<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="yes"?>
<rss xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" version="2.0">
    <channel>
        <title>Asianet News Bangla</title>
        <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
        <description><![CDATA[Bangla News - No.1 News channel in Kolkata, which delivers Local and International news in Bangla language.]]></description>
        <image>
            <url>https://static-assets.asianetnews.com/images/ogimages/OG_Bangla.jpg</url>
            <width>143</width>
            <height>100</height>
            <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
            <title>Asianet News Bangla</title>
        </image>
        <lastBuildDate>Mon, 31 Aug 2026 12:57:54 +0530</lastBuildDate>
        <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/rss/religion" rel="self" type="application/rss+xml"/>
        <item>
            <title><![CDATA[Mahalaya Date Time: মহালয়া কত তারিখে? দেবীপক্ষের দিনক্ষণ, তর্পণের শুভ সময় ও আচারবিধি জানুন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-2026-know-the-dates-for-devi-paksha-the-auspicious-time-for-tarpan-and-rituals/articleshow-054brh3</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-2026-know-the-dates-for-devi-paksha-the-auspicious-time-for-tarpan-and-rituals/articleshow-054brh3</guid>
            <pubDate>Wed, 26 Aug 2026 11:48:36 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বাঙালির অপেক্ষা শেষ হতে চলল! ২০২৬ সালে মহালয়া পড়েছে ১০ অক্টোবর, শনিবার। এই দিনেই শেষ হচ্ছে পিতৃপক্ষ, শুরু হচ্ছে দেবীপক্ষ। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহিষাসুরমর্দিনী, গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃতর্পণ - মহালয়া মানেই পুজোর আগমনী সুর। জানুন ২০২৬ সালের মহালয়ার তিথি, তর্পণের শুভ মুহূর্ত ও দেবীপক্ষের সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01ej2vce3e9ykkw3a7rc5gg933,imgname-whatsapp-image-2020-09-13-at-07-45-08-jpeg.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;পুজো আসছে! আর পুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয় মহালয়া দিয়েই। ২০২৬ সালে মহালয়া একটু দেরিতে পড়েছে। মহালয়ার এই বিশেষ দিনটিতে পিতৃপক্ষের অবসান ঘটে, এবং শুরু হয় দেবীপক্ষ। আবার ভিন্ন মতে, মহালয়াকে পিতৃলোক হিসাবেই মনে করা হয়। ব্রহ্মার নির্দেশেই নাকি এই মহামিলনক্ষেত্র গড়ে উঠেছিল। এই সময় পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করে থাকে মানুষ। এমনকি শাস্ত্র বলছে, হিন্দুদের পালনীয় যে পঞ্চ মহাযজ্ঞের বিধান রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম পিতৃযজ্ঞ। এর মাধ্যমে পিতৃপক্ষের উদ্দেশ্যে জল দান করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*মহালয়া ২০২৬ কবে?*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;২০২৬ সালে মহালয়া পড়েছে ১০ অক্টোবর, শনিবার। বাংলা পঞ্জিকা মতে ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। এই দিনটি সর্বপিতৃ অমাবস্যা নামেও পরিচিত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই দিন থেকেই দেবীপক্ষের সূচনা। মহালয়ার পরদিন ১১ অক্টোবর, রবিবার থেকে শুরু হবে দেবীপক্ষ। তার ঠিক এক সপ্তাহ পরেই শুরু হবে দুর্গাপুজোর মূল পর্ব।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*২০২৬-এর দুর্গাপুজোর সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;- মহালয়া: ১০ অক্টোবর, শনিবার&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&bull; চতুর্থী পড়ছে ১৪ অক্টোবর, বুধবার। বাংলা ২৬ আশ্বিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&bull; পঞ্চমী পড়ছে ১৫ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার। বাংলা ২৭ আশ্বিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&bull; ষষ্ঠী পড়ছে ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার। বাংলা ২৮ আশ্বিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&bull; সপ্তমী পড়ছে দু&rsquo;দিন। ১৭ এবং ১৮ অক্টোবর, শনি এবং রবিবার। বাংলা ২৯ এবং ৩০ আশ্বিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&bull; অষ্টমী পড়ছে ১৯ অক্টোবর, সোমবার। বাংলা ১ কার্তিক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&bull; নবমী পড়ছে ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার। বাংলা ২ কার্তিক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&bull; বিজয়া দশমী পড়ছে ২১ অক্টোবর, বুধবার। বাংলা ৩ কার্তিক।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*তর্পণের শুভ সময় ও আচারবিধি:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মহালয়া মানে পিতৃপক্ষের অবসান। এই ১৫ দিন ধরে পূর্বপুরুষরা মর্ত্যে আসেন বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই মহালয়ার দিন তাঁদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করা হয়। তিথি: অমাবস্যা তিথি শুরু হবে ৯ অক্টোবর রাত ৯টা ৩৫ মিনিট থেকে, থাকবে ১০ অক্টোবর রাত ৯টা ১৯ মিনিট পর্যন্ত।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*তর্পণের সেরা সময়:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্র মতে তর্পণ সবসময় দিনের বেলায় করতে হয়। ২০২৬ সালে তর্পণের সবচেয়ে শুভ সময় হলো সকাল ১১টা ২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত। এর মধ্যে কুতুপ মুহূর্ত থাকবে সকাল ১১টা ৪৫ থেকে দুপুর ১২টা ৩১ পর্যন্ত।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*এই দিন কী করবেন, কী করবেন না:*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;১. ভোরে স্নান সেরে মহিষাসুরমর্দিনী শুনে দিন শুরু করুন। পারলে গঙ্গায় গিয়ে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তিল-জল দিয়ে তর্পণ করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. এই দিন নিরামিষ আহার করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. মহালয়া পিতৃপক্ষের শেষ দিন হওয়ায় এই দিন কোনো শুভ কাজ, বড় কেনাকাটা বা গৃহপ্রবেশ না করাই ভালো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. এই দিন চুল-নখ কাটা, কারও সঙ্গে ঝগড়া করা থেকে বিরত থাকুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. এই দিন থেকেই অনেক বাড়িতে দেবীর চক্ষুদান হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/mahalaya-2026-know-the-dates-for-devi-paksha-the-auspicious-time-for-tarpan-and-rituals/articleshow-054brh3"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Rakhi Bandhan: ভাইকে কখন রাখি পরাবেন, কোন রঙের? জানুন শুভ সময় ও পূর্ণিমার নির্ঘণ্ট]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-bandhan-28-august-2026-shubh-muhurat-when-should-you-tie-rakhi-complete-purnima-tithi-details/photoshow-1ln7vdf</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-bandhan-28-august-2026-shubh-muhurat-when-should-you-tie-rakhi-complete-purnima-tithi-details/photoshow-1ln7vdf</guid>
            <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 11:16:25 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Raksha Bandhan 2026: প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়। যে দিনটির জন্য বোনেরা সারা বছর অপেক্ষা করে, তা এখন আসন্ন। এবার রাখি বন্ধন পালিত হবে ২৮ আগস্ট শুক্রবার।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m0yvkfk515hd2q4eb1hyp5qm,imgname-raksha-bandhan-wishes-1787741978213.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Raksha Bandhan 2026: প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়। যে দিনটির জন্য বোনেরা সারা বছর অপেক্ষা করে, তা এখন আসন্ন। এবার রাখি বন্ধন পালিত হবে ২৮ আগস্ট শুক্রবার।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;Raksha Bandhan 2026: প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়। যে দিনটির জন্য বোনেরা সারা বছর অপেক্ষা করে, তা এখন আসন্ন। এবার রাখি বন্ধন পালিত&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;h2&gt;রাখি বন্ধন কবে পালিত হবে?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;দৃক পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, এই বছর পূর্ণিমা তিথি ২৭ আগস্ট সকাল প্রায় ৯:০৮ মিনিটে শুরু হবে এবং ২৮ আগস্ট সকাল প্রায় ৯:৪৮ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হবে। উদয় তিথি অনুসারে, ২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট, শুক্রবার রাখি বন্ধন পালিত হবে। এর অর্থ হল ২৮ আগস্ট সকালে পূর্ণিমা থাকবে এবং এই দিনে বোনেরা তাঁদের ভাইদের হাতে রাখি বাঁধবেন। রাখি বন্ধনে ভদ্রা সম্পর্কেও বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়, কারণ ভদ্রাকালে শুভ ও মঙ্গলজনক কাজ করা নিষিদ্ধ থাকে। এই বছর, ২৭ আগস্ট, ভদ্রার প্রভাব সকাল ৯:০৮ থেকে রাত ৯:৩২ পর্যন্ত থাকবে। এর অর্থ হল ২৭ আগস্ট রাতের মধ্যেই ভদ্রা শেষ হয়ে যাবে। ফলে, ২৮ আগস্ট রাখি বাঁধার ক্ষেত্রে ভদ্রা কোনও বাধা হবে না।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;h2&gt;রাখি বাঁধার শুভ সময়&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;দৃক পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, ২৮ আগস্ট রাখি বাঁধার প্রথম শুভ সময় হবে সকাল ৬:২৩ থেকে সকাল ৯:৪৮ পর্যন্ত। এদিকে, সকাল ১০:১২ থেকে দুপুর ১২:২০ পর্যন্ত রাহুকাল কার্যকর থাকবে, তাই এই সময়ে রাখি না বাঁধার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যদি সকালে রাখি বাঁধা সম্ভব না হয়, তবে সন্ধ্যায় শুভ সময়ে আপনার ভাইয়ের কব্জিতে রাখি বাঁধা যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;h2&gt;রাখি বন্ধনে অনেক শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;এই বছর, রক্ষা বন্ধন একটি জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশেষ বলে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাখি বন্ধনের দিনে প্রায় ১১টি শুভ যোগ তৈরি হচ্ছে। অতীগন্ড, শোভন, শিব এবং বিজয়ের মতো যোগগুলি শতভিষা নক্ষত্রের সঙ্গে গঠিত বলে বলা হয়। তদুপরি, চন্দ্রাদি, বুধাদিত্য, বিমল, বিপ্রীত রাজযোগ, ধন, উভয়চারী, শকত এবং সুনাফা যোগের সংমিশ্রণও জানা যাচ্ছে। জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুসারে, এই শুভ যোগগুলির সময় পুজো, দান এবং ভাইয়ের হাতে পবিত্র সুতো বাঁধার মতো ধর্মীয় কার্যকলাপগুলি বিশেষভাবে ফলপ্রসূ বলে মনে করা হয়। রাখি বন্ধনের দিন গ্রহের অবস্থানও তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। সূর্য সিংহ রাশিতে এবং বৃহস্পতি কর্কট রাশিতে থাকবে। জ্যোতিষশাস্ত্রে, সূর্যকে আত্মবিশ্বাস, প্রতিপত্তি এবং শক্তির প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়, অন্যদিকে বৃহস্পতি জ্ঞান, শিক্ষা, প্রজ্ঞা এবং সমৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত। চন্দ্র কুম্ভ রাশিতে থাকবে। গ্রহ এবং নক্ষত্রপুঞ্জের এই সংমিশ্রণ রাখি বন্ধনকে ধর্মীয় এবং জ্যোতিষশাস্ত্রীয় উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিশেষ করে তোলে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;h2&gt;রাখি বন্ধন কীভাবে করবেন?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;প্রথমে, বাড়ির মন্দিরে একটি পুজোর থালা রাখুন। ভগবান গণেশ, ভগবান বিষ্ণু এবং আপনার প্রিয় দেবতার পুজো করুন। প্রথম রাখি ভগবান গণেশ বা ভগবান কৃষ্ণকে অর্পণ করুন। এরপর, আপনার ভাইকে পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে বসাতে হবে। আপনার ভাইকে একটি আসনে বসান এবং তাঁর মাথায় একটি রুমাল বা কাপড় দিন। বোনের উচিত ভাইয়ের কপালে কুমকুম বা রোলির (মিষ্টি চালের দানা) তিলক লাগিয়ে চাল ছিটিয়ে দেওয়া। একটি মন্ত্র বা শুভ চিন্তা সহকারে তাঁর ডান কব্জিতে রাখি বেঁধে দিন। কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে এবং দীর্ঘায়ু লাভের জন্য প্রদীপ দিয়ে আরতি করুন। তারপর মিষ্টি নিবেদন করুন। এরপর, ভাইয়ের উচিত বোনের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করা, আশীর্বাদ চাওয়া এবং সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উপহার দেওয়া।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;h2&gt;রাখি দেখতে কেমন হওয়া উচিত?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;রাখি লাল, হলুদ এবং সাদা&mdash;এই তিনটি সুতো দিয়ে তৈরি হওয়া উচিত। রাখিতে চন্দনের প্রলেপ দেওয়া অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। অন্য কিছু না থাকলে, ভক্তি সহকারে একটি পবিত্র সুতোও বাঁধা যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;রাখি বন্ধনের দিনে এই মন্ত্রটি জপ করুন&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;হিন্দুধর্মে রাখি বন্ধনের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই, ভাইকে রাখি পরানোর সময় আপনারও এই বিশেষ মন্ত্রটি জপ করা উচিত। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই মন্ত্রটি জপ করার সময় রাখি বেঁধে রাখলে ভাই বোনের মধ্যে সর্বদা ভালবাসা বজায় থাকে। রাখি বাঁধার সময় এই মন্ত্রটি জপ করুন 'ইয়েন বধো বলিরাজা, দানবেন্দ্রো মহাবলঃ তেনাত্বম প্রতি বধনমি রক্ষা, মাচল-মাচল'&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Sanjoy Patra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-bandhan-28-august-2026-shubh-muhurat-when-should-you-tie-rakhi-complete-purnima-tithi-details/photoshow-1ln7vdf"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Devi Durga Mythological Story: সিংহ কিভাবে দেবী পার্বতীর বাহন হল, জানুন এই পৌরাণিক কাহিনী]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/astrology/devi-durga-mythological-story-unknown-facts-of-mythological-story-of-how-the-lion-became-goddess-parvati-mount/articleshow-2a631bv</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/astrology/devi-durga-mythological-story-unknown-facts-of-mythological-story-of-how-the-lion-became-goddess-parvati-mount/articleshow-2a631bv</guid>
            <pubDate>Mon, 24 Aug 2026 00:03:51 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Devi Durga Mythological Story: পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, একটি সিংহ দেবী পার্বতীকে শিকার করতে এসে তাঁর তপস্যার প্রভাবে ভক্তে পরিণত হয়। দেবী তাঁর তপস্যা শেষে সেই সিংহকেই তাঁর বাহন হিসেবে গ্রহণ করেন, যা হিংস্রতার ভক্তিতে রূপান্তরের প্রতীক।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k6fchh59tp8p5h6e743e0zqb,imgname-gettyimages-2178187461-1759305581737.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Devi Durga Mythological Story: দেবী পার্বতীর বাহন, ধর্মীয় বিশ্বাসে সিংহকে শক্তি, সাহস এবং বীরত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে, দেবীর সঙ্গে সিংহের সংযোগ নিয়ে একটি আকর্ষণীয় পৌরাণিক কাহিনীও রয়েছে। এই কাহিনীতে, একটি সিংহ দেবী পার্বতীকে শিকার করার উদ্দেশ্যে তাঁর কাছে আসে। কিন্তু যা ঘটে তা হলো, সেই সিংহটিই পরে দেবী পার্বতীর বাহন হয়ে ওঠে এবং দেবীর রূপের সঙ্গে এক গভীর সংযোগ স্থাপন করে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;মা পার্বতী তপস্যায় মগ্ন ছিলেন&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;শ্রীমদ্দেবী ভাগবত পুরাণের কাহিনী অনুসারে, মা পার্বতী একসময় কঠোর তপস্যায় মগ্ন ছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ভগবান শিবকে স্বামী হিসেবে লাভ করা। তপস্যার সময় তিনি ভগবান শিবের আরাধনায় তাঁর সম্পূর্ণ মনোযোগ নিবেদন করেছিলেন। বলা হয় যে তাঁর তপস্যা এতটাই কঠিন ছিল যে তাঁকে দীর্ঘ সময় বনে কাটাতে হতো। সেই স্থানটি ছিল একটি ঘন জঙ্গল, যেখানে অসংখ্য বন্যপ্রাণী বাস করত। এই সময়ে, একটি সিংহ তপস্যায় মগ্ন মা পার্বতীকে দেখতে পেল।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;সিংহটি দেবীর জন্য খাদ্য প্রস্তুত করতে এসেছিল।&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;কিংবদন্তি অনুসারে, সিংহটি যখন দেবী পার্বতীকে দেখল, সে তাঁকে শিকার বলে ভুল করল। সে তাঁকে খাওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর কাছে এগিয়ে গেল। কিন্তু, দেবী পার্বতী তাঁর ধ্যান ও তপস্যায় সম্পূর্ণ মগ্ন ছিলেন। তাঁর কাছে যাওয়ার পরেও সিংহটি তাঁকে আক্রমণ করতে পারল না। সে সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। ধীরে ধীরে, তার আচরণে পরিবর্তন এল এবং সে দেবীর তপস্যা পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করল। বলা হয় যে, সিংহটি তাঁর পাশে বসেছিল এবং তাঁর তপস্যা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই ছিল।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;দেবী পার্বতীর তপস্যায় সিংহের রূপান্তর&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;মা পার্বতীর তপস্যা এবং দিব্য শক্তি সিংহের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। যে সিংহটি প্রথমে দেবীকে তার খাদ্য হিসেবে প্রস্তুত করতে চেয়েছিল, ধীরে ধীরে তার মধ্যে ভক্তি ও শ্রদ্ধার অনুভূতি জন্মাল। কিংবদন্তী অনুসারে, সিংহটি দীর্ঘকাল ধরে দেবী পার্বতীর সঙ্গে ছিল এবং তাঁর তপস্যার সাক্ষী ছিল।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;কীভাবে দেবী পার্বতী তাঁর বাহন হলেন?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;বিশ্বাস করা হয় যে, দেবী পার্বতী তখন সিংহকে তাঁর বাহন হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। এরপর থেকে সিংহটি দেবীর শক্তি রূপের প্রতীক হয়ে ওঠে। যখন মা পার্বতী দেবী পার্বতীর রূপ ধারণ করেন, তখন সিংহটি তাঁর বাহন হিসেবে তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয়। এই কারণেই দেবী দুর্গার মূর্তি ও প্রতিমায় তাঁকে সিংহের উপর আরোহণরত অবস্থায় চিত্রিত করা হয়। এই কিংবদন্তীটি এও প্রতীকীভাবে বোঝায় যে, দেবীর শক্তির উপস্থিতিতে হিংস্র প্রবণতাও ভক্তি ও আত্মসমর্পণে রূপান্তরিত হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;দেবীর বাহন হিসেবে সিংহের তাৎপর্য&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যে, সিংহকে শক্তি এবং নির্ভীকতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি বনের এক শক্তিশালী প্রাণী এবং সাহস ও বীরত্বের মূর্ত প্রতীক। দেবী দুর্গার পাশে সিংহের উপস্থিতি এই শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। দেবীকে অশুভ ও নেতিবাচক শক্তির বিনাশকারী হিসেবে পূজা করা হয়, আর সিংহ তাঁর সাহস ও বীরত্বের প্রতীক। সুতরাং, দেবী দুর্গা রূপে মা এবং তাঁর বাহন উভয়েরই নিজস্ব ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/astrology/devi-durga-mythological-story-unknown-facts-of-mythological-story-of-how-the-lion-became-goddess-parvati-mount/articleshow-2a631bv"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Rakhi 2026: ২৮ অগস্ট রাখি পূর্ণিমা, মাত্র ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট! কাল কোন সময়ে রাখি বাঁধলে শুভ, জেনে নিন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-purnima-2026-august-28-shubh-tithi-muhurat-what-to-do-bsm/articleshow-3ctn5l5</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-purnima-2026-august-28-shubh-tithi-muhurat-what-to-do-bsm/articleshow-3ctn5l5</guid>
            <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 19:33:48 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Rakhi Purnima: ২৮ অগস্ট ২০২৬ রাখি পূর্ণিমার শুভ তিথি ও রাখি বাঁধার সময় জেনে নিন। পঞ্জিকা অনুযায়ী ভোর ৫:৫৮ থেকে সকাল ৯:৪৮ পর্যন্ত রয়েছে শুভ মুহূর্ত।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m11k342t3ew2jc64cdav02my,imgname-rakhi-breaks-while-ttying-meaning-1787833716826.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ভাই-বোনের ভালোবাসা, স্নেহ আর অটুট বন্ধনের উৎসব রাখি পূর্ণিমা। যদিও পূর্ণিমা শুরু হয়েছে আজ, ২৭ আগস্ট থেকে। তবে ২০২৬ সালে রাখি পূর্ণিমা পালিত হবে শুক্রবার, ২৮ অগস্ট। তবে এ বছর রাখি বাঁধার ক্ষেত্রে সময়ের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। কারণ শুভ সময়টি রয়েছে মূলত সকালেই। তবে সকালে শুভ সময় মাত্র ৩ ঘণ্টা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২৮ অগস্ট সকাল ৫টা ৫৮ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত রাখি বাঁধার শুভ মুহূর্ত রয়েছে। অর্থাৎ মোট ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট সময়ের মধ্যে ভাইয়ের হাতে রাখি পরাতে পারবেন বোনেরা।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;২৮ অগস্ট রাখি পূর্ণিমার শুভ সময়&lt;/h2&gt;&lt;ul&gt; &lt;li&gt;রাখি পূর্ণিমা: শুক্রবার, ২৮ অগস্ট ২০২৬&lt;/li&gt; &lt;li&gt;রাখি বাঁধার শুভ মুহূর্ত: সকাল ৫টা ৫৮ মিনিট থেকে ৯টা ৪৮ মিনিট&lt;/li&gt; &lt;li&gt;শুভ সময়ের মোট সময়: ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট&lt;/li&gt; &lt;li&gt;পূর্ণিমা তিথি শুরু: ২৭ অগস্ট সকাল ৯টা ৮ মিনিট&lt;/li&gt; &lt;li&gt;পূর্ণিমা তিথি শেষ: ২৮ অগস্ট সকাল ৯টা ৪৮ মিনিট&lt;/li&gt; &lt;li&gt;ভদ্রা: ২৮ অগস্ট সূর্যোদয়ের আগেই শেষ হবে&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;h2&gt;কেন ২৮ অগস্টেই রাখি পূর্ণিমা?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;এবার পূর্ণিমা তিথি ২৭ অগস্ট সকাল থেকে শুরু হয়ে ২৮ অগস্ট সকাল ৯টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। তাই ২৭ অগস্ট থেকে পূর্ণিমা তিথি শুরু হলেও রাখি পূর্ণিমা পালনের দিন হিসেবে ২৮ অগস্টকেই ধরা হচ্ছে। কারণ ওই দিন সূর্যোদয়ের সময় পূর্ণিমা তিথি থাকবে। তাই যাঁরা পঞ্জিকা মেনে রাখি বাঁধতে চান, তাঁদের জন্য ২৮ অগস্টের সকালের সময়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;২৮ অগস্ট রাখি পূর্ণিমার শুভ সময় ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;দ্রিক পঞ্চাঙ্গের দেওয়া সময়ানুসারে, ২৮ অগস্ট রক্ষা বন্ধনের পৈতা অনুষ্ঠানের শুভ মুহূর্ত ভোর ৫টা ৫৮ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত। অর্থাৎ মূল রাখি অনুষ্ঠানের জন্য ভক্তদের হাতে থাকবে মোট ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিটের শুভ সময়।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;রাখি বাঁধার সময় কী কী করবেন?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;রাখি পূর্ণিমার দিন সাধারণত বোনেরা ভাইয়ের মঙ্গল, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে তাঁর হাতে রাখি বাঁধেন। তার আগে একটি পুজোর থালা সাজিয়ে নেওয়া হয়। সেখানে রাখা যায় রাখি, রোলি বা কুমকুম, চাল বা অক্ষত, মিষ্টি এবং প্রদীপ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রথমে ভাইকে তিলক বা কুমকুম পরিয়ে, অক্ষত দিয়ে এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে তাঁর হাতে রাখি বাঁধা হয়। এরপর ভাই-বোন একে অপরের মঙ্গল কামনা করেন। ভাইও বোনকে উপহার দিয়ে তাঁর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;এ বছর কেন সকালটা গুরুত্বপূর্ণ?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;২০২৬ সালে রাখি বাঁধার নির্দিষ্ট শুভ মুহূর্ত তুলনামূলকভাবে ছোট। সকাল ৫টা ৫৮ মিনিট থেকে ৯টা ৪৮ মিনিট&mdash;এই সময়ের মধ্যেই মূল রাখি বাঁধার মুহূর্ত শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই পঞ্জিকা মেনে অনুষ্ঠান করতে চাইলে আগেই সমস্ত প্রস্তুতি সেরে রাখা ভালো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে শুভ মুহূর্ত শহর ও স্থানভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ধর্মীয় আচার পালনের আগে নিজের এলাকার স্থানীয় পঞ্জিকার সময় মিলিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-purnima-2026-august-28-shubh-tithi-muhurat-what-to-do-bsm/articleshow-3ctn5l5"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Eid Milad-un-Nabi Mubarak Wishes in Bengali: ঈদে মিলাদুন্নবীর ৬০+ শুভেচ্ছাবার্তা, দোয়া ও সুন্দর বার্তা]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/eid-milad-un-nabi-wishes-in-bengali-60-plus-heartfelt-messages-quotes-and-greetings-for-facebook-instagram-whatsapp-bpsb/articleshow-4vgno5g</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/eid-milad-un-nabi-wishes-in-bengali-60-plus-heartfelt-messages-quotes-and-greetings-for-facebook-instagram-whatsapp-bpsb/articleshow-4vgno5g</guid>
            <pubDate>Wed, 26 Aug 2026 10:16:27 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রিয়জন, বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানাতে রইল ৬০টিরও বেশি সুন্দর বাংলা মেসেজ ও শুভেচ্ছাবার্তা। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, মানবতা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির আদর্শকে সামনে রেখে এই শুভেচ্ছাবার্তাগুলি সোশ্যাল মিডিয়া, WhatsApp, Facebook বা ব্যক্তিগত মেসেজে শেয়ার করা যেতে পারে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k4agdvy2fzy4f7fczmkk03dh,imgname-eid-a-1756994400194.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে প্রিয়জন, বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানাতে রইল ৬০টিরও বেশি সুন্দর বাংলা মেসেজ ও শুভেচ্ছাবার্তা। শান্তি, মানবতা, সম্প্রীতির আদর্শকে সামনে রেখে এই শুভেচ্ছাবার্তাগুলি WhatsApp, Facebook বা মেসেজে শেয়ার করতে পারেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর আন্তরিক শুভেচ্ছা। সকলের জীবন শান্তি ও ভালোবাসায় ভরে উঠুক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শে আলোকিত হোক আমাদের জীবন। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভক্ষণে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. মহানবী (সা.)-এর শান্তি ও মানবতার বাণী ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. আল্লাহর রহমতে সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক। ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬. মহানবী (সা.)-এর আদর্শ আমাদের চলার পথকে আলোকিত করুক। সবাইকে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৭. পবিত্র এই দিনে সকলের জন্য রইল ভালোবাসা, শান্তি ও সমৃদ্ধির শুভকামনা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৮. মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা আমাদের হৃদয়ে মানবতার আলো জ্বালিয়ে দিক। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৯. আল্লাহ আমাদের সকলের মনের নেক ইচ্ছা পূরণ করুন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১০. শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১১. মহানবী (সা.)-এর পবিত্র জীবন ও আদর্শ আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক। আন্তরিক শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১২. এই পবিত্র দিনে মহান আল্লাহ সকলের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৩. ভালোবাসা ও মানবতার মহান শিক্ষা নিয়ে আসুক পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। শুভেচ্ছা রইল সকলকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৪. মহানবী (সা.)-এর দেখানো পথে চলার তৌফিক দান করুন আল্লাহ। মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৫. সকলের ঘরে ঘরে শান্তি ও আনন্দ বিরাজ করুক। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৬. মহানবী (সা.)-এর আদর্শে গড়ে উঠুক সুন্দর ও মানবিক সমাজ। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৭. আল্লাহর অশেষ রহমতে পূর্ণ হোক সকলের জীবন। পবিত্র মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৮. ঈদে মিলাদুন্নবীর পবিত্র দিনে সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১৯. মহানবী (সা.)-এর শান্তির বাণী আমাদের হৃদয়কে ভালোবাসায় পূর্ণ করুক। শুভ ঈদে মিলাদুন্নবী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০. এই পবিত্র দিনে আল্লাহ আমাদের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন এবং সৎ পথে চলার শক্তি দিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২১. ঈদে মিলাদুন্নবীর আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি হৃদয়। সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২২. মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ হোক আমাদের পথ চলার অনুপ্রেরণা। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৩. আল্লাহর রহমত ও বরকতে ভরে উঠুক প্রতিটি পরিবার। পবিত্র মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৪. হিংসা ও বিদ্বেষ দূর হয়ে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হোক শান্তি। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৫. মহানবী (সা.)-এর ভালোবাসা ও মানবতার শিক্ষা আমাদের জীবনে প্রতিফলিত হোক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৬. পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে সকলের জন্য রইল অফুরন্ত শুভকামনা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৭. আল্লাহ সকলের দোয়া কবুল করুন এবং জীবনে বরকত দান করুন। মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৮. মহানবী (সা.)-এর আদর্শে আমাদের জীবন সুন্দর ও সৎ পথে পরিচালিত হোক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২৯. পবিত্র এই দিনে সকলের পরিবারে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি নেমে আসুক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩০. ঈদে মিলাদুন্নবীর পবিত্রতায় ভরে উঠুক মন, মুছে যাক সকল দুঃখ ও অশান্তি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩১. মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা আমাদের মধ্যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করুক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩২. পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩৩. আল্লাহর রহমত আমাদের সকলের জীবনে শান্তির বার্তা নিয়ে আসুক। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩৪. মহানবী (সা.)-এর আদর্শে আলোকিত হোক আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩৫. পবিত্র মিলাদুন্নবীর দিনে আল্লাহর কাছে সকলের সুস্থতা, শান্তি ও মঙ্গল কামনা করি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩৬. ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হোক। ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩৭. মহানবী (সা.)-এর পবিত্র শিক্ষা আমাদের জীবনে শান্তি ও কল্যাণ বয়ে আনুক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩৮. আল্লাহ সকলের জীবনকে নেক আমল ও বরকতে পূর্ণ করুন। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩৯. পবিত্র এই দিনে সমস্ত অন্ধকার দূর হয়ে আমাদের জীবনে শান্তির আলো জ্বলে উঠুক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪০. মহানবী (সা.)-এর দেখানো মানবতার পথে এগিয়ে যাক সমগ্র সমাজ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪১. ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভক্ষণে সকলের জন্য রইল আন্তরিক দোয়া ও শুভকামনা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪২. আল্লাহ আমাদের সকলকে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করার তৌফিক দান করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪৩. পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী আমাদের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, ভালোবাসা ও বরকত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪৪. মহানবী (সা.)-এর শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪৫. সকলের জীবনে সুখ ও শান্তি নেমে আসুক&mdash;এই প্রার্থনায় ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪৬. পবিত্র এই দিনে মহান আল্লাহ আমাদের সকলের দোয়া কবুল করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪৭. মহানবী (সা.)-এর আদর্শ হোক আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪৮. আল্লাহর অশেষ রহমত ও বরকতে পূর্ণ হোক প্রতিটি ঘর। ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪৯. মানবতা, ভালোবাসা ও শান্তির বার্তা নিয়ে আসুক পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫০. মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা আমাদের হৃদয়ে চিরকাল জীবন্ত থাকুক। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫১. পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে সকলের জীবনে নতুন আশার আলো ফুটে উঠুক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫২. আল্লাহ আমাদের সকলকে সৎ পথে চলার শক্তি এবং নেক কাজ করার তৌফিক দিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫৩. মহানবী (সা.)-এর পবিত্র আদর্শে শান্তিময় হোক আমাদের সমাজ ও দেশ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫৪. পবিত্র মিলাদুন্নবীর শুভক্ষণে সকলের জীবনের দুঃখ-কষ্ট দূর হয়ে আসুক সুখের দিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫৫. ঈদে মিলাদুন্নবীর পবিত্র দিনে সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আল্লাহ সকলের মঙ্গল করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫৬. মহানবী (সা.)-এর ভালোবাসা ও শান্তির বার্তা আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী হোক। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫৭. পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর দিনে সকলের পরিবারে নেমে আসুক আল্লাহর রহমত ও বরকত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫৮. মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে ভরে উঠুক আমাদের সমাজ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫৯. আল্লাহ সকলের জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও বরকত দান করুন। ঈদে মিলাদুন্নবী মোবারক।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬০. পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা&mdash;মহান আল্লাহ আমাদের সকলের হৃদয়কে শান্তি ও মানবতার আলোয় আলোকিত করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬১. নবীজির শিক্ষা ও আদর্শে আলোকিত হোক আমাদের আগামী প্রজন্ম। সবাইকে ঈদে মিলাদুন্নবীর আন্তরিক শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬২. আল্লাহর রহমত ও নবীজির ভালোবাসায় ভরে উঠুক আপনার হৃদয় ও পরিবার। শুভ ঈদে মিলাদুন্নবী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬৩. পবিত্র এই দিনে সবার জীবনে বয়ে আসুক শান্তি, সৌহার্দ্য ও ভালোবাসার বার্তা। ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৬৪. মহানবী (সা.)-এর আদর্শ আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সত্য ও মানবতার পথ দেখাক। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/eid-milad-un-nabi-wishes-in-bengali-60-plus-heartfelt-messages-quotes-and-greetings-for-facebook-instagram-whatsapp-bpsb/articleshow-4vgno5g"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Raksha Bandhan: অযোধ্যায় রামলালার হাতে উঠল বিশেষ রাখি, কলকাতা-নাগপুরে অভিনব উদযাপন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/raksha-bandhan-celebrations-span-india-from-ayodhya-to-eco-friendly-tributes-bsm/articleshow-76p5x2c</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/raksha-bandhan-celebrations-span-india-from-ayodhya-to-eco-friendly-tributes-bsm/articleshow-76p5x2c</guid>
            <pubDate>Fri, 28 Aug 2026 10:14:45 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;সারা দেশে উৎসাহের সঙ্গে পালিত হচ্ছে রাখি বন্ধন উৎসব। এই বিশেষ দিনে অযোধ্যায় রামলালার জন্য তাঁর বোন মাতা শান্তার আশ্রম থেকে রাখি এসেছে। অন্যদিকে, কলকাতা, নাগপুর এবং জামশেদপুরেও দেখা গেল একেবারে অন্য ধরনের রাখি উদযাপন।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m12516gksat1srdfw1djktdm,imgname-dfc0ec6d-dacd-42b2-bd1c-5e28346be2b5-1787852528147.jfif" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সারা দেশে বিপুল উৎসাহ এবং সাংস্কৃতিক উদ্দীপনার সঙ্গে পালিত হচ্ছে রাখি বন্ধন উৎসব। ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি, পবিত্র আরাধনা এবং বিভিন্ন রাজ্যের অভিনব উদযাপনের মধ্যে দিয়ে দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাখি পরবেন অযোধ্যার রামলালা&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অযোধ্যায় শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে ভগবান রামলালার জন্য রাখি এসেছে তাঁর বোন মাতা শান্তার আশ্রম থেকে। শৃঙ্গী আশ্রমে সাধুসন্তদের বিশেষ পুজোপাঠের পর এই রাখি পাঠানো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার সংবাদ সংস্থা ANI-কে শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের পুরোহিত সন্তোষ তিওয়ারি বলেন, &quot;আমরা রাখি পেয়েছি। এবার এটি রামলালাজি, তাঁর চার ভাই এবং সমস্ত পুরোহিতদের পরানো হবে। কারণ পুরোহিতদের জন্যও প্রসাদ হিসেবে রাখি এসেছে। মাতা শান্তার শৃঙ্গী আশ্রম থেকে এটি আমাদের কাছে পৌঁছেছে। আমরা এখন এটি পরাতে চলেছি। সবার মনে যে কী আনন্দ, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। রাখি উৎসব ভাই-বোনের এক অটুট বন্ধনের প্রতীক, এটি একটি পবিত্র উৎসব।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মন্দিরের রীতিনীতি সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, &quot;ভগবানের জন্য 'ছাপ্পান্ন ভোগ' নিবেদন করা হচ্ছে। প্রভু রোজ নতুন পোশাক পরেন এবং দিল্লি থেকে প্রতিদিন তাজা ফুলের মালা নিয়ে আসা হয়। খুব আনন্দ আর উদ্দীপনার সঙ্গে উৎসব পালিত হচ্ছে।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদিকে, রাখি বন্ধনের আগের দিন দেশের বিভিন্ন শহরে কিছু অভিনব এবং চোখ ধাঁধানো আয়োজনও দেখা গেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গোটা দেশে রাখির উৎসব&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কলকাতায় গয়না ডিজাইনার আর আর আগরওয়াল একটি বিশেষ রাখি তৈরি করেছেন। ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি এই রাখিতে হিরে বসানো রয়েছে, যার দাম ১ লক্ষ টাকা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ANI-কে আগরওয়াল বলেন, &quot;আমরা ১০,০০০ টাকা থেকে সোনার রাখি তৈরি শুরু করেছি, আর হিরে দেওয়া রাখির দাম ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত যাচ্ছে... সোনার দাম বেশি হওয়ায় বিক্রি খুব একটা ব্যাপক না হলেও, দাম অনুযায়ী মাঝারি রেঞ্জের রাখির বিক্রি বেশ ভালোই হয়েছে... আমরা Gen Z-এর পছন্দের ওপর বিশেষ নজর দিয়েছি, কারণ রাখি উৎসব নিয়ে তাদের মধ্যে বেশ উৎসাহ দেখা যায়।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মহারাষ্ট্রের নাগপুরে স্থানীয় স্কুল ও কলেজের পড়ুয়ারা ২৭ আগস্ট একটি বিশাল 'মহা রাখি' তৈরি করে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে। ৬৫x৭৫ ফুটের এই রাখিটি সম্পূর্ণ বর্জ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি, যা এটিকে পরিবেশবান্ধব করে তুলেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুরে আদিবাসী মহিলারা রাখি বন্ধনের আগের দিন গাছে রাখি বেঁধে পরিবেশ রক্ষার শপথ নিয়েছেন। প্রকৃতির সুরক্ষার জন্য তাঁদের এই উদ্যোগ বেশ প্রশংসিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত যমুনা টুডু ANI-কে বলেন, &quot;আজ রাখি বন্ধনের এই শুভ দিনে আমরা গাছের দীর্ঘায়ু কামনা করে রাখি বেঁধেছি। এটা একটা গোটা জঙ্গল। আমরা শপথ নিয়েছি যে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গাছ কাটতে দেব না।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্থানীয় আদিবাসী মহিলা রেশমা মার্ডি বলেন, &quot;...আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে এটা শিখেছি, তাঁরা সবসময় জঙ্গলকে রক্ষা করতেন। জঙ্গল আমাদের বাবা-মায়ের মতো... আমরা গাছকে রাখি পরাই। আমরা আগামী প্রজন্মকেও এই শিক্ষাই দিতে চাই।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সারা দেশ জুড়ে এই উদযাপনগুলি উৎসবের চিরন্তন তাৎপর্যকে তুলে ধরেছে, যা পরিবার, সম্প্রদায় এবং ঐতিহ্যকে একসঙ্গে বেঁধে রাখে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/raksha-bandhan-celebrations-span-india-from-ayodhya-to-eco-friendly-tributes-bsm/articleshow-76p5x2c"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিপর্যয়ের আগেই 'ঘেমে' উঠেছিলেন দেবী! নেপালে দুর্যোগের আগে অলৌকিক কাণ্ড, প্রাচীন বিশ্বাস নিয়ে তোলপাড়]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/nepal-disaster-goddess-sweating-omen-ancient-belief-viral-bengali/articleshow-9ayuhig</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/nepal-disaster-goddess-sweating-omen-ancient-belief-viral-bengali/articleshow-9ayuhig</guid>
            <pubDate>Mon, 31 Aug 2026 12:57:48 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বিধ্বংসী বন্যা ও ভূমিধসের আগে নাকি আগাম ইঙ্গিত মিলেছিল নেপালে! কাঠমান্ডুর এক মন্দিরে দেবী মূর্তির গা থেকে নাকি ঘাম ঝরছিল, যা অশুভ ইঙ্গিত বলে মনে করেন স্থানীয়রা।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m1b892yr0n6sb0ttyf837ehs,imgname-20260830157l-1788157922264.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;প্রকৃতির রোষে বিধ্বস্ত নেপাল। প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং ভূমিধসে বিপর্যস্ত জনজীবন। এর মধ্যেই সামনে এল এক অদ্ভুত দাবি, যা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অনেকেই বলছেন, এই বিপর্যয়ের ইঙ্গিত নাকি আগেই পাওয়া গিয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নেপালের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া দাবি অনুযায়ী, কাঠমান্ডু উপত্যকার এক প্রাচীন মন্দিরে দেবী মূর্তির শরীর থেকে আচমকাই ঘাম ঝরতে দেখা যায়। মন্দিরের পুরোহিতরা প্রথমে বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তারা জানান, দেবীর মুখে ও কপালে বিন্দু বিন্দু জলের মতো জমেছিল, যা দেখে মনে হচ্ছিল দেবী ঘামছেন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;কী বলছে প্রাচীন বিশ্বাস?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;নেপালে একটি প্রাচীন বিশ্বাস প্রচলিত আছে। সেখানে মনে করা হয়, বড় কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অমঙ্গল আসার আগে দেব-দেবীর মূর্তি &lsquo;ঘামতে&rsquo; শুরু করে। এটি আসলে দেবীর কান্না বা সতর্কবার্তা। মানুষকে আগাম সতর্ক করতেই নাকি দেবী এই লীলা দেখান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রাচীনকালে রাজপরিবারেও এই বিশ্বাস ছিল। যদি কোনও মন্দিরে দেবী ঘামতেন, তাহলে রাজাকে বিশেষ পুজো ও ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ দেওয়া হত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পালানচক ভগবতী মন্দির নেপালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান। পঞ্চখাল এলাকায় অবস্থিত এই মন্দিরে দেবী ভগবতীর কালো পাথরের মূর্তি রয়েছে। স্থানীয়দের কাছে এই দেবী বিপদ ও দুর্ভাগ্য থেকে রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে বিশেষভাবে পূজিত। মূর্তিকে ঘিরে এর আগেও নানা অলৌকিক বিশ্বাস প্রচলিত ছিল। বড় কোনও ঘটনা বা বিপর্যয়ের আগে দেবীর মূর্তিতে এমন পরিবর্তন দেখা যায় বলে স্থানীয়দের একাংশের দাবি।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;বিজ্ঞান কী বলছে?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;যদিও বিজ্ঞান এই ঘটনাকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করে। বিজ্ঞানীদের মতে, বর্ষাকালে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে মন্দিরের ভিতরে ঠান্ডা পাথরের মূর্তির গায়ে জলীয় বাষ্প জমে যায়। একেই ঘাম বলে ভুল করা হয়। তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমনটা হতেই পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, বিজ্ঞান দিয়ে সবকিছুর ব্যাখ্যা হয় না। এই বিপর্যয়ের পর দেবীর ঘামার ঘটনা কাকতালীয় নয়, বরং এটা ছিল প্রকৃতির দেওয়া আগাম সতর্কবার্তা।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/nepal-disaster-goddess-sweating-omen-ancient-belief-viral-bengali/articleshow-9ayuhig"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Holi Festival: ১০ হাজার ফুট উঁচুতে মাখন দিয়ে হোলি! উত্তরাখণ্ডের ‘অন্দুরি উৎসব’]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/holi-with-butter-at-an-altitude-of-10-thousand-feet-uttarakhands-anduri-festival-is-a-visual-delight/articleshow-bnqblz7</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/holi-with-butter-at-an-altitude-of-10-thousand-feet-uttarakhands-anduri-festival-is-a-visual-delight/articleshow-bnqblz7</guid>
            <pubDate>Thu, 20 Aug 2026 01:22:08 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Anduri Festival: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০ হাজার ফুট উঁচুতে মাখন দিয়ে হোলি খেলা হয়! উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী জেলার রায়থল গ্রামে প্রতি বছর অগাস্টে হয় &lsquo;অন্দুরি উৎসব&rsquo; বা &lsquo;মাখন হোলি&rsquo;। লোকসংস্কৃতি, ভক্তি আর উচ্ছ্বাসে ভরা এই বুগিয়ালের মেলায় যোগ দেয় পাহাড়ের শত শত মানুষ। কেন খেলা হয় মাখন দিয়ে? জানুন পুরো কাহিনী।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kjmtxxz0k8wyjjjp159t0bvx,imgname-holi-2026-1772373342176.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Anduri Festival Uttarakhand: মাটি থেকে ১০ হাজার ফুট উপরে রঙ নয়, মাখনের হোলি খেলা। হোলি মানেই আনন্দের রঙ। কিন্তু উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ে হোলি খেলা হয় সাদা মাখন আর দই দিয়ে। নাম তার &lsquo;অন্দুরি উৎসব&rsquo; বা &lsquo;মাখন হোলি&rsquo;। উত্তরকাশী জেলার ছোট্ট রায়থল গ্রামের মানুষ প্রতি বছর অগাস্ট মাসে ফসল কাটার আনন্দে এই উৎসব পালন করে। উৎসবের জায়গা আরও স্পেশাল, দায়রা বুগিয়াল। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ হাজার ফুট উঁচুতে সবুজ গালিচার মতো বিছানো তৃণভূমি। চারপাশে বরফে ঢাকা পাহাড়, মাঝে লোকসংগীত আর ঢোলের আওয়াজ।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;কেন মাখন দিয়ে হোলি?&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভগবান কৃষ্ণ মাখন চোর ছিলেন। ফসল ভালো হওয়ার জন্য কৃষকরা কৃষ্ণের কাছে কৃতজ্ঞতা জানায়। তাই ফসলের প্রথম ফলন থেকে বানানো মাখন, দই আর ঘি দিয়ে একে অপরকে মাখিয়ে উৎসব করে। এটা শুধু খেলা নয়, এটা প্রার্থনা। বিশ্বাস করা হয় মাখন গায়ে মাখলে সারা বছর সুখ-সমৃদ্ধি থাকে আর ফসলের কোনও ক্ষতি হয় না।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;উৎসবে কী কী হয়?&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;১. লোকনৃত্য আর গান: পুরুষরা &lsquo;রাসো&rsquo; আর মহিলারা &lsquo;বারাদি&rsquo; নাচেন। হাতে ডামাউন-মসকবীন বাজে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. মাখন যুদ্ধ: যুবক-যুবতীরা দলে ভাগ হয়ে একে অপরের গায়ে মাখন-দই ছুড়ে দেয়। গাছ, পাথর, মানুষ, কেউ বাদ যায় না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. ভাণ্ডারা আর মেলা: বুগিয়ালে দিনভর খিচুড়ি, পাহাড়ি রুটি আর চা চলে। আশেপাশের ১০-১২টা গ্রামের মানুষ এখানে জড়ো হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আগাস্টের ঠান্ডা হাওয়ায় সারা গায়ে মাখন মেখে যখন সবাই হাসে-গায়, মনে হয় স্বর্গ নেমে এসেছে পাহাড়ে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কীভাবে যাবেন?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;নিকটতম শহর: উত্তরকাশী থেকে রায়থল গ্রাম আট কিমি। সেখান থেকে তিন-চার ঘন্টার ট্রেক করে দায়রা বুগিয়াল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সেরা সময়: প্রতি বছর আগাস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ। তবে যাওয়ার আগে স্থানীয় পঞ্চায়েতের সঙ্গে তারিখ কনফার্ম করে নিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভারতের বৈচিত্র্য এমনই। যেখানে একদিকে রঙের হোলি, সেখানে আরেকদিকে মাখনের হোলি। যদি পাহাড়, সংস্কৃতি আর মানুষের উচ্ছ্বাস একসঙ্গে দেখতে চান, তাহলে একবার অন্দুরি উৎসবে যেতেই হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Soumya Ganguly</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/holi-with-butter-at-an-altitude-of-10-thousand-feet-uttarakhands-anduri-festival-is-a-visual-delight/articleshow-bnqblz7"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Gold Rakhi: ভাইয়ের জন্য লাখ টাকার রাখি! সোনা-হিরের রাখিতে বাজার কাঁপাচ্ছে কলকাতা]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/kolkata-jewellers-offer-gold-and-diamond-rakhis-priced-up-to-1-lakh-bsm/photoshow-g7rdckd</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/kolkata-jewellers-offer-gold-and-diamond-rakhis-priced-up-to-1-lakh-bsm/photoshow-g7rdckd</guid>
            <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 21:02:01 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Rakhi 2026: রাখিবন্ধন উৎসবের মুখে কলকাতায় সোনা আর হিরের রাখির চাহিদা তুঙ্গে। ১০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দামের এই বিশেষ রাখি কিনতে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন বোনেরা।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m11xer8xsfk8hc4gq24feqwp,imgname-image-3cf53c36-aa85-4550-b779-e7ec4112f880-1787844583708.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Rakhi 2026: রাখিবন্ধন উৎসবের মুখে কলকাতায় সোনা আর হিরের রাখির চাহিদা তুঙ্গে। ১০ হাজার থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দামের এই বিশেষ রাখি কিনতে দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন বোনেরা।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;রাখিবন্ধন উৎসব চলছে দেশজুড়ে। আর এই উপলক্ষে কলকাতার গয়নার দোকানগুলিতে সোনা এবং হিরে দিয়ে তৈরি বিশেষ রাখির চাহিদা বাড়ছে। এই রাখিগুলির দাম ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এক দোকান মালিক জানালেন, উৎসবের মরসুমে সোনা ও হিরের গয়নার কদর বরাবরই আলাদা। তাই ক্রেতারা এই প্রিমিয়াম রাখিগুলির দিকে ঝুঁকছেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দোকান মালিকের কথায়, &quot;রাখি খুব স্পেশাল একটা উৎসব। প্রত্যেক বোনই চায় তার ভাইয়ের জন্য সেরা রাখিটা বাঁধতে। এই রাখি যাতে আরও স্পেশাল হয়ে ওঠে, তার জন্য সোনার রাখি একটা দারুণ অপশন।&quot;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তিনি আরও জানান, দোকানে সোনার রাখি ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু হচ্ছে। অন্যদিকে, হিরে ও সোনা দিয়ে তৈরি রাখির দাম আরও বেশি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দোকান মালিক আর আর আগরওয়াল বলেন, &quot;সোনার রাখি ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু হচ্ছে, আর হিরের রাখি ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ৫০,০০০ এবং ৭০,০০০ টাকা দামের রাখিও রয়েছে। সোনা আর হিরের দাম বেশি হওয়ায় এই রাখিগুলির দামও বেশ চড়া।&quot;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তিনি জানান, সোনার দাম বাড়ার ফলেই রাখিগুলির দামের উপর তার প্রভাব পড়েছে। দোকানে সবচেয়ে দামি রাখির মূল্য ১ লক্ষ টাকা, আর সবচেয়ে কমদামি সোনার রাখি পাওয়া যাচ্ছে ১০,০০০ টাকায়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;রাখিবন্ধন বা রাখি একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু উৎসব, যা ভাই-বোনের মধ্যেকার ভালোবাসা এবং বন্ধনকে কেন্দ্র করে পালিত হয়। এই দিনে বোনেরা ভাইদের হাতে রাখি বেঁধে দেন। বিনিময়ে ভাইয়েরা বোনেদের ভালোবাসা ও সুরক্ষার প্রতীক হিসেবে উপহার দেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/life/lifestyle/kolkata-jewellers-offer-gold-and-diamond-rakhis-priced-up-to-1-lakh-bsm/photoshow-g7rdckd"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vastu for plants in House: বাস্তুর নিয়ম মেনে বাড়িতে লাগান গাছ! জানুন এর শুভ-অশুভ প্রভাবগুলি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/vastu-for-plants-in-house-learn-about-their-auspicious-and-inauspicious-effects/articleshow-g9p8hpv</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/vastu-for-plants-in-house-learn-about-their-auspicious-and-inauspicious-effects/articleshow-g9p8hpv</guid>
            <pubDate>Sat, 29 Aug 2026 01:41:06 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Vastu for plants in House: বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, বাড়িতে কিছু গাছপালা যেমন কাঁটাযুক্ত গাছ, দুধযুক্ত গাছ বা কালো গোলাপ লাগানো অশুভ, কারণ এগুলি নেতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে। অন্যদিকে, পান, হলুদ, চন্দনের মতো গাছ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভালোবাসা ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kt95kkbxmb1m3phxrgsc2y9g,imgname-2-1780571819389.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Vastu for plants in House: &lt;/strong&gt;বাড়ির গাছপালাগুলির জন্য বাস্তু: গাছ এবং গাছপালা মানুষের প্রকৃত বন্ধু এবং তাদের চারপাশে থাকা খুব শুভ বলে মনে করা হয়। গাছপালাও পরিবেশকে বিশুদ্ধ করে। যার কারণে আমরা স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারছি। শুধু তাই নয়, অনেক গাছ রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে বাড়িতে কিছু গাছ লাগানো নিষিদ্ধ, কারণ এই গাছগুলি তাদের সঙ্গে নেতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে। হ্যাঁ! বাস্তুর নিয়মের মধ্যে এটাও রয়েছে যে কীভাবে ভুল করেও আমাদের বাড়িতে গাছ লাগানো উচিত নয়। জেনে নিন আপনার বাড়ির গাছপালা সংক্রান্ত বাস্তুর নিয়ম।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;কাঁটাযুক্ত গাছ-গাছালি লাগাবেন না&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে ঘরের ভিতরে লেবু, ক্যাকটাস ইত্যাদি কাঁটাযুক্ত গাছ লাগানো উচিত নয়। এর পাশাপাশি যে সব গাছে দুধ পাওয়া যায়, সেগুলিও আপনার বাড়িতে লাগানো উচিত নয়, এমন গাছগুলিকে অশুভ মনে করা হয়। এটি বিশ্বাস করা হয় যে এই জাতীয় গাছগুলি নেতিবাচক শক্তি নির্গত করে যা বাড়িতে অশান্তি সৃষ্টি করে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;কালো গোলাপ দুশ্চিন্তা বাড়াবে-&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;কাঁটাযুক্ত গাছের মধ্যে, ঘরে গোলাপ লাগানো শুভ বলে মনে করা হয় তবে কালো গোলাপ রোপণ করা উচিত নয়। কারণ কালো গোলাপ লাগালে দুশ্চিন্তা বাড়ে। সাপ, মৌমাছি, পেঁচা ইত্যাদিকে আমন্ত্রণ জানায় এমন গাছ-গাছালি বাড়িতে লাগানো উচিত নয়।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;পরিবারে প্রেম বাড়বে&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;এছাড়াও কিছু গাছপালা আছে যা আপনার সম্পর্ককে মজবুত করে। পশ্চিম-উত্তর কোণে পান, হলুদ, চন্দন ইত্যাদি কিছু গাছ লাগালে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা বৃদ্ধি পায়। যখন একে অপরের মধ্যে ভালবাসা থাকে, তখন এটি স্পষ্ট যে ঘরে সমৃদ্ধি এবং সম্পদও আসবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/vastu-for-plants-in-house-learn-about-their-auspicious-and-inauspicious-effects/articleshow-g9p8hpv"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Rakhi Purnima 2026: রাখি পূর্ণিমায় কখন ভাইয়ের হাতে বাঁধবেন পবিত্র রাখি? জানুন সেই পবিত্র সময় ও তিথি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-purnima-2026-when-should-you-tie-rakhi-on-your-brother-wrist-find-out-the-auspicious-time/articleshow-gv96641</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-purnima-2026-when-should-you-tie-rakhi-on-your-brother-wrist-find-out-the-auspicious-time/articleshow-gv96641</guid>
            <pubDate>Wed, 26 Aug 2026 00:19:38 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Rakhi Purnima 2026: ২০২৬ সালের রাখি পূর্ণিমা কবে পালিত হবে। এই উৎসবটি ভাই-বোনের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়, যেখানে নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠান মেনে রাখি বাঁধা হয়।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k15876b7r2ssa9z95q2fjc0e,imgname-gettyimages-1411047513-1753596795239.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Rakhi Purnima 2026:&lt;/strong&gt; রাখি পূর্ণিমা উৎসবকে ভ্রাতৃত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দিনে বোনেরা তাদের ভাইদের দীর্ঘ জীবন ও সুখ কামনা করে তাদের কব্জিতে রাখি বেঁধে দেন। ভাইয়েরাও তাদের বোনদের রক্ষা করার প্রতিজ্ঞা করেন। এই বছর রাখি পূর্ণিমা পালিত হবে শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে। পঞ্জিকা অনুসারে, রাখি পূর্ণিমাতে রাখি বাঁধার শুভ সময় হলো সকালবেলা। বোনেরা তাদের ভাইদের কব্জিতে রাখি বাঁধতে পারেন ভোর ৫:৫৭ থেকে সকাল ৯:৪৮ পর্যন্ত। এতে রাখি বাঁধার জন্য মোট ৩ ঘন্টা ৫১ মিনিটের শুভ সময় পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;রাখি বাঁধার শুভ সময় কখন শুরু হয়?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;রাখি পূর্ণিমাতে, রাখি বাঁধার শুভ সময় ভোর ৫:৫৭ থেকে সকাল ৯:৪৮ পর্যন্ত থাকে। এই সময়ে বোনেরা প্রথমে পূজার প্রস্তুতি নিতে পারেন এবং তারপর শুভক্ষণে ভাইকে রাখি পরাতে পারেন। রাখি পরানোর সময় ভাইয়ের পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করে বসা শুভ বলে মনে করা হয়। বোন প্রথমে ভাইয়ের কপালে তিলক (কপালে দেওয়া চিহ্ন) পরিয়ে দেন, তারপর আরতি (পূজা অনুষ্ঠান) করেন এবং তার কব্জিতে রক্ষাসূত্র (পবিত্র সুতো) বেঁধে দেন। এরপর তাকে মিষ্টি খাইয়ে উৎসবের এই পর্বটি সম্পন্ন করা যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;রাখিবন্ধনে কীভাবে রাখি পরবেন?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;রাখি পরানোর আগে একটি পূজার থালি প্রস্তুত করুন। এতে রোলি (জল), চালের দানা, একটি প্রদীপ, মিষ্টি এবং একটি রাখি থাকতে পারে। ভগবান গণেশকে স্মরণ করে পূজা শুরু করুন। তারপর, আপনার ভাইকে তিলক (রাখির চিহ্ন) পরান, চালের দানা লাগান এবং আরতি করুন। আরতির পরে, তার ডান কব্জিতে রাখি পরিয়ে দিন। রাখি পরানোর পর তাকে মিষ্টি খাওয়ান এবং তার সুখী জীবনের জন্য শুভকামনা জানান। ভাই তার বোনকে একটি উপহার দিয়ে রক্ষা ও সম্মান করার প্রতিজ্ঞা করতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;রাখিবন্ধন শুধুমাত্র ২৮ আগস্টেই কেন পালন করা হয়?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;পঞ্জিকা অনুসারে, ২০২৬ সালের ২৭ আগস্ট সকাল ৯:০৮ মিনিটে শ্রাবণ পূর্ণিমা তিথি শুরু হবে এবং ২৮ আগস্ট সকাল ৯:৪৮ মিনিট পর্যন্ত চলবে। যেহেতু ২৮ আগস্ট সূর্যোদয়ের সময় পূর্ণিমা তিথি পড়েছে, তাই সেই দিনেই রাখি পূর্ণিমা পালন করা হবে। এই বছর রাখি পূর্ণিমার দিনে চন্দ্রগ্রহণও হবে, কিন্তু এই গ্রহণ ভারতে দেখা যাবে না। তাই, ভারতে সূতক (রবিবারের সময়কাল) কার্যকর হবে না। রাখি পূর্ণিমা পূজা এবং রাখি পরানোর অনুষ্ঠানটি এই শুভ সময়ে করা যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;এই শুভ সময়টি বোনেদের জন্য কেন বিশেষ?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;রাখি বাঁধার শুভ সময়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে এই শুভ সময়ে সম্পাদিত ধর্মীয় কার্যকলাপের ইতিবাচক ফল লাভ হয়। তাই, তাড়াহুড়ো না করে বোনেরা আগে থেকেই পূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন করে নিজেদের সুবিধামতো ভোর ৫:৫৭ থেকে সকাল ৯:৪৮-এর মধ্যে রাখি বাঁধতে পারেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/rakhi-purnima-2026-when-should-you-tie-rakhi-on-your-brother-wrist-find-out-the-auspicious-time/articleshow-gv96641"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এই ৩টি সময়ে মন্দিরের ঘন্টা বাজালেই মহাপাপ! শাস্ত্র মতে জেনে নিন ঘন্টা বাজানোর সঠিক বিধি]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ringing-the-temple-bell-at-these-three-times-is-a-grave-sin-learn-the-correct-rules-for-ringing-the-bell/articleshow-h5w0zvw</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ringing-the-temple-bell-at-these-three-times-is-a-grave-sin-learn-the-correct-rules-for-ringing-the-bell/articleshow-h5w0zvw</guid>
            <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 20:44:26 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;মন্দিরে গেলেই আমরা অভ্যাসের বসে ঘন্টা বাজিয়ে দিই। কিন্তু জানেন কি শাস্ত্রে ঘন্টা বাজানোরও নিষিদ্ধ সময় আছে? ভুল সময়ে ঘন্টা বাজালে দেবতার ঘুম ভাঙে বা পুজোয় বিঘ্ন ঘটে। কোন ৩টি সময়ে একদম ঘন্টা বাজানো বারণ? আর কী নিয়ম মেনে বাজালে পুণ্য হবে? সব নিয়ম রইল এখানে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kx33fv507r5752mh3e6wd0hz,imgname-temple-bell-significance-05-1783589498015.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ঘন্টা বাজানো মানেই কি সবসময় পুণ্য? মন্দিরের গেটে ঢুকেই আমরা প্রথমে যা করি তা হল ঘন্টা বাজানো। ছোটবেলা থেকে শিখে এসেছি এতে দেবতার দৃষ্টি আমাদের দিকে পড়ে। কিন্তু আমাদের সনাতন শাস্ত্র আর পুরাণে স্পষ্ট বলা আছে, ঘন্টা বাজানোরও সময়-অসময় আছে। ভক্তি থাকা ভালো, কিন্তু নিয়ম না মেনে ঘন্টা বাজালে তার ফল উল্টো হতে পারে। অনেক সময় না জেনেই আমরা মহাপ করে ফেলি।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*এই ৩টি সময়ে ভুলেও ঘন্টা বাজাবেন না*&lt;/h2&gt;&lt;h2&gt;*1. ভোর ৪টা থেকে ৬টা - ব্রহ্ম মুহূর্ত*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্র মতে এই সময়টা হল সবচেয়ে পবিত্র সময়। এই সময়ে দেব-দেবীরা গভীর ধ্যানে মগ্ন থাকেন এবং পৃথিবীতে পজিটিভ এনার্জি সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে সাধারণ ভক্তদের ঘন্টা বাজানো নিষেধ। কারণ জোরে আওয়াজ করে তাদের ধ্যানে বিঘ্ন ঘটানো হয়। এই সময় শুধুমাত্র মন্দিরের প্রধান পুরোহিতই মঙ্গল আরতির জন্য ঘন্টা বাজাতে পারেন। আপনি গেলে নীরবে প্রণাম করে বেরিয়ে আসুন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*2. দুপুর ১২টা থেকে ১টা - ভোগ আরতি ও বিশ্রামের সময়*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;দুপুর ১২টা নাগাদ বেশিরভাগ মন্দিরে দেবতাকে ভোগ নিবেদন করা হয়। ভোগের পর দেবতাকে বিশ্রামের জন্য শয়ন করানো হয়। একে বলে &quot;রাজভোগ&quot;। এই সময় ঘন্টা বাজালে দেবতার খাওয়া এবং বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটে। তাই দুপুরে মন্দিরে গেলে ঘন্টা না বাজিয়ে মনে মনে প্রার্থনা করুন এবং দর্শন করে চলে আসুন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*3. রাত ৯টার পর - শয়ন আরতির পর*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;রাতে শয়ন আরতির মাধ্যমে দেবতাকে ঘুম পাড়ানো হয়। রাত ৯টার পর মন্দিরের পরিবেশ শান্ত হয়ে যায়। শাস্ত্রে বলা আছে এই সময় ঘন্টা বাজানো মানে দেবতাকে ঘুম থেকে জাগানো। যা অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। তাই রাতে মন্দির বন্ধ হওয়ার আগে গেলে খুব আস্তে প্রণাম করুন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*তাহলে ঘন্টা বাজানোর শুভ সময় কখন?*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্র অনুযায়ী দিনে দুইবার ঘন্টা বাজানো সবচেয়ে উত্তম। *সকালের মঙ্গল আরতি:* ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে এবং *সন্ধ্যার সন্ধ্যা আরতি:* ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে। এই সময় ঘন্টা বাজালে মন্দিরের চারপাশের নেগেটিভ এনার্জি কেটে যায় এবং দেবতার আশীর্বাদ সহজে পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;*ঘন্টা বাজানোর ৩টি সঠিক নিয়ম*&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;1. *অনুমতি নিন:* ঘন্টা ছোঁয়ার আগে দুই হাত জোড় করে মনে মনে দেবতার কাছে অনুমতি চান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;2. *৩ বার বাজান:* একটানা জোরে না বাজিয়ে ভক্তি ভরে ৩ বার ধীরে ধীরে বাজান। ৩ সংখ্যাকে শুভ মানা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;3. *ডান হাত ব্যবহার করুন:* শাস্ত্র মতে সব শুভ কাজ ডান হাত দিয়ে করতে হয়। তাই ঘন্টা বাজানোর সময় কখনও বাঁ হাত ব্যবহার করবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মনে রাখবেন, ঈশ্বর ভক্তির সাথে সাথে নিয়মও দেখেন। পরের বার যখনই মন্দিরে যাবেন সময়টা একবার দেখে নেবেন। সঠিক সময়ে সঠিক নিয়মে পুজো করলে তার ফলও তাড়াতাড়ি পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ringing-the-temple-bell-at-these-three-times-is-a-grave-sin-learn-the-correct-rules-for-ringing-the-bell/articleshow-h5w0zvw"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vishnu temple Strait of Hormuz: ইরানে আজও হরমুজ প্রণালীর গা ঘেঁষে মাথা উঁচু করে গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে বিষ্ণু মন্দির!]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/vishnu-temple-still-stands-tall-and-proud-in-iran-this-hindu-temple-was-built-right-along-the-strait-of-hormuz/articleshow-l7termv</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/vishnu-temple-still-stands-tall-and-proud-in-iran-this-hindu-temple-was-built-right-along-the-strait-of-hormuz/articleshow-l7termv</guid>
            <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 00:28:03 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Vishnu temple Strait of Hormuz ইরানের বন্দর আব্বাস শহরে হরমুজ প্রণালীর কাছে অবস্থিত এক শতাব্দী প্রাচীন বিষ্ণু মন্দির। ১৮৯২ সালে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দ্বারা নির্মিত এই মন্দিরটি ভারত ও ইরানের বন্ধুত্বের প্রতীক।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m0zprsb0r15ajfh9vd4w9sjc,imgname-image-109e733c-1787770463583.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Vishnu temple Strait of Hormuz: যে ইরানে ৯৯% মানুষ মুসলিম, সেখানেই আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এক বিষ্ণু মন্দির। হরমুজ প্রণালীর ধারে বন্দর আব্বাস শহরে ১৮৯২ সালে এই মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন ভারতীয় হিন্দু ব্যবসায়ীরা। গুজরাটি ব্যবসায়ীদের অর্থে তৈরি এই মন্দিরের গায়ে আজও রয়েছে শ্রীকৃষ্ণের ছবি। সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন ভিডিও শেয়ার করতেই ভাইরাল হয়েছে এই ইতিহাস।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভাবুন তো, ইরানের মতো একটি ইসলামিক দেশে, যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে স্পর্শকাতর জলপথ হরমুজ প্রণালী, তার একদম গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে একটি বিষ্ণু মন্দির। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বন্দর আব্বাস শহরে অবস্থিত এই মন্দিরটি আজও ভারত ও ইরানের শতাব্দী প্রাচীন বন্ধুত্বের সাক্ষী হয়ে আছে। সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন তাঁর ইনস্টাগ্রামে এই মন্দিরের ভিডিও শেয়ার করার পর থেকেই এটি নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;মন্দিরটি কারা, কেন তৈরি করেছিল?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;ইতিহাস বলছে, ১৮৮৮ সালে ইরানের ইতিহাসবিদ মোহাম্মদ আলী সাদিদ-অল-সালতানেহ-র নথি অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসে ব্যবসা করা ভারতীয় হিন্দু ব্যবসায়ীরা একটি মন্দির তৈরির অনুমতি চান। বিশেষ করে গুজরাটের শিকরপুরের ধনী ব্যবসায়ীরা তখন হরমুজ দিয়ে ব্যবসা করতেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ হাসান খান সাদ-অল-মালেক সেই অনুমতি দেন। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের চাঁদায় ৪ বছর ধরে তৈরি হয়ে ১৮৯২ সালে (১৩১০ হিজরি) মন্দিরটি সম্পূর্ণ হয়। এটি তৈরি করা হয়েছিল মূলত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হয়ে কাজ করা ভারতীয়দের উপাসনার জন্য।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;মন্দিরের স্থাপত্য - ভারত ও ইরানের মেলবন্ধন:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;এই মন্দিরের স্থাপত্য একেবারে ইউনিক। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে ইরানের কোনও মসজিদ, কারণ এর কেন্দ্রে রয়েছে একটি বড় গম্বুজ, যা সাধারণত হিন্দু মন্দিরে দেখা যায় না। গম্বুজের ভিতরে ইসলামিক মুকারনাস ডিজাইন, আর বাইরে ৭২টি ছোট টাওয়ারে হিন্দু দেব-দেবীর মূর্তি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মন্দিরটি প্রবাল পাথর, চুন ও মাটি দিয়ে তৈরি। ভিতরের করিডোরে আজও শ্রীকৃষ্ণের ছবি আঁকা রয়েছে। স্থানীয়রা হিন্দুদের এই মন্দিরকে 'বোতগুরান' বা ' গুরান' বলে ডাকে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;এখন কী অবস্থায় আছে?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;দেশভাগ ও ব্যবসা কমে যাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী ভারতে ফিরে আসেন, মন্দিরটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। বহু বছর খারাপ অবস্থায় পড়ে থাকার পর ইরান সরকার ১৯৯৮ সালে এটিকে সংস্কার করে এবং জাতীয় ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে এটি একটি মিউজিয়াম হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পর্যটকরা ভিতরে কৃষ্ণের ছবি ও স্থাপত্য দেখতে পারেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এই বিষ্ণু মন্দির প্রমাণ করে, ধর্মের ঊর্ধ্বে গিয়ে কীভাবে ভারতীয় সংস্কৃতি আজও বিদেশের মাটিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/vishnu-temple-still-stands-tall-and-proud-in-iran-this-hindu-temple-was-built-right-along-the-strait-of-hormuz/articleshow-l7termv"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Krishna and Ram Birth Time: ভগবান রাম কেন দুপুর ১২টায় এবং কৃষ্ণ কেন রাত ১২ টায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন? জানুন এই কাহিনী]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/krishna-and-ram-birth-time-why-ram-and-krishna-born-at-12-pm-and-12-am-unknown-story-behind-this/articleshow-lb54q86</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/krishna-and-ram-birth-time-why-ram-and-krishna-born-at-12-pm-and-12-am-unknown-story-behind-this/articleshow-lb54q86</guid>
            <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 00:43:46 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Krishna and Ram Birth Time: উভয় দেবতার জন্মকাহিনী নিজ নিজ ক্ষেত্রেই অত্যন্ত আকর্ষণীয়, কিন্তু একটি বিষয় প্রায়শই মানুষের কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। বলা হয়, ভগবান রামের জন্ম হয়েছিল প্রায় দুপুর ১২টায়, আর ভগবান কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল মধ্যরাতে। তাঁদের জন্মসময় এত ভিন্ন কেন ছিল?&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m0jvfwjnhx2v7wwe9jakgj37,imgname-image-c8215af1-1787339207252.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Krishna and Ram Birth Time:&lt;/strong&gt; হিন্দুধর্মে, ভগবান শ্রীরাম এবং ভগবান কৃষ্ণকে ভগবান বিষ্ণুর প্রধান অবতার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উভয়েই ভিন্ন ভিন্ন যুগে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছিলেন অশুভ শক্তির বিনাশ এবং ধর্ম প্রতিষ্ঠা করার জন্য। ভগবান শ্রীরামের পুত্র ছিলেন অযোধ্যার রাজা দশরথ এবং মাতা কৌশল্যা, আর ভগবান কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল কারাগারে, মথুরার রাজা কংসের বোন দেবকী এবং বসুদেবের ঘরে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উভয় দেবতার জন্মকাহিনী নিজ নিজ ক্ষেত্রেই অত্যন্ত আকর্ষণীয়, কিন্তু একটি বিষয় প্রায়শই মানুষের কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। বলা হয়, ভগবান রামের জন্ম হয়েছিল প্রায় দুপুর ১২টায়, আর ভগবান কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল মধ্যরাতে। তাঁদের জন্মসময় এত ভিন্ন কেন ছিল? তাঁদের জন্ম সম্পর্কিত পৌরাণিক বিশ্বাস এবং ঘটনাগুলিতে এর জন্য বেশ কিছু প্রতীকী ও ধর্মীয় কারণ উল্লেখ করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;কৃষ্ণের জন্ম মধ্যরাতে কেন হয়েছিল?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টম দিনে মধ্যরাতে মথুরার কারাগারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। রাজা কংস দেবকী ও বসুদেবকে একটি দুর্ভেদ্য কারাগারে বন্দী করেছিলেন। কিংবদন্তী অনুসারে, কৃষ্ণের জন্মের সময় প্রহরীরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং কারাগারের দরজা খুলে যায়। বসুদেব এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শিশুটিকে নিরাপদে গোকুলে নিয়ে যান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মধ্যরাতকে গভীর অন্ধকারের সময় বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, যখন পৃথিবীতে অধর্ম ও অজ্ঞতার অন্ধকার বৃদ্ধি পায়, তখন ঈশ্বর দিব্য আলোর রূপে আবির্ভূত হন। তাই, এক অন্ধকার রাতে কৃষ্ণের জন্মকে অধর্মের উপর ধর্মের এবং অজ্ঞতার উপর জ্ঞানের বিজয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কৃষ্ণের জন্ম সম্পর্কিত বিশ্বাসগুলিতে ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী, রোহিণী নক্ষত্র, নীষিক্ত দশা এবং বৃষ লগ্নের উল্লেখ রয়েছে। এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে ধর্মগ্রন্থে ঠিক রাত ১২টার কথা উল্লেখ নেই। সেখানে নীষিক্ত দশার কথা বলা হয়েছে। নিষিক্ত কাল বলতে মধ্যরাতের আশেপাশের সময়কে বোঝায়, যা এখন সাধারণত ১২টা হিসাবে পরিচিত।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ভগবান রাম কেন দুপুর ১২টায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;ভগবান রাম চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবম দিনে দুপুরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বিশ্বাস অনুসারে, তাঁর জন্মের সময় অভিজিৎ মুহূর্ত, কর্কট লগ্ন এবং পুনর্বসু নক্ষত্রের সংমিশ্রণ ছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভগবান রাম সূর্যবংশে, অর্থাৎ ইক্ষ্বাকু বংশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাই, তাঁর জন্মের সময় সূর্য যে তার উজ্জ্বলতা ও প্রভাবের শীর্ষে ছিল, তা প্রতীকীভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়। দুপুরকে আলো, শক্তি এবং সত্যের প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যা ভগবান রামের মর্যাদা পুরুষোত্তম রূপের সাথে সম্পর্কিত। দিনের মধ্যভাগ অভিজিৎ মুহূর্তের সাথেও যুক্ত। ধর্মীয় বিশ্বাসে, এটি একটি অত্যন্ত শুভ সময় হিসাবে বিবেচিত হয়। শুভ কাজের জন্য এই রাশিকে বিশেষভাবে ফলপ্রসূ বলে মনে করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ভগবান বিষ্ণু কেন রামের অবতার গ্রহণ করেছিলেন?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;ভগবান রামের জন্ম সম্পর্কিত বিশ্বাসগুলিতে কর্কট লগ্ন এবং পুনর্বসু নক্ষত্রের উল্লেখ আছে। কর্কট লগ্ন সংবেদনশীলতা, করুণা এবং জনকল্যাণের মতো গুণাবলীর সাথে যুক্ত। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, সেই সময়ে পৃথিবীতে রাবণ এবং অন্যান্য অসুরদের অত্যাচার বেড়ে গিয়েছিল। এমনকি দেবতারাও রাবণের শক্তি ও অত্যাচারে চিন্তিত ছিলেন। এর পরে, দেব-দেবীগণ পৃথিবীকে অধর্ম ও অত্যাচার থেকে মুক্ত করার জন্য ভগবান বিষ্ণুর কাছে প্রার্থনা করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধর্ম প্রতিষ্ঠা এবং অধর্ম বিনাশ করার জন্য, ভগবান বিষ্ণু অযোধ্যার রাজা দশরথ এবং মাতা কৌশল্যার গৃহে রাম রূপে অবতার গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে, ভগবান রাম তাঁর জীবনে মর্যাদা, সত্য, ধর্ম এবং কর্তব্যের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেন এবং রাবণকে বধ করে অধর্মের অবসান ঘটান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাম এবং কৃষ্ণের জন্মসময়ের মধ্যে এত পার্থক্য কেন? ধর্মীয় ব্যাখ্যা অনুসারে, উভয় অবতারের জন্মসময় তাঁদের জীবন ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত। ভগবান রামের জন্ম হয়েছিল দিনের আলোয় এবং মধ্যাহ্নে, যা সত্য, ন্যায়পরায়ণতা এবং আলোর প্রতীক বলে মনে করা হয়। ভগবান কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল মধ্যরাতের অন্ধকারে, যা অধর্মের মাঝে ঐশ্বরিক আলোর আবির্ভাবের প্রতীক বলে মনে করা হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/krishna-and-ram-birth-time-why-ram-and-krishna-born-at-12-pm-and-12-am-unknown-story-behind-this/articleshow-lb54q86"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ganesh Chaturthi 2026: আর মাত্র কয়েক দিন! ১৪ সেপ্টেম্বর ঘরে আসছেন গণপতি বাপ্পা, রইল ২০২৬-এর গণেশ চতুর্থীর পূর্ণাঙ্গ নির্ঘণ্ট]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-ganpati-bappa-arrives-on-september-14-here-is-the-complete-schedule-for/articleshow-q1faf9m</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-ganpati-bappa-arrives-on-september-14-here-is-the-complete-schedule-for/articleshow-q1faf9m</guid>
            <pubDate>Tue, 25 Aug 2026 13:39:08 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Chaturthi 2026 চলতি বছরেও অতি শীঘ্রই ঘরে ঘরে শুরু হতে চলেছে গণপতি বাপ্পার আবাহন। শাস্ত্র ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে বিঘ্নহর্তার এই মহা উৎসব উদযাপিত হবে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k3gajdfyn88htxkpsh33npsc,imgname-fotojet--59--1756115842558.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Ganesh Chaturthi 2026: &lt;/strong&gt;আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা, তারপরই ঢাকের বোলে, ধূপ-ধুনোর গন্ধে মুখরিত হবে চারিদিক। আসছেন বিঘ্নহর্তা, সিদ্ধিদাতা গণপতি বাপ্পা। ভাদ্র মাস মানেই গণেশ বন্দনার মাস। দুর্গাপুজোর আগে এই উৎসবই বাঙালির মনে উৎসবের আমেজ নিয়ে আসে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চলতি বছরেও অতি শীঘ্রই ঘরে ঘরে শুরু হতে চলেছে গণপতি বাপ্পার আবাহন। শাস্ত্র ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে বিঘ্নহর্তার এই মহা উৎসব উদযাপিত হবে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী কবে?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকার গণনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থী পালিত হবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার (২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ)। এই দিন থেকেই শুরু হবে ১০ দিন ব্যাপী গণেশ উৎসব, যা ২৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার অনন্ত চতুর্দশীতে গণপতি বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে। মহারাষ্ট্রের লালবাগচা রাজা থেকে কলকাতার বিভিন্ন মণ্ডপে এখন থেকেই প্রস্তুতি।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;শুভ মুহূর্ত ও তিথি:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;পঞ্জিকা মতে, চতুর্থী তিথি শুরু হবে ১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাত ৯টা ১২ মিনিট থেকে এবং থাকবে ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্র মতে, মধ্যাহ্নকালে গণেশ পুজোই সবচেয়ে শুভ। কারণ, বিশ্বাস করা হয় ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থীর মধ্যাহ্নেই গণেশের জন্ম হয়েছিল। তাই ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা ০৫ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত থাকবে পুজোর প্রশস্ত সময়। এই সময়েই বাপ্পাকে স্থাপন করলে সবচেয়ে বেশি শুভ ফল মেলে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;পুজোর নিয়ম ও কেন এত বিশেষ এই দিন?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;গণেশ চতুর্থী শুধু একটি উৎসব নয়, এটি নতুন শুরুর প্রতীক। ব্যবসা, গৃহপ্রবেশ বা যে কোনো শুভ কাজের আগে গণেশ বন্দনা করাই রীতি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই দিনে বাপ্পাকে তাঁর প্রিয় ভোগ অর্পণ করার বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে: - মোদক: গণেশের সবচেয়ে প্রিয় খাবার। - দূর্বা ঘাস: ২১টি দূর্বা ঘাসের গোছা অর্পণ করলে বাপ্পা তুষ্ট হন। - লাল ফুল ও সিঁদুর: লাল রং গণেশের অত্যন্ত প্রিয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে নিষ্ঠা ভরে পুজো করলে জীবনের সমস্ত বিঘ্ন দূর হয়, বুদ্ধি ও সিদ্ধি লাভ হয় এবং ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। মুম্বই থেকে কলকাতা, মহারাষ্ট্র থেকে বাংলা - এখন সর্বত্রই এই উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-ganpati-bappa-arrives-on-september-14-here-is-the-complete-schedule-for/articleshow-q1faf9m"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026: শপিংমলে দুর্গাপুজোর স্বাদ নিতে চলুন সাউথ সিটি, রীতি মেনে মলে চলছে প্রথমবার পুজোর আয়োজন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/durga-puja-2026-kolkata-south-city-mall-authorites-to-start-durga-puja-on-this-year-anbmp/articleshow-qfhfv3r</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/durga-puja-2026-kolkata-south-city-mall-authorites-to-start-durga-puja-on-this-year-anbmp/articleshow-qfhfv3r</guid>
            <pubDate>Wed, 26 Aug 2026 09:09:04 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja 2026: দুর্গাপুজোয় এবার হোক ডেস্টিনেশন সাউথ সিটিমল। শপিংয়ের ফাঁকে কিংবা আড্ডার আসরে ঢুঁ মারতে পারবেন এই মলের দুর্গাপুজোয়। কী বলছেন মল কর্তৃপক্ষ? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k6w93bz2bjvpdjs778ewhxpn,imgname-thumb-1759738179554.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Durga Puja 2026: &lt;/strong&gt;রথযাত্রা শেষ মানেই ঢাকের পিঠে পড়ে গিয়েছে কাঠি। বছরভর পাঁচটাদিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকা বাঙালির কাউন্টডাউন শুরু। দুর্গা পুজোর আর হাতে গোনা মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগে এখন থেকেই কুমোরটুলিতে ব্যস্ততা তুঙ্গে। মৃণ্ময়ী মাকে চিন্ময়ী করার জন্য দিনরাত এক করে কাজ করছেন শিল্পীরা। তবে শুধু পাড়ার পুজো বা ক্লাব নয়। এবার শপিংমলেও মিলবে দুর্গাপুজোর আনন্দ। কারণ শহরের নামজাদা একটি শপিংমলে এবার আয়োজন করা হচ্ছে দুর্গাপুজোর। সেইমতো চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;কলকাতার কোন মলে হবে দুর্গাপুজো?&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;দুর্গাপুজো মানেই হৈ হুল্লোড়। পাঁচটা দিন পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে আনন্দে মেতে থাকেন সবাই। শহর থেকে মফস্বল আনাচে কানাচে দুর্গাপুজো হলেও এই প্রথম দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটি মলে আয়োজন করা হচ্ছে উমা আরাধনার। কলাবউ স্নান থেকে শুরু করে অষ্টমীর অঞ্জলী। পুরোহিত দিয়ে এখানে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শপিং মলের ডিরেক্টর দীপ বিশ্বাস। এই বিষয়ে তিনি জানান যে, বছরভর সাউথ সিটিতে মানুষের ভিড় থাকেই। কিন্তু সামাজিক মেলবন্ধনের সবচেয়ে বড় মঞ্চ তো দুর্গাপুজোই। খাওয়াদাওয়া, আড্ডার মাঝে যাতে সরাসরি পুজোর মেজাজে মেতে উঠতে পারেন আমজনতা, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত। অন্যান্য বার দুর্গাপুজোর সময় মা দুর্গার প্রতিকী ছবি ইনস্টল করা থাকে মলের সেন্টার পজিশনে। তবে এবার রীতিমতো মণ্ডপ করে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;শুরু দুর্গা প্রতিমা নির্মাণের কাজ:-&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;সাউথ সিটি মলের দুর্গাপুজোর প্রতিমা তৈরির বরাত পেয়েছেন শিল্পী শুভঙ্কর দত্ত। জানা গিয়েছে, তার হাতের ছোঁয়াতেই সেজে উঠবে সাউথ সিটি মলের দুর্গাপুজো। থিম হচ্ছে 'যাত্রা'। এই বিষয়ে মৃৎশিল্পী জানান, হাট থেকে শপিং মলের বিবর্তনের কাহিনি যেমন তাঁর ভাবনায় ফুটে উঠবে তেমনই আবার দুর্গাপুজোর সঙ্গে জড়িয়ে নানা অজানা লোকগাথাও হবে থিমসজ্জার অংশ। তবে শপিং মলে মণ্ডপ তৈরির অভিজ্ঞতা যে একেবারে ভিন্ন, সেকথাও জানালেন তিনি। বলেন, &quot;মাঠ কিংবা রাস্তায় মণ্ডপ সজ্জার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে শপিং মলে এই প্রথমবার। সেক্ষেত্রে মণ্ডপ তৈরির আগে ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করতে হয়েছে। যাতে কোনওরকমভাবে পুজোর সময় শপিং মলে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়। মণ্ডপের সুউচ্চ কাঠামো যাতে যেকোনও পরিস্থিতিতেই অটুট থাকে।&quot; সব মিলিয়ে দুর্গাপুজোর আর মাত্র ৫০ দিনও বাকি নেই। তাহলে আর কী এবার পুজোয় অন্য স্বাদ পেতে ঢুঁ মারতেই পারেন এই সাউথ সিটি মলে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/durga-puja-2026-kolkata-south-city-mall-authorites-to-start-durga-puja-on-this-year-anbmp/articleshow-qfhfv3r"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja: দুর্গা পুজোর মণ্ডপ চত্ত্বরে আমিষ খাবার আর নয়! কমিটিগুলিকে আর্জি VHP-র]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-pandal-non-veg-food-ban-vishwa-hindu-parishad-appeal-to-puja-committees-bsm/photoshow-rkyrexe</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-pandal-non-veg-food-ban-vishwa-hindu-parishad-appeal-to-puja-committees-bsm/photoshow-rkyrexe</guid>
            <pubDate>Fri, 28 Aug 2026 13:27:07 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;VHP Apple Durga Puja Committee: পুজো মণ্ডপ সংলগ্ন এলাকায় আমিষ খাবার বিক্রি নিয়ে বড় দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। মাতৃপ্রতিমার পবিত্রতা রক্ষায় কী বলছে সংগঠন, বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m13nnhkdjd9rq4e9h43nhe0a,imgname-gemini-generated-image-wfs182wfs182wfs1-1787903526509.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;VHP Apple Durga Puja Committee: পুজো মণ্ডপ সংলগ্ন এলাকায় আমিষ খাবার বিক্রি নিয়ে বড় দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। মাতৃপ্রতিমার পবিত্রতা রক্ষায় কী বলছে সংগঠন, বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। সেই সময় ভোজন রসিক বাঙালির খাওয়াদাওয়া আর ঘুরে বেড়ানোই মূল কাজ হয়ে দাঁড়়ায়। কিন্তু এবার দুর্গাপুজোর মণ্ডপ চত্বর সংলগ্ন এলাকায় আমিষ খাবার বিক্রি বন্ধ করার দাবি তুলল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। পুজো কমিটিগুলিকেও এই মর্মে আবেদন জানিয়েছে এই সংগঠন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সংগঠনের নেতাদের স্পষ্ট বক্তব্য, পুজোয় মাংস পুরোপুরি বন্ধ করার কথা তাঁরা বলছেন না। তবে মণ্ডপের আশেপাশে আমিষ খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।- এমনটাই আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মণ্ডপ ও প্রতিমার আশেপাশে যাতে কোনওভাবেই আমিষের ছোঁয়া না লাগে, সেটাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে। মণ্ডপ সংলগ্ন এলাকায় যাতে মাছ-মাংস-ডিম-এর মত আমিষ খাবারের ব্যবস্থা না থাকে সেই আর্জি জানিয়েছে সংগঠনটি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সংগঠনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য নির্গুণানন্দ বলেন, বাংলায় পুজো কখনওই সম্পূর্ণ নিরামিষ ছিল না, তবে প্রতিমার পবিত্রতা বজায় রাখা জরুরি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তাঁর বক্তব্য, আমিষ খাবার বিক্রি করতেই হলে তা মণ্ডপের বাইরে নির্দিষ্ট কোনও জায়গায় করতে হবে, যাতে তার অবশিষ্টাংশ মণ্ডপ চত্বরে না আসে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পুজো কমিটিগুলি পবিত্রতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে সংগঠনটি। কিন্তু ব্যবস্থা না নিলে সংগঠন নিজে থেকেই &lsquo;হস্তক্ষেপ&rsquo; করতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;এই স্লোগানকেও প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন ওই নেতা, তাঁর মতে হিন্দু সংস্কৃতি ও আবেগ পালনের দায়িত্ব শুধু সনাতনীদেরই।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তবে অন্য ধর্মের মানুষ পুজো প্যান্ডেলে আসতে পারেন বলেও জানিয়েছেন তিনি, তাঁর কথায় হিন্দু রীতিনীতি রক্ষার দায়িত্ব শুধু হিন্দুদেরই।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/durga-puja-pandal-non-veg-food-ban-vishwa-hindu-parishad-appeal-to-puja-committees-bsm/photoshow-rkyrexe"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vasuki Snake: শিবের গলায় সর্বদা এই সাপ কেন? জানুন বাসুকি নাগের আসল রহস্য]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/lord-shiva-and-vasuki-the-serpent-king-story-bpsb/photoshow-uminggq</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/lord-shiva-and-vasuki-the-serpent-king-story-bpsb/photoshow-uminggq</guid>
            <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 11:36:35 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মহাদেবের গলায় সাপ কেন থাকে, জানেন? শিবের গলায় নাগরাজ বাসুকির থাকার পিছনে রয়েছে সমুদ্র মন্থন, হলাহল বিষ এবং কদ্রুর অভিশাপের মতো অনেক আকর্ষণীয় পৌরাণিক কাহিনী। আসুন, সেইসব অজানা কথা জেনে নেওয়া যাক।]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m0wz7y5em4vx0f82cs7nvbtz,imgname-lord-shiva-1787678685356.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[মহাদেবের গলায় সাপ কেন থাকে, জানেন? শিবের গলায় নাগরাজ বাসুকির থাকার পিছনে রয়েছে সমুদ্র মন্থন, হলাহল বিষ এবং কদ্রুর অভিশাপের মতো অনেক আকর্ষণীয় পৌরাণিক কাহিনী। আসুন, সেইসব অজানা কথা জেনে নেওয়া যাক।&lt;img&gt;&lt;p&gt;শিব বললেই আমাদের মনে ভেসে ওঠে হাতে ত্রিশূল, কপালে তৃতীয় নয়ন, সারা গায়ে ছাই ভস্ম আর গলায় পেঁচিয়ে থাকা এক সাপ। কিন্তু মহাদেবের গলায় ওই সাপটি কেন থাকে? ওটা কিন্তু শুধু অলঙ্কার নয়। এর পিছনে রয়েছে এক বিরাট গল্প। ওই সাপের নাম বাসুকি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পুরাণ মতে, দেবতা ও অসুররা অমরত্বের জন্য ক্ষীরসাগর মন্থন করেন। মন্দর পর্বতকে মন্থন দণ্ড এবং নাগরাজ বাসুকিকে দড়ি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মন্থনের সময় উঠে আসা হলাহল বিষ পান করে শিব হন নীলকণ্ঠ। বলা হয়, বিষের জ্বালা কমাতে তিনি বাসুকিকে গলায় ধারণ করেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সমুদ্র মন্থনের সময় বাসুকির শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। এরপর তিনি শিবের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য কঠোর তপস্যা করেন। তাঁর ভক্তিতে তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে নিজের গলায় অলঙ্কার হিসেবে ধারণ করার বর দেন। সেই থেকে বাসুকি শিবের সঙ্গী।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;আরেকটি কাহিনী অনুসারে, সর্পমাতা কদ্রু তাঁর সন্তানদের যজ্ঞের আগুনে ভস্ম হওয়ার অভিশাপ দেন। এই অভিশাপ থেকে বাঁচতে বাসুকি শিবের শরণাপন্ন হন। মহাদেব তাঁকে রক্ষা করেন এবং নিজের গলায় স্থান দেন। ফলে বাসুকির উপর অভিশাপের কোনও প্রভাব পড়েনি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;শিবের গলার সাপ কেবল একটি গল্প নয়, এর আধ্যাত্মিক তাৎপর্যও গভীর। সাপের খোলস ত্যাগ পুনর্জন্মের প্রতীক। এর তিনটি প্যাঁচ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রতীক, যা শিবের নিয়ন্ত্রণে থাকা কালচক্রকে বোঝায়। এটি আমাদের শরীরের কুণ্ডলিনী শক্তিরও প্রতীক।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সাপ ভয়, বিষ ও মৃত্যুর প্রতীক। শিব এই ভয়ঙ্কর প্রাণীটিকে গলায় ধারণ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তিনি ভয় ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বে। পশুপতিনাথ হিসেবে তিনি সকল জীবের প্রতি সমান করুণা দেখান। তাই এই সাপ শুধু অলঙ্কার নয়, এটি শক্তি ও নির্ভীকতার প্রতীক।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/lord-shiva-and-vasuki-the-serpent-king-story-bpsb/photoshow-uminggq"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vastu Tips: এই জায়গায় নুন রাখবেন না একদম, কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/webstories/religion/vastu-shastra-rules-for-using-salt-at-home-bpsb-ym233ws</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/webstories/religion/vastu-shastra-rules-for-using-salt-at-home-bpsb-ym233ws</guid>
            <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 11:52:39 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;অনেকেই বাড়ির বা বাথরুমের নেগেটিভ এনার্জি দূর করতে নুন ব্যবহার করেন। কিন্তু জানেন কি, নুনকে দেবী লক্ষ্মীর রূপ বলে মনে করা হয়? তাই এর ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিত।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kt95k237tvb47ysma31zweht,imgname-food-2--1--1780571801703.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/webstories/religion/vastu-shastra-rules-for-using-salt-at-home-bpsb-ym233ws"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Lock Temple: এই মন্দিরে মনস্কামনা 'লক' করে আসেন ভক্তরা, পূরণ হলেই খোলেন তালা!]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/prayagraj-lock-temple-a-unique-shrine-for-wishes-bpsb/photoshow-ynp6bga</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/prayagraj-lock-temple-a-unique-shrine-for-wishes-bpsb/photoshow-ynp6bga</guid>
            <pubDate>Sat, 29 Aug 2026 11:24:28 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আমাদের দেশেই এমন এক মন্দির আছে যেখানে মানত করতে গেলে বাঁধতে হয় তালা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের এই মন্দিরে ভক্তরা আসেনই তালা ঝোলাতে। কেন? জেনে নিন।]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m15xa37hy64nnz2jg9bc2fa2,imgname-gemini-generated-image-xtfg24xtfg24xtfg-1787978648817.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[আমাদের দেশেই এমন এক মন্দির আছে যেখানে মানত করতে গেলে বাঁধতে হয় তালা। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের এই মন্দিরে ভক্তরা আসেনই তালা ঝোলাতে। কেন? জেনে নিন।&lt;img&gt;সাধারণত শিবমন্দিরে গেলে ঘণ্টার টুংটাং শব্দ শোনা যায়। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের শ্রী নাথেশ্বর মহাদেব মন্দিরে গেলে চোখে পড়বে হাজার হাজার তালা। তাই স্থানীয়রা ভালোবেসে এই মন্দিরকে 'তালে ওয়ালে মহাদেব' বলে ডাকেন।&lt;img&gt;ভক্তদের বিশ্বাস, এখানে তালা ঝোলালে মনস্কামনা পূরণ হয়। নতুন তালা কিনে এনে মন্দিরের রেলিং বা রডে নিজের ইচ্ছেটাকে 'লক' করে দেন তাঁরা। পরে ইচ্ছে পূরণ হলে আবার মন্দিরে এসে সেই তালা 'আনলক' করে খুলে নিয়ে যান। মন্দিরের মহন্তের মতে, এখানে প্রায় ৫০,০০০-এর বেশি তালা ঝুলছে। প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ নতুন তালা যোগ হয়।&lt;img&gt;প্রায় ৫০০ বছর আগে, মুঘল আমলে এই মন্দির তৈরি হয়েছিল বলে মনে করা হয়। মন্দিরের কিছু পুরনো পাথরে আরবি লিপির চিহ্নও দেখা যায়। মন্দিরটি মাটির প্রায় ৫ ফুট গভীরে তৈরি। এটি উত্তর ভারতের চিরাচরিত স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত। শুধু প্রয়াগরাজেই নয়, কানপুরের কালী মাতা মন্দিরেও ভক্তরা ঘণ্টার বদলে তালা ঝুলিয়ে মানত করেন।]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/prayagraj-lock-temple-a-unique-shrine-for-wishes-bpsb/photoshow-ynp6bga"/>
        </item>
    </channel>
</rss>
