<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="yes"?>
<rss xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" version="2.0">
    <channel>
        <title>Asianet News Bangla</title>
        <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
        <description><![CDATA[Bangla News - No.1 News channel in Kolkata, which delivers Local and International news in Bangla language.]]></description>
        <image>
            <url>https://static-assets.asianetnews.com/images/ogimages/OG_Bangla.jpg</url>
            <width>143</width>
            <height>100</height>
            <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
            <title>Asianet News Bangla</title>
        </image>
        <lastBuildDate>Sat, 10 Oct 2026 20:37:01 +0530</lastBuildDate>
        <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/rss/religion" rel="self" type="application/rss+xml"/>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026: মনের মানুষ ছাড়া পুজোয় মন খারাপ? সিঙ্গেলদের জন্য ৫ দুর্দান্ত প্ল্যান]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/single-in-durga-puja-how-to-enjoy-without-partner-love-tips/articleshow-0xpryid</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/single-in-durga-puja-how-to-enjoy-without-partner-love-tips/articleshow-0xpryid</guid>
            <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 00:01:03 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja Celebrations: চারিদিকে সবাই জোড়ায় জোড়ায় ঠাকুর দেখছে, আর আপনি সিঙ্গেল বলে মন খারাপ করছেন? একদম নয়! প্রেমিক বা প্রেমিকা না থাকলেও পুজোর আনন্দ হতে পারে দ্বিগুণ। রইল সিঙ্গেলদের জন্য পুজো জমিয়ে দেওয়ার সেরা ৫টি আইডিয়া।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01hcpb43fc2yedhh493mjfhfjy,imgname-devi-durga-ki-aarti-1697261948396.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja 2026: পুজো মানেই প্রেমের মরসুম। অষ্টমীর অঞ্জলি, নবমীর রাতে হাত ধরে ঠাকুর দেখা, এই স্বপ্ন সবাই দেখে। কিন্তু আপনার যদি এখনও মনের মানুষ না থাকে? সোশ্যাল মিডিয়ায় সবার কাপল ছবি দেখে মন খারাপ হচ্ছে? একদম মন খারাপ করবেন না। সত্যি বলতে, সিঙ্গল পুজোর যে মজা, তা প্রেমিক-প্রেমিকারা কখনও পায় না। এবার পুজোয় নিজের সঙ্গেই প্রেম করুন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&lsquo;প্রেমহীন&rsquo; পুজোয় আনন্দ করার ৫টি সেরা উপায়&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;১. বন্ধুদের সঙ্গে &lsquo;প্যান্ডেল হপিং&rsquo; চ্যালেঞ্জ: প্রেমে থাকলে একজনের পছন্দের সঙ্গে মানিয়ে চলতে হয়। আপনি সিঙ্গেল, তাই আপনি স্বাধীন। বন্ধুদের গ্যাং নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। উত্তর থেকে দক্ষিণ, সারা রাত ধরে প্যান্ডেল হপিং করুন। কেউ বাধা দেওয়ার নেই, কেউ &quot;আর হাঁটতে পারছি না&quot; বলার নেই। নিজের মতো করে পুজো দেখার এটাই সেরা সময়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. নিজেকে ট্রিট দিন - ফ্যাশন ও খাওয়া-দাওয়া: এতদিন কারও জন্য সাজার কথা ভাবতেন? এবার নিজের জন্য সাজুন। পুজোর চার দিন চার রকম নতুন জামা, নিজের পছন্দের সাজ। আর খাওয়া-দাওয়া? প্রেমিক বা প্রেমিকার বিলের চিন্তা না করে নিজের জমানো টাকায় বিরিয়ানি থেকে ফুচকা, সব খান। নিজেকে ভালোবাসার চেয়ে বড় প্রেম আর কিছু হয় না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. একটা সোলো ট্রিপ প্ল্যান করুন: পুজোয় কলকাতার ভিড় ভালো না লাগলে বেরিয়ে পড়ুন একা। পাহাড় বা সমুদ্রে ২-৩ দিনের জন্য। সোলো ট্রিপ আপনাকে নিজেকে নতুন করে চিনতে শেখাবে। অনেক নতুন মানুষের সঙ্গে আলাপ হবে, কে বলতে পারে, পাহাড়ের কোলে বা সমুদ্রের ধারেই আপনার মনের মানুষের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল!&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. পুরনো বন্ধু ও পরিবারকে সময় দিন: প্রেমে পড়লে আমরা বন্ধু ও পরিবারকে কম সময় দিই। এই পুজোয় সেই ঘাটতি মিটিয়ে নিন। মা-বাবার সঙ্গে অঞ্জলি দিন, পাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, ভাই-বোনদের সঙ্গে খুনসুটি, এই আনন্দগুলোই তো আসল পুজো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. সোশ্যাল মিডিয়া ডিটক্স করুন: পুজোর কয়েকটা দিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে কাপলদের ছবি দেখা বন্ধ করুন। বরং নিজের পুজোর সুন্দর ছবি তুলুন, রিল বানান। মনে রাখবেন, আপনার আনন্দ দেখানোর জন্য কারও সঙ্গীর প্রয়োজন নেই। আপনি একাই একশো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আসলে পুজো প্রেমের উৎসব নয়, আনন্দের উৎসব। মনের মানুষ থাকা বা না থাকার উপর আনন্দ নির্ভর করে না। আনন্দ নির্ভর করে আপনার মানসিকতার উপর। তাই এবার দুঃখ ভুলে, নিজের মতো করে বাঁচুন। দেখবেন, এই সিঙ্গল পুজোটাই আপনার জীবনের সেরা পুজো হয়ে থাকবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/single-in-durga-puja-how-to-enjoy-without-partner-love-tips/articleshow-0xpryid"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দুর্গার পাশে নন, মাথার ওপরেই কেন থাকেন মহাদেব? জানুন এর পেছনের অজানা কাহিনি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/why-lord-shiva-stays-above-goddess-durga-idol-unknown-story-anb/articleshow-3d6ehqr</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/why-lord-shiva-stays-above-goddess-durga-idol-unknown-story-anb/articleshow-3d6ehqr</guid>
            <pubDate>Wed, 07 Oct 2026 15:17:01 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja: দুর্গা প্রতিমা ভালো করে দেখেছেন? দেবীর পাশে নয়, তাঁর মাথার ওপরেই থাকেন মহাদেব। এর পেছনে রয়েছে পৌরাণিক কারণ ও বাংলার চালচিত্রের বিশেষ ইতিহাস।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2wak820wsv973qbeyqjntn0,imgname-image-253ee625-1789804519486.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Durga Puja: &lt;/strong&gt;পুজো প্যান্ডেলে গিয়ে মা দুর্গার মুখের দিকেই আমাদের নজর যায়। কিন্তু কখনও ভালো করে চালচিত্রটা খেয়াল করেছেন? দেবীর ঠিক মাথার ওপরে ছোট্ট একটা জায়গায় ধ্যানমগ্ন হয়ে বসে আছেন দেবাদিদেব মহাদেব। সঙ্গে থাকেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু-সহ অন্যান্য দেবতারা। কিন্তু প্রশ্ন হল, স্বামী হয়েও তিনি স্ত্রীর পাশে নন কেন? কেন তাঁর স্থান সবসময় মাথার ওপরে?&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;এর পেছনে রয়েছে দুটো বড় কারণ, একটা পৌরাণিক ব্যাখ্যা আর একটা বাংলার শিল্প-ইতিহাসের ব্যাখ্যা।&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;১. পৌরাণিক ব্যাখ্যা - শক্তির ওপর শিবের আশীর্বাদ:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্র মতে, দুর্গা যখন অসুর বধ করতে আসেন, তখন তিনি কারও স্ত্রী নন, তিনি আদ্যাশক্তি, জগৎজননী। সেই সময় মহাদেব তাঁর স্বামী হিসেবে নয়, তাঁর সৃষ্টিকর্তা ও শক্তির আধার হিসেবে অবস্থান করেন। তাই তিনি পাশে না থেকে মাথার ওপরে থাকেন আশীর্বাদকের ভূমিকায়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মনে করা হয়, শিবের বুকের ওপর দাঁড়িয়েই মা কালী শক্তি রূপ ধারণ করেছিলেন। একইভাবে দুর্গা রূপেও শিব তাঁর ওপর থেকে শক্তি সঞ্চার করেন। তাঁর মাথার ওপরে থাকার অর্থ হল, সমস্ত শক্তির উৎস শিবই, আর তাঁর আশীর্বাদ নিয়েই দেবী যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আরেকটি লোককথা অনুযায়ী, দুর্গা যখন বাপের বাড়ি অর্থাৎ মর্ত্যে আসেন, তখন শিব কৈলাসে একাই থাকেন। কিন্তু স্ত্রীর ওপর নজর রাখতে তিনি সূক্ষ্ম রূপে চালচিত্রে অবস্থান করেন, যাতে কেউ তাঁর শক্তির অপমান করতে না পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. শৈল্পিক ব্যাখ্যা - একচালা প্রতিমা ও চালচিত্রের ইতিহাস:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আজকাল আমরা অনেক রকম থিমের পুজো দেখি, কিন্তু সাবেকি দুর্গা প্রতিমা ছিল একচালা। অর্থাৎ একটাই কাঠামোর মধ্যে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ সবাই থাকতেন। আর সেই গোটা কাঠামোর পেছনে যে অর্ধচন্দ্রাকার ফ্রেম থাকত, সেটাই হল চালচিত্র।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই চালচিত্রে মূলত দেবীর যুদ্ধের দৃশ্য আঁকা থাকত। পুরাণ অনুযায়ী, দুর্গার মহিষাসুর বধ দেখতে স্বর্গ থেকে সব দেবতারা এসেছিলেন। সেই দেবতাদেরই প্রতীকী রূপ হিসেবে চালচিত্রের ওপরে তাঁদের মূর্তি বানানো হত। আর যেহেতু মহাদেব দেবতাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, তাই তাঁর স্থান হত একেবারে মাঝখানে, দেবীর মাথার ঠিক ওপরে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলার কুমোরটুলির শিল্পীরা আজও এই রীতি মেনে চলেন। তাঁরা মনে করেন, মাথার ওপর মহাদেব না থাকলে প্রতিমা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এটা শুধু একটা মূর্তি নয়, এটা শিব-শক্তির মিলনের প্রতীক। তাই দুর্গার পাশে নয়, মাথার ওপরেই তাঁর স্থান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/why-lord-shiva-stays-above-goddess-durga-idol-unknown-story-anb/articleshow-3d6ehqr"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[How To Apply: পরিবেশবান্ধব দুর্গাপুজো করলেই ১ লক্ষ টাকা! গ্রিন দুর্গাপুজো ইভ্যালুয়েশন অ্যাপে কীভাবে করবেন আবেদন?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/eco-friendly-durga-puja-1-lakh-reward-green-durga-puja-evaluation-app-registration-rules-bsm/photoshow-4kce5rn</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/eco-friendly-durga-puja-1-lakh-reward-green-durga-puja-evaluation-app-registration-rules-bsm/photoshow-4kce5rn</guid>
            <pubDate>Fri, 09 Oct 2026 13:01:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;ECO Fiiendly Durga Puja: পরিবেশবান্ধব পুজো করলেই মিলবে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার! গ্রিন দুর্গাপুজো ইভ্যালুয়েশন অ্যাপে কীভাবে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করবেন, জানুন ধাপে ধাপে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m4frpt8n484pcqfyzyv3hb2c,imgname-gemini-generated-image-sd9wdsd9wdsd9wds-1791530592533.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ECO Fiiendly Durga Puja: পরিবেশবান্ধব পুজো করলেই মিলবে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার! গ্রিন দুর্গাপুজো ইভ্যালুয়েশন অ্যাপে কীভাবে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করবেন, জানুন ধাপে ধাপে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;দুর্গাপুজোর আগে পুজো কমিটিগুলির জন্য বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের। পরিবেশবান্ধব পুজো করলেই এ বার মিলতে পারে আর্থিক পুরস্কার। এর জন্য চালু হচ্ছে 'গ্রিন দুর্গাপুজো এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড'।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পরিবেশের সুরক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক সচেতনতার ক্ষেত্রে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া পুজোগুলিকে সম্মান জানাবে সরকার। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে এই কথা জানান মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;শ্রেষ্ঠ গ্রিন দুর্গাপুজো, শ্রেষ্ঠ পরিচ্ছন্ন ও বর্জ্য স্মার্ট পুজো, শ্রেষ্ঠ সচেতনতা উদ্যোগ এবং কমিউনিটি এনগেজমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, এই চার বিভাগে পুজো কমিটিগুলিকে পুরস্কৃত করা হবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সেরা পুজো কমিটি পাবে ১ লক্ষ টাকা। দ্বিতীয় স্থানাধিকারীর জন্য ৮০ হাজার এবং তৃতীয় স্থানাধিকারীর জন্য ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;শুধু রাজ্যস্তরেই নয়, প্রতিটি জেলা থেকে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ পুজো কমিটিকে ২৫ হাজার টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;আবেদনের জন্য চালু হয়েছে 'গ্রিন দুর্গাপুজো ইভ্যালুয়েশন অ্যাপ'। এই অ্যাপেই অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে পুজো কমিটিগুলি। প্রথমে স্মার্টফোনে অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;অ্যাপ খুলে 'রেজিস্টার অ্যাজ নিউ ইউজার' বা 'সাইন আপ' অপশনে ক্লিক করুন। এর পর কমিটির নাম, ক্লাবের ঠিকানা, মহকুমা এবং ব্লক বা পুরসভা বেছে নিতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কমিটির প্রধান কর্মকর্তা বা সম্পাদকের নাম, মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি দিয়ে সাবমিট করতে হবে। এর পর ওই মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি আসবে। সেটি নির্দিষ্ট বক্সে বসালেই অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই হয়ে যাবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করার পর মূল্যায়ন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সেখানে প্লাস্টিক বর্জন, পরিবেশবান্ধব মণ্ডপ ও প্রতিমা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত তথ্য জানাতে হবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পুরস্কারের পাশাপাশি পুজোমণ্ডপে বিশেষ স্টল করে দর্শনার্থীদের চারাগাছ বিতরণের জন্য পুজো কমিটিগুলিকে উৎসাহিত করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/eco-friendly-durga-puja-1-lakh-reward-green-durga-puja-evaluation-app-registration-rules-bsm/photoshow-4kce5rn"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[২০২৬-এর অক্টোবরে একাদশী কবে? রইল ইন্দিরা ও পাপাঙ্কুশা একাদশীর দিনক্ষণ, তিথি ও পারণের সময়]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/october-2026-ekadashi-date-time-indira-papangkusha-ekadashi/articleshow-5r1pexk</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/october-2026-ekadashi-date-time-indira-papangkusha-ekadashi/articleshow-5r1pexk</guid>
            <pubDate>Thu, 08 Oct 2026 22:27:20 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে দুটি একাদশী পড়েছে। পিতৃপক্ষের ইন্দিরা একাদশী ও শারদীয় নবরাত্রির পরের পাপাঙ্কুশা একাদশী। জানুন দুই একাদশীর সঠিক তারিখ, তিথির সময় ও গুরুত্ব।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m0m3pdjpt8qezx6x8av7znpj,imgname-asianet-bangla-thump---2026-08-22t121657.333-1787381364310.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে দুটি গুরুত্বপূর্ণ একাদশী ব্রত পালিত হবে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে প্রতি মাসে দুটি করে একাদশী থাকে, একটি কৃষ্ণপক্ষে ও একটি শুক্লপক্ষে। অক্টোবর মাসের দুটি একাদশী হল ইন্দিরা একাদশী ও পাপাঙ্কুশা একাদশী।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;১. ইন্দিরা একাদশী - ৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;অক্টোবরের প্রথম একাদশী হল ইন্দিরা একাদশী। এটি আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- তিথি শুরু: ৬ অক্টোবর, ভোর ২:০৭ মিনিট থেকে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- তিথি শেষ: ৭ অক্টোবর, রাত ১২:৩৪ মিনিট পর্যন্ত&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- বিশেষত্ব: এই একাদশী পিতৃপক্ষের মধ্যে পড়ে, তাই এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। মনে করা হয় এই দিনে উপবাস ও বিষ্ণু পুজো করলে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি হয় ও মোক্ষ লাভ হয়।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;২. পাপাঙ্কুশা একাদশী - ২২ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;অক্টোবরের দ্বিতীয় একাদশী হল পাপাঙ্কুশা একাদশী। এটি আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী এবং দুর্গাপুজো ও বিজয়া দশমীর ঠিক পরেই পড়ে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- তিথি শুরু: ২১ অক্টোবর, দুপুর ২:১১ মিনিট থেকে&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- তিথি শেষ: ২২ অক্টোবর, দুপুর ২:৪৭ মিনিট পর্যন্ত&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- বিশেষত্ব: এই একাদশী পাপ বিনাশকারী হিসেবে পরিচিত। এই দিনে ভক্তিভরে উপবাস করলে সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;পারণের সময়:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;একাদশী ব্রতের পালন পরের দিন দ্বাদশীতে সূর্যোদয়ের পর করা হয়। ইন্দিরা একাদশীর পারণ ৭ অক্টোবর এবং পাপাঙ্কুশা একাদশীর পারণ ২৩ অক্টোবর সকালে হবে। স্থানভেদে পারণের সময় বদলায়, তাই কলকাতার স্থানীয় পঞ্জিকা দেখে নেবেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুটি একাদশীই ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গীকৃত। এই দিনগুলিতে শস্য জাতীয় খাবার এড়িয়ে ফল, দুধ বা নির্জলা উপবাস করার নিয়ম।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/october-2026-ekadashi-date-time-indira-papangkusha-ekadashi/articleshow-5r1pexk"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026: টিফিনের টাকা জমিয়ে কাগজ-কার্ডবোর্ডে দুর্গা প্রতিমা, তাক লাগিয়ে দিল বিক্রম]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-malda-boy-makes-durga-idol-using-paper-card-board-anbsg/articleshow-68goi1n</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-malda-boy-makes-durga-idol-using-paper-card-board-anbsg/articleshow-68goi1n</guid>
            <pubDate>Mon, 05 Oct 2026 00:07:09 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Idol: শুধু মাটি দিয়েই নয়, আরও অনেক কিছু দিয়েই তৈরি হয় দুর্গা প্রতিমা। এমনই এক দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেছে মালদার গাজোলের এক কিশোর। তার তৈরি দুর্গা প্রতিমার পাশাপাশি এই মূর্তি তৈরির উপায়ও নজর কেড়ে নিয়েছে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m441wxgjfsc6nmvw8n2zgxh4,imgname-durga-idol-1791137576466.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja 2026: টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে জমিয়েছিল টাকা। সেই সঞ্চিত অর্থ দিয়ে কাগজ ও কার্ডবোর্ড ব্যবহার করে তৈরি করে ফেলেছে দুর্গা প্রতিমা। নিজের হাতে তৈরি সেই প্রতিমা দেখিয়ে ইতিমধ্যেই প্রতিবেশীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে মালদার গাজোলের নবম শ্রেণির পড়ুয়া ১৫ বছর বয়সি বিক্রম সরকার। প্রায় এক মাস ধরে ধীরে ধীরে তৈরি করা প্রতিমার কাজ এখন প্রায় শেষ। চলছে সাজসজ্জা ও বাহন তৈরির কাজ। প্রায় দেড় ফুট উচ্চতা ও আড়াই ফুট চওড়া একচালা দুর্গাপ্রতিমাটি তৈরি করতে বিক্রম খরচ করেছে নিজের জমানো প্রায় ৫০০ টাকা। পুজোর কয়েকদিন বাড়িতেই এই প্রতিমা ভক্তিভরে পুজো করার ইচ্ছা তার। পরে বিসর্জন না দিয়ে প্রতিমাটি সংরক্ষণ করতে চায় সে। তবে কেউ সংগ্রহে রাখতে চাইলে এই প্রতিমা দিয়ে দিতেও আপত্তি নেই বিক্রমের।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;ছোটবেলা থেকেই মূর্তি তৈরি করে বিক্রম&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;ছোটবেলা থেকেই দেবদেবীর মূর্তি তৈরির প্রতি আগ্রহ আছে বিক্রমের। সাত-আট বছর বয়স থেকেই কাগজ ও কার্ডবোর্ড দিয়ে রথ, জগন্নাথ, মনসা ও গোপালের মূর্তি তৈরি করেছে। এবার তৈরি করেছে দুর্গা প্রতিমা। বিক্রম বলেছে, পুজোর মন্ত্র জানা না থাকলেও ষষ্ঠীর বোধন থেকে নিজের মতো করে ভক্তিভরে মায়ের আরাধনা করবে। বিক্রমের বাবা বিকাশ সরকার একটি মিলে ঠিকা শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তার মা গৌরী দাস সরকার গৃহবধূ। তিনি জানিয়েছেন, স্কুলে যাওয়ার সময় দেওয়া ১০ টাকা থেকে খরচ বাঁচিয়ে নিজের শখ পূরণ করে ছেলে। মোবাইলে সময় না কাটিয়ে নানা সৃষ্টিশীল কাজে মেতে থাকে সে। বিক্রমের প্রতিভায় খুশি প্রতিবেশীরাও। পুরোহিত আমন কুমার ঝা বলেছেন, দেবদেবীর প্রতি বিক্রমের গভীর অনুরাগ রয়েছে। তাঁর তৈরি দুর্গা প্রতিমাটিও প্রশংসার যোগ্য। তবে শিল্পী নয়, বড় হয়ে পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন দেখে বিক্রম।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;সারা বাংলায় শিল্পকলার চর্চা&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও সারা বছর ধরে বিক্রমের মতোই হাজার হাজার অনামী শিল্পী শিল্পকলার চর্চা করে থাকেন। বিশেষ করে দুর্গাপুজোর সময় শিল্পচর্চার পরিচয় পাওয়া যায়। বিক্রমের প্রতিভাও এভাবেই নজর কেড়ে নিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Soumya Ganguly</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-malda-boy-makes-durga-idol-using-paper-card-board-anbsg/articleshow-68goi1n"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Balurghat News: বালুরঘাটে শিব মন্দিরে ভাঙচুর, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার অভিযুক্ত]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/balurghat-news-lord-shiva-temple-vandalized-cops-arrest-accused-anbsg/articleshow-c4f0w9y</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/balurghat-news-lord-shiva-temple-vandalized-cops-arrest-accused-anbsg/articleshow-c4f0w9y</guid>
            <pubDate>Sat, 10 Oct 2026 20:15:59 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Balurghat: দুর্গাপুুজোর (Durga Puja 2026) আগে হঠাৎই অশান্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur)। বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী (Bangladeshi) অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার হওয়ার পর ধরা পড়েছে এক জেএমবি জঙ্গি। এরই মধ্যে বালুরঘাটে এক শিবমন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পেরেছে পুলিশ-প্রশাসন।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m4k27584kryb8gk9w82wn5gd,imgname-durga-idol-broken-1791641228548.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Temple Vandalized: দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) মুখে এক শিব মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ তৈরি হল দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) বালুরঘাট ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁপুর অঞ্চলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় একটি শিবমন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন তাঁরা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। ঘটনার খবর পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপে সম্ভাব্য উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার পাশাপাশি ওই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকাও সামনে এসেছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;পুলিশের পদক্ষেপে খুশি মানুষ&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;শিব মন্দিরে ভাঙচুরের খবর পেয়ে স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি ছোটন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁরাও অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি জানান। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিজেপি নেতৃত্বও পুলিশ-প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের সময়সীমা বেঁধে দেন। কিন্তু তার আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের এই তৎপরতা অশান্তি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। সংবেদনশীল একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি যাতে আরও জটিল না হয়, সে ক্ষেত্রে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;পুলিশের প্রশংসায় বিজেপি নেতৃত্ব&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;এই ঘটনার বিষয়ে বিজেপি মণ্ডল সভাপতি বলেছেন, 'খাঁপুরে রাতের অন্ধকারে একটি শিব মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আমরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছই। আমাদের আরাধ্য দেব-দেবীর মন্দিরে এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের সময় দিয়েছিলাম। পুলিশ অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এ জন্য পুলিশ-প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। যেভাবে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে, তা প্রশংসার যোগ্য।' শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা শুধু অপরাধের তদন্তেই সীমাবদ্ধ নয়, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ করে সাধারণ মানুষের আস্থা বজায় রাখাও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। খাঁপুরের ঘটনায় অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের পদক্ষেপ সেই দায়িত্ব পালনেরই একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের এই তৎপরতা এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সহযোগিতায় শান্তি বজায় থাকুক, এমনটাই প্রত্যাশা বাসিন্দাদের।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Soumya Ganguly</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/balurghat-news-lord-shiva-temple-vandalized-cops-arrest-accused-anbsg/articleshow-c4f0w9y"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Sandhi Puja Time: দুর্গাপুজোয় এবার সন্ধিপুজো কখন? ১০৮ প্রদীপ জ্বালানোর সঠিক সময় জানুন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-sandhi-puja-time-according-guptapress-bisuddha-siddhanta-panjika/photoshow-eb26psy</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-sandhi-puja-time-according-guptapress-bisuddha-siddhanta-panjika/photoshow-eb26psy</guid>
            <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 13:01:33 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর আর বেশি দেরি নেই। মহাষষ্ঠীর বোধন, সপ্তমীর নবপত্রিকা, অষ্টমীর অঞ্জলি থেকে নবমীর ধুনুচি নাচ&mdash;প্রতিটি দিনই বিশেষ। তবে দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হল সন্ধিপুজো।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m40as82zg4kgyk8xssqkr22m,imgname-asianet-bangla-thump--9--1791012675678.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর আর বেশি দেরি নেই। মহাষষ্ঠীর বোধন, সপ্তমীর নবপত্রিকা, অষ্টমীর অঞ্জলি থেকে নবমীর ধুনুচি নাচ&mdash;প্রতিটি দিনই বিশেষ। তবে দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হল সন্ধিপুজো।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর আর বেশি দেরি নেই। মহাষষ্ঠীর বোধন, সপ্তমীর নবপত্রিকা, অষ্টমীর অঞ্জলি থেকে নবমীর ধুনুচি নাচ&mdash;প্রতিটি দিনই বিশেষ। তবে দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব হল সন্ধিপুজো। মহাষ্টমী ও মহানবমীর সন্ধিক্ষণে নির্দিষ্ট সময়ে এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়। শাস্ত্রীয় রীতি মেনে ১০৮টি পদ্ম এবং ১০৮টি প্রদীপ দিয়ে সন্ধিপুজো করা হয়। ২০২৬ সালে গুপ্তপ্রেস এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী সন্ধিপুজোর সময়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা অনুযায়ী সন্ধিপুজোর সময়&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা অনুযায়ী, ১৮ অক্টোবর, রবিবার মহাষ্টমী তিথি। এদিন ভোর ৫টা ৫২ মিনিট ১০ সেকেন্ডে অষ্টমী তিথি শুরু হবে। এই তিথি শেষ হবে ১৯ অক্টোবর, সোমবার সকাল ৭টা ৪৯ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে। এই পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৮ অক্টোবর সকাল ৭টা ২৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ড থেকে সন্ধিপুজো শুরু হবে। পুজো শেষ করার সময় সকাল ৮টা ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে। অষ্টমীর বিহিত পুজো এবং অন্যান্য আচারও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে। একই দিনে বীরাষ্টমী এবং মহাষ্টমীর ব্রতোপবাস পালিত হবে&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী সময়&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ীও ১৮ অক্টোবর মহাষ্টমী পালিত হবে। এই পঞ্জিকা অনুসারে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে অষ্টমী তিথি শুরু হবে। অষ্টমী তিথির সমাপ্তি হবে ১৯ অক্টোবর সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে। এই হিসাবে ১৮ অক্টোবর সকাল ১০টা ২৮ মিনিট থেকে সন্ধিপুজো শুরু হবে। সন্ধিপুজো শেষ করতে হবে সকাল ১১টা ১৬ মিনিটের মধ্যে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই সময়েই কালিকা দেবী ও মহিষমর্দিনী দেবীর আবির্ভাব দিবস, মহারাত্রি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান এবং কুমারী পুজোর মতো ধর্মীয় আচার পালনের উল্লেখ রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;১০৮ প্রদীপ ও ১০৮ পদ্মের তাৎপর্য&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সন্ধিপুজোর সঙ্গে ১০৮ সংখ্যাটির বিশেষ ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ১০৮টি পদ্ম এবং ১০৮টি প্রদীপ নিবেদন করা হয়। মহাষ্টমীর শেষ এবং নবমীর শুরুর এই সন্ধিক্ষণেই সম্পন্ন হয় সন্ধিপুজো।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পঞ্জিকা অনুযায়ী সময় মেনে পুজো করার রীতি রয়েছে। তবে বিভিন্ন বনেদি বাড়ি, বারোয়ারি পুজো বা স্থানীয় পুজো কমিটির নিজস্ব রীতি অনুযায়ী আচার-অনুষ্ঠানের সময় কিছুটা আলাদা হতে পারে। তাই পুজোমণ্ডপের পুরোহিত বা সংশ্লিষ্ট পঞ্জিকার নির্দেশ মেনে চলাই উচিত।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;দুর্গাপুজোর এই বিশেষ পর্ব পেরিয়েই শুরু হয় মহানবমীর অপেক্ষা। তারপরই আসে বিজয়া দশমী&mdash;সিঁদুর খেলা, দেবীবরণ এবং বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় আরও একটি শারদোৎসব।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Sanjoy Patra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-sandhi-puja-time-according-guptapress-bisuddha-siddhanta-panjika/photoshow-eb26psy"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কেন ভোর ৪ টে-র সময় রেডিও-তে বেজে ওঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’? জেনে নিন এই ঐতিহ্যের নেপথ্যের কারণ]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/why-bengalis-wake-up-at-4-am-on-mahalaya-know-story-behind-the-rituals-absc/photoshow-gf30k3e</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/why-bengalis-wake-up-at-4-am-on-mahalaya-know-story-behind-the-rituals-absc/photoshow-gf30k3e</guid>
            <pubDate>Sat, 10 Oct 2026 09:49:59 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর সূচনা হয় মহালয়ার দিন ভোর ৪টেয় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনার মাধ্যমে। ১৯৩১ সাল থেকে আকাশবাণীতে সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি কেন নির্দিষ্ট ভোরেই বাজে, তার পিছনে রয়েছে শাস্ত্রীয় ও আধ্যাত্মিক কারণ।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m45dr5z2te1cd0pnsgjtyfs0,imgname-mahalaya-2026-date-1791183558626.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর সূচনা হয় মহালয়ার দিন ভোর ৪টেয় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনার মাধ্যমে। ১৯৩১ সাল থেকে আকাশবাণীতে সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি কেন নির্দিষ্ট ভোরেই বাজে, তার পিছনে রয়েছে শাস্ত্রীয় ও আধ্যাত্মিক কারণ।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাঙালির বারো মাসে ১৩ পার্বণ হলেও সব থেকে অন্যতম দুর্গাপুজো। সারা বছর থেকে এই পাঁচটি দিনের অপেক্ষায় থাকে বাঙালি। দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন সকলে মনে নিয়ে আসে খুশির জোয়ার। উৎসবের শুরু মহালয়া দিয়ে। প্রতিটি ঘরে শোনা যায় মহিষাসুরমর্দিনী।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভোরের অন্ধকারে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী দিয়ে সূচনা নয় মহালয়ার। এর পরে তর্পণের জন্য গঙ্গা ঘাটে ভিড় বাড়তে থাকে। এরই সঙ্গে চণ্ডীপাঠের সুরে দেবী দুর্গার আরাধনা- সব মিলিয়ে মহালয়া বাঙালির আবেগ ও ঐতিহ্যের এক অন্য মাত্রা এনে দেয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কিন্তু, কখনও ভেবে দেখেন যে কেন প্রতি বছর মহালয়ার দিন ভোর ৪টের সময়ই রেডিওতে বাজে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার হয়? কেন প্রতি বছর বেছে নেওয়া হয় এই নির্দিষ্ট সময়টা?&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহালয়া মানেই ভোরের অন্ধকার কেটে দেবীপক্ষের আবাহন। আর বাঙালির ঘরে ঘরে সেই পরিচিত সুর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী। ১৯৩১ সাল থেকে আকাশবাণীর এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান বাঙালির মহালয়া উদযাপনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তবে কেন ভোর ৪টের সময়ই রেডিওতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার হয়? এই প্রশ্ন থাকে অনেকের মনে। প্রসঙ্গত শাস্ত্রীয় ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাসে ভোরের সময় দেবী আবাহন ও পিতৃতর্পণের বিশেষ গুরুত্ব আছে। সে কারণে এই সময় বেছে নেওয়া হয়েছিল। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের গলায় চণ্ডীপাঠ শোনার অভ্যাসটি বাঙালিক কাছে চিরন্তন আবেগ ও নস্টালজিয়া হয়ে আছে। সে কারণে এখনও ভোরের সময়টা মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচারের হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এদিকে হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, মহালয়া পিতৃপক্ষের শেষ দিন। এই পক্ষটি প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ, তাদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণ করার রীতি প্রচলিত। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে, মহালয়ার দিন থেকেই দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমনের ক্ষণগণনা শুরু হয়। এবছর ১০ অক্টোবর পালিত হচ্ছে দিনটি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Sayanita Chakraborty</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/why-bengalis-wake-up-at-4-am-on-mahalaya-know-story-behind-the-rituals-absc/photoshow-gf30k3e"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026: নেই রাজা-রাজপাট, আজও রাজকীয় সমারোহে পুজিত হন মল্লরাজ পরিবারের মৃন্ময়ী মা]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-learn-the-historical-puja-of-malla-raja-at-bishnupur-areas-anbmp/articleshow-gipwhkv</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-learn-the-historical-puja-of-malla-raja-at-bishnupur-areas-anbmp/articleshow-gipwhkv</guid>
            <pubDate>Mon, 05 Oct 2026 14:44:26 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Historical Durga Puja: নেই রাজা-রাজপাট। তবুও এত বছর পর এখনও অমলিন বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের ঐতিহাসিক প্রাচীন দুর্গাপুজো। কবে থেকে শুরু হয় এখানে পুজো? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m45nc0pg5ymeknjpencr1m8t,imgname-screenshot-2026-10-05-144117-1791191548624.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Historical Durga Puja: &lt;/strong&gt;রাজা নেই, রাজত্ব নেই। সময়ের স্রোতে হারিয়ে গিয়েছে মল্লরাজাদের সেই গৌরবময় সাম্রাজ্য। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় আজও অমলিন তাঁদের কীর্তি। ভগ্নপ্রায় রাজবাড়ির দেওয়াল, প্রাচীন মন্দির আর শতাব্দীপ্রাচীন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেই যেন বেঁচে রয়েছে সেই রাজকীয় অতীত। আর সেই ইতিহাসেরই অন্যতম জীবন্ত নিদর্শন মল্লরাজাদের কূলদেবী মা মৃন্ময়ীর পুজো।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;জানুন মল্লরাজাদের দুর্গাপুজোর অতীত ইতিহাস:-&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;প্রাচীন রীতি ও পরম্পরা মেনেই বিষ্ণুপুরে শুরু হল ১০৩০ বছরের পুরনো এই পুজো। মুর্ছা পাহাড় থেকে পরপর গর্জে উঠল কামান। ৯টি তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে ছড়িয়ে পড়ল দেবীর আগমনের বার্তা। সেই শব্দ যেন এক মুহূর্তের জন্য ফিরিয়ে আনল হারিয়ে যাওয়া মল্লরাজ্যের দিনগুলিকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মৃন্ময়ী মন্দিরের পুজোর অন্যতম বিশেষ বৈশিষ্ট্য &lsquo;পট পুজো&rsquo;। বিষ্ণুপুরের শাঁখারি বাজারের ফৌজদার পরিবারের সদস্যরা আজও বংশপরম্পরায় বড় ঠাকুরাণী, মেজ ঠাকুরাণী ও ছোট ঠাকুরাণীর জন্য পৃথক তিনটি পট আঁকেন। মন্দিরে দেবী মৃন্ময়ীর প্রতিমার পাশে নির্দিষ্ট স্থানে সেই তিনটি পট স্থাপন করেই চলে পুজো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রাচীন রীতি অনুযায়ী, দেবীপক্ষের চতুর্থী তিথি থেকে শুরু হয় মেজ ঠাকুরাণী অর্থাৎ দেবী মহালক্ষ্মীর পুজো। সপ্তমীর দিন থেকে শুরু হয় ছোট ঠাকুরাণী অর্থাৎ দেবী মহাসরস্বতীর আরাধনা। বড়, মেজো ও ছোট ঠাকুরাণী&mdash;এই তিন রূপকেই দেবী মহামায়ার প্রকাশ হিসেবে মল্লরাজাদের হস্তলিখিত &lsquo;বলীনারায়ণী&rsquo; পুঁথির নির্দেশ মেনে পুজো করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই পুজোর ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে বিষ্ণুপুরের জন্মকথার সঙ্গেও। একসময় মল্লরাজাদের রাজধানী ছিল জয়পুরের প্রদ্যুম্নপুরে। কথিত আছে, ৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে মল্লরাজ জগৎমল্ল শিকারের উদ্দেশ্যে ঘন জঙ্গলে প্রবেশ করে পথ চলতে চলতে বর্তমান বিষ্ণুপুর এলাকায় এসে পৌঁছন। ক্লান্ত রাজা একটি বটগাছের নীচে বিশ্রাম নেওয়ার সময় একের পর এক অলৌকিক ঘটনার সম্মুখীন হন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;জনশ্রুতি, সেই সময় দেবী মৃন্ময়ী জগৎমল্লের সামনে প্রকট হয়ে তাঁকে বিষ্ণুপুরে দেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রাজধানীও বিষ্ণুপুরে স্থানান্তরিত করে রাজ্য পরিচালনার নির্দেশ দেন দেবী। এরপরই বিষ্ণুপুরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় এবং রাজপ্রাসাদের কাছেই নির্মিত হয় দেবী মৃন্ময়ীর বিশাল মন্দির। শুরু হয় কূলদেবীর আরাধনা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মল্লরাজাদের রাজকীয় পুজো হওয়ায় মৃন্ময়ীর আরাধনায় রয়েছে একাধিক স্বতন্ত্র আচার ও নিয়ম। পুজোর প্রায় পনেরো দিন আগে, জীতাষ্টমীর পরের দিন নবমী তিথিতে শুরু হয় বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা। স্থানীয় একটি পুকুরে পুজো-অর্চনার পর সেখান থেকে বড় ঠাকুরাণীর পট নিয়ে আসা হয় মৃন্ময়ী মন্দিরে। বড় ঠাকুরাণীকে মহাকালীর রূপ হিসেবে মানা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পট নিয়ে আসা থেকে শুরু করে পুজোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ঘোষণা করা হয় তোপধ্বনির মাধ্যমে। সেই ঐতিহ্য মেনেই এদিন সকালে রাজপরিবারের সদস্যরা রাজপুরোহিতকে সঙ্গে নিয়ে পৌঁছন স্থানীয় পুকুরঘাটে। পবিত্র মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে সেখানে বড় ঠাকুরাণীর পটের পুজো সম্পন্ন হয়। এরপর শোভাযাত্রা করে পট নিয়ে যাওয়া হয় মৃন্ময়ী মন্দিরে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আর সেই সময়ই মুর্ছা পাহাড় থেকে গর্জে ওঠে কামান। একের পর এক তোপধ্বনিতে বিষ্ণুপুরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে দেবীর আগমনের বার্তা। কয়েক শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও মল্লরাজাদের সেই পুজোর রীতি, আচার ও নিষ্ঠায় এখনও ছেদ পড়েনি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মল্লরাজত্ব ইতিহাসের পাতায় স্থান নিয়েছে বহুদিন আগেই। রাজপ্রাসাদের জৌলুসও আজ অতীত। কিন্তু তাঁদের রেখে যাওয়া ঐতিহ্য এখনও বিষ্ণুপুরের মাটিতে জীবন্ত। আর মৃন্ময়ী দেবীর পুজো সেই ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান ধারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দুর্গাপুজোর এই সময়টায় তাই অন্য রূপ নেয় মন্দিরনগরী বিষ্ণুপুর। শুধু জেলা বা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয়, দেশের নানা জায়গা এমনকি বিদেশ থেকেও বহু পর্যটক ও দর্শনার্থী ছুটে আসেন ১০৩০ বছরের প্রাচীন এই পুজোর সাক্ষী হতে। ইতিহাস, ধর্ম, স্থাপত্য ও লোকঐতিহ্য&mdash;সবকিছুর মেলবন্ধনে মৃন্ময়ী পুজো আজও বিষ্ণুপুরের নিজস্ব পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মল্লরাজারা নেই, নেই তাঁদের রাজত্বও। কিন্তু তাঁদের রেখে যাওয়া কীর্তি, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের হাত ধরে বিষ্ণুপুর আজও তার নিজস্ব মহিমায় স্বতন্ত্র।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-learn-the-historical-puja-of-malla-raja-at-bishnupur-areas-anbmp/articleshow-gipwhkv"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বেড়েছে দুর্গাপুজোর সময়! ৫ নয়, এবার ৬দিন ধরে পুজো! এভাবে হিসেবটা করেছেন কি?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-puja-festivities-to-stretch-over-6-days-instead-of-5-check-the-tithi-calculation-bpsb/photoshow-hsin3on</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-puja-festivities-to-stretch-over-6-days-instead-of-5-check-the-tithi-calculation-bpsb/photoshow-hsin3on</guid>
            <pubDate>Tue, 06 Oct 2026 18:39:01 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;সাধারণত মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী&mdash;এই পাঁচ দিনই দুর্গাপুজোর মূল পর্ব হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু ২০২৬ সালে সেই হিসেবেই আসছে বিশেষ পরিবর্তন। এ বার পাঁচ দিনের বদলে ছ&rsquo;দিন ধরে চলবে দুর্গাপুজোর মূল পর্ব। কারণ, এ বার মহাসপ্তমী তিথি পড়েছে দু&rsquo;দিন।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k6fchh59tp8p5h6e743e0zqb,imgname-gettyimages-2178187461-1759305581737.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সাধারণত মহাষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমী&mdash;এই পাঁচ দিনই দুর্গাপুজোর মূল পর্ব হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু ২০২৬ সালে সেই হিসেবেই আসছে বিশেষ পরিবর্তন। এ বার পাঁচ দিনের বদলে ছ&rsquo;দিন ধরে চলবে দুর্গাপুজোর মূল পর্ব। কারণ, এ বার মহাসপ্তমী তিথি পড়েছে দু&rsquo;দিন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;২০২৬ সালের পঞ্জিকা অনুযায়ী, মহাসপ্তমী তিথি ১৭ ও ১৮ অক্টোবর&mdash;দু&rsquo;দিন থাকছে। অর্থাৎ একই সপ্তমী তিথি দু&rsquo;টি ক্যালেন্ডার দিনে বিস্তৃত হচ্ছে। এই কারণেই এ বার পুজোর দিনসংখ্যা নিয়ে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। পঞ্জিকার গণনা অনুযায়ী, মহাষষ্ঠী ১৬ অক্টোবর এবং তার পরেই সপ্তমী তিথি দু&rsquo;দিন ধরে থাকছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;২০২৬ সালে মহাষষ্ঠী পড়ছে ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার। এরপর ১৭ ও ১৮ অক্টোবর সপ্তমী। তার পর ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী। অর্থাৎ ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত ক্যালেন্ডারের হিসেবে মোট ছ&rsquo;টি দিন জুড়ে থাকছে পুজোর মূল পর্ব।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;দুর্গাপুজোর দিন নির্ধারণ হয় সৌর ক্যালেন্ডারের তারিখ দেখে নয়, চন্দ্রতিথির গণনা অনুযায়ী। কোনও একটি তিথি সূর্যোদয়ের সময় কতটা সময় ধরে থাকে, তার উপর নির্ভর করে সেই তিথি কোন দিনে পালিত হবে। ২০২৬ সালে সপ্তমী তিথির বিস্তারের কারণেই সেটি দু&rsquo;টি দিনে পড়েছে। আবার বিভিন্ন পঞ্জিকার গণনায় কিছু পার্থক্য থাকায় নির্ঘণ্ট নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সপ্তমীর পর ১৯ অক্টোবর পালিত হবে মহাষ্টমী। এই দিন অষ্টমীর অঞ্জলি, কুমারী পুজো ও সন্ধিপুজো বিশেষ আকর্ষণ। এরপর ২০ অক্টোবর মহানবমী। পুজোর শেষ দিন বিজয়া দশমী ২১ অক্টোবর। ওই দিনই দেবীর বিসর্জনের মাধ্যমে মূল দুর্গোৎসবের সমাপ্তি হবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;দু&rsquo;দিন সপ্তমী পড়ায় এ বার পুজোর ক্যালেন্ডারও অন্য রকম। পুজোর দিনগুলিতে ভিড়, পরিবহণ এবং প্যান্ডেল হপিংয়ের পরিকল্পনাতেও তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ১৭ ও ১৮ অক্টোবর&mdash;দু&rsquo;দিনই সপ্তমীর আবহ থাকায় শহরের বিভিন্ন মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;অর্থাৎ, হিসেবটা খুব সহজ&mdash;ষষ্ঠী ১৬ অক্টোবর, সপ্তমী ১৭ ও ১৮ অক্টোবর, অষ্টমী ১৯ অক্টোবর, নবমী ২০ অক্টোবর এবং দশমী ২১ অক্টোবর। সপ্তমী তিথি দু&rsquo;দিনে পড়ার কারণেই এ বার পাঁচ দিনের বদলে ছ&rsquo;দিন ধরে দুর্গাপুজোর মূল পর্ব। ফলে পুজোপ্রেমী বাঙালির হাতে এ বার কার্যত মিলছে একটা বাড়তি পুজোর দিন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-puja-festivities-to-stretch-over-6-days-instead-of-5-check-the-tithi-calculation-bpsb/photoshow-hsin3on"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026: আজ থেকেই পুজো শুরু, ৩ দিন পাঁঠাবলির রীতি রামপুরহাটের চাঁদপাড়া গ্রামে]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-starts-sunday-chandpara-village-rampurhat-birbhum-anbsg/articleshow-hw8u3et</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-starts-sunday-chandpara-village-rampurhat-birbhum-anbsg/articleshow-hw8u3et</guid>
            <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 16:08:23 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja Rituals: বাংলার নানা প্রান্তে দুর্গাপুজোর নানা রীতি আছে। বীরভূমের রামপুরহাট ২ ব্লকের চাঁদপাড়া গ্রামে ১১টি বাড়িতে দুর্গাপুুজো হয়। এই গ্রামের পুজোর রীতি অভিনব। প্রায় ৪০০ বছর ধরে এখানে দুর্গাপুজো হচ্ছে। এবারও দুর্গাপুজো ঘিরে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি গ্রামবাসীদের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m435r2x911c0bb5vrbp9kmby,imgname-durga-puja-2026-1791108058025.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja 2026: তিথি অনুযায়ী এখনও দেবী পক্ষ শুরু হয়নি। কিন্তু রবিবারই বীরভূমের ২ নম্বর ব্লকের চাঁদপাড়া গ্রামের চৌধুরী বাড়িতে শুরু হয়ে গেল দুর্গাপুজো। এদিন সকালে বোধনের ঘটের আগমনের মাধ্যমে পুজো শুরু হল। এদিন থেকে দুর্গাপুজো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন চলবে চণ্ডীপাঠ। বোধনের ঘট পুজোর পাশাপাশি এদিন পাঁঠাবলিও হয়। দুর্গাপুজোর দিনগুলিতেও পাঁঠাবলির রীতি আছে। সপ্তমীর দিন, সন্ধিপুজোর সময় এবং নবমী পুজোর সময়ও পাঁঠাবলি হয়। পুজোর সময় প্রতিদিনই ভোগ হিসেবে থাকে লুচি। অষ্টমীর দিন অন্ন খাওয়ার নিয়ম নেই। পুজো উপলক্ষে কদমা তৈরি হয়। এবারও পুজোর সব প্রস্তুতি সারা।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;গ্রামের ১১ বাড়িতে পুজো&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;বীরভূমের এই গ্রামে যে বাড়িগুলিতে দুর্গাপুজো হয়, তার অন্যতম চৌধুরী পরিবার। এই পরিবারেরই শরিক ঘোষ পরিবার। এই পরিবারের সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ জানিয়েছেন, 'আমাদের এই পুজো প্রায় ৪০০ বছর ধরে চলছে। গ্রামের ১১টি বাড়িতে পুজো হয়। এই গ্রামে চৌধুরী ও মজুমদার পরিবার জমিদার ছিল। এই দুই পরিবারের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্কও আছে। মোট ১১টি বাড়িতে দুর্গাপুজো হলেও, নয়টি বাড়িতে প্রতিমা আসে। বাকি দুই বাড়িতে ঘটে পুজো হয়। আজ আমাদের বোধনের ঘট এল। নবমীর ১৫ দিন আগে বোধন হয়। সেই রীতি মেনেই আজ বোধন হল। আজ শুভ ভালো তিথি। ২০ বছরের মধ্যে এমন তিথি আর আসেনি। এই কারণ আজ বোধন অত্যন্ত শুভ।'&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;কাটা চালিতে দুর্গাপুজো!&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;সুদীপ্তবাবু আরও জানিয়েছেন, 'আমাদের বাড়িতে দুর্গা প্রতিমার চালি কাটা। পুরো চালি নেই। কোনও একবার পুজোর সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল। তারপর থেকেই পুরো চালি করা হয় না। কাটা চালিতেই পুজো হয়ে আসছে। মা দুর্গা দশভূজা হলেও, আমাদের পুজোয় মায়ের চার হাত। বাড়ির মন্দিরেই প্রতিমা তৈরি হয়। রথের দিন থেকেই পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। আমাদের শাক্ত মতে পুজো হয়। গ্রামের সবাই মিলে একসঙ্গে পুজো করি।' পুজোর আচার থেকে ভোগ, সব পরিবারের সদস্যদের পাশপাশি গ্রামবাসীরাও হাত লাগান। সবাই মিলে পুজোর কাজ ও আনন্দ ভাগ করে নেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Soumya Ganguly</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-starts-sunday-chandpara-village-rampurhat-birbhum-anbsg/articleshow-hw8u3et"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Van Devi Temple: সূর্য ডুবলেই এই মন্দিরে ঢোকা বারণ! ৪০০ বছরের পুরনো রহস্য জানেন?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/400-year-old-van-devi-temple-in-bihar-why-entry-is-banned-after-sunset-bpsb/photoshow-ll12alb</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/400-year-old-van-devi-temple-in-bihar-why-entry-is-banned-after-sunset-bpsb/photoshow-ll12alb</guid>
            <pubDate>Fri, 02 Oct 2026 21:11:48 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সূর্য ডুবলেই এই মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশ নিষেধ। ৪০০ বছর ধরে চলে আসা এই অদ্ভুত নিয়মের কথা শুনলে যে কেউ চমকে যাবেন। সম্প্রতি একটি বলিউড সিনেমায় এই মন্দিরের কথা উঠে আসায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বন দেবী মন্দির নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m3y7gga4m8gwxp0a23e5j4f1,imgname-gemini-generated-image-9lzw9r9lzw9r9lzw-1790942134596.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[সূর্য ডুবলেই এই মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশ নিষেধ। ৪০০ বছর ধরে চলে আসা এই অদ্ভুত নিয়মের কথা শুনলে যে কেউ চমকে যাবেন। সম্প্রতি একটি বলিউড সিনেমায় এই মন্দিরের কথা উঠে আসায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় বন দেবী মন্দির নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।&lt;img&gt;&lt;p&gt;বলিউড সিনেমা 'দ্য ভ্যান'-এর দৌলতে বিহারের এই প্রাচীন মন্দিরটি এখন খবরের শিরোনামে। পাটনার কাছে বিটা এলাকায় রয়েছে মা বন দেবী মন্দির। এই মন্দির ঘিরে বহু বছর ধরে নানা লোককথা ও বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, সূর্য ডোবার পর মন্দিরের আশেপাশের জঙ্গলে ঢোকা একেবারে বারণ। সন্ধের আরতি শেষ হলেই পুরোহিতরা মন্দিরে তালা ঝুলিয়ে চলে যান।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বিহারের পাটনা জেলার বিটা এলাকার কাছেই রয়েছে মা বন দেবী মন্দির। পাটনা থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে আমহারা, রাঘোপুর এবং কাঞ্চনপুর গ্রামের কাছাকাছি এই মন্দির অবস্থিত। স্থানীয়দের মতে, একসময় এই এলাকা ঘন জঙ্গলে ঘেরা ছিল। পুরাণ অনুযায়ী, এই মন্দিরটি প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো। এখানে দেবীর কোনও সাধারণ মূর্তি নেই, বরং একটি পবিত্র 'পিণ্ড' হিসেবে তাঁকে পুজো করা হয়। স্থানীয়রা বন দেবীকে জঙ্গলের রক্ষাকর্তা হিসেবেই মানেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এই মন্দির তৈরির পিছনে একটি দারুণ লোককথা রয়েছে। রাঘোপুরের বাসিন্দা বিদ্যানন্দ মিশ্র ছিলেন দেবীর পরম ভক্ত। তিনি প্রায়ই বিন্ধ্যাচলে গিয়ে দেবীর দর্শন করতেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর পক্ষে সেখানে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। বিশ্বাস করা হয়, একদিন দেবী তাঁকে স্বপ্নে দেখা দেন এবং পবিত্র পিণ্ডের একটি অংশ নিজের এলাকায় নিয়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠা করতে বলেন। এরপর তিনি জঙ্গলের মাঝে সেই পিণ্ড প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেখানেই গড়ে ওঠে বন দেবী মন্দির।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এই মন্দিরের সবচেয়ে রহস্যময় দিক হল, সূর্য ডোবার পর জঙ্গলে ঢোকার ওপর নিষেধাজ্ঞা। স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, অতীতে এই জঙ্গলে বেশ কিছু অদ্ভুত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল। এর ফলে আশেপাশের গ্রামের মানুষ চরম বিপদে পড়েন। সেই থেকেই অন্ধকার নামার পর জঙ্গলে মানুষের প্রবেশ বন্ধ করার এই নিয়ম চালু হয়, যা আজও মেনে চলা হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বন দেবী মন্দিরের এই লোককথা এখন বলিউডেও পৌঁছে গিয়েছে। সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং তামান্না ভাটিয়া অভিনীত 'দ্য ভ্যান: ফোর্স অফ দ্য ফরেস্ট' সিনেমার গল্প এই মন্দিরকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে। সিনেমার লেখক অরুণাভ কুমার নিজে এই মন্দির ঘুরে দেখেন এবং পুরোহিত ও গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপরই দেশজুড়ে এই ছোট মন্দিরটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বড় মূর্তি বা বিশাল কাঠামোর বদলে, জঙ্গলের মাঝে পুরনো বিশ্বাস ও ঐতিহ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই মন্দির আজ এক আলাদা পরিচিতি পেয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/400-year-old-van-devi-temple-in-bihar-why-entry-is-banned-after-sunset-bpsb/photoshow-ll12alb"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026: দিনে আদালতে আইনের লড়াই, রাতে শিল্পসাধনা! মোমের দুর্গা গড়লেন আইনজীবী]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-special-jalpaiguri-lawyer-makes-goddess-idol-using-candle-anbsg/articleshow-m3wpgoq</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-special-jalpaiguri-lawyer-makes-goddess-idol-using-candle-anbsg/articleshow-m3wpgoq</guid>
            <pubDate>Sat, 10 Oct 2026 19:08:11 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Idol: প্রতিবারই দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2026) সময় বাংলার নানা প্রান্তে বহু মানুষের শিল্প-প্রতিভা দেখা যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ছাত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা শিল্পভাবনার পরিচয় দিচ্ছেন। জলপাইগুড়ির এক আইনজীবীও অনন্য দুর্গা প্রতিমা তৈরি করে চমক দিয়েছেন।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m4jz84kn5qm1n3ayrk0swmhm,imgname-durga-idol-1791638114933.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja: আদালতে আইনের লড়াই, অবসর সময়ে শিল্পের সাধনা। কাগজ, সাবান, ওষুধের প্যাকেটের পর এবার মোম দিয়ে নিখুঁত দুর্গা প্রতিমা গড়ে তাক লাগিয়ে দিলেন জলপাইগুড়ির আইনজীবী কুণাল বিশ্বাস। আদালতের ব্যস্ততা সামলে শিল্পের টানে রাত জেগে প্রায় তিন কেজি মোম দিয়ে ছোট্ট অথচ অসাধারণ কারুকাজে ভরা দুর্গা প্রতিমা তৈরি করে সকলের নজর কেড়েছেন এই তরুণ আইনজীবী। তাঁর তৈরি মোমের দুর্গা প্রতিমার সূক্ষ্ম শিল্পকর্ম ও নিখুঁত নির্মাণশৈলী দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন পরিচিতজন থেকে শুরু করে শিল্পপ্রেমীরা। শিরিষতলা অঞ্চলের বাসিন্দা কুণালের এই অভিনব শিল্পকর্ম এখন শহরের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। দুর্গাপুজো বাঙালির আবেগ, ভালোবাসা ও সৃজনশীলতার এক অনন্য প্রকাশ। আর সেই দুর্গার রূপকেই এবার সম্পূর্ণ অন্য আঙ্গিকে ফুটিয়ে তুলেছেন এই আইনজীবী। সাধারণ মাটির বদলে তাঁর শিল্পের প্রধান উপকরণ মোম। সহজে আকার দেওয়া গেলেও মোম দিয়ে এমন সূক্ষ্ম ও নিখুঁত প্রতিমা তৈরি করা মোটেও সহজ কাজ নয়। সামান্য অসাবধানতায় নষ্ট হয়ে যেতে পারে দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রম। সেই কঠিন চ্যালেঞ্জকে সঙ্গী করেই ধীরে ধীরে নিজের ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিয়েছেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;ব্যস্ততার মধ্যেও শিল্পকর্ম চালিয়ে যান কুণাল&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;পেশাগত জীবনে আদালত ও চেম্বারের নানা কাজ সামলাতে হয় কুণালকে। দিনের ব্যস্ততা শেষ হওয়ার পরই শুরু হয় তাঁর শিল্পসাধনা। অনেক রাত পর্যন্ত জেগে, প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা করে সময় ব্যয় করে তিনি তৈরি করছেন এই অভিনব প্রতিমা। প্রতিমার প্রতিটি অংশে সূক্ষ্ম কারুকাজ ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন হয়েছে ধৈর্য, একাগ্রতা এবং দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়। তাঁর কথায়, মোম দিয়ে প্রতিমা তৈরি করা অত্যন্ত কঠিন। তাই নিখুঁত রূপ দিতে অনেক সময় ও পরিশ্রম করতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমানে প্রতিমাটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে কুণালের শিল্পচর্চা এবারই প্রথম নয়। ছাত্রাবস্থা থেকেই বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্মের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ। এর আগেও কাগজ ও সাবান দিয়ে ছোট ছোট দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেছেন তিনি। এমনকী ওষুধের প্যাকেট, মাটি এবং পুজোর বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহার করেও প্রতিমা গড়েছেন এই তরুণ আইনজীবী-শিল্পী। ফেলে দেওয়া বা দৈনন্দিন ব্যবহারের সাধারণ উপকরণকে শিল্পের মাধ্যমে নতুন রূপ দেওয়ার মধ্যেই যেন নিজের সৃজনশীলতার পরিচয় তুলে ধরেছেন তিনি। প্রতিবারই নতুন উপকরণ বেছে নিয়ে ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করেন কুণাল। এবার তাঁর সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষার নতুন সংযোজন মোমের দুর্গা। কুণালের এই শিল্পচর্চায় উৎসাহ জুগিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের বেশ কয়েকজন আইনজীবীও তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের শিল্পীসত্তাকে বাঁচিয়ে রাখার এই প্রচেষ্টা সহকর্মীদের কাছেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;শিল্পকর্ম চালিয়ে যেতে চান কুণাল&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;নিজের শিল্পকর্ম প্রসঙ্গে কুণাল বিশ্বাস বলেন, 'এই ধরনের শিল্পকর্ম বরাবরই আমার খুব ভালো লাগে। আদালত ও চেম্বারের কাজ শেষ করে অনেক রাত জেগে প্রতিমাটি তৈরি করেছি। অভিনব এই প্রতিমার কাজ এখন প্রায় শেষ মুহূর্তে। এই কাজে আইনজীবীদের অনেকেই আমাকে উৎসাহিত করছেন। মোম দিয়ে প্রতিমা তৈরি করা খুবই কঠিন। যেহেতু এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম শিল্পকলা, তাই অনেক সময় ব্যয় করে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিমাটি তৈরি করেছি।' কুণালের শিল্পকর্মের প্রশংসা করেছেন তাঁর সহকর্মী তথা জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের আইনজীবী প্রসেনজিৎ পালও। তিনি বলেন, 'আমার জুনিয়র কুণাল প্রায় প্রতি বছরই বিভিন্ন ধরনের দুর্গা প্রতিমা তৈরি করে। ওর হাতের অসাধারণ কারুকাজ দেখে মুগ্ধ হতে হয়। এবার মোম গলিয়ে সে অসাধারণ একটি দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেছে, যা সকলকেই মুগ্ধ করছে।' আইন পেশার কঠিন দায়িত্ব আর শিল্পের প্রতি গভীর ভালোবাসা দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রেখেই নিজের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন কুণাল। তাঁর এই উদ্যোগ শুধু অভিনব শিল্পকর্মের নিদর্শন নয়, বরং ইচ্ছাশক্তি, ধৈর্য ও সৃজনশীলতারও এক সুন্দর উদাহরণ। মোমের মতো স্পর্শকাতর উপকরণ দিয়ে দুর্গার রূপ ফুটিয়ে তোলার মধ্য দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিচ্ছেন, শিল্পের জন্য প্রয়োজন দামী উপকরণ নয়, প্রয়োজন কল্পনা, নিষ্ঠা আর ভালোবাসা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Soumya Ganguly</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-2026-special-jalpaiguri-lawyer-makes-goddess-idol-using-candle-anbsg/articleshow-m3wpgoq"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Bhandeshwari Lakshmi Temple: তারাপীঠের কাছেই ১৫০০ বছরের প্রাচীন লক্ষ্মী মন্দির, জড়িয়ে রামায়ণের কাহিনী]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/bhandeshwari-lakshmi-temple-near-tarapith-steeped-in-the-legends-of-the-ramayana-anb/articleshow-n93cvr0</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/bhandeshwari-lakshmi-temple-near-tarapith-steeped-in-the-legends-of-the-ramayana-anb/articleshow-n93cvr0</guid>
            <pubDate>Tue, 06 Oct 2026 08:05:41 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Bhandeshwari Lakshmi Temple: তারাপীঠ মানেই মা তারার মহাশ্মশান। কিন্তু তারাপীঠ থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরেই রয়েছে ১৫০০ বছরের পুরনো এক অলৌকিক মা লক্ষ্মীর মন্দির। যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রামায়ণের যোগ। তারাপীঠে গেলে এই মন্দির দর্শন না করলে যাত্রা অসম্পূর্ণ।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m3p3rrvmv3tkr7qkjk3z4jn6,imgname---------1790669775731.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Bhandeshwari Lakshmi Temple: &lt;/strong&gt;বীরভূম মানেই তারাপীঠ। সারা বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত মা তারার টানে ছুটে আসেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, তারাপীঠের কোলাহল থেকে একটু দূরেই, জঙ্গল ঘেরা এক প্রাচীন গ্রামে লুকিয়ে রয়েছে বাংলার এক অজানা ইতিহাস? সেখানেই রয়েছে প্রায় ১৫০০ বছরের পুরনো মা লক্ষ্মীর এক অলৌকিক মূর্তি, যার সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে রামায়ণের।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আমরা কথা বলছি বীরভূমের সুরুল বা সাঁইথিয়ার কাছে অবস্থিত ভাণ্ডীরবন বা লক্ষ্মীপুরের লক্ষ্মী মন্দিরের কথা। স্থানীয়দের কাছে এটি ভান্ডেশ্বরী লক্ষ্মী মন্দির নামেও পরিচিত। তারাপীঠ থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১৮-২০ কিলোমিটার।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;কী আছে এই মন্দিরে?&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;এই মন্দিরে কোনও নতুন তৈরি মূর্তি নেই। এখানে যে কষ্টি পাথরের লক্ষ্মী মূর্তিটি পূজিত হয়, প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে তা গুপ্ত যুগের, প্রায় ১৫০০ বছরের পুরনো। কালো পাথরের উপর মা লক্ষ্মী পদ্মের উপর বসে আছেন, চার হাত। মূর্তির কারুকার্য দেখলে আজও অবাক হতে হয়। বহু বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়েছিল এই মূর্তি। পরে গ্রামবাসীরা জমি খুঁড়তে গিয়ে উদ্ধার করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, এই মূর্তিটি কোনও মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করা হয়নি, একটি বিশাল তেঁতুল গাছের নিচে খোলা আকাশের নিচেই মা পূজিত হন। স্থানীয় বিশ্বাস, মাকে মন্দিরে বন্দি করা যায় না, তিনি এই ভাণ্ডীরবনেই থাকতে পছন্দ করেন।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;রামায়ণের সঙ্গে কী যোগ?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;এই মন্দিরের সঙ্গে রামায়ণের যোগ নিয়েই রয়েছে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর কাহিনি। প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, রামচন্দ্র যখন সীতাকে উদ্ধার করে অযোধ্যায় ফিরছিলেন, তখন এই বীরভূমের জঙ্গলপথ দিয়েই গিয়েছিলেন। কথিত আছে, এই স্থানেই রাম-সীতা বিশ্রাম নিয়েছিলেন এবং সীতা নিজের হাতে এই লক্ষ্মী মূর্তির পুজো করেছিলেন। কারণ লক্ষ্মীই তো সীতা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবার অন্য মতে, বনবাসকালে পাণ্ডবরাও এই পথে এসেছিলেন এবং এখানে লক্ষ্মী লাভের জন্য তপস্যা করেছিলেন। তাই এই জায়গার নাম হয় ভাণ্ডারবন, যেখানে ভাণ্ডার অর্থাৎ ধন-সম্পদ পূর্ণ থাকে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;কেন যাবেন?&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;তারাপীঠে সবাই পুজো দিতে যায়, কিন্তু যারা একটু শান্তিতে, ইতিহাসের ছোঁয়া পেতে চান, তাদের জন্য এই মন্দির আদর্শ। এখানে কোনও ভিড় নেই, পাণ্ডাদের ডাকাডাকি নেই। শুধু আছে নিস্তব্ধতা আর ১৫০০ বছরের ইতিহাস। প্রতি বৃহস্পতিবার এবং কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর দিন এখানে বিশাল মেলা বসে। বহু নিঃসন্তান দম্পতি এখানে মানত করে সন্তান লাভ করেছেন বলে জনশ্রুতি আছে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;কীভাবে যাবেন?&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;তারাপীঠ থেকে সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তায় টোটো বা অটো ভাড়া করে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়। তারাপীঠ থেকে সময় লাগে মাত্র ৩০-৪০ মিনিট। পরেরবার তারাপীঠ গেলে এই গুপ্ত ইতিহাসটা মিস করবেন না।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/bhandeshwari-lakshmi-temple-near-tarapith-steeped-in-the-legends-of-the-ramayana-anb/articleshow-n93cvr0"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja: মহালয়ার দিন দুর্গা পুজোর মেগা ইভেন্ট ইডেনে, খরচ ১২৮ কোটি টাকা, দেখুন অনুষ্ঠান সূচি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/mahalaya-durga-puja-128-crore-mega-event-eden-gardens-know-event-schedule/photoshow-ngm2qzu</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/mahalaya-durga-puja-128-crore-mega-event-eden-gardens-know-event-schedule/photoshow-ngm2qzu</guid>
            <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 09:19:15 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja: দুর্গা পুজোর মহালয়ার দিন মেগা ইভেন্ট ইডেন গার্ডেনসে। খরচ হবে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা। থাকছে ১০ হাজার ড্রোনের একটি শো। সকালে গঙ্গার ঘাটেও হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m3xx25wy63ddtpf0w2eyd42e,imgname-gemini-generated-image-d1kkv6d1kkv6d1kk-1790931179422.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja: দুর্গা পুজোর মহালয়ার দিন মেগা ইভেন্ট ইডেন গার্ডেনসে। খরচ হবে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা। থাকছে ১০ হাজার ড্রোনের একটি শো। সকালে গঙ্গার ঘাটেও হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন কলকাতায় একসঙ্গে একাধিক বড় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রোড শো, অন্যদিকে ইডেনে জাঁকজমকে ভরা বিশেষ 'আগমনি' অনুষ্ঠান। দেবীপক্ষের সূচনায় গোটা শহরই যেন উৎসবের মেজাজে সেজে উঠছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহালয়ার ভোরের নৃত্যানুষ্ঠান থেকে শুরু করে ইডেনের মেগা ইভেন্ট, সব মিলিয়ে একদিনের অনুষ্ঠানের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা। কয়েক ঘণ্টার আয়োজনে এত বড় অঙ্কের বরাদ্দ ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই ঘোষণা করেছিলেন, এবার দশমীর পর দুর্গাপুজোর কার্নিভাল হবে না। তার পরিবর্তে মহালয়ায় ইডেন গার্ডেন্সে বড় আকারের অনুষ্ঠান করবে রাজ্য। ফলে কার্নিভালের জায়গায় এবার দর্শকদের নজর থাকবে ইডেনের এই আয়োজনের দিকে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইডেনের অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ প্রায় ১০ হাজার ড্রোনের শো। এর মাধ্যমে আকাশে মা দুর্গার একাধিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হবে। ইডেন, রেড রোড-সহ আশপাশের যে কোনও প্রান্ত থেকেই ড্রোনের ডানায় ভেসে ওঠা দেবীমূর্তির নানা প্রতিচ্ছবি দেখা যাবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইডেনে গান গাইবেন শ্রেয়া ঘোষাল। প্রতিটি জেলাকে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরার জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে, থাকছে পুরুলিয়ার ছৌ থেকে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও বাঁকুড়ার স্থানীয় নৃত্য। এর সঙ্গে থাকছে 'মহিষাসুরমর্দিনী' নৃত্যানুষ্ঠান এবং কয়েক হাজার আতসবাজির প্রদর্শনী।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইডেনে প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট থাকার কথা মোদির। বিকেলে রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে মেগা রোড শো করার কথাও ছিল। সেদিন রাতে তাঁর রাজভবনে থাকার কথা, পরের দিন সকালে গঙ্গার ঘাটে যাওয়ার কথা। ১১ অক্টোবর নিউটাউনের একটি পুজোতেও যেতে পারেন তিনি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ওইদিন ইডেন থেকেই শহরের পাঁচটি বড় পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এই তালিকায় রয়েছে শ্রীভূমি, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, চেতলা, সুরুচি ও ত্রিধারার পুজো। উদ্বোধনের মাধ্যমে এ বছরের পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনার বার্তা দিতে চায় প্রশাসন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার রাতে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন প্রধানমন্ত্রীর জরুরি কাজ পড়েছে এবং তিনি কলকাতায় নাও আসতে পারেন। দিল্লিতে এশিয়ান গেমসের পদকজয়ীদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা রয়েছে। এই অনিশ্চয়তার কারণে মহালয়ার মেগা ইভেন্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী না-ও হতে পারে বলে সরকারি সূত্রের খবর। সবটাই নির্ভর করছে তাঁর শহরে পৌঁছানোর উপর।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহালয়ার ভোরে কলকাতা ও হাওড়ার পাঁচটি ঘাটে বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে রাজ্য। ঘাটগুলি হল বাবুঘাটের বাজেকদমতলা, প্রিন্সেপ, মিলেনিয়াম, কুমোরটুলি এবং হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর। প্রতিটি ঘাটে বাজবে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের 'মহিষাসুরমর্দিনী', আর সেই সুরের সঙ্গে থাকবে নাচ।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;গোটা রেড রোড সাজিয়ে তোলা হচ্ছে, গাছে গাছে ঝোলানো হয়েছে আলোক মালা। শহরজুড়ে রাস্তা মেরামতির কাজে নেমেছে কলকাতা পুরসভা। নতুন করে বাসন্তী রঙে সাজানো হচ্ছে শহরকে, যাতে পুজোর আগে কলকাতা পায় উৎসবের নতুন চেহারা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/mahalaya-durga-puja-128-crore-mega-event-eden-gardens-know-event-schedule/photoshow-ngm2qzu"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Tulsi Plant Tips: ভুল জায়গায় তুলসী রাখলেই অর্থহানি, জানুন কোথায় রাখবেন না]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/placing-the-tulsi-plant-in-the-wrong-spot-leads-to-financial-loss-find-out-where-not-to-keep-it/articleshow-pz3ha2r</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/placing-the-tulsi-plant-in-the-wrong-spot-leads-to-financial-loss-find-out-where-not-to-keep-it/articleshow-pz3ha2r</guid>
            <pubDate>Mon, 05 Oct 2026 16:18:45 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;হিন্দু শাস্ত্রে তুলসী গাছকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হয়। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র মতে ভুল জায়গায় তুলসী গাছ রাখলে শুভর বদলে অশুভ ফল দেয়। সংসারে আসে অমঙ্গল, অর্থহানি হয়।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m22t9fp56hyc1va1v4anrwmr,imgname-tulsi-planter-design-for-balcony-and-angan-1788948561605.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সনাতন ধর্মে তুলসী গাছ শুধু একটি গাছ নয়, দেবী লক্ষ্মীর রূপ। প্রায় প্রতিটি হিন্দু বাড়িতেই তুলসী মঞ্চ থাকে। বিশ্বাস করা হয়, বাড়িতে তুলসী গাছ থাকলে সুখ, সমৃদ্ধি ও পজিটিভ এনার্জি বজায় থাকে। কিন্তু আপনি কি জানেন, বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী তুলসী গাছ রাখারও কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে? ভুল জায়গায় তুলসী রাখলে তা নিজের পায়ে কুড়ুল মারার সমান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রচলিত বিশ্বাস, ভুল জায়গায় তুলসী রাখলে মা লক্ষ্মী রুষ্ট হন এবং সংসারে অশান্তি, আর্থিক কষ্ট নেমে আসে। তাই ভুলেও এই ৬ জায়গায় তুলসী গাছ রাখবেন না।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;কোন কোন জায়গায় রাখবেন না তুলসী গাছ?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;১. বাড়ির দক্ষিণ দিকে ভুলেও নয়: বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে দক্ষিণ দিক হল যমের দিক। এই দিকে তুলসী গাছ রাখা অত্যন্ত অশুভ। এতে বাড়িতে নেগেটিভ এনার্জি বাড়ে এবং পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যহানি হতে পারে। তুলসী গাছ সবসময় বাড়ির উত্তর বা উত্তর-পূর্ব অর্থাৎ ঈশান কোণে রাখা সবচেয়ে শুভ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. মাটিতে বা নোংরা স্থানে রাখবেন না: তুলসী গাছ কখনও সরাসরি মাটিতে রাখবেন না। সবসময় টবে বা উঁচু বেদীতে রাখুন। এছাড়া জুতোর কাছে, ডাস্টবিনের পাশে বা নোংরা আবর্জনার কাছে তুলসী রাখা মহাপাপ বলে মনে করা হয়। এতে সংসারে দারিদ্রতা আসে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. শোবার ঘরে রাখা যাবে না: অনেকেই গাছ ভালোবেসে শোবার ঘরে তুলসী রাখেন, যা একেবারেই ভুল। শাস্ত্র মতে, শোবার ঘরে তুলসী রাখলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ বাড়ে এবং বৈবাহিক জীবনে অশান্তি দেখা দেয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. রান্নাঘর বা বাথরুমের কাছে নয়: রান্নাঘরে আগুনের প্রভাব বেশি এবং বাথরুমে অপবিত্রতা থাকে। এই দুই জায়গার কাছে তুলসী গাছ রাখলে তার পবিত্রতা নষ্ট হয়। এর ফলে বাড়ির সুখ-শান্তি নষ্ট হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. শুকনো বা মরা তুলসী গাছ বাড়িতে রাখবেন না: যদি তুলসী গাছ শুকিয়ে যায় বা মরে যায়, তবে তা সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি থেকে সরিয়ে কোনও পবিত্র নদীতে বা মাটিতে বিসর্জন দিন। শুকনো তুলসী গাছ বাড়িতে রাখলে তা দুর্ভাগ্য ডেকে আনে। এটি দারিদ্রতার প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬. কাঁটা জাতীয় গাছের সঙ্গে রাখবেন না: তুলসী গাছের সঙ্গে কখনও ক্যাকটাস বা কাঁটা জাতীয় কোনও গাছ রাখবেন না। তুলসী হল পজিটিভ এনার্জির প্রতীক আর কাঁটা গাছ নেগেটিভ এনার্জি ছড়ায়। দুটো একসঙ্গে রাখলে বাস্তুদোষ তৈরি হয়।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;মনে রাখবেন:&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;তুলসী গাছে নিয়মিত জল দিন, সন্ধ্যায় প্রদীপ দেখান। রবিবার এবং একাদশীতে তুলসী পাতা তুলবেন না এবং তুলসীতে জলও দেবেন না।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/placing-the-tulsi-plant-in-the-wrong-spot-leads-to-financial-loss-find-out-where-not-to-keep-it/articleshow-pz3ha2r"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja: বাংলায় দুর্গাপুজোয় বিজেপির মেগা প্ল্যান, আসতে পারেন মোদী-শাহ]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/bjp-top-leaders-including-pm-modi-and-amit-shah-likely-to-visit-kolkata-during-durga-puja/photoshow-ralkmxu</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/bjp-top-leaders-including-pm-modi-and-amit-shah-likely-to-visit-kolkata-during-durga-puja/photoshow-ralkmxu</guid>
            <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 17:31:22 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বিজেপি এবারের দুর্গাপুজোয় বাংলায় বড় চমক দিতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে দলের শীর্ষ নেতাদের কলকাতায় আনার পরিকল্পনা করছে বঙ্গ বিজেপি।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2ztx6bbhv1dyt2y48hgzhqv,imgname-gemini-generated-image-ygjysiygjysiygjy-1789922285931.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিজেপি এবারের দুর্গাপুজোয় বাংলায় বড় চমক দিতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে দলের শীর্ষ নেতাদের কলকাতায় আনার পরিকল্পনা করছে বঙ্গ বিজেপি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বিজেপি এবারের দুর্গাপুজোয় বাংলায় বড়সড় চমক দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। দলের শীর্ষ নেতারা কলকাতার বড় বড় পুজো মণ্ডপগুলোতে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;দলীয় সূত্রে খবর, বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের বাংলার দুর্গাপুজোয় সামিল করার একটা রূপরেখা তৈরি করেছে। কলকাতায় আসতে পারেন মোদী-শাহ।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বঙ্গ বিজেপি মহালয়ার দিন কলকাতার একটি পুজোমণ্ডপে উপস্থিত থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে সময় চেয়েছে। মহালয়ার দিন থেকেই মূলত দুর্গাপুজোর সূচনা হয়। রাজ্য বিজেপি কলকাতার বিখ্যাত ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত একটি দুর্গাপুজো মণ্ডপে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;প্রধানমন্ত্রীর এই সফর এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে দল খুব তাড়াতাড়ি তাঁর সূচি এবং তারিখের বিষয়ে নিশ্চিত খবর পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী। বিজেপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও কলকাতার একটি পুজো মণ্ডপে আসার জন্য অনুরোধ করেছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহও এই উৎসবে সামিল হওয়ার বিষয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে তাঁর ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বঙ্গ বিজেপি দলের সভাপতি নীতিন নবীন যাতে রাজ্যের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং উৎসবে অংশ নেন, তার জন্যও আলাদা একটি কর্মসূচি তৈরি করেছে। বিজেপি বাংলার বড় বড় দুর্গাপুজোগুলোতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি নিশ্চিত করতেই এই মেগা প্ল্যান করেছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইডেনের অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ প্রায় ১০ হাজার ড্রোনের শো। এর মাধ্যমে আকাশে মা দুর্গার একাধিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হবে। ইডেন, রেড রোড-সহ আশপাশের যে কোনও প্রান্ত থেকেই ড্রোনের ডানায় ভেসে ওঠা দেবীমূর্তির নানা প্রতিচ্ছবি দেখা যাবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহালয়ার ভোরে কলকাতা ও হাওড়ার পাঁচটি ঘাটে বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে রাজ্য। ঘাটগুলি হল বাবুঘাটের বাজেকদমতলা, প্রিন্সেপ, মিলেনিয়াম, কুমোরটুলি এবং হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর। প্রতিটি ঘাটে বাজবে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের 'মহিষাসুরমর্দিনী', আর সেই সুরের সঙ্গে থাকবে নাচ।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ওইদিন ইডেন থেকেই শহরের পাঁচটি বড় পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এই তালিকায় রয়েছে শ্রীভূমি, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, চেতলা, সুরুচি ও ত্রিধারার পুজো। উদ্বোধনের মাধ্যমে এ বছরের পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনার বার্তা দিতে চায় প্রশাসন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/bjp-top-leaders-including-pm-modi-and-amit-shah-likely-to-visit-kolkata-during-durga-puja/photoshow-ralkmxu"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Mahalaya Tarpan: মহালয়ায় তপর্ণ করার সঙ্গে রয়েছে মহাভারতের নিবিড় যোগ! কর্ণের ভুলেই শুরু হয় এই নিয়ম]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-tarpan-comes-with-an-intense-connection-to-the-mahabharata-along-with-the-taporn-ritual-anbak/articleshow-ug6qnes</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-tarpan-comes-with-an-intense-connection-to-the-mahabharata-along-with-the-taporn-ritual-anbak/articleshow-ug6qnes</guid>
            <pubDate>Sat, 10 Oct 2026 09:10:16 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Mahalaya Tarpan: পিতৃপুরুষকে জল দেওয়া হয় এই দিন! কিন্তু এই নিয়মের পিছনে রয়েছে মহাভারতের এক অজানা কাহিনি, কর্ণ জড়িয়ে রয়েছেন এই নিয়মের ইতিহাসে&hellip;জানেন না অনেকেই&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m45dr5z2te1cd0pnsgjtyfs0,imgname-mahalaya-2026-date-1791183558626.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;পিতৃপক্ষের অবসান আর দেবীপক্ষের সূচনা এই দুইয়ের সন্ধিক্ষণেই আসে মহালয়া। বাঙালির কাছে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। ভোরের আলো ফুটতেই রেডিয়োতে বেজে ওঠে &lsquo;মহিষাসুরমর্দিনী&rsquo;, আর চারদিকে শুরু হয় দুর্গাপুজোর আগমনী আবহ। তবে শুধু দেবীপক্ষের সূচনা নয়, প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে মহালয়া। এই দিনে বহু মানুষ গঙ্গাস্নান করে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ ও পিণ্ডদান করেন। কিন্তু জানেন কি, মহালয়ার এই রীতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মহাভারতের কর্ণের এক আশ্চর্য কাহিনি?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;মহালয়া শব্দের অর্থ কী?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lsquo;মহালয়া&rsquo; শব্দের অর্থ নিয়ে নানা ব্যাখ্যা প্রচলিত রয়েছে। একটি প্রচলিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, &lsquo;মহা&rsquo; এবং &lsquo;আলয়&rsquo; শব্দের সংযোগে তৈরি হয়েছে এই শব্দ, যার অর্থ মহৎ আবাস বা মহান আশ্রয়। আবার লোকবিশ্বাসে এই দিনটির সঙ্গে প্রয়াত আত্মাদের জগতেরও সম্পর্ক রয়েছে। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, পিতৃপক্ষের শেষ দিনে পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে তাঁদের উদ্দেশে জল ও খাদ্য নিবেদন করা হয়। অন্যদিকে, দেবীপক্ষের সূচনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুর্গাপুজোর প্রতীক্ষা। অন্ধকার পেরিয়ে আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক হিসেবেও মহালয়াকে দেখা হয়। &lsquo;মহালয়&rsquo; না হয়ে &lsquo;মহালয়া&rsquo; কেন বলা হয়, তা নিয়েও নানা মত রয়েছে। তবে এই শব্দের প্রচলিত রূপ ও অর্থের ব্যাখ্যা নিয়ে একাধিক ধারণা থাকলেও, এর কোনও একক সর্বজনস্বীকৃত ব্যাখ্যা নেই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মহাভারতের কর্ণের সঙ্গে কীভাবে জড়িয়ে মহালয়া? মহালয়াকে ঘিরে প্রচলিত পৌরাণিক কাহিনিগুলির মধ্যে অন্যতম হল মহাভারতের কর্ণের গল্প। লোকপ্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে মৃত্যুর পর কর্ণ স্বর্গে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে খাদ্য হিসেবে দেওয়া হতে থাকে সোনা, রুপো ও মূল্যবান রত্ন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিষয়টি দেখে বিস্মিত কর্ণ দেবরাজ ইন্দ্রকে প্রশ্ন করেন, তাঁকে খাবারের বদলে কেন ধনরত্ন দেওয়া হচ্ছে? তখন ইন্দ্র জানান, জীবদ্দশায় কর্ণ প্রচুর সোনা ও সম্পদ দান করেছেন। কিন্তু নিজের পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে কখনও খাদ্য বা জল নিবেদন করেননি। সেই কারণেই তাঁকে স্বর্গে খাদ্যের পরিবর্তে ধনরত্ন দেওয়া হচ্ছে বলে কাহিনিতে উল্লেখ রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কেন মর্ত্যে ফিরে এসেছিলেন কর্ণ?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কাহিনি অনুসারে, কর্ণ নিজের পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে জানতেন না বলেই তাঁদের উদ্দেশে কোনও দান বা তর্পণ করেননি বলে জানান। এরপর তাঁকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মর্ত্যে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। মর্ত্যে ফিরে এসে কর্ণ পিতৃপুরুষদের উদ্দেশে খাদ্য ও জল নিবেদন করেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই ঘটনার স্মৃতি থেকেই পিতৃপক্ষের সময়ে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ ও পিণ্ডদানের রীতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে মনে রাখা প্রয়োজন, এটি একটি পৌরাণিক ও লোকপ্রচলিত কাহিনি। মহাভারতের মূল আখ্যানের সঙ্গে এই কাহিনির প্রচলিত রূপের সব বিবরণ এক নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;মহালয়ার তাৎপর্য কোথায়?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মহালয়া শুধু দুর্গাপুজোর আগমনী বার্তা নয়, এটি পূর্বপুরুষদের স্মরণ, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং পারিবারিক ঐতিহ্যকে মনে করারও একটি বিশেষ দিন। একদিকে তর্পণের মাধ্যমে অতীতের সঙ্গে যোগসূত্র বজায় রাখেন অনেকে, অন্যদিকে দেবীপক্ষের সূচনা নতুন আশা ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাই বাঙালির কাছে মহালয়া একই সঙ্গে স্মৃতির, ভক্তির এবং উৎসবের দিন। আর মহাভারতের কর্ণকে ঘিরে প্রচলিত কাহিনি এই দিনের তাৎপর্যকে আরও গভীর করে তুলেছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Anulekha Kar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-tarpan-comes-with-an-intense-connection-to-the-mahabharata-along-with-the-taporn-ritual-anbak/articleshow-ug6qnes"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Jalpaiguri: বিলিয়ে দিচ্ছেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা, অসহায় মানুষের পাশে ‘জ্যান্ত উমা’]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/jalpaiguri-news-social-worker-pompy-sutradhar-using-annapurna-yojana-money-using-needy-persons-anbsg/articleshow-wam97cg</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/jalpaiguri-news-social-worker-pompy-sutradhar-using-annapurna-yojana-money-using-needy-persons-anbsg/articleshow-wam97cg</guid>
            <pubDate>Fri, 09 Oct 2026 16:33:09 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Jalpaiguri News: রাজ্যের নানা প্রান্তে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা নিজেদের সুখ-বিলাসের কথা না ভেবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। এমনই একজন জলপাইগুড়ির পম্পি সূত্রধর। তিনি মানুষের পাশে থাকার ব্রত নিয়েছেন। নানাভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন পম্পি।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m4g27j6kawbt0f0r2braz0tb,imgname-jalpaiguri-1791540578515.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Social Work: দুর্গাপুজোয় (Durga Puja 2026) দশভুজা মা দুর্গা অসুরদলনী, শক্তির প্রতীক, অশুভের বিনাশকারী। তাঁর দশ হাতে দশ অস্ত্র, আর সেই হাতেই ভক্তরা খুঁজে পান বিপদ থেকে মুক্তির আশ্বাস। কিন্তু বাস্তবের পৃথিবীতে এমনও কিছু মানুষ রয়েছেন, যাঁদের হাতে কোনও অস্ত্র নেই, নেই দেবীর মতো দশটি হাত। অথচ তাঁদের দু&rsquo;টি হাতেই যেন লুকিয়ে রয়েছে অসংখ্য মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্ন, নতুন করে জীবন ফিরে পাওয়ার আশা আর বিপদের দিনে মাথার উপর ভরসার একটুকরো ছাদ। তিস্তা বঙ্গের ছোট্ট একটি জেলা জলপাইগুড়ির পান্ডাপাড়া-বৌবাজার অঞ্চলের পম্পি সূত্রধর যেন তেমনই এক বাস্তবের উমা! কারও রক্তের প্রয়োজন, কারও চিকিৎসার খরচ জোগানোর অসহায়তা, কারও মুখে দু&rsquo;বেলা খাবার তুলে দেওয়ার আর্তি মানুষের এমনই হাজারও সংকটে ছুটে যান তিনি। আর তাঁর এই মানবিক কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে আরও এক বিস্ময়কর কাহিনি। অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) থেকে পাওয়া অর্থের একটি বড় অংশই অসহায় মানুষের সাহায্যে ব্যয় করেন বলে দাবি পম্পির।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;রক্তের খোঁজে দিন-রাত এক, বিরল রক্তের সন্ধানে ছুটে বেড়ান পম্পি&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন কোনও রোগী। চিকিৎসক জানিয়েছেন, অবিলম্বে রক্তের প্রয়োজন। অথচ পরিবারের লোকজন হন্যে হয়ে ঘুরেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রক্ত। হাসপাতালের করিডরে উদ্বেগ, চোখে জল, মনে একটাই প্রশ্ন প্রিয় মানুষটিকে কি বাঁচানো যাবে? এমন পরিস্থিতিতে অনেক পরিবারের কাছেই আশার নাম হয়ে উঠেছেন পম্পি। বিশেষ করে নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের রক্ত কিংবা অত্যন্ত বিরল &lsquo;বম্বে ব্লাড গ্রুপ&rsquo;-এর সন্ধান পেতে যখন রোগীর পরিবার দিশাহারা হয়ে পড়ে, তখন বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে রক্তের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেন তিনি। প্রয়োজনে ভিনরাজ্য থেকেও রক্ত সংগ্রহের ব্যবস্থা করেছেন বলে তাঁর দাবি। এমনকী, মুম্বই থেকেও রক্ত জোগাড়ের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পম্পি। রক্তের প্রয়োজনের খবর পেলেই যতটা সম্ভব দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তাঁর কাছে মানুষের বিপদ মানে শুধুই একটি ফোনকল নয়, বরং একটি পরিবারের বেঁচে থাকার আকুতি। তাই সময়-অসময়ের হিসেব না কষে, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর কাছে বড় দায়িত্ব।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;অন্নপূর্ণা যোজনার টাকায় অন্নহীনদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;পম্পির মানবিকতার গল্পের সবচেয়ে আবেগঘন দিকটি লুকিয়ে রয়েছে তাঁর উপার্জন ও প্রাপ্ত অর্থ ব্যবহারের ভাবনায়। অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে পাওয়া অর্থের একটি বড় অংশ অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের সাহায্যে ব্যয় করেন বলে দাবি তাঁর। নিজের প্রাপ্ত অর্থের মধ্যে থেকেও অন্যের মুখে হাসি ফোটানোর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। যে অর্থ নিজের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেও কাজে লাগতে পারত, সেই অর্থের একটি অংশ দিয়ে যদি কারও মুখে খাবার তুলে দেওয়া যায়, কোনও শিশুর হাতে পড়াশোনার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া যায় কিংবা কোনও অসুস্থ মানুষের চিকিৎসায় সামান্য সাহায্য করা যায়, তা হলে তার চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে? পম্পির কাজ যেন সেই প্রশ্নই তুলে ধরে। চা-বাগানের শ্রমজীবী পরিবার থেকে শুরু করে সমাজের প্রান্তিক মানুষ, অসহায় শিশু থেকে শুরু করে রাস্তায় থাকা অভুক্ত মানুষ নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। কখনও খাদ্যসামগ্রী, কখনও পোশাক, কখনও আবার শিশুদের পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। তাঁর এই উদ্যোগে প্রচারের চাকচিক্যের চেয়ে মানুষের প্রয়োজনকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;ভিনরাজ্য থেকে আসা ট্রেন থেকে পড়ে গুরুতর আহত, চিকিৎসার দায়িত্ব পম্পির&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মানবিকতার আরও একটি নজির মিলেছে সম্প্রতি। ট্রেন থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন এক ব্যক্তি। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার খরচ বহন করা থেকে শুরু করে সুস্থ হওয়ার পর বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা সবকিছু নিয়েই তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। সেই কঠিন সময়ে ওই ব্যক্তির পাশে দাঁড়ান পম্পি। শুধু সহানুভূতি জানিয়েই নিজের দায়িত্ব শেষ করেননি তিনি। ওই ব্যক্তির চিকিৎসার খরচ বহনের দায়িত্ব নেন এবং চিকিৎসা শেষ হলে তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও করেন বলে জানা গিয়েছে। বিপদের দিনে যখন অনেকেই অসহায় মানুষের পাশ কাটিয়ে চলে যান, তখন একজন অপরিচিত মানুষের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার এই উদ্যোগ বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, অসুস্থতার যন্ত্রণা যেমন কঠিন, তেমনই কঠিন চিকিৎসার খরচ জোগাড় করা। তার উপর দুর্ঘটনায় আহত কোনও মানুষের পাশে যদি পরিবারের লোকজন না থাকেন, তা হলে সেই লড়াই আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে পম্পির উদ্যোগ একজন অসহায় মানুষের কাছে শুধু আর্থিক সাহায্য নয়, বরং নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহসও জোগাতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;থ্যালাসেমিয়া রোগীদের পাশে, রক্তদানের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই লক্ষ্য পম্পার&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;রক্তের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি থ্যালাসেমিয়া রোগীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে রক্তদান নিয়ে সচেতনতা তৈরির কাজেও দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছেন পম্পি। তাঁর ভাবনায়, রক্তদান কেবল একটি সামাজিক কর্মসূচি নয়, এটি এমন একটি মানবিক উদ্যোগ, যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য মানুষের জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন। বিশেষ করে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের অনেক সময় নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন হয়। তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের দীর্ঘ লড়াইয়ে রক্তদাতাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তবতা থেকেই রক্তের প্রয়োজন সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং বিপদের সময় দ্রুত রক্তের সন্ধান দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। পম্পির কথায়, জরুরি মুহূর্তে এক ব্যাগ রক্ত শুধু একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর সম্ভাবনাই তৈরি করে না, সেই সঙ্গে স্বস্তি ফিরিয়ে দেয় একটি পরিবারের মুখে। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা রোগীর সঙ্গে লড়াই করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। তাঁদের চোখের জল মুছে দেওয়ার সামান্য সুযোগ পেলেও সেটাই তাঁর কাছে বড় প্রাপ্তি। অন্যের বিপদে যিনি ছুটে যান, তাঁর নিজের জীবনেও যে কঠিন সময় আসেনি, তা নয়। পম্পি জানিয়েছেন, একসময় তাঁর বাবাকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়েছিল। পরিবারের কাছে সেটি ছিল অত্যন্ত কঠিন ও উদ্বেগের সময়। প্রিয়জনের অসুস্থতা, চিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তা এই পরিস্থিতির যন্ত্রণা তিনি নিজের জীবনেই অনুভব করেছেন। কিন্তু এমন কঠিন সময়েও অন্য মানুষের জন্য রক্তের ব্যবস্থা করার কাজ থেকে সরে আসেননি বলে জানান পম্পি। নিজের পরিবারের সংকটের মধ্যেও অন্যের বিপদের কথা ভাবার এই অভিজ্ঞতা তাঁর মানবিক কর্মকাণ্ডের আর একটি দিক তুলে ধরে। মানুষের অসহায়তা কতটা গভীর হতে পারে, তা হয়তো নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই উপলব্ধি করেছেন তিনি। আর সেই উপলব্ধিই তাঁকে বারবার অন্যের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;দেবী দুর্গার আরাধনা মণ্ডপে, বাস্তবের উমার ঠিকানা মানুষের পাশে&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;দুর্গাপুজোর সময় আমরা মণ্ডপে মণ্ডপে দেবী দুর্গার আরাধনা করি। ফুল, ধূপ, প্রদীপ আর মন্ত্রোচ্চারণে ভরে ওঠে চারপাশ। কিন্তু দেবীর শক্তি, সাহস ও মমতার যে বার্তা, তা যদি বাস্তব জীবনেও ছড়িয়ে পড়ে, তবেই কি উৎসবের প্রকৃত তাৎপর্য পূর্ণতা পায় না? পম্পির কর্মকাণ্ড সেই ভাবনাকেই সামনে নিয়ে আসে। তাঁর হাতে দশটি অস্ত্র নেই, নেই অসুরদমনের পৌরাণিক ক্ষমতা। রয়েছে মাত্র দু&rsquo;টি হাত, মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা এবং অসহায়ের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা। সেই হাতেই কখনও পৌঁছে যায় রক্তের সন্ধান, কখনও চিকিৎসার সহায়তা, কখনও খাবার, কখনও বা কোনও শিশুর পড়াশোনার সামগ্রী। তাই তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক মানবিক উপমা দশভুজা দুর্গার মতোই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছেন বাস্তবের এই &lsquo;উমা&rsquo;। অবশ্য পৌরাণিক দেবীর সঙ্গে তাঁর তুলনা প্রতীকী তাঁর কাজের আসল পরিচয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই। দেবী দুর্গার পুজোয় যখন চারদিকে আরাধনার আবহ, তখন পম্পির মতো মানুষের কর্মকাণ্ড যেন আরও একবার মনে করিয়ে দেয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোও এক ধরনের পুজো। অসহায় মানুষের চোখের জল মুছে দেওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে দেবী আরাধনার এক অনন্য মানবিক রূপ। জলপাইগুড়ির পম্পির গল্প তাই শুধু একজন সমাজকর্মীর গল্প নয়, বরং মনে করিয়ে দেওয়া এক মানবিক বার্তা বড় কিছু করার জন্য দশটি হাতের প্রয়োজন হয় না, প্রয়োজন একটি সংবেদনশীল মন এবং বিপদে পড়া মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার সাহস। অন্নপূর্ণার অর্থ হোক কিংবা নিজের সামর্থ্যের সামান্য অংশ সেই সাহায্য যদি কোনও মানুষের মুখে হাসি ফোটায়, কোনও পরিবারকে নতুন করে আশার আলো দেখায়, তা হলে সেই মানবিক উদ্যোগই হয়ে ওঠে উৎসবের প্রকৃত শক্তি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Soumya Ganguly</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/jalpaiguri-news-social-worker-pompy-sutradhar-using-annapurna-yojana-money-using-needy-persons-anbsg/articleshow-wam97cg"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মহালয়ার দিন ভুলেও কিনবেন না ‘এই’ ৫ জিনিস, নাইলে জীবনে দুর্ভোগের সীমা থাকবে না]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-do-not-buy-these-5-things-bad-luck-vastu-astrology/articleshow-wltcwcq</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-do-not-buy-these-5-things-bad-luck-vastu-astrology/articleshow-wltcwcq</guid>
            <pubDate>Fri, 09 Oct 2026 17:30:02 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;মহালয়া পিতৃপক্ষের শেষ ও দেবীপক্ষের শুরু। এই পবিত্র দিনে ভুল জিনিস কিনলে সারা বছর দুর্ভোগ পিছু ছাড়ে না বলেই মনে করেন জ্যোতিষীরা। এই দিনে কী কিনছেন, তার প্রভাব পড়ে আগামী এক বছরের ওপর। তাই এই দিনে ৫টি জিনিস ভুলেও কিনতে না করেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m45dr5z2te1cd0pnsgjtyfs0,imgname-mahalaya-2026-date-1791183558626.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;মহালয়া মানেই দেবীপক্ষের সূচনা। পিতৃপুরুষদের তর্পণের পর মা দুর্গার আগমনের কাউন্টডাউন শুরু হয় এই দিন থেকেই। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই দিনটি অত্যন্ত শুভ এবং শক্তিশালী। এই দিনে কী কিনছেন, তার প্রভাব পড়ে আগামী এক বছরের ওপর। তাই এই দিনে ৫টি জিনিস ভুলেও কিনতে না করেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*১. লোহার জিনিস:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মহালয়ার দিনে লোহার তৈরি কোনও বাসন, ছুরি, কাঁচি বা আসবাবপত্র কিনবেন না। লোহা শনি গ্রহের কারক। এই দিনে লোহা কিনলে শনির অশুভ দৃষ্টি পড়ে, আর্থিক ক্ষতি ও কাজে বাধা আসে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*২. কালো রঙের পোশাক বা জিনিস:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মহালয়া দেবীর আগমনের দিন, অত্যন্ত শুভ দিন। এই দিনে কালো রঙের জামাকাপড়, জুতো বা ব্যাগ কেনা অশুভ। কালো রঙ নেতিবাচক শক্তিকে আকর্ষণ করে বলে বিশ্বাস করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*৩. ধারালো জিনিস:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;কাঁচি, ছুরি, ব্লেড, পেরেক বা সুচের মতো ধারালো বস্তু মহালয়ার দিনে কেনা উচিত নয়। এতে পরিবারে কলহ, অশান্তি বাড়ে এবং সম্পর্কে তিক্ততা আসে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*৪. প্লাস্টিকের ফুল বা দেবতার সামগ্রী:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;এই দিন থেকে দেবীপক্ষ শুরু, তাই প্লাস্টিকের বা কৃত্রিম ফুল, মালা কেনা থেকে বিরত থাকুন। সবসময় তাজা ফুল ও মাটির প্রদীপ ব্যবহার করুন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*৫. পুরনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড জিনিস:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মহালয়ার দিনে পুরনো বা ব্যবহৃত জিনিস কেনা একেবারেই নিষেধ। এতে আগের মালিকের নেগেটিভ এনার্জি আপনার ঘরে ঢোকে বলে মনে করা হয়, যা দুর্ভোগ ডেকে আনে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-do-not-buy-these-5-things-bad-luck-vastu-astrology/articleshow-wltcwcq"/>
        </item>
    </channel>
</rss>
