot;জলে ভাসিয়ে দিলাম, শাস্ত্র মানা হলো&quot;। ভুল। টয়লেটের পাইপ সরু। চুল + টিস্যু জমে সেপটিক ট্যাঙ্ক ব্লক হয়। পুরো বাড়ির পাইপ লাইন খারাপ। মিউনিসিপ্যালিটির লোক এসে ফাইনও করতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*শেষ কথা:*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অমঙ্গল মানুন বা না মানুন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মানতেই হবে। যেখানে-সেখানে চুল ফেলা মানে নিজের ঘর নিজেই নোংরা করা। বাস্তু মানলে পুণ্য হবে, না মানলে অন্তত ড্রেন জ্যাম আর ইনফেকশন থেকে বাঁচবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজ থেকেই অভ্যাস বদলান। আঁচড়ানোর পর চুলটা কুড়িয়ে কাগজে মুড়ে ফেলুন। ছোট স্টেপ, বড় শান্তি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/carelessly-discarding-hair-can-spell-disaster-vastu-says-it-invites-poverty-while-doctors-warn-it-spreads-disease/articleshow-lfqpp9i"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vastu Tips: নুনের কৌটোয় রাখুন মাত্র ৫টি লবঙ্গ, বরফের মতো গলে যাবে জীবনের ২ বড় সমস্যা!]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/vastu-remedy-for-wealth-and-peace-with-salt-and-cloves-bpsb/photoshow-n85mts1</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/vastu-remedy-for-wealth-and-peace-with-salt-and-cloves-bpsb/photoshow-n85mts1</guid>
            <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 22:02:23 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[জানেন কি রান্নাঘরের ছোটখাটো জিনিসও আমাদের জীবনের বড় বড় সমস্যা সমাধান করতে পারে? বাস্তুশাস্ত্র বলছে, লবণ আর লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ায় না, বাড়ির ভাগ্য ফেরাতেও সাহায্য করে।]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kw1whzezqr12k3w4eyk8wzbf,imgname-thumbnail--30--1782474931679.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[জানেন কি রান্নাঘরের ছোটখাটো জিনিসও আমাদের জীবনের বড় বড় সমস্যা সমাধান করতে পারে? বাস্তুশাস্ত্র বলছে, লবণ আর লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ায় না, বাড়ির ভাগ্য ফেরাতেও সাহায্য করে।&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাস্তুশাস্ত্র বলে, আমাদের বাড়ির প্রত্যেকটা জিনিসের নিজস্ব শক্তি (Energy) আছে। রান্নাঘরে ব্যবহৃত সাধারণ লবণ শুধু স্বাদের জন্য নয়, বাড়ির ভাগ্য ফেরানোর ক্ষমতাও রাখে। অনেক সময় আমরা অনেক খেটেও টাকা জমাতে পারি না বা বাড়িতে সুখ-শান্তি থাকে না। এই পরিস্থিতিতে বাস্তুশাস্ত্রের কিছু সহজ টোটকা দারুণ কাজ দেয়। সেরকমই একটি প্রভাবশালী উপায় হলো নুনের কৌটোয় ৫টি লবঙ্গ রাখা।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;বাস্তুশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী, লবণের সঙ্গে চন্দ্র এবং রাহু-কেতুর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে, লবঙ্গকে দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। নুনের কৌটোয় ৫টি লবঙ্গ রাখলে বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি বাড়ে এবং টাকার জোগান মসৃণ হয়। কোথাও আটকে থাকা টাকা ফেরত আসার সম্ভাবনা তৈরি হয় এবং অহেতুক খরচ কমে। যারা আর্থিকভাবে শক্তিশালী হতে চান, তারা এই উপায়টি একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।&lt;img&gt;কিছু বাড়িতে অকারণেই সবসময় ঝগড়া বা উত্তেজনা লেগে থাকে। এর কারণ হতে পারে বাড়িতে থাকা নেতিবাচক শক্তি (Negative Energy)। লবণের মধ্যে নেতিবাচকতা শোষণ করার গুণ রয়েছে এবং লবঙ্গ শান্তির প্রতীক। নুনের কৌটোয় লবঙ্গ রাখলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সদ্ভাব বাড়ে। বিশ্বাস করা হয় যে, এই টোটকায় বাড়িতে থাকা মানসিক চাপ বা 'ভারী ভাব' কমে গিয়ে সুখ-শান্তি ফিরে আসে।&lt;img&gt;কাচের পাত্র ব্যবহার: বাস্তু মতে, লবণ কখনও প্লাস্টিক বা স্টিলের কৌটোয় রাখা উচিত নয়। লবণ সবসময় কাচের (Glass) পাত্র বা জারে রাখা উচিত। গোটা লবঙ্গ: আপনি যে ৫টি লবঙ্গ বাছবেন, সেগুলি যেন গোটা হয়। তাদের মাথার মুকুল (ফুল) যেন ভাঙা না থাকে বা লবঙ্গটি ভাঙা না হয়।&lt;img&gt;এই উপায়টি করার জন্য শুক্রবার বা শনিবার সবচেয়ে শুভ দিন। নুনের কৌটোর ভেতরে এই ৫টি লবঙ্গ সামান্য চেপে রেখে দিন। এরপর এই কৌটোটি রান্নাঘরের একটি পরিষ্কার ও নিরাপদ জায়গায় রাখুন।&lt;img&gt;আপনি এই লবণ রোজকার রান্নাতেও ব্যবহার করতে পারেন। যদি লবঙ্গগুলো স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়, তবে সেগুলি তুলে নিয়ে কোনও গাছের গোড়ায় মাটি চাপা দিন। এরপর আবার নতুন করে ৫টি লবঙ্গ রেখে দিন। সবচেয়ে জরুরি কথা, এই উপায়টি করার বিষয়ে বা আপনি যে এটা করেছেন, তা নিয়ে অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না। বিশ্বাস করা হয় যে, এটি গোপন রাখলে এর প্রভাব বেশি হয়। Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তু তথ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। আরও বিস্তারিত জানতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/vastu-remedy-for-wealth-and-peace-with-salt-and-cloves-bpsb/photoshow-n85mts1"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vastu Tips: ভুল জায়গায় চাবি রাখলেই টাকা আটকে যায়! বাস্তু মতে এই ৫ জায়গা এড়িয়ে চলুন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/where-to-keep-keys-vastu-tips-financial-loss-what-is-the-remedies/articleshow-npah8mb</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/where-to-keep-keys-vastu-tips-financial-loss-what-is-the-remedies/articleshow-npah8mb</guid>
            <pubDate>Thu, 11 Jun 2026 19:58:11 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;আমাদের রোজকার অভ্যাস। বাড়ি ঢুকেই চাবি সোফার ওপর, ডাইনিং টেবিলে বা জামার পকেটেই রেখে দিই। সকালে বেরোনোর সময় হন্যে হয়ে খুঁজি। কিন্তু জানেন কি, বাস্তুশাস্ত্র বলছে চাবি রাখার জায়গা ঠিক না হলে সংসারে টানাটানি, আর্থিক অনটন লেগেই থাকে?&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01khzhjtejxyt5299cse2ebnfy,imgname-keys-1771658897873.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আমাদের রোজকার অভ্যাস। বাড়ি ঢুকেই চাবি সোফার ওপর, ডাইনিং টেবিলে বা জামার পকেটেই রেখে দিই। সকালে বেরোনোর সময় হন্যে হয়ে খুঁজি। কিন্তু জানেন কি, বাস্তুশাস্ত্র বলছে চাবি রাখার জায়গা ঠিক না হলে সংসারে টানাটানি, আর্থিক অনটন লেগেই থাকে?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চাবি মানে শুধু দরজা খোলা না। বাস্তু মতে চাবি হল &quot;সুযোগের চাবিকাঠি&quot;। লক্ষ্মীর কৃপা, ব্যবসার উন্নতি, টাকা আটকে থাকা &ndash; সব কিছুর চাবি এই চাবির মধ্যেই লুকিয়ে। তাই চাবি যেখানে-সেখানে রাখা মানে নিজের হাতে নিজের ভাগ্যকে অগোছালো করা। চলুন জেনে নিই বাস্তু মতে চাবি কোথায় রাখবেন আর কোথায় রাখবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;চাবি যেখানে রাখলে আর্থিক ক্ষতি হয় - ৫ টি ভুল জায়গা&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;এই জায়গাগুলোতে চাবি রাখলে নেগেটিভ এনার্জি বাড়ে। টাকা আটকে যায়।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. সোফা বা বিছানার নিচে: সোফা-বিছানার নিচে চাবি রাখা মানে সুযোগকে চাপা দেওয়া। বাস্তু মতে এতে কাজে বাধা আসে, আটকে থাকা টাকা ফেরত আসে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. ডাইনিং টেবিল বা রান্নাঘরে: খাবারের জায়গায় চাবি রাখলে অন্নের দেবী অলক্ষ্মী রুষ্ট হন। সংসারে অভাব দেখা দেয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. বাথরুম-টয়লেটের কাছে: বাথরুম অশুদ্ধ জায়গা। এখানে চাবি রাখলে শুভ শক্তি নষ্ট হয়। লোন, ধার বেড়ে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. দক্ষিণ-পূর্ব কোণে: আগুনের কোণ। এখানে চাবি রাখলে রাগ, ঝগড়া বাড়ে। ব্যবসায় লোকসান হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. মাটিতে বা খালি পায়ের কাছে: চাবি মাটিতে ফেলে রাখা মানে লক্ষ্মীকে অসম্মান করা। টাকা-পয়সা হাতে থাকে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;চাবি রাখার সঠিক দিক ও জায়গা - টাকা আসবে দ্রুত&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাস্তু মতে এই নিয়ম মানলে আর্থিক উন্নতি হবে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. উত্তর বা পশ্চিম দিক: বাড়ির উত্তর বা পশ্চিম দিকে, আলমারি বা ড্রয়ারের মধ্যে চাবি রাখুন। উত্তর দিক কুবের দিক। এখানে চাবি রাখলে টাকা আটকাবে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. নির্দিষ্ট বাক্স বা হ্যাঙ্গারে: একটা সুন্দর বাক্স বা হুকে সব চাবি এক জায়গায় রাখুন। ছড়িয়ে রাখবেন না। গোছানো চাবি মানে গোছানো জীবন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. প্রবেশদ্বারের ডান দিকে: মেন দরজার ডান দিকে দেওয়ালে হুক লাগান। বাড়ি ঢুকেই চাবি সেখানে রাখুন। এতে নেগেটিভ এনার্জি বাড়িতে ঢুকতে পারবে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. লাল কাপড়ে মুড়ে রাখুন: চাবি লাল কাপড়ে মুড়ে রাখলে শুভ ফল পাওয়া যায়। লাল রং সমৃদ্ধির প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. পুরনো-ভাঙা চাবি ফেলে দিন: যে চাবি দিয়ে আর কোনো তালা খোলে না, সেই ভাঙা চাবি বাড়িতে রাখবেন না। এটা বাধার প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;চাবি সংক্রান্ত বাস্তুর ৩টি টোটকা&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. সকালে চাবি দেখুন: ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই নিজের চাবির গোছাটা দেখুন। এটা শুভ ও বলে মনে করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. চাবি হারাবেন না: বারবার চাবি হারালে বুঝবেন আর্থিক বাধা আসছে। চাবি সবসময় নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. মঙ্গলবার চাবি কিনুন: নতুন তালা-চাবি কিনতে হলে মঙ্গলবার কিনুন। এতে বাধা কাটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;শেষ কথা&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চাবি ছোট জিনিস, কিন্তু বাস্তুর প্রভাব অনেক বড়। যেখানে-সেখানে চাবি রাখার অভ্যাস আজই বদলান। নির্দিষ্ট জায়গায়, উত্তর-পশ্চিম দিকে চাবি রাখুন। দেখবেন টাকা আসার রাস্তা খুলে যাবে, অযথা খরচ কমবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Sanjoy Patra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/where-to-keep-keys-vastu-tips-financial-loss-what-is-the-remedies/articleshow-npah8mb"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Muharram 2026: কবে থেকে শুরু হচ্ছে মহরম? জেনে নিন তাজিয়া বেরোনোর সঠিক দিন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/muharram-2026-start-date-and-ashura-tazia-procession-details-bpsb/articleshow-qig4lye</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/muharram-2026-start-date-and-ashura-tazia-procession-details-bpsb/articleshow-qig4lye</guid>
            <pubDate>Tue, 16 Jun 2026 11:42:17 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;২০২৬ সালে মহরম কবে থেকে শুরু? ইসলামিক ক্যালেন্ডারে মহরমের গুরুত্ব কী? এবছর হিজরি ক্যালেন্ডারের কততম বছর শুরু হবে? আর কে ছিলেন হজরত ইমাম হুসেন? চলুন, মহরম সম্পর্কে কিছু বিশেষ তথ্য জেনে নেওয়া যাক।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01jz7sn93sec6q85vmfjsk3kt7,imgname-muharram-2025-1751534707833.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Muharram Kab Se Shuru Hoga:&lt;/strong&gt; প্রত্যেক ধর্মের নিজস্ব ক্যালেন্ডার রয়েছে। যেমন হিন্দুরা বিক্রম সংবৎ মেনে চলেন, খ্রিস্টানরা গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার আর ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা হিজরি ক্যালেন্ডার অনুসরণ করেন। অন্য ক্যালেন্ডারের মতোই হিজরি ক্যালেন্ডারেও ১২টা মাস আছে। এর প্রথম মাসটির নাম মহরম। ইসলামে এই মাসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই মাসের প্রথম ১০ দিন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ শোক পালন করেন এবং দশম দিনে তাজিয়া বের করা হয়। চলুন, মহরম সম্পর্কে কিছু বিশেষ তথ্য জেনে নেওয়া যাক।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;২০২৬ সালে মহরম কবে থেকে শুরু?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মহরম মাস কবে শুরু হবে, তা নির্ভর করে চাঁদ দেখার ওপর। ইসলামিক পণ্ডিতদের মতে, এ বছর ১৬ জুন, মঙ্গলবার রাতে যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে পরের দিন অর্থাৎ ১৭ জুন থেকে মহরম মাস শুরু হতে পারে। এর সঙ্গেই শুরু হবে ইসলামিক ক্যালেন্ডারের ১৪৪৮ সাল। মহরমের প্রথম ১০ দিন ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা আল্লাহর ইবাদত করেন এবং হজরত ইমাম হুসেনের শাহাদতকে স্মরণ করেন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;কে ছিলেন হজরত ইমাম হুসেন?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;হজরত ইমাম হুসেন ইসলাম ধর্মের অন্যতম এক মহান ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন পয়গম্বর মহম্মদের নাতি। তাঁর জন্ম হয়েছিল ৬২৬ খ্রিস্টাব্দে মদিনায়। ইমাম হুসেনকে সত্য, ন্যায়, সাহস এবং মানবতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বাদশা ইয়াজিদ হজরত ইমাম হুসেনকে কারবালার ময়দানে বন্দী করেছিলেন। মহরমের দশম দিনে ইমাম হুসেনকে তাঁর পরিবার ও সঙ্গীদের সঙ্গে হত্যা করা হয়। তাঁর সেই শাহাদতের স্মরণে প্রতি বছর মুসলিম সমাজের মানুষ মহরমের প্রথম ১০ দিন শোক পালন করেন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;তাজিয়া কবে বের করা হবে?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;এ বছর মহরমের দশম দিনটি পড়ছে ২৬ জুন, শুক্রবার। তাই এই দিনেই হজরত ইমাম হুসেনের স্মরণে তাজিয়া বের করা হবে। এই দিনে মুসলিম মহিলারা বুকে চাপড় দিয়ে ইমাম হুসেনের শাহাদতকে স্মরণ করেন এবং পুরুষরা নিজেদের রক্ত ঝরিয়ে তাঁর প্রতি সম্মান জানান। মুসলিমদের জন্য এই দিনটি অত্যন্ত শোকের। এই দিনে অনেকে রোজাও রাখেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/muharram-2026-start-date-and-ashura-tazia-procession-details-bpsb/articleshow-qig4lye"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মা কামাখ্যা ৪ দিন বিশ্রামে! জানুন অম্বুবাচী ২০২৬-এর দিনক্ষণ, নিয়ম ও রক্তবস্ত্র মাহাত্ম্য]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ambubachi-2026-date-time-kamakhya-temple-assam-festival-shakti-peeth-devi-kamakhya-blessings/articleshow-rgiwqht</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ambubachi-2026-date-time-kamakhya-temple-assam-festival-shakti-peeth-devi-kamakhya-blessings/articleshow-rgiwqht</guid>
            <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 10:40:46 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে শক্তিশালী তিথি অম্বুবাচী ২০২৬ সালে পড়ছে ২২ জুন রাত থেকে ২৬ জুন সকাল পর্যন্ত। এই ৪ দিন মা কামাখ্যা &quot;ঋতুমতী&quot; হন বলে কামাখ্যা মন্দিরের গর্ভগৃহ বন্ধ থাকে। বিশ্বাস - ধরিত্রী মা এই সময় বিশ্রাম নেন, তাই চাষ, বীজ বপন, শুভ কাজ বন্ধ। ২৬ জুন সকালে &quot;নিবৃত্তি&quot; পূজার পর মন্দির খুলবে, লক্ষ ভক্ত ভিড় করবে রক্তবস্ত্র নিতে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01h3gq7rz3hq517yn1zb74cj7x,imgname-WhatsApp-Image-2023-06-22-at-10.22.38-AM-1687409648611.jpeg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আষাঢ় মাসে মৃগশিরা নক্ষত্রের চতুর্থ পদে ধরিত্রী মা ঋতুমতী হন। তাই ৩ দিন কোনো মাঙ্গলিক কাজ, বিয়ে, গৃহপ্রবেশ, হাল চাষ করা নিষেধ। কামাখ্যায় সাধু-সন্ন্যাসী, তান্ত্রিকরা জড়ো হন মন্ত্রসিদ্ধির জন্য। সাধারণ মানুষের জন্য এটা বিশ্রাম আর সংযমের সময়। চলুন ২০২৬ সালের একদম সঠিক সময়টা দেখে নিই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*অম্বুবাচী ২০২৬ দিনক্ষণ ও সময়সূচি*:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা ও কামাখ্যা মন্দির কমিটি অনুযায়ী আমরা যদি বাংলা ক্যালেন্ডার দেখি, তাহলে এই তিথি শুরুর দিন পড়ছে আগামী ৬ আষাঢ় এবং তিথি শেষ হচ্ছে ১০ আষাঢ়। এই সময় থেকেই মন্দিরের মূল গর্ভগৃহের দরজা বন্ধ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অম্বুবাচী তিথি শুরু হচ্ছে ২২ জুন রাত ৭:৩৮ মিনিটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অম্বুবাচী তিথি শেষ হচ্ছে ২৬ জুন রাত ১০:৫৭ মিনিটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিবৃত্তি / শেষ: *২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, সকাল/সূর্যোদয়ের পর*।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মন্দির বন্ধ থাকবে ২৩ জুন, ২৪ জুন, ২৫ জুন - এই ৩ দিন। ২৬ জুন ভোরে শুদ্ধিকরণ পূজার পর দর্শন শুরু।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*কামাখ্যা মন্দিরে ৪ দিন কী হয়?*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*প্রথম দিন - প্রবৃত্তি*: রাত ৯:০৮ মিনিটে দেবীর &quot;একান্তবাস&quot; শুরু। মন্দির বন্ধ। বাইরে ভক্তরা উপোস, জপ, ধ্যান করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*মাঝের ৩ দিন*: গর্ভগৃহে কোনো পূজা, রান্না, চাষ বন্ধ। বিশ্বাস - মা বিশ্রামে আছেন। তান্ত্রিক সাধুরা নীলাচল পাহাড়ে তন্ত্র-সাধনা করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৬ জুন ভোরে মাকে স্নান করানো, শুদ্ধিকরণ, বিশেষ পূজা হয়। তারপর দরজা খোলে। ভক্তরা &quot;রক্তবস্ত্র&quot; বা &quot;অঙ্গবস্ত্র&quot; প্রসাদ হিসেবে পায়। এটা মায়ের ঋতুর চিহ্ন, খুব পবিত্র মানা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*অম্বুবাচীতে সাধারণ মানুষের ৫টি আচারবিধি*:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*যা মানবেন*: ১. সংযম রাখুন - ৩ দিন আমিষ, মদ, পেঁয়াজ-রসুন বাদ। ২. দুধ খান - সর্পভয় নিবারণের জন্য দুধপান শুভ। ৩. ব্রতী, বিধবা, দ্বিজগণ রান্না করা খাবার খাবেন না। ৪. জপ-ধ্যান করুন - এই সময় মন্ত্রজপের ফল ১০ গুণ। ৫. লাল কাপড় দান করুন - মায়ের শক্তির প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*যা করবেন না*: ১. বীজ বপন, চাষ, গৃহনির্মাণ, বিয়ে, অন্নপ্রাশন - সব শুভ কাজ বন্ধ। ২. ঠাকুরঘরে পূজা, মূর্তি স্পর্শ নিষেধ। ৩. জমি খোঁড়া, গাছ কাটা নিষেধ - ধরিত্রী মা কষ্ট পাবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*২০২৬ সালে কামাখ্যায় কী নতুন ব্যবস্থা?*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;লক্ষ লক্ষ ভক্তের জন্য প্রশাসনের প্রস্তুতি:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*দর্শন সময়*: সকাল ৫টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। বিকেল ৬টার পর মূল রাস্তায় ওঠা বন্ধ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*নতুন রাস্তা*: ভিড় কমাতে পান্ডু দিক থেকে অতিরিক্ত এন্ট্রি রুট খোলা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*নিরাপত্তা*: ৫০+ CCTV, ৫০+ স্বেচ্ছাসেবক, পানীয় জল ও মেডিকেল ক্যাম্প।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*VIP দর্শন*: অম্বুবাচী থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত VIP দর্শন বন্ধ। সবাই সমান লাইনে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*আনুমানিক ভিড়*: গত বছর ২৫ লাখ, এবার ৭-৮ লাখের বেশি ভক্ত আসবে বলে আশা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অম্বুবাচী মানে অশুচি না, মা প্রকৃতির পবিত্র ঋতুচক্র। এই ৪ দিন সংযম করুন, ধরিত্রী মাকে বিশ্রাম দিন। ২৬ জুন সকালে নিবৃত্তির পর মায়ের আশীর্বাদ নিন। তিথি পঞ্জিকা ভেদে ৫-১০ মিনিট এদিক-ওদিক হতে পারে। যাওয়ার আগে কামাখ্যা মন্দিরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বা স্থানীয় পুরোহিতের থেকে ফাইনাল সময় জেনে নিন। অম্বুবাচীর নিয়ম বিশ্বাসের বিষয়, নিজের শরীর-স্বাস্থ্য বুঝে পালন করুন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ambubachi-2026-date-time-kamakhya-temple-assam-festival-shakti-peeth-devi-kamakhya-blessings/articleshow-rgiwqht"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[টাকা আটকে যাচ্ছে, কাজে বাধা? হাতের তালুতে এক চিমটি লবণেই কাটবে নজরদোষ, বলছে বাস্তু]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/money-getting-stuck-or-work-facing-obstacles-vastu-tips-a-pinch-of-salt-in-your-palm/articleshow-ro2gf3y</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/money-getting-stuck-or-work-facing-obstacles-vastu-tips-a-pinch-of-salt-in-your-palm/articleshow-ro2gf3y</guid>
            <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 18:49:40 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বাস্তুশাস্ত্র মতে লবণ নেগেটিভ এনার্জি শুষে নেয়। কর্মক্ষেত্রে বারবার বাধা, আর্থিক অনটন, নজরদোষের জন্য বাস্তু বিশেষজ্ঞরা হাতের তালুতে এক চিমটি সাদা লবণ নিয়ে কিছু টোটকার কথা বলেন। বিশ্বাস করা হয়, সূর্যাস্তের পর লবণ হাতে নিয়ে মনস্কামনা বলে বেসিনে ধুয়ে ফেললে বা বাড়ির কোণে লবণ জল রাখলে আটকে থাকা কাজ গতি পায়।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kagnk984gbne0ggd14a67sm9,imgname-salt-1763643598084.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;মাসের শেষে পকেট ফাঁকা? অফিসে প্রমোশন আটকে? ইন্টারভিউ দিয়েও কাজ হচ্ছে না? বাস্তুশাস্ত্র বলছে, এসবের পিছনে নেগেটিভ এনার্জি বা নজরদোষ থাকতে পারে। আর এর সবচেয়ে সস্তা সমাধান নাকি আপনার রান্নাঘরেই আছে - এক চিমটি সাদা লবণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*১. লবণ কেন? বাস্তু কী বলছে?*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাস্তু ও প্রাচীন টোটকা মতে, সমুদ্রের লবণ বা সৈন্ধব লবণের মধ্যে নেগেটিভ এনার্জি শুষে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। খারাপ নজর, ঈর্ষা, আটকে থাকা কাজের &lsquo;ব্লকেজ&rsquo; লবণ টেনে নেয়। তাই বাড়িতে, দোকানে, অফিসে লবণ রাখার চল বহু পুরোনো। এটি কোনো ম্যাজিক না, এনার্জি ক্লিনজিংয়ের প্রতীকী উপায় বলে মানা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*২. হাতের তালুর টোটকা: কখন, কীভাবে করবে?*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, শনিবার বা মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পর এই টোটকা বেশি ফল দেয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- *স্টেপ ১:* ডান হাতের তালুতে এক চিমটি সাদা বা সৈন্ধব লবণ নাও। আয়োডাইজড লবণও চলবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- *স্টেপ ২:* চোখ বন্ধ করে নিজের সমস্যার কথা মনে মনে বলো। যেমন, &ldquo;আমার আর্থিক বাধা কাটুক&rdquo; বা &ldquo;কর্মক্ষেত্রে সফলতা আসুক&rdquo;। ৪০ সেকেন্ড ধরে রাখো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- *স্টেপ ৩:* বেসিনে বা বাথরুমে গিয়ে কল খুলে লবণ ধুয়ে ফেলো। ধোয়ার সময় ভাবো, সমস্যাগুলো জলের সাথে বেরিয়ে যাচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- *স্টেপ ৪:* হাত ধুয়ে কপালে জলের ছিটে দাও।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বাস, লবণ তোমার শরীরের নেগেটিভ এনার্জি টেনে নিয়ে জলের সাথে বের করে দেবে। সপ্তাহে ১ বার করলেই হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*৩. আরো ৩টে লবণ টোটকা আর্থিক উন্নতির জন্য*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*ক. কাঁচের বাটির টোটকা:* একটা কাঁচের বাটিতে মোটা দানার সৈন্ধব লবণ ভরে বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে বা ক্যাশবাক্সের পাশে রাখো। ১৫ দিন পর পর লবণ বদলে ফেলো। পুরোনো লবণ টয়লেটে ফ্লাশ করো। বিশ্বাস, এটা টাকা আটকে থাকা কাটায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*খ. ঘর মোছার জলে লবণ:* শনিবার ঘর মোছার বালতির জলে এক মুঠো লবণ মেশাও। পুরো বাড়ি মুছো, বিশেষ করে সদর দরজা। বাস্তু মতে, এতে ঘরে ঢোকার নেগেটিভ এনার্জি নষ্ট হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*গ. পার্সে লবণ পুটুলি:* একটা সাদা কাপড়ে ৫টা গোটা লবণের দানা বেঁধে মানিব্যাগ বা পার্সে রাখো। প্রতি অমাবস্যায় পাল্টে ফেলো। বলা হয়, এতে অযথা খরচ কমে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;*৪. কাজ না হলে কী করবে?*&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মনে রাখবে, এগুলো প্রচলিত বাস্তু বিশ্বাস। লবণ দিয়ে প্রমোশন বা লোন শোধ হবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। আর্থিক অনটন কাটাতে বাজেট প্ল্যানিং, স্কিল বাড়ানো, ইনকাম সোর্স তৈরি করা জরুরি। কর্মক্ষেত্রে ব্যর্থতা আসলে HR বা মেন্টরের সাথে কথা বলো, রিজিউমে আপডেট করো। ডিপ্রেশন বা টানা আর্থিক চাপে থাকলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইজারের সাহায্য নাও। টোটকা মনকে পজিটিভ রাখে, কিন্তু অ্যাকশনের বিকল্প নেই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;*সোজা কথা:* বিশ্বাসে মিলায় বস্তু। লবণ টোটকা করে মন শান্ত হলে ক্ষতি নেই। কিন্তু ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়াতে পরিশ্রম আর প্ল্যানিংই শেষ কথা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/money-getting-stuck-or-work-facing-obstacles-vastu-tips-a-pinch-of-salt-in-your-palm/articleshow-ro2gf3y"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[চাকরির ইন্টারভিউতে যাওয়ার আগে এই ১টি মন্ত্র জপ করুন, সাফল্য আসবেই]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/boost-your-confidence-for-job-interviews-with-this-powerful-mantra-bpsb/photoshow-t9gzmsg</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/boost-your-confidence-for-job-interviews-with-this-powerful-mantra-bpsb/photoshow-t9gzmsg</guid>
            <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 16:36:05 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;চাকরির ইন্টারভিউতে যাওয়ার আগে কোন মন্ত্র জপ করা শুভ বলে মনে করা হয়? ইন্টারভিউয়ের দিন সকালে কোন ধর্মীয় প্রতিকারগুলি করা শুভ? চাকরি পাওয়ার জন্য গণেশের কোন মন্ত্রটি সবচেয়ে কার্যকর বলে মনে করা হয়?&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kspvqk6atj3qaxsa5yt7fxp3,imgname-quitting-corporate-job-1779957484745.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;চাকরির ইন্টারভিউতে যাওয়ার আগে কোন মন্ত্র জপ করা শুভ বলে মনে করা হয়? ইন্টারভিউয়ের দিন সকালে কোন ধর্মীয় প্রতিকারগুলি করা শুভ? চাকরি পাওয়ার জন্য গণেশের কোন মন্ত্রটি সবচেয়ে কার্যকর বলে মনে করা হয়?&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;চাকরির ইন্টারভিউতে যাওয়ার আগে গণেশের এই বিশেষ মন্ত্রটি জপ করুন। এটি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে এবং সাফল্য এনে দেবে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, 'ওঁ গাং গণপতয়ে নমঃ' মন্ত্র জপ করলে মন শান্ত হয় এবং ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায়, যা ইন্টারভিউতে সাফল্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইন্টারভিউয়ের দিন সকালে স্নান সেরে শুদ্ধ মনে গণেশের ছবির সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে এই মন্ত্র জপ করুন। এতে মনঃসংযোগ বাড়বে। ১১, ২১ বা ১০৮ বার এই মন্ত্র জপ করলে মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। এটি আপনাকে ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে নির্ভীকভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে সাহায্য করবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভগবান গণেশ হলেন বুদ্ধি, জ্ঞান এবং সাফল্যের দেবতা। যেকোনো শুভ কাজ শুরু করার আগে তাঁর আশীর্বাদ নিলে সমস্ত বাধা দূর হয়। গণেশকে 'বিঘ্নহর্তা' বলা হয়, অর্থাৎ তিনি জীবনের সমস্ত বাধা দূর করেন। ইন্টারভিউয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে তাঁর স্মরণ অত্যন্ত ফলপ্রসূ।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এই মন্ত্র জপ করলে মানসিক চাপ কমে এবং নেতিবাচক চিন্তা দূর হয়। এটি আপনাকে ইন্টারভিউয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলে। আত্মবিশ্বাসই সাফল্যের চাবিকাঠি। গণেশ মন্ত্র জপের মাধ্যমে অর্জিত মানসিক স্থিরতা এবং আত্মবিশ্বাস আপনাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইন্টারভিউতে সাফল্য পেতে শুধু প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন ইতিবাচক মানসিকতার। এই সহজ ধর্মীয় প্রতিকারটি আপনার ভাগ্যকে উজ্জ্বল করতে পারে। ধর্মীয় প্রতিকারের পাশাপাশি নিজের প্রস্তুতিতে সম্পূর্ণ আস্থা রাখুন। এই মন্ত্র আপনার প্রচেষ্টাকে ঐশ্বরিক শক্তির সাথে যুক্ত করে সাফল্যের পথ প্রশস্ত করবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/boost-your-confidence-for-job-interviews-with-this-powerful-mantra-bpsb/photoshow-t9gzmsg"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[স্নানযাত্রাতেই খুলবে ভাগ্য! নিয়ম মেনে পুজো করলে জগন্নাথ দেব পূরণ করবেন সব মনস্কামনা, জানুন ২০২৬ এর তিথি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/follow-the-rituals-and-the-wheel-of-fortune-will-turn-during-snan-yatra-find-out-the-auspicious-time-for-the-puja/articleshow-uivgz4p</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/follow-the-rituals-and-the-wheel-of-fortune-will-turn-during-snan-yatra-find-out-the-auspicious-time-for-the-puja/articleshow-uivgz4p</guid>
            <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 15:41:56 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;রথযাত্রার ঠিক ১৫ দিন আগে পালিত হয় জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা। এই দিন ১০৮ কলসির সুগন্ধি জলে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে স্নান করানো হয়। বিশ্বাস, এই স্নান দর্শন করলে বা বাড়িতে নিয়ম মেনে পুজো করলে সব পাপ নাশ হয় আর ভাগ্য ফেরে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kw9aydzk9qrk5jk13xm89tyc,imgname-screenshot-2026-06-29-144405-1782724900851.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রথের আগে জগন্নাথ দেবের সবচেয়ে বড় উৎসব হল স্নানযাত্রা। পুরাণ মতে, এই দিন স্বয়ং জগন্নাথ রাজবেশ ছেড়ে ভক্তদের দর্শন দিতে স্নানবেদীতে আসেন। পুরীধামে ১০৮ কলসি সোনার কুয়োর জল, চন্দন, কর্পূর, অগুরু দিয়ে তিন ভাইবোনকে স্নান করানো হয়। স্নানের পর গজবেশ ধারণ করেন প্রভু। বিশ্বাস করা হয়, এই রূপ দর্শন করলে জন্ম-জন্মান্তরের পাপ ক্ষয় হয়ে যায় আর সংসারে সুখ, শান্তি, অর্থ আসে। যারা পুরী যেতে পারেন না, তারা বাড়িতে নিয়ম মেনে পুজো করলেও একই ফল পান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২৬ সালে জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা তিথিতে স্নানযাত্রা পড়েছে ২৯ জুন, সোমবার। সোমবার স্নানযাত্রা। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে, পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে রবিবার রাত ৩টে ৮ মিনিটে। শেষ হচ্ছে সোমবার ভোর ৫টা ২৭ মিনিটে। গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে, পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে রাত ২টো ৪৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে। পূর্ণিমা তিথি শেষ সোমবার ভোর ৪টে ৪৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড। এই সময়টাকেই &lsquo;স্নান মুহূর্ত&rsquo; বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে জগন্নাথের ছবি বা বিগ্রহকে স্নান করালে সবচেয়ে শুভ ফল মেলে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাড়িতে পুজোর নিয়ম খুব সহজ। ভোরে উঠে স্নান করে শুদ্ধ কাপড় পরুন। একটা পিতল বা মাটির ঘটে গঙ্গাজল, কাঁচা দুধ, দই, ঘি, মধু, চিনি - এই পঞ্চামৃত বানিয়ে রাখুন। সাথে চন্দন জল, কর্পূরের জল আর কয়েকটা তুলসী পাতা দিন। এবার জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার ছবি বা নারায়ণ শিলাকে একটা পরিষ্কার থালায় বসিয়ে ১০৮ বার না পারলেও ১১ বার মন্ত্র পড়ে স্নান করান। মন্ত্র হল &lsquo;ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়&rsquo; বা &lsquo;জয় জগন্নাথ&rsquo;। স্নানের পর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছিয়ে নতুন হলুদ কাপড়, ফুলের মালা, তুলসী পরান। ভোগে দিন খাজা, গজা, মালপোয়া, ফল আর তুলসী। তুলসী ছাড়া জগন্নাথ ভোগ নেন না। পুজোর শেষে পরিবারের সবার মঙ্গল কামনা করে আরতি করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্র মতে, স্নানযাত্রার পর প্রভুর জ্বর আসে। তাই ১৫ দিন তিনি &lsquo;অনসর ঘরে&rsquo; থাকেন, ভক্তদের দর্শন দেন না। এই ১৫ দিনকে অনবসর কাল বলে। এই সময় বাড়িতেও জগন্নাথকে ভারী ভোগ না দিয়ে ফল, মিছরি, দুধ দেওয়াই নিয়ম। বিশ্বাস করা হয়, এই সময় নিষ্ঠা করে প্রভুর সেবা করলে, অসুস্থ প্রভুর পথ্য দিলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে রথে চড়ে মাসির বাড়ি যান আর ভক্তের সব দুঃখ কষ্ট দূর করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্নানযাত্রার দিন কিছু কাজ করলে ভাগ্য খুব দ্রুত ফেরে বলে মানা হয়। ওই দিন সকালে স্নান করে কাউকে না বলে অশ্বত্থ গাছে জল দিন। গরিবকে সাদা বস্ত্র, চাল, চিনি দান করুন। বাড়ির তুলসী মঞ্চে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান। যাদের দাম্পত্য কলহ, টাকা আটকে আছে, চাকরি হচ্ছে না, তারা ওই দিন জগন্নাথের সামনে বসে ১০৮ বার &lsquo;ক্লীং কৃষ্ণায় নমঃ&rsquo; জপ করুন। অনেকে এই দিন বাড়িতে সত্যনারায়ণ পুজোও করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মনে রাখবেন, বিশ্বাস আর ভক্তিই আসল। নিয়মের চেয়ে মনের শুদ্ধতায় বেশি খুশি হন জগন্নাথ। স্নানযাত্রার দিন মিথ্যে কথা, আমিষ খাওয়া, চুল-নখ কাটা এড়িয়ে চলুন। সারাদিন &lsquo;জয় জগন্নাথ&rsquo; নাম জপ করুন। প্রভু নিশ্চয়ই আপনার ডাক শুনবেন আর ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দেবেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/follow-the-rituals-and-the-wheel-of-fortune-will-turn-during-snan-yatra-find-out-the-auspicious-time-for-the-puja/articleshow-uivgz4p"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Char Dham Yatra: হেলিকপ্টারে চার ধাম যাত্রা, প্রথম পর্বে পরিষেবা পেলেন ৭৮ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থী]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/char-dham-2026-helicopter-service-flies-over-78000-pilgrims-in-phase-one-bpsb/articleshow-v5gqall</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/char-dham-2026-helicopter-service-flies-over-78000-pilgrims-in-phase-one-bpsb/articleshow-v5gqall</guid>
            <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:49:57 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক ২০২৬ সালের চার ধাম যাত্রার প্রথম পর্বের হেলিকপ্টার পরিষেবা সফলভাবে শেষ করেছে। এই পর্বে মোট ৭৮,৭৭৯ জন তীর্থযাত্রীকে পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু জানিয়েছেন, পুণ্যার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মসৃণ আকাশযাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-external,imgname-image-ff936f60-91fb-474f-9f1a-a769658aca6c.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক ২০২৬ সালের চার ধাম যাত্রার প্রথম পর্বের হেলিকপ্টার পরিষেবা সফলভাবে শেষ করেছে। এর মাধ্যমে সরকার আরও একবার বুঝিয়ে দিল যে তারা পুণ্যার্থীদের জন্য নিরাপদ, মসৃণ এবং নির্ভরযোগ্য আকাশযাত্রা নিশ্চিত করতে চায়।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;শনিবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে চার ধাম যাত্রা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হেলিকপ্টার পরিষেবার প্রথম পর্ব চালু হয়, যা ২৬ জুন শেষ হয়েছে। এই সময়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০০টি হেলিকপ্টার ওঠানামা করেছে। মোট ১২,০৩২টি শাটল ট্রিপে ৬৭,০৬৪ জন তীর্থযাত্রী যাতায়াত করেছেন। এছাড়া, ২,০৬৫টি চার্টার অপারেশনের মাধ্যমে আরও ১১,৭১৫ জন পুণ্যার্থীকে পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, চার ধাম সেক্টরে এই পরিষেবা ছিল নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকরী।&lt;/p&gt; &lt;h2&gt;পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার প্রতিশ্রুতি&lt;/h2&gt; &lt;p&gt;এ বছরের পরিষেবা সফলভাবে শেষ হওয়ায় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু বলেন, &quot;প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আমাদের সরকার চার ধাম যাত্রার প্রতিটি পুণ্যার্থীর সফরকে আরও সহজ, সুবিধাজনক এবং নিরাপদ করতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। আমাদের প্রধান দায়িত্ব হল প্রত্যেক তীর্থযাত্রী যেন নিরাপদে এবং সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এই পবিত্র যাত্রা শেষ করতে পারেন।&quot; তিনি আরও যোগ করেন, &quot;এ বছরের যাত্রা শুরুর অনেক আগে থেকেই ডিজিসিএ, হেলিকপ্টার অপারেটর এবং উকাডা-র মতো সমস্ত পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ক্রমাগত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিকে আমি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই, কারণ তিনি সবরকম প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করেছেন।&quot;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;চার ধামের হেলিকপ্টার পরিষেবা দেশের অন্যতম কঠিন আকাশপথে চালানো হয়। এখানকার দুর্গম ভূখণ্ড, দ্রুত পরিবর্তনশীল আবহাওয়া, সরু উপত্যকা এবং হেলিকপ্টারের ঘনঘন যাতায়াতের কারণে সর্বোচ্চ মানের পরিকল্পনা এবং কঠোর নজরদারির প্রয়োজন হয়।&lt;/p&gt; &lt;h2&gt;ব্যাপক প্রস্তুতি এবং উচ্চ-পর্যায়ের পর্যালোচনা&lt;/h2&gt; &lt;p&gt;হিমালয় অঞ্চলে হেলিকপ্টার পরিষেবার এই বিশেষ চ্যালেঞ্জগুলো মাথায় রেখে, মন্ত্রক এ বছরের তীর্থযাত্রা শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করে। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু নিজে একাধিক উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন, যেখানে পরিষেবা এবং নিরাপত্তার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। এই বৈঠকগুলিতে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA), এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (AAI), উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (UCADA), ইন্ডিয়া মেটিওরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট (IMD), হেলিকপ্টার অপারেটর এবং উত্তরাখণ্ড সরকারের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। এর উদ্দেশ্য ছিল পরিষেবা সংক্রান্ত পদ্ধতি, নিরাপত্তা প্রোটোকল, আবহাওয়া প্রস্তুতি এবং জরুরি অবস্থার মোকাবিলা নিয়ে সবাইকে এক ছাতার তলায় আনা।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের সচিব সমীর কুমার সিনহা এবং উত্তরাখণ্ড সরকারের মুখ্যসচিব আনন্দ বর্ধনের যৌথ সভাপতিত্বে একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যাত্রার জন্য একটি বিস্তারিত সুরক্ষা কাঠামো চূড়ান্ত করা হয়। তীর্থযাত্রার পুরো সময় ধরে непрерыв নজরদারি নিশ্চিত করতে তাদের নেতৃত্বে সাপ্তাহিক পর্যালোচনার একটি ব্যবস্থা চালু করা হয়, যার ফলে পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;রাম মোহন নাইডু আরও বলেন, &quot;আগের বছরগুলিতে ঘটে যাওয়া দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার পর, আমরা হেলিকপ্টার পরিষেবার প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেছি। আমরা সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করে নিয়ন্ত্রক নজরদারি জোরদার করেছি, এয়ার ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নতি করেছি, পরিকাঠামো উন্নত করেছি এবং সমস্ত পক্ষকে বিমান সুরক্ষার মতো একটি সাধারণ লক্ষ্যের জন্য একত্রিত করেছি।&quot;&lt;/p&gt; &lt;h2&gt;বহুস্তরীয় নিরাপত্তা কৌশল&lt;/h2&gt; &lt;p&gt;মন্ত্রক একটি বহুস্তরীয় নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে উন্নত এয়ার ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট, নজরদারি, যোগাযোগ, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, পাইলটদের দক্ষতা, পরিকাঠামো বৃদ্ধি এবং পরিষেবার উপর নজরদারি।&lt;/p&gt; &lt;h3&gt;উন্নত এয়ার ট্র্যাফিক ও নজরদারি&lt;/h3&gt; &lt;p&gt;এই উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে, এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (AAI) উপত্যকায় হেলিকপ্টার চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট 'কে-রুট' প্রকাশ করেছে। সহস্রধারা এবং সেরসিতে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (ATC) পরিষেবা চালু করা হয়েছে। বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথে স্থায়ী ATC পরিকাঠামো তৈরির জন্য জমিও চিহ্নিত করা হয়েছে। আপাতত, হেলিকপ্টার চলাচল সুরক্ষিত রাখতে অস্থায়ী ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;নজরদারি জোরদার করতে, উকাডা (UCADA) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ৩৩টি PTZ (প্যান-টিল্ট-জুম) ক্যামেরা বসিয়েছে। সহস্রধারা এবং সীতাপুরে দুটি ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড, কন্ট্রোল, কমিউনিকেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (ICCCC) চালু করা হয়েছে, যেখান থেকে হেলিপ্যাডের কাজকর্ম, হেলিকপ্টার ট্র্যাকিং এবং আবহাওয়ার উপর কেন্দ্রীয়ভাবে নজর রাখা হচ্ছে।&lt;/p&gt; &lt;h3&gt;শক্তিশালী আবহাওয়া ও যোগাযোগ ব্যবস্থা&lt;/h3&gt; &lt;p&gt;আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। সীতাপুর, কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, ঝালা এবং খरसाলিতে পাঁচটি অটোমেটিক ওয়েদার অবজারভেশন সিস্টেম (AWOS) এবং সিলোমিটার বসানো হয়েছে। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল অফিসাররা সব হেলিকপ্টার অপারেটরকে ক্রমাগত বর্তমান এবং পূর্বাভাসিত আবহাওয়ার তথ্য দিয়েছেন।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;চার ধাম যাত্রায় চলাচলকারী প্রতিটি হেলিকপ্টারে একটি ট্র্যাকিং ডিভাইস লাগানো ছিল, যা ICCCCs-এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হতো। যোগাযোগ পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে তিনটি অতিরিক্ত VHF কমিউনিকেশন সেট কেনা হয়েছে।&lt;/p&gt; &lt;h3&gt;কঠোর নিয়মকানুন ও পাইলটদের যোগ্যতা&lt;/h3&gt; &lt;p&gt;ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA) নজরদারি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ হেলিপ্যাডগুলিতে ফ্লাইট অপারেশন এবং এয়ারওয়ার্দিনেস টিম মোতায়েন করেছিল। তারা ক্রমাগত নজরদারি, সারপ্রাইজ ইন্সপেকশন এবং সেফটি অডিট চালিয়েছে। পাইলটদের ক্লান্তিজনিত ঝুঁকি এড়াতে তাদের ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন (FDTL) প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করা হতো।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;হিমালয়ে হেলিকপ্টার চালানোর কঠিন প্রকৃতির কথা মাথায় রেখে, DGCA পাইলটদের যোগ্যতার নিয়ম আরও কঠোর করেছে। চার ধাম যাত্রায় হেলিকপ্টার চালানোর জন্য পাইলটদের পাহাড়ি এলাকায় কমপক্ষে ৭৫০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যার মধ্যে গত এক বছরে ১০০ ঘণ্টা এবং কেদারনাথে কমপক্ষে ১০টি টেক-অফ ও ল্যান্ডিংয়ের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। &lt;/p&gt;&lt;h3&gt;অন্যান্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা&lt;/h3&gt; &lt;p&gt;নিরাপত্তা বাড়াতে আরও কয়েকটি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হেলিকপ্টারে যাত্রী সংখ্যা সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার ৭০ শতাংশে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। চার্টার অপারেশনকেও নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আনা হয়েছে। পাইলটদের সুবিধার জন্য হাই-টেনশন তারে সেফটি মার্কার এবং সতর্কীকরণ বেলুন লাগানো হয়েছে। এছাড়া, যাত্রীদের মসৃণ চলাচল এবং ভালো সমন্বয়ের জন্য সমস্ত হেলিপ্যাডে একটি সাধারণ গ্রাউন্ড-হ্যান্ডলিং এবং ভিড় ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।&lt;/p&gt; &lt;h2&gt;'নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপস নয়'&lt;/h2&gt; &lt;p&gt;অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী নাইডু আরও বলেন, &quot;বিমান পরিষেবায় নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, এবং এর সঙ্গে কখনও কোনও আপস করা যায় না। আমরা নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জিরো-টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। বিশেষ করে যখন লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর পবিত্র চার ধাম যাত্রার প্রশ্ন আসে, তখন নিরাপত্তা নিয়ে কোনও কথাই চলে না।&quot;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে যে তারা সারা দেশে হেলিকপ্টার নিরাপত্তা ক্রমাগত শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে কঠোর নিরাপত্তা মান মেনে চার ধাম যাত্রা ২০২৬-এর প্রথম পর্বের হেলিকপ্টার পরিষেবা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। (ANI)&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/char-dham-2026-helicopter-service-flies-over-78000-pilgrims-in-phase-one-bpsb/articleshow-v5gqall"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vastu Tips: নজর লেগে ঘরে কি অমঙ্গল হচ্ছে? এই ৪টি শক্তিশালী টোটকায় মিলবে মুক্তি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/simple-vastu-remedies-to-protect-your-home-from-evil-eye-anbmp/photoshow-veub52g</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/simple-vastu-remedies-to-protect-your-home-from-evil-eye-anbmp/photoshow-veub52g</guid>
            <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 09:18:45 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Vastu Tips: আপনার হাসিখুশি পরিবারের উপর কি কারও কুনজর পড়েছে? বাস্তুশাস্ত্রের এমন ৪টি শক্তিশালী ও সহজ টোটকা জেনে নিন, যা বাড়ি থেকে সমস্ত নেগেটিভ এনার্জি দূর করে আপনার জীবনে সুখ এবং সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনবে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01jw5gk3g5mmdzcb93x1a0k8j2,imgname-caphor-1748236865029.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Vastu Tips: আপনার হাসিখুশি পরিবারের উপর কি কারও কুনজর পড়েছে? বাস্তুশাস্ত্রের এমন ৪টি শক্তিশালী ও সহজ টোটকা জেনে নিন, যা বাড়ি থেকে সমস্ত নেগেটিভ এনার্জি দূর করে আপনার জীবনে সুখ এবং সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;যেকোনো নেগেটিভ এনার্জি প্রথমে সদর দরজা বা জানলা দিয়ে বাড়িতে ঢোকে। তাই বাড়ির প্রবেশদ্বারকে ত্রুটিমুক্ত রাখা খুব জরুরি। এর জন্য সপ্তাহে অন্তত দু'বার, বিশেষ করে মঙ্গলবার এবং শনিবার, ঘর মোছার জলে কিছুটা রক সল্ট বা সামুদ্রিক লবণ মিশিয়ে নিন। এই জল দিয়ে সদর দরজা ও তার চারপাশ মুছলে নেগেটিভিটি দূর হয়।&lt;img&gt;যদি আপনার মনে হয় যে পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য, সন্তানদের পড়াশোনা বা আপনার ব্যবসা কুনজরের শিকার হয়েছে, তাহলে এই ফিটকিরির টোটকা প্রয়োগ করুন। একটি পরিষ্কার কালো কাপড়ে ফিটকিরির একটি ছোট টুকরো বেঁধে নিন। এই পুঁটলিটি আপনার বাড়ির সদর দরজার ভেতরে বা বাইরে ঝুলিয়ে দিন। আপনি কর্মক্ষেত্রে থাকলে, দোকানের কাউন্টার বা অফিসের কেবিনেও এটি লুকিয়ে রাখতে পারেন। এটি আপনাকে কুনজর থেকে রক্ষা করবে।&lt;img&gt;বাস্তুশাস্ত্রে সদর দরজার চৌকাঠকে খুব পবিত্র বলে মনে করা হয়। এই চৌকাঠকে শক্তিশালী করলে আপনি যেকোনো কুনজরকে বাড়িতে প্রবেশ করতে বাধা দিতে পারেন। এর জন্য আপনার সদর দরজার ওপরে কেশর এবং গরুর ঘি মিশিয়ে 'স্বস্তিক' বা 'ওম' চিহ্ন আঁকুন। এছাড়া পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি বা ঘোড়ার নালও লাগাতে পারেন।&lt;img&gt;শাস্ত্র মতে, সূর্যাস্তের সময় অর্থাৎ সন্ধ্যায় বাড়িতে নেগেটিভ এনার্জি এবং কুনজরের প্রভাব সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে। এটি দূর করতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় একটি মাটির প্রদীপ বা পিতলের পাত্রে ২-৩টি কর্পূরের টুকরো এবং ২টি লবঙ্গ রাখুন। এবার সেগুলিতে আগুন ধরিয়ে দিন। এর ধোঁয়া বাড়ির প্রতিটি কোণায় দেখান। এতে বাড়ির পরিবেশ শুদ্ধ হয়।]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/simple-vastu-remedies-to-protect-your-home-from-evil-eye-anbmp/photoshow-veub52g"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এই ৫ দিন তুলসি গাছ ছুঁলেই সংসারে নেমে আসবে অমঙ্গল – শাস্ত্রের কড়া নিষেধ জেনে নিন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/astrology/5-days-do-not-in-touch-tulsi-plant-see-some-auspicious-rules-absc/articleshow-vo6zhr9</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/astrology/5-days-do-not-in-touch-tulsi-plant-see-some-auspicious-rules-absc/articleshow-vo6zhr9</guid>
            <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 12:03:10 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;হিন্দু শাস্ত্রে তুলসি গাছ &quot;মা লক্ষ্মীর&quot; স্বরূপ। তাই একে ছোঁয়া, পাতা তোলার কড়া নিয়ম আছে। কিছু বিশেষ দিনে ভুলেও তুলসি গাছ স্পর্শ করতে নেই। শাস্ত্র মতে ওই দিন স্পর্শ করলে সংসারে অমঙ্গল, আর্থিক ক্ষতি, দেবীর রোষ হতে পারে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kqeq5dyqddqnncyqg198pqkq,imgname-tulsi-plant-1777536776151.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বাঙালি বাড়িতে তুলসি মঞ্চ নেই এমন ঘর খুঁজে পাওয়া ভার। সকালে উঠে তুলসি তলায় জল দেওয়া, সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানো &ndash; নিত্য কাজ। কিন্তু সব দিন কি তুলসি গাছ ছোঁয়া যায়? শাস্ত্র বলছে, না। কিছু দিন আছে যেদিন মা তুলসিকে বিশ্রাম দিতে হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভক্তি থাকা ভালো, কিন্তু নিয়ম না জানলে ভক্তিই &quot;অপরাধ&quot; হয়ে যায়। তাই জেনে নিন কোন দিনগুলোতে তুলসি গাছ স্পর্শ করা বারণ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই ৫ দিন ভুলেও তুলসি গাছ স্পর্শ করবেন না&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. রবিবার &ndash; সূর্য দেবের দিন শাস্ত্র মতে রবিবার তুলসি গাছের জন্মদিন। এই দিন তুলসি মাতা তপস্যায় থাকেন। তাই রবিবার পাতা তোলা, ডাল ভাঙা, গাছ ছোঁয়া নিষেধ। রবিবার পাতা ছিঁড়লে &quot;ব্রহ্মহত্যার পাপ&quot; হয় বলে পুরাণে উল্লেখ আছে। প্রয়োজন হলে শনিবার সন্ধ্যায় পাতা তুলে রেখে দিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. একাদশী তিথি প্রতি মাসে ২টি একাদশী। এই দিন বিষ্ণু-লক্ষ্মীর উপবাসের দিন। তুলসি হলেন বিষ্ণুপ্রিয়া। একাদশীতে তুলসি পাতা ছিঁড়লে বিষ্ণুদেব রুষ্ট হন। দ্বাদশীর দিন সকালে সূর্য ওঠার পর পাতা তোলা যাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. সংক্রান্তি &ndash; মাসের শেষ দিন বাংলা মাসের সংক্রান্তি, ইংরেজি মাসের ৩০/৩১ তারিখ। এই দিনও তুলসি স্পর্শ নিষেধ। সংক্রান্তি হল &quot;সন্ধিক্ষণ&quot;। এই সময় গাছের শক্তি দুর্বল থাকে। স্পর্শ করলে গাছের ক্ষতি + সংসারে টাকা-পয়সার সমস্যা আসে বলে বিশ্বাস।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের দিন গ্রহণের সময় প্রকৃতিতে নেগেটিভ এনার্জি থাকে। এই সময় তোলা তুলসি পাতা &quot;অশুদ্ধ&quot; হয়ে যায়। গ্রহণ শেষে গঙ্গাজল ছিটিয়ে গাছ শুদ্ধ করে, তারপর পাতা তোলা যাবে। গ্রহণের ৪ ঘণ্টা আগে থেকে নিয়ম মানতে হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. সন্ধ্যার পর নিয়ম মতে সূর্য ডোবার পর তুলসি পাতা তোলা যায় না। সন্ধ্যা হল লক্ষ্মী-নারায়ণের বিহারের সময়। এই সময় গাছ ছুঁলে দেবীর ঘুম ভেঙে যায়। তাই সন্ধ্যা ৬টার পর আর তুলসি তলায় হাত দেবেন না। পুজোর পাতা লাগলে বিকেলে তুলে রাখুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তুলসি পাতা তোলার সঠিক নিয়ম কী? নিষেধ দিন বাদ দিয়ে পাতা তোলারও নিয়ম আছে: ১. স্নান করে: অপবিত্র হাতে গাছ ছোঁবেন না। ২. অনুমতি নিয়ে: পাতা তোলার আগে &quot;ওঁ সুপ্রভায় নমঃ&quot; বলে অনুমতি চান। ৩. নখ দিয়ে না: নখ দিয়ে ছিঁড়বেন না। ডান হাতের ২ আঙুল দিয়ে পাতা ছিঁড়ুন। ৪. ডাল ভাঙবেন না: শুধু পাতা তুলুন, ডাল বা কচি ডগা ভাঙবেন না। গাছের ক্ষতি হয়। ৫. প্রয়োজন মতো: অকারণে পাতা ছিঁড়বেন না। পুজো বা ওষুধের জন্য যতটা দরকার ততটাই তুলুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভুল করে ছুঁয়ে ফেললে কী করবেন? অনেক সময় অসাবধানে ছুঁয়ে ফেলেন। ভয় পাবেন না। সাথে সাথে গাছের গোড়ায় গঙ্গাজল দিন। &quot;হরে কৃষ্ণ&quot; ১০৮ বার জপ করুন। ক্ষমা চেয়ে নিন। শাস্ত্রে &quot;অনিচ্ছাকৃত ভুল&quot;-এর প্রায়শ্চিত্ত আছে। ইচ্ছে করে নিয়ম ভাঙবেন না, এটাই আসল কথা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কেন এই নিষেধ? বৈজ্ঞানিক কারণও আছে রবিবার, একাদশী, সন্ধ্যা &ndash; এই সময় গাছ &quot;রেস্ট মোডে&quot; থাকে। গাছের কোষে রাসায়নিক পরিবর্তন হয়। এই সময় পাতা ছিঁড়লে গাছ দুর্বল হয়। আর তুলসি পাতার &quot;ইউজেনল&quot; তেল রোদে সবচেয়ে বেশি তৈরি হয়। সকালে তোলা পাতার গুণ বেশি। তাই শাস্ত্র + বিজ্ঞান দুটোই মিলে যায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শেষ কথা তুলসি শুধু গাছ নয়, ঘরের মঙ্গল। ওকে ভালোবাসুন, কিন্তু নিয়ম মেনে। রবিবার আর একাদশীতে ওকে ছুটি দিন। বাকি দিন ভক্তি ভরে সেবা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মনে রাখবেন, ভক্তি মানে শুধু ছোঁয়া নয়। না ছুঁয়েও মন দিয়ে প্রণাম করলে মা তুলসি খুশি হন। সংসারে শান্তি রাখতে চাইলে নিয়মগুলো মেনে চলুন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/astrology/5-days-do-not-in-touch-tulsi-plant-see-some-auspicious-rules-absc/articleshow-vo6zhr9"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[AC Vastu Tips: এসি-কুলার ভুল দিকে রাখছেন না তো? এই ১টা ভুলে বিল বাড়ছে ৩০%]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/are-you-placing-your-ac-or-cooler-in-the-wrong-spot-this-single-mistake-is-driving-up-your-bill-learn-vastu-guidelines/articleshow-ykl4rqm</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/are-you-placing-your-ac-or-cooler-in-the-wrong-spot-this-single-mistake-is-driving-up-your-bill-learn-vastu-guidelines/articleshow-ykl4rqm</guid>
            <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 14:39:40 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;এই গ্রীষ্মে গ্রীষ্ম ইতিমধ্যেই তার আসল রূপ দেখাতে শুরু করেছে। বিকেলে বাইরে বের হওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে, তাই ঘর ঠান্ডা রাখতে মানুষ এসি লাগানোর জন্য ছুটছে। এসির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, বিশেষ করে শহরগুলিতে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে এসি লাগানোর একটি নির্দিষ্ট দিক রয়েছে?&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01ktkbtkrww2ffwv57w10c1h7f,imgname-ac-or-air-cooler-5--1--1780913884956.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;এই গ্রীষ্মে গ্রীষ্ম ইতিমধ্যেই তার আসল রূপ দেখাতে শুরু করেছে। বিকেলে বাইরে বের হওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে, তাই ঘর ঠান্ডা রাখতে মানুষ এসি লাগানোর জন্য ছুটছে। এসির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, বিশেষ করে শহরগুলিতে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে এসি লাগানোর একটি নির্দিষ্ট দিক রয়েছে? বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, সঠিক দিকে এসি লাগালে ঘরে শান্তি ও স্থিরতা বজায় থাকে এবং ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;এসি রাখার সঠিক দিক - বাস্তুর চার্ট:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;১. শুভ দিক: পশ্চিম দেওয়াল&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পশ্চিম = বায়ু তত্ত্ব। এসির ঠান্ডা হাওয়া এখান থেকে ছাড়লে পুরো ঘরে ছড়ায়। কুলিং ফাস্ট হয়। বিলও ১৫-২০% কম আসে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;২. শুভ দিক: উত্তর দেওয়াল&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উত্তর = জল তত্ত্ব। জল + বায়ু মিলে ঘর ন্যাচারালি ঠান্ডা রাখে। বেডরুমের জন্য বেস্ট। ঘুমও ভালো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৩. অশুভ দিক: দক্ষিণ-পূর্ব &lsquo;অগ্নি কোণ&rsquo;&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এটা ১০% বারণ। এখানে আগুনের এলিমেন্ট থাকে। এসি বসালে &lsquo;আগুন বরফের লড়াই&rsquo;। রেজাল্ট: এসি বারবার ট্রিপ করবে, বিল ৩০% বাড়বে, বাড়িতে অশান্তি বাড়বে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৪. অশুভ দিক: দরজার ঠিক ওপরে&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ঠান্ডা হাওয়া দরজা খুললেই পালাবে। টাকা জলে যাবে। এসি রাখুন দেওয়ালের মাঝামাঝি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;এসির হাওয়া কোন দিকে দেবেন?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কখনোই খাটের মাথার দিকে নয়। পায়ের দিকে বা সাইড দেওয়ালে দিন। সরাসরি মাথায় হাওয়া = মাইগ্রেন + সর্দি। ভাস্তুতেও &lsquo;মাথায় বায়ুর চাপ&rsquo; অশুভ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কুলার রাখার ৩টি সঠিক নিয়ম:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিয়ম ১: পূর্ব বা উত্তর দিকে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কুলার মানে জল। জলের দিক পূর্ব-উত্তর। এখানে রাখলে বাতাসে আদ্রতা ব্যালেন্স থাকবে। ঘর ভ্যাপসা হবে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিয়ম ২: জানলার পাশে, কিন্তু মুখ জানলার দিকে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কুলার টানে বাইরের হাওয়া। তাই জানলার কাছে রাখুন। কিন্তু কুলারের পেছনটা যেন বন্ধ দেওয়ালে থাকে। নাহলে গরম হাওয়া সার্কুলেট করবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিয়ম ৩: দক্ষিণ-পশ্চিমে একদম না&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ &lsquo;ভারী&rsquo; কোণ। এখানে কুলারের জল রাখলে বাড়ির স্থায়িত্ব-টাকা পয়সায় টান পড়ে। বাস্তুতে কঠোর মানা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বাড়ি ঠান্ডা রাখার ৩টে বোনাস টোটকা:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. রং: দেওয়ালের রং হালকা আকাশি বা পুদিনা সবুজ করুন। গাঢ় রং ৫ ডিগ্রি গরম বাড়ায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. পর্দা: দুপুর ১২টা-৪টা জানলা-দরজায় মোটা পর্দা টানুন। রোদ ঢুকতেই দেবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. গাছ: এসির সামনে মানিপ্ল্যান্ট রাখুন। গাছ বাতাস ফিল্টার করে ঠান্ডা করে। এসির লোড ১০% কমে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;সবচেয়ে বড় ভুল যেটা আপনি করছেন:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এসি ১৮ ডিগ্রিতে চালিয়ে ফ্যান ফুল স্পিড। এতে ঘর ঠান্ডা হয় না, শুধু বিল বাড়ে। বাস্তু + বিজ্ঞান দুটোই বলে - এসি ২৪-২৬ ডিগ্রি + সিলিং ফ্যান মিডিয়াম = বেস্ট কম্বো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;শেষ কথা:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গরমে শান্তি চাইলে মেশিন বদলাবেন না, দিক বদলান। পশ্চিম-উত্তরে এসি, পূর্ব-উত্তরে কুলার। ব্যাস, ঘর হয়ে যাবে হিমালয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Sanjoy Patra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/are-you-placing-your-ac-or-cooler-in-the-wrong-spot-this-single-mistake-is-driving-up-your-bill-learn-vastu-guidelines/articleshow-ykl4rqm"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ram Mandir theft case: রাম মন্দিরে দানের লুঠ হওয়া ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার, ট্রাস্টিদের ওপর নজর পুলিশের]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/ram-mandir-donation-scandal-sparks-political-firestorm-as-trustees-resign-and-8-arrested/articleshow-zgeh93s</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/ram-mandir-donation-scandal-sparks-political-firestorm-as-trustees-resign-and-8-arrested/articleshow-zgeh93s</guid>
            <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 13:16:48 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ram Mandir Donation Scandal: অযোধ্যার রাম মন্দিরের দানের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে দেশজুড়ে তোলপাড়। &lsquo;নৈতিক দায়&rsquo; নিয়ে ইস্তফা দিয়েছেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই সহ দুই শীর্ষ কর্তা। এই ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kw3m37tg3jmx0g0r4ndscjy3,imgname-ram-mandir-donation-theft-sit-report-10-big-revelations-ayodhya-cctv-investigation-1782533168976.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের দানের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুক্রবার এই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলে পদত্যাগ করেছেন ট্রাস্টের দুই বর্ষীয়ান সদস্য। অন্যদিকে, কয়েক লক্ষ টাকার এই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আটজনকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে মাত্র ৮০ লক্ষ টাকা। ভক্তদের দানের টাকার পাশাপাশি ভগবান শ্রী রামকে দেওয়া হার, পাদুকা-সহ একাধিক মূল্যবান জিনিল লুঠ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;রাম মন্দিরে লুঠ নিয়ে তরজা!&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;অভিযোগ, রাম মন্দিরের কর্মী এবং ব্যাঙ্কের কর্মচারীদের একাংশ মিলে পরিকল্পিতভাবে ভক্তদের দেওয়া অনুদানের টাকা চুরি করছিল। এই কেলেঙ্কারি এখন শাসক দল বিজেপি এবং বিরোধীদের মধ্যে নতুন লড়াইয়ের ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিরোধীরা এই ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি তুলেছে। এই বিতর্কের মধ্যেই &lsquo;নৈতিক দায়&rsquo; স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্র। গত ২৫ জুন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) অনুযায়ী এই তহবিল তছরুপের ঘটনায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার অযোধ্যার একটি বিশেষ আদালত আটজন সন্দেহভাজনকে ২৯ জুন পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। ধৃতদের মধ্যে সরকারি কর্মচারী এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরাও রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৭৯.৮৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;বিজেপিকে তোপ বিরোধীদের&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;বিরোধীরা এই পদত্যাগকে হাতিয়ার করে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে। তাদের মতে, এই ঘটনা লক্ষ লক্ষ ভক্তের বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, &quot;অবশেষে দানভক্তদের মুখোশ খুলে গেল।&quot; তাঁর অভিযোগ, &quot;বিজেপির অনুগতদের অহংকারে তৈরি হওয়া লঙ্কার সাম্রাজ্য&quot; এবার ঈশ্বরের রোষের মুখে পড়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এক্স-এ একটি পোস্টে যাদব বলেন, &quot;ভগবানের দৈব শক্তি তার খেল দেখিয়েছে। এবার অযোধ্যাতেই বিজেপির লঙ্কাকাণ্ড ঘটবে। অবশেষে 'দানভক্তদের' মুখোশ খুলে গেল। বিজেপির অনুগতদের অহংকারে তৈরি হওয়া এই ঝলমলে লঙ্কার সাম্রাজ্য এবার শেষ হবে, আর 'লঙ্কেশ্বর'-এরও পতন হবে। বিজেপির জন্য অমৃতকাল এখন অন্ধকার যুগে পরিণত হয়েছে।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পদত্যাগ নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, &quot;এই সরকার দাবি করত তাদের আমলে কেউ পদত্যাগ করে না। অনুদান চুরির ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা এখন মজা করে বলছে, বিজেপি নেতারা নাকি বলছেন, 'আমরা বলেছিলাম পদত্যাগ হবে না&mdash;আমরা তো পদত্যাগ করিনি, আমরা ত্যাগপত্র দিয়েছি'।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যাদব এই ঘটনাকে &quot;শুধুমাত্র শুরু&quot; বলে দাবি করে বলেন, বিজেপি এবং তার সহযোগীরা এখন একে অপরের পর্দাফাঁস করবে। তাঁর কথায়, &quot;ঈশ্বরের অডিট থেকে বিজেপির দলবল পালাতে পারবে না।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আপ-এর জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল অভিযোগ করেছেন, এই চুরির সঙ্গে &quot;বড় বড় মাথা জড়িত&quot; এবং তারা এখন নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং মন্দির প্রশাসনের বিরুদ্ধে &amp;nbsp;একপেশে রাজনীতি করার অভিযোগ তুলে বলেন, কেজরিওয়ালের সাম্প্রতিক সফরের একটি আনুষ্ঠানিক ছবিও তারা দেয়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একটি সাংবাদিক বৈঠকে কেজরিওয়াল বলেন, &quot;কোটি কোটি মানুষের ভগবান রামের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রয়েছে, এবং এই ঘটনায় তাদের ভাবাবেগে গভীর আঘাত লেগেছে... যারা এই চুরি করেছে, এই বিশাল ডাকাতির সঙ্গে যারা জড়িত, দুর্ভাগ্যবশত ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্বও তাদেরই হাতে। স্বাভাবিকভাবেই, তারা নিজেদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে না। বরং, তারা নিজেদের বাঁচানোর জন্য সবরকম চেষ্টা করছে।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আপ-এর রাজ্যসভা সাংসদ সঞ্জয় সিংও মন্দির প্রশাসনকে একহাত নিয়ে বলেন, কেজরিওয়ালের দর্শনের পর মন্দিরের নিজস্ব ফটোগ্রাফার ছবি তুলেও বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও সেই ছবি দেয়নি। এক্স-এ তিনি লেখেন, &quot;এটা কী ধরনের নোংরা রাজনীতি যে, এখন দান-চোর পার্টি রামভক্ত অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ছবিও চুরি করতে শুরু করেছে?&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপাল সুপ্রিম কোর্টের একজন কর্মরত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সিপিআই-এর সাধারণ সম্পাদক ডি রাজা জোর দিয়ে বলেছেন, এই &quot;লুঠের&quot; দায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে নিতে হবে। বেণুগোপাল এক্স-এ লেখেন, &quot;অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান চুরির ঘটনা সামনে আসায় হিন্দুধর্মের স্বঘোষিত রক্ষকদের আসল রূপ প্রকাশ হয়ে গেছে।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সিপিআই সাধারণ সম্পাদক ডি রাজা দুই ট্রাস্টির পদত্যাগকে &quot;হিমশৈলের চূড়া মাত্র&quot; বলে উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে এই দুর্নীতির দায় নিতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শাসক দল এই ঘটনাকে &quot;রাজনৈতিকীকরণ&quot; করার চেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করেছে এবং জোর দিয়ে বলেছে যে আইন নিরপেক্ষভাবে তার নিজের পথে চলছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;পাল্টা আক্রমণ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিরোধীদের একহাত নিয়ে বলেন, যারা মন্দির নির্মাণের বিরোধিতা করেছিল, তারাই এখন রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য এই ইস্যু তৈরি করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের বিশ্বাসে আঘাত হানার চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার &quot;জিরো টলারেন্স&quot; নীতি নেবে। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)-এর প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রথম এফআইআর দায়ের হওয়ার পর দেওরিয়ায় একটি জনসভায় তিনি এই কথা বলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যোগী আদিত্যনাথ আরও বলেন, &quot;সরকারের উদ্দেশ্য পরিষ্কার... সবকিছুই সকলের সামনে আসবে। কিন্তু আমি আবারও আবেদন করব: রামভক্তদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না, তাদের বিশ্বাসের সঙ্গে খেলা বন্ধ করুন। যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ না থাকে, তাহলে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ বন্ধ করুন, আর যদি প্রমাণ থাকে, তাহলে তা SIT-এর সামনে পেশ করুন।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একই সুরে উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক বলেন, এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশ বিজেপির নবনিযুক্ত সহ-সভাপতি নীরজ সিং এই ঘটনাকে &quot;অবশ্যই লজ্জাজনক&quot; বললেও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশংসা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিংও বিষয়টিকে &quot;অত্যন্ত গুরুতর&quot; বলে উল্লেখ করে বলেন, দোষীদের ছাড়া হবে না।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;আইনি ভাষা&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;আইন বিশেষজ্ঞরা, যেমন আইনজীবী হরি শঙ্কর জৈন এবং বিষ্ণু শঙ্কর জৈন, দেবতার সম্পত্তি সুরক্ষিত রাখতে ব্যবস্থার সংস্কারের উপর জোর দিয়েছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) অপ্রয়োজনীয় কমিটি গঠনের পরিবর্তে মন্দির প্রশাসনকে শক্তিশালী করার পরামর্শ দিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই বিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সভাপতি অলোক কুমার বলেন, &quot;আমার মনে হয় না নতুন কোনও কমিটি গঠনের প্রয়োজন আছে। অভিযোগ দুজন ট্রাস্টির বিরুদ্ধে, অন্যদের বিরুদ্ধে নয়। তাই আসল কাজ হলো ব্যবস্থার উন্নতি করা।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, শুক্রবার অযোধ্যার একটি বিশেষ আদালত রাম মন্দির অনুদান দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত আটজনকে ২৯ জুন পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রসিকিউশন অফিসার কেসি ভার্মার মতে, একজন ছাড়া বাকি অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোট ৭৯.৮৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে সরকারি কর্মচারী এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বেশ কয়েকজন কর্মীও রয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;অভিযুক্ত ৮ জন&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;এই মামলায় ধৃত আটজন অভিযুক্ত হলেন অবিনাশ শুক্লা, অনকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মণীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রমা শঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রমা শঙ্কর ওরফে টিনু।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্য কৃষ্ণমোহনের অভিযোগের ভিত্তিতে ২৫ জুন রাম জন্মভূমি থানায় এই এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, মন্দিরের অনুদান গণনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা একটি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করে পরিকল্পিতভাবে অনুদানের টাকা চুরি ও আত্মসাৎ করেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;SIT তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই এই মামলাটি ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানের পরিচালনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রশাসনের জন্য একটি অগ্নিপরীক্ষা হয়ে উঠছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দোষারোপের পালা কমার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/ram-mandir-donation-scandal-sparks-political-firestorm-as-trustees-resign-and-8-arrested/articleshow-zgeh93s"/>
        </item>
    </channel>
</rss>
