<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="yes"?>
<rss xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" version="2.0">
    <channel>
        <title>Asianet News Bangla</title>
        <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
        <description><![CDATA[Bangla News - No.1 News channel in Kolkata, which delivers Local and International news in Bangla language.]]></description>
        <image>
            <url>https://static-assets.asianetnews.com/images/ogimages/OG_Bangla.jpg</url>
            <width>143</width>
            <height>100</height>
            <link>https://bangla.asianetnews.com</link>
            <title>Asianet News Bangla</title>
        </image>
        <lastBuildDate>Sun, 20 Sep 2026 14:01:13 +0530</lastBuildDate>
        <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/rss/religion" rel="self" type="application/rss+xml"/>
        <item>
            <title><![CDATA[Vishwakarma Puja 2026: বিশ্বকর্মা পুজোয় কেন ঘুড়ি ওড়ানো হয়? পিছনে আছে চমকে দেওয়া ইতিহাস ও বিজ্ঞান]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-2026-why-kite-flying-what-is-the-history-and-science-behind-that/articleshow-01bkfox</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-2026-why-kite-flying-what-is-the-history-and-science-behind-that/articleshow-01bkfox</guid>
            <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 22:02:38 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বিশ্বকর্মা পুজো আসলেই বাঙালির মনে একটাই ছবি ভাসে - সকাল থেকে কারখানায় পুজো, দুপুরে খিচুড়ি ভোগ আর বিকেল হলেই ছাদে ছাদে &quot;ভো-কাট্টা&quot; চিৎকার। কিন্তু যন্ত্রের দেবতা বিশ্বকর্মার সাথে ঘুড়ির সম্পর্কটা কোথায়? কেন এই দিনেই ঘুড়ি ওড়ানোর রেওয়াজ?&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2r3ck0fzh9gddj3kxgtm0zr,imgname-asianet-bangla-thump---2026-09-17t220151.972-1789662743566.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিশ্বকর্মা পুজো আসলেই বাঙালির মনে একটাই ছবি ভাসে - সকাল থেকে কারখানায় পুজো, দুপুরে খিচুড়ি ভোগ আর বিকেল হলেই ছাদে ছাদে &quot;ভো-কাট্টা&quot; চিৎকার। কিন্তু যন্ত্রের দেবতা বিশ্বকর্মার সাথে ঘুড়ির সম্পর্কটা কোথায়? কেন এই দিনেই ঘুড়ি ওড়ানোর রেওয়াজ?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আসলে এর পিছনে ৩টি বড় কারণ আছে&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;১. পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক কারণ:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বলা হয়, বিশ্বকর্মা দেবতা নিজে ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারিগর ও স্থপতি। তিনি দেবতাদের জন্য অস্ত্র, প্রাসাদ সব বানাতেন। ঘুড়ি বানানো এবং ওড়ানোও এক ধরনের কারিগরি শিল্প। নিখুঁত ভাবে ঘুড়ি বানানো, সুতোয় মাঞ্জা দেওয়া, হাওয়ার গতিবেগ বুঝে ঘুড়ি ওড়ানো - এর মধ্যেও কারিগরির ছাপ আছে। তাই বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে নিজের হাতের কারিগরি দক্ষতা আকাশে তুলে ধরে দেবতাকে সম্মান জানান শ্রমিক ও কারিগররা। এটা অনেকটা দেবতাকে নিজের কাজ দেখানোর মতো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আবার অনেক ইতিহাসবিদ বলেন, আগে এই সময়েই জমিদাররা কারখানার শ্রমিকদের একদিনের ছুটি দিতেন। সারাবছর যন্ত্রের সাথে থাকা মানুষগুলো এই একটা দিন আনন্দ করতেন ঘুড়ি উড়িয়ে। সেই থেকেই এটি উৎসবে পরিণত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;২. বৈজ্ঞানিক ও ঋতু পরিবর্তনের কারণ:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই কারণটি সবচেয়ে চমকপ্রদ। বিশ্বকর্মা পুজো হয় ভাদ্র মাসের শেষে, যখন বর্ষা বিদায় নেয় এবং শরৎ আসে। এই সময় আকাশ পরিষ্কার থাকে, হাওয়ার গতিবেগ ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য একেবারে আদর্শ থাকে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আয়ুর্বেদ মতে, বর্ষার পর শরীরে নানা রোগ বাসা বাঁধে। এই সময় রোদে দাঁড়িয়ে ঘুড়ি ওড়ালে শরীরে ভিটামিন D প্রবেশ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাই আমাদের পূর্বপুরুষরা আনন্দের ছলে শরীর সুস্থ রাখার এই উপায় বের করেছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;৩. বার্তা পাঠানোর প্রতীক:&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আগেকার দিনে মনে করা হত, ঘুড়ি যত উপরে উঠবে, তত দেবতাদের কাছে আমাদের প্রার্থনা তাড়াতাড়ি পৌঁছাবে। বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে ঘুড়ি উড়িয়ে শ্রমিকরা দেবতার কাছে তাদের ভালো থাকার, কারখানার সমৃদ্ধির প্রার্থনা জানাতেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তাই বিশ্বকর্মা পুজোর ঘুড়ি ওড়ানো শুধু একটা খেলা নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, বিজ্ঞান এবং আবেগের এক সুন্দর মিশেল। এবার ঘুড়ি ওড়ানোর সময় এই ইতিহাসটা মনে পড়লে আনন্দটা আরও বেড়ে যাবে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Sanjoy Patra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-2026-why-kite-flying-what-is-the-history-and-science-behind-that/articleshow-01bkfox"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Unique Temples: কোথাও ভোগে বিরিয়ানি, কোথাও মদ! রইল ভারতের আশ্চর্য কিছু মন্দিরের হদিশ]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/indian-temples-with-non-vegetarian-and-alcohol-offerings-bpsb/photoshow-4fc6gf6</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/indian-temples-with-non-vegetarian-and-alcohol-offerings-bpsb/photoshow-4fc6gf6</guid>
            <pubDate>Sat, 12 Sep 2026 00:12:10 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সাধারণত মন্দিরে দেবতাকে নিরামিষ ভোগই দেওয়া হয়। কিন্তু ভারতের এমন কিছু মন্দির আছে, যেখানে দেবতাকে মদ, মাংস বা মাছ ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয়। সেই প্রসাদই ভক্তদেরও দেওয়া হয়। আসুন, জেনে নেওয়া যাক এমনই কিছু মন্দিরের কথা।]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m27xea88pqc7gfj7akk9q7cx,imgname-temple-1789119637767.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[সাধারণত মন্দিরে দেবতাকে নিরামিষ ভোগই দেওয়া হয়। কিন্তু ভারতের এমন কিছু মন্দির আছে, যেখানে দেবতাকে মদ, মাংস বা মাছ ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয়। সেই প্রসাদই ভক্তদেরও দেওয়া হয়। আসুন, জেনে নেওয়া যাক এমনই কিছু মন্দিরের কথা।&lt;img&gt;&lt;p&gt;দেবতাদের কি আমিষ ভোগ দেওয়া যায়? এই নিয়ে এখন জোর বিতর্ক চলছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে এসে আধ্যাত্মিক গুরু বাগেশ্বর বাবা (ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ গর্গ) বলেন, দুর্গাপূজার সময় হিন্দুদের আমিষ খাওয়া উচিত নয়। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। কারণ, বাঙালিরা দুর্গাপূজার সময় দেবীকে মাছ ও অন্যান্য আমিষ ভোগ দেন এবং প্রসাদ হিসেবেও তাই খান।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাগেশ্বর বাবার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে টিএমসি, কংগ্রেস এবং এমনকি বিজেপিও। শুধু বাংলাতেই নয়, দেশের আরও অনেক মন্দিরে দেবতাকে আমিষ ভোগ দেওয়ার রীতি আছে। শক্তিপীঠ, তান্ত্রিক মন্দির বা বিভিন্ন গ্রাম্য দেবতার মন্দিরে ছাগল, মুরগি বলি দিয়ে সেই মাংস ভোগ হিসেবে দেওয়া হয়। তেলেঙ্গানাতেও গ্রাম্য দেবতাকে মাংস ও তাড়ি দেওয়ার প্রথা আছে। চলুন, দেশের এমন কিছু বিশেষ মন্দির সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ভারতের সব মন্দিরে কিন্তু একই রকম ভোগ দেওয়া হয় না। বেশিরভাগ মন্দিরে ফল, মিষ্টি বা নিরামিষ খাবার প্রসাদ হিসেবে দেওয়া হলেও কিছু শক্তিপীঠ, তান্ত্রিক মন্দির এবং গ্রাম্য দেবতার মন্দিরে মাছ, মাংস এমনকি মদও ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কামাক্ষ্যা মন্দিরে পশু বলি: অসমের বিখ্যাত শক্তিপীঠ কামাক্ষ্যা মন্দির তন্ত্র সাধনার জন্য পরিচিত। এখানে কিছু বিশেষ পূজায় পশু বলি দেওয়ার প্রথা রয়েছে। এই মন্দিরের পূজার পদ্ধতি শক্তি ও তান্ত্রিক ঐতিহ্যের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে জড়িত।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পশ্চিমবঙ্গের তারাপীঠে তারা দেবীকে মাছ এবং ছাগলের মাংস ভোগ দেওয়া হয়। কিছু তান্ত্রিক পূজায় মদও নিবেদন করা হয়। একইভাবে, কলকাতার কালীঘাট মন্দিরেও পশু বলি কিছু পূজার ঐতিহাসিক অংশ। তবে এখানে নিরামিষ ভোগও দেওয়া হয়। সম্প্রতি কৌশিকী অমাবস্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কালীঘাট মন্দিরে যান এবং মায়ের 'ভোগ' (মাছের মাথা ও ভাজা মাছ দিয়ে তৈরি পদ) প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করেন। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কলকাতার আরেক বিখ্যাত মন্দির দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে ভবতারিণী দেবীকে মাছের ঝোল ভোগ দেওয়া হয়। কিন্তু বাংলার অন্যান্য কালী মন্দিরের মতো এখানে পশু বলি হয় না। এতেই বোঝা যায়, একই অঞ্চলের মন্দিরেও আচারের ভিন্নতা থাকে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পুরীর বিমলা মন্দির: ওড়িশার পুরী জগন্নাথ মন্দির চত্বরে অবস্থিত বিমলা মন্দির একটি শক্তিপীঠ। এখানে বিশেষ অনুষ্ঠানে দেবীকে মাছ ও ছাগলের মাংস ভোগ দেওয়া হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুনিয়ান্ডি স্বামী মন্দির: তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের কাছে মুনিয়ান্ডি স্বামী মন্দিরের বার্ষিক উৎসব খুব বিখ্যাত। এখানে চিকেন ও মটন বিরিয়ানি রান্না করে ভক্তদের প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মুত্তাপ্পান মন্দির: কেরালার এই মন্দিরে দেবতাকে শুকনো মাছ এবং স্থানীয় তাড়ি (kallu) নিবেদন করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কাল ভৈরব মন্দির: মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর কাল ভৈরব মন্দিরে দেবতাকে মদ উৎসর্গ করার প্রথা খুব জনপ্রিয়। বারাণসীর কাল ভৈরব পূজাতেও এমন বিচিত্র ভোগের উল্লেখ আছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;যদিও কিছু বেদে পশু বলির উল্লেখ আছে, তবে আমিষ ভোজনই হিন্দু ধর্মের একমাত্র ঐতিহ্য নয়। অঞ্চল, সমাজ, দেবতা এবং স্থানীয় সংস্কৃতি অনুসারে হিন্দু ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন হয়। তাই এই মন্দিরগুলির প্রথাকে পুরো হিন্দু ধর্মের ওপর না চাপিয়ে, আমাদের দেশের বিশাল সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের একটি অংশ হিসেবে দেখাই সঠিক।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/indian-temples-with-non-vegetarian-and-alcohol-offerings-bpsb/photoshow-4fc6gf6"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026:  ২০২৬ সালের দুই পঞ্জিকা মতে মহালয়া থেকে দুর্গা ও লক্ষ্মী পুজা পর্যন্ত দিনক্ষণ, দেখে নিন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-date-and-time-mahalaya-kojagari-lakshmi-puja-durga-puja-date-and-time-check-this/photoshow-5bic6d6</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-date-and-time-mahalaya-kojagari-lakshmi-puja-durga-puja-date-and-time-check-this/photoshow-5bic6d6</guid>
            <pubDate>Sat, 19 Sep 2026 13:30:58 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja 2026: ২০২৬ সালের মহালয়া থেকে শুরু করে দুর্গাপূজা ও কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার নির্ঘণ্ট দেওয়া হল। এই প্রতিবেদনে সূর্যসিদ্ধান্ত ভিত্তিক প্রাচীন পঞ্জিকা ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী মহালয়া থেকে দশমী পর্যন্ত পূজার সময়সূচি দেওয়া হল।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2waqdmcrm1dpy5yhkk26bfb,imgname-durga-puja-2026-1789804656268.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja 2026: ২০২৬ সালের মহালয়া থেকে শুরু করে দুর্গাপূজা ও কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার নির্ঘণ্ট দেওয়া হল। এই প্রতিবেদনে সূর্যসিদ্ধান্ত ভিত্তিক প্রাচীন পঞ্জিকা ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী মহালয়া থেকে দশমী পর্যন্ত পূজার সময়সূচি দেওয়া হল।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Durga Puja 2026:&lt;/strong&gt; দেবী দুর্গা আসছেন! ইতিমধ্যেই পুজো পুজো গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে চারিদেক। শপিং থেকে প্যান্ডেল হপিং-এর প্ল্যান শুরু হয়ে গিয়েছে। এই একটি বিষয়ে বাঙালির আবেগ সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে থাকে। সারা বছর পরিবার ছেড়ে বিদেশে থাকা মানুষটিও, এই বিশেষ সময়ে পরিবারের সঙ্গে কাটানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যান।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;দেবীর আগমণ বলে কথা, এই সময়টাই তো পরিবারের সঙ্গে আনন্দে মেতে থাকারই বিশেষ উৎসব। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পূজা। ২০২৬ সালের বিশেষ এই দিনের অপেক্ষা কবে শেষ হচ্ছে দেখে নিন এক নজরে। এই বছর শারদীয় দুর্গোৎসব ও কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার নির্ঘণ্ট পঞ্জিকাভেদে কিছুটা ভিন্ন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;সনাতন ধর্মে উৎসবের তিথি নির্ধারণে দুটি প্রধান পঞ্জিকা অনুসরণ করা হয়&mdash;সূর্যসিদ্ধান্ত ভিত্তিক প্রাচীন পঞ্জিকা (যেমন: বেনীমাধব শীল) এবং দৃশ্যসিদ্ধান্ত ভিত্তিক বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা, যা বেলুড় মঠ অনুসরণ করে। ২০২৬ সালের মহালয়া, দেবীপক্ষ, দুর্গাপূজা থেকে লক্ষ্মী পূজা পর্যন্ত দুই পঞ্জিকার বিস্তারিত সময়সূচি ও তাত্ত্বিক পার্থক্যের প্রতিবেদন নিচে দেওয়া-&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;উৎসবের দিন ও তিথি বেনীমাধব শীলের পঞ্জিকা মতে (প্রাচীন ও সূর্যসিদ্ধান্ত মতো), বেলুড় মঠের নির্ঘণ্ট (বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মত),&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মহালয়া (পিতৃপক্ষ সমাপ্ত ও দেবীপক্ষ শুরু)- ১০ অক্টোবর, শনিবার। ভোর থেকে তর্পণ শুরু। অমাবস্যা তিথি নির্দিষ্ট নিয়মে পালিত হবে। ১০ অক্টোবর, শনিবার। ভোর থেকে ঐতিহ্যগত তর্পণ শুরু এবং দেবীপক্ষের সূচনা।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহা ষষ্ঠী (বিল্ববরণ ও অধিবাস)- ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার। সায়ংকালে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার। সায়াহ্নে কল্পারম্ভ ও দেবীর বোধন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহা সপ্তমী- ১৭ অক্টোবর, শনিবার। সূর্যোদয়ের পর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন ও বিহিত পূজা (সময়: সকাল ৭:৪১ - ১০:০৩)। ১৮ অক্টোবর, রবিবার। ভোর ৫:৩০ মিনিটে সপ্তমী পূজা শুরু হবে। তিথির গণনানুসারে এই দিন মূল পূজা।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহা অষ্টমী- ১৮ অক্টোবর, রবিবার। মহাষ্টমী বিহিত পূজা ও অঞ্জলি প্রদান। ১৯ অক্টোবর, সোমবার। ভোর ৫:৩০ মিনিটে পূজা শুরু এবং সকাল ৯:০০ টায় বিখ্যাত কুমারী পূজা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সন্ধি পূজা (অষ্টমী ও নবমীর সংযোগ)- ১৮ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ১৯ অক্টোবর ভোরের মধ্যে (পঞ্জিকার গণনানুসারে সূর্যোদয়ের তারতম্যে এটি নির্ধারিত)। ১৯ অক্টোবর, সোমবার। সকাল ১০:২৮ মিনিট থেকে ১১:১৬ মিনিট পর্যন্ত।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;মহা নবমী- ১৯ অক্টোবর, সোমবার। নবমী বিহিত পূজা, নবমী যজ্ঞ ও আরতি। ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার। নবমী বিহিত পূজা এবং দেবীর উদ্দেশ্যে বিশেষ হোম ও যজ্ঞ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিজয়া দশমী- ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার। দর্পণ বিসর্জন ও সিঁদুর খেলা। ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার সায়ংকালে দেবীর বিসর্জন ritual ও শান্তির জল গ্রহণ। কিছু তিথি ভেদে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত এর রেশ থাকবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা- ২৪ অক্টোবর, শনিবার। সন্ধ্যা থেকে কোজাগরী ব্রত ও নিশিপালন। ২৫ অক্টোবর, রবিবার। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে পূর্ণিমা তিথির ব্যাপ্তি অনুযায়ী নিশিপালন ও পূজা।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তিথির গণনাগত পার্থক্য ও দিনের তারতম্য: বেনীমাধব শীল (সূর্যসিদ্ধান্ত): প্রাচীন সূর্যসিদ্ধান্তের গণনায় দৃশ্যমান গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানের চেয়ে গাণিতিক গড় হিসাবকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। এর ফলে তিথি ও নক্ষত্র সাধারণত ১ দিন এগিয়ে থাকে। ২০২৬ সালে ১৭ অক্টোবর সপ্তমী এবং ১৮ অক্টোবর অষ্টমী পালিত হবে এই পঞ্জিকা মতে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;আধুনিক দৃশ্যসিদ্ধান্ত বা মহাকাশে গ্রহের প্রকৃত দৃশ্যমান অবস্থান ধরে এই পঞ্জিকা তৈরি হয়। স্বামী বিবেকানন্দের অনুমোদনে বেলুড় মঠ শুরু থেকেই বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মেনে পূজা করে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;২০২৬ সালের তিথির ব্যাপ্তি অনুযায়ী, মঠের দুর্গাপূজার মূল দিনগুলি যথাক্রমে ১৮, ১৯ ও ২০ অক্টোবর (সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।২. সন্ধি পূজার গুরুত্ব:অষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট এবং নবমী তিথির প্রথম ২৪ মিনিট&mdash;এই মোট ৪৮ মিনিটকে সন্ধিক্ষণ বলা হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বেলুড় মঠে এই ক্ষণটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ১৯ অক্টোবর সকাল ১০:২৮ থেকে ১১:১৬ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। বেনীমাধব শীলের অনুসারী পূজা মণ্ডপগুলোতে এই সময়টি ১৮ অক্টোবরের শেষভাগ থেকে ১৯ অক্টোবরের শুরুর অংশে পড়বে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পূর্ণিমা তিথিতে নিশিপালনের (রাতে জেগে লক্ষ্মী আরাধনা) ওপর ভিত্তি করে কোজাগরী পূজা হয়। বেনীমাধব শীল মতে ২৪ অক্টোবর শনিবার রাতে পূর্ণিমা পাওয়ার কারণে ঐ দিনই পূজা হবে। অন্যদিকে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে পূর্ণিমার ব্যাপ্তি ২৫ অক্টোবর রবিবার রাতে থাকায় বেলুড় মঠ ও তার অনুসারীগণ রবিবার লক্ষ্মী পূজা উদযাপন করবেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/durga-puja-2026-date-and-time-mahalaya-kojagari-lakshmi-puja-durga-puja-date-and-time-check-this/photoshow-5bic6d6"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Bageshwar Baba Net Worth: কত সম্পত্তির মালিক বাগেশ্বর বাবা? কোটি কোটি টাকার দাবির নেপথ্যে কতটা সত্য]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/bageshwar-baba-net-worth-how-much-property-does-dhirendra-krishna-shastri-really-own-bpsb/photoshow-7lmx9e5</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/bageshwar-baba-net-worth-how-much-property-does-dhirendra-krishna-shastri-really-own-bpsb/photoshow-7lmx9e5</guid>
            <pubDate>Sat, 12 Sep 2026 19:24:18 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;বাগেশ্বর ধামের প্রধান পুরোহিত ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী, যিনি &lsquo;বাগেশ্বর বাবা&rsquo; নামেই বেশি পরিচিত। তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য ঘিরে যেমন বিপুল জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছে, তেমনই তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক। এরই মধ্যে সামনে এসেছে একটি প্রশ্ন&mdash;কত সম্পত্তির মালিক ধীরেন্দ্র?&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2awas6mjftjxh5rg2wej4yn,imgname-chatgpt-image-sep-12--2026--06-48-04-pm-1789219136724.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বাগেশ্বর ধামের প্রধান পুরোহিত ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী, যিনি &lsquo;বাগেশ্বর বাবা&rsquo; নামেই বেশি পরিচিত। তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য ঘিরে যেমন বিপুল জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছে, তেমনই তৈরি হয়েছে নানা বিতর্ক। এরই মধ্যে সামনে এসেছে একটি প্রশ্ন&mdash;কত সম্পত্তির মালিক ধীরেন্দ্র?&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;দুর্গাপুজোর আগে বাংলায় নতুন করে শুরু হয়েছে আমিষ বনাম নিরামিষ বিতর্ক। বাগেশ্বর ধামের প্রধান পুরোহিত Dhirendra Krishna Shastri ওরফে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। হাওড়ার লিলুয়ায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তিনি দুর্গাপুজোর মণ্ডপের আশপাশে আমিষ খাবার বিক্রি না করার আবেদন জানান।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;নবরাত্রির সময়ে আমিষ খাবার বিক্রি বা খাওয়ার সঙ্গে যুক্ত জায়গা ও ব্যক্তিদের বয়কটের কথাও বলেন তিনি। তাঁর মন্তব্যের পরেই বাংলার খাদ্যাভ্যাস, ধর্মীয় রীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইন্টারনেটে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ নিয়ে কোটি কোটি টাকার নানা দাবি রয়েছে। কিছু ওয়েবসাইট ও মিডিয়া রিপোর্টে তাঁর মোট সম্পত্তির মূল্য প্রায় ১৯ থেকে ২০ কোটি টাকা বলে দাবি করা হয়েছে। কোথাও আবার এর চেয়েও বেশি অঙ্কের উল্লেখ পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই দাবিগুলির কোনওটিকেই তাঁর নির্ভরযোগ্য audited financial statement বা সরকারি সম্পত্তির হিসাব দিয়ে নিশ্চিত করা যায় না।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;১৯&ndash;২০ কোটি টাকার দাবি কতটা সত্য?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর &lsquo;নেট ওয়ার্থ&rsquo; নিয়ে যে ১৯&ndash;২০ কোটি টাকার অঙ্কটি বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করে, সেটিকে মূলত media estimate হিসেবেই দেখা উচিত। অর্থাৎ, এই অঙ্ক তাঁর নিশ্চিত ব্যক্তিগত সম্পত্তির সরকারি হিসাব নয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কোনও ব্যক্তির প্রকৃত সম্পত্তি নির্ধারণ করতে হলে তাঁর নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক আয়, সংস্থার আর্থিক হিসাব, কর সংক্রান্ত তথ্য-সহ একাধিক নির্ভরযোগ্য নথি প্রয়োজন। ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর ক্ষেত্রে এমন পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ্য হিসাব না থাকায় নির্দিষ্ট অঙ্ককে চূড়ান্ত বলে দাবি করা ঠিক নয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কোথা থেকে আসে তাঁর বিপুল আয়ের আলোচনা?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর জনপ্রিয়তার অন্যতম বড় কারণ তাঁর ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং &lsquo;দিব্য দরবার&rsquo;। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মানুষ জমায়েত হন। বাগেশ্বর ধামকে কেন্দ্র করেও তৈরি হয়েছে বড় পরিসরের ধর্মীয় পরিকাঠামো।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;২০২৩ সালে India Today-এর একটি প্রতিবেদনে বাগেশ্বর ধামকে ঘিরে ভক্তদের আনাগোনা, দর্শনের জন্য টোকেন ব্যবস্থা এবং স্থানীয় এলাকায় তৈরি হওয়া বিভিন্ন পরিষেবার কথা উঠে এসেছিল। ফলে বাগেশ্বর ধামকে ঘিরে আর্থিক লেনদেন ও আয়ের পরিমাণ নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তবে বাগেশ্বর ধামকে ঘিরে কোনও আর্থিক কার্যকলাপ থাকলেই তার পুরোটাকে ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলা যায় না। ব্যক্তি, মন্দির বা সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব আলাদা বিষয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;জনপ্রিয়তা যত বেড়েছে, সম্পত্তি নিয়ে জল্পনাও তত&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর জাতীয় পরিচিতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, আয়, গাড়ি, বাড়ি এবং জীবনযাপন নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা দাবি ছড়িয়েছে। এর মধ্যে কিছু দাবি যাচাইযোগ্য নথি ছাড়াই প্রকাশিত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তাই বর্তমানে সবচেয়ে নিরাপদ তথ্য হল&mdash;ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর প্রকৃত ব্যক্তিগত নেট ওয়ার্থ প্রকাশ্যে নিশ্চিত নয়। ১৯&ndash;২০ কোটি টাকার যে অঙ্কটি বিভিন্ন জায়গায় উল্লেখ করা হয়, সেটি নিশ্চিত সরকারি হিসাব নয়, বরং বিভিন্ন সূত্রের আনুমানিক দাবি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;অর্থাৎ, বাগেশ্বর বাবার জনপ্রিয়তা ও বিপুল জনসমাগম নিয়ে প্রশ্ন কম থাকলেও ঠিক কত কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক তিনি&mdash;তার নির্ভরযোগ্য উত্তর এখনও প্রকাশ্যে নেই।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/bageshwar-baba-net-worth-how-much-property-does-dhirendra-krishna-shastri-really-own-bpsb/photoshow-7lmx9e5"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ganesh Chaturthi 2026: পরিবেশ বাঁচিয়ে বাপ্পার আরাধনা, রইল ঘর সাজানোর ১০টি সহজ উপায়]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/astrology/ganesh-chaturthi-2026-10-easy-eco-friendly-ganpati-decoration-ideas-for-2026-anbmp/photoshow-7rmzz96</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/astrology/ganesh-chaturthi-2026-10-easy-eco-friendly-ganpati-decoration-ideas-for-2026-anbmp/photoshow-7rmzz96</guid>
            <pubDate>Thu, 10 Sep 2026 19:49:45 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Chaturthi 2026: ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর জন্য পরিবেশ-বান্ধব সাজার আইডিয়া খুঁজছেন? ফুল, পাতা, পুরনো কাগজ, কাপড়, গাছ, মাটি আর প্রাকৃতিক ফাইবার ব্যবহার করে বাপ্পার পুজোর জায়গা সাজিয়ে তোলার ১০টি দারুণ উপায় দেখে নিন।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m229c6nhpthfvgnq44vkmz62,imgname-ganesh-decor-1-1788930824881.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Chaturthi 2026: ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর জন্য পরিবেশ-বান্ধব সাজার আইডিয়া খুঁজছেন? ফুল, পাতা, পুরনো কাগজ, কাপড়, গাছ, মাটি আর প্রাকৃতিক ফাইবার ব্যবহার করে বাপ্পার পুজোর জায়গা সাজিয়ে তোলার ১০টি দারুণ উপায় দেখে নিন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;গণেশ চতুর্থী মানেই ভক্তি, রঙ আর সৃজনশীলতার উৎসব। কিন্তু তার মানে এই নয় যে বাপ্পার আরাধনার পর একগাদা আবর্জনা তৈরি হবে। ২০২৬ সালে আপনিও প্লাস্টিকের বদলে প্রাকৃতিক, পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস দিয়ে পরিবেশবান্ধব উপায়ে আপনার পুজোর জায়গা সাজাতে পারেন। রঙিন ফুল, কলাপাতা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, মাটির প্রদীপ বা হাতে তৈরি কাগজের সাজ&mdash;এখানে পরিবেশবান্ধব গণেশ সজ্জার ১০টি আইডিয়া দেওয়া হল।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পাট, বাঁশ, নারকেলের ছোবড়া বা শুকনো ঘাস দিয়ে মণ্ডপের বর্ডার, দেওয়ালের সজ্জা তৈরি করতে পারেন। এই জিনিসগুলো সাজসজ্জায় একটা মাটির টান আনে, যা ফুল বা মাটির সজ্জার সঙ্গে দারুণ মানায়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাড়িতে থাকা পুরনো খবরের কাগজ বা বাতিল কাগজ দিয়ে সহজেই পদ্ম বা অন্য ধরনের ফুল বানিয়ে ফেলতে পারেন। এটি একদিকে যেমন সস্তার সজ্জা, তেমনই পরিবারের সবাই মিলে করার জন্য একটি দারুণ DIY প্রজেক্ট হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;টবে রাখা গাছ গণপতি মণ্ডপে একটা তাজা ভাব এনে দেবে। মণ্ডপের চারপাশে এই গাছগুলো রাখুন এবং উৎসবের পরেও এদের যত্ন নিন। এগুলোকে একবার ব্যবহার করার জিনিস হিসেবে দেখবেন না। '&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;প্রবেশদ্বার বা পুজোর ঘর সাজাতে পারেন ঐতিহ্যবাহী আমের পল্লব বা তোরণ দিয়ে। এর সঙ্গে ফুল বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাপড়ের ব্যাকড্রপ জুড়ে দিলে একটা সাবেকিয়ানার ছোঁয়া আসবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;ঐতিহ্যবাহী মাটির প্রদীপ আপনার গণপতি মণ্ডপের সাজে একটা উষ্ণতা এনে দেবে এবং প্রাকৃতিক থিমও বজায় রাখবে। মণ্ডপের চারপাশে সাবধানে এগুলো ব্যবহার করুন, যা পরে অন্য অনুষ্ঠানেও কাজে লাগবে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;পুরনো কার্ডবোর্ডের বাক্স দিয়ে খিলান, মন্দির বা তারার মতো কাট-আউট তৈরি করতে পারেন। মণ্ডপের ব্যাকড্রপ হিসেবেও এই কার্ডবোর্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;টেরাকোটার পাত্র, মাটির জিনিস দিয়ে সাজালে গণপতির সজ্জায় একটা সাবেকি ভাব আসবে। এই ধরনের অনেক জিনিসই পরে ঘরের কাজে বা অন্য সাজসজ্জায় ব্যবহার করা যায়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;গাঁদা এবং জুঁই ফুল গণপতির সজ্জায় সঙ্গে সঙ্গে একটা রঙিন ছোঁয়া এনে দেয়। এগুলো দিয়ে ফুলের মালা, বর্ডার বা ব্যাকড্রপ তৈরি করতে পারেন। উৎসব শেষ হলে এই ফুলগুলো আবর্জনা হিসেবে ফেলে না দিয়ে কম্পোস্ট সারে ব্যবহার করা যায়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;বাড়িতে কি পুরনো শাড়ি বা ওড়না পড়ে আছে? তাহলে সেটাকেই ব্যাকড্রপ হিসেবে ব্যবহার করে মণ্ডপ সাজিয়ে তুলুন। এগুলো মণ্ডপে সুন্দর করে ড্রেপ করা যায় এবং পরে ধুয়ে আবার ব্যবহারও করা যায়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কলাপাতা আপনার মণ্ডপের সাজে সঙ্গে সঙ্গে একটা সাবেকি ছোঁয়া এনে দেবে। মূর্তির চারপাশে এগুলো সাজিয়ে রাখতে পারেন বা থার্মোকল/প্লাস্টিকের বদলে ব্যাকড্রপ বানাতে পারেন। সামান্য খরচে পরিবেশবান্ধব গণপতি সজ্জা তৈরি করা সম্ভব। ফুল, পাতা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাপড়, কাগজ, গাছ, মাটি এবং ফাইবার ব্যবহার করে দারুণ সজ্জা তৈরি হয়, যা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাবও কমায়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/astrology/ganesh-chaturthi-2026-10-easy-eco-friendly-ganpati-decoration-ideas-for-2026-anbmp/photoshow-7rmzz96"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ছাদের কার্নিশে বা জলের ট্যাঙ্কে বট-অশ্বত্থের চারা? ভুলেও টেনে তুলবেন না, দেওয়াল না ভেঙে গাছ কাটার উপায়]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/how-to-remove-peepal-trees-from-wall-roof-or-water-tank-without-damage/articleshow-8l1elif</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/how-to-remove-peepal-trees-from-wall-roof-or-water-tank-without-damage/articleshow-8l1elif</guid>
            <pubDate>Sun, 20 Sep 2026 13:23:32 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;ছাদে, জলের ট্যাঙ্কে বা দেওয়ালের ফাটলে বট-অশ্বত্থের চারা দেখলেই টেনে তুলে ফেলেন? এতে দেওয়ালের আরও বেশি ক্ষতি হয়। জেনে নিন ক্ষতি না করে গাছ মারার সঠিক উপায়।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kypfk70n75210aggstzgkzz7,imgname-banyan-tree-1785313467413.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Banyan Tree: ছাদে, জলের ট্যাঙ্কে বা দেওয়ালের ফাটলে বট-অশ্বত্থের চারা দেখলেই টেনে তুলে ফেলেন? এতে দেওয়ালের আরও বেশি ক্ষতি হয়। জেনে নিন ক্ষতি না করে গাছ মারার সঠিক উপায়। বর্ষাকাল এলেই ছাদে, কার্নিশে, জলের ট্যাঙ্কের গায়ে বা দেওয়ালের ফাটলে ছোট ছোট বট বা অশ্বত্থের চারা গজাতে দেখা যায়। পাখির বিষ্ঠা থেকেই মূলত এই বীজ আসে। প্রথমে দেখতে ছোট মনে হলেও এই গাছকে অবহেলা করলে বিপদ। এর শিকড় খুব দ্রুত দেওয়ালের ভেতরে ঢুকে যায়, প্লাস্টার ফাটিয়ে দেয়, জল লিক করে এবং পুরো বাড়ির কাঠামো দুর্বল করে দেয়। অনেকেই ভুল করে গাছটি টেনে তুলে ফেলেন, এতে শিকড় ভেতরেই থেকে যায় এবং ফাটল আরও বড় হয়। তাই টেনে তোলা নয়, গোড়া থেকে মারাই হল আসল সমাধান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. টেনে তুলবেন না, কেটে ফেলুন: যদি গাছটি খুব ছোট হয়, ১-২ ইঞ্চি, তখনই হাত দিয়ে তুলে ফেলা যায়। কিন্তু গাছ একটু বড় হয়ে গেলে, মানে ৬ ইঞ্চির বেশি হলে কখনও টানাটানি করবেন না। প্রথমে গাছটিকে গোড়া থেকে ১-২ ইঞ্চি রেখে কেটে ফেলুন। কাঁচি বা কাটারি দিয়ে কাটুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. এই ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করুন: গাছ কেটে ফেলার পর আসল কাজ শুরু। গাছের যে গোড়াটা পড়ে রইল, তার ওপর এই তিনটির মধ্যে যে কোনও একটি প্রয়োগ করুন:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- নুন ও ভিনিগার: এক কাপ জলে ৪-৫ চামচ নুন এবং ১ কাপ সাদা ভিনিগার মিশিয়ে গাছের গোড়ায় ঢেলে দিন। নুন শিকড়ের জল টেনে নেয় এবং ভিনিগারের অ্যাসিড শিকড়কে পুড়িয়ে দেয়। - চুন: পানের দোকানের চুন বা বিল্ডিং-এর কাজে লাগা চুন গোড়ায় লাগিয়ে দিন। চুন গাছের বৃদ্ধি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। - হারপিক বা অ্যাসিড: সবচেয়ে কার্যকর উপায়। যে কোনও টয়লেট ক্লিনার (যেমন হারপিক) কয়েক ফোঁটা গাছের কাটা অংশে ঢেলে দিন। এর মধ্যে থাকা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ২-৩ দিনের মধ্যেই শিকড়সহ গাছটিকে পুড়িয়ে মেরে ফেলবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. ফাটল বন্ধ করুন: গাছটি মরে শুকিয়ে গেলে, ৭-৮ দিন পর শিকড়সহ আলতো করে টেনে তুলুন। এবার দেখবেন যেখানে গাছটি ছিল, সেখানে একটি ছোট ফাটল বা গর্ত তৈরি হয়েছে। সেটি ভালো করে পরিষ্কার করে সিমেন্ট, বালি এবং ওয়াটারপ্রুফ কেমিক্যাল দিয়ে বন্ধ করে দিন। না হলে ওখান থেকেই আবার জল ঢুকবে এবং নতুন গাছ গজাবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মনে রাখবেন, বর্ষার শুরুতেই ছাদ পরিষ্কার রাখুন। সপ্তাহে একবার ছাদে উঠে দেখুন কোথাও চারা গজাচ্ছে কিনা। ছোট থাকতেই ব্যবস্থা নিলে বড় খরচের হাত থেকে বাঁচবেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/how-to-remove-peepal-trees-from-wall-roof-or-water-tank-without-damage/articleshow-8l1elif"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Palmistry: কড়ে আঙুলই বলে দেবে আপনি ধনী হবেন কি না, আপনার কি এই লক্ষণটি রয়েছে?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/palmistry-the-little-finger-of-the-palm-gives-a-big-indication/photoshow-c95q74u</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/palmistry-the-little-finger-of-the-palm-gives-a-big-indication/photoshow-c95q74u</guid>
            <pubDate>Sun, 20 Sep 2026 12:01:46 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;আপনি কি জানেন যে হাতের প্রতিটি আঙুলের অনন্য আকৃতি বা দৈর্ঘ্য আমাদের জীবন ও কর্মজীবন সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়? এই প্রসঙ্গে, আজ আমরা আপনাকে কনিষ্ঠা আঙুল বা কড়ে আঙুল সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2yr4k8b2rfx8hea0nm40h5p,imgname-istockphoto-1465087967-612x612-1789885828363.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আপনি কি জানেন যে হাতের প্রতিটি আঙুলের অনন্য আকৃতি বা দৈর্ঘ্য আমাদের জীবন ও কর্মজীবন সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়? এই প্রসঙ্গে, আজ আমরা আপনাকে কনিষ্ঠা আঙুল বা কড়ে আঙুল সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;আপনি কি জানেন যে হাতের প্রতিটি আঙুলের অনন্য আকৃতি বা দৈর্ঘ্য আমাদের জীবন ও কর্মজীবন সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়? এই প্রসঙ্গে, আজ আমরা আপনাকে কনিষ্ঠা আঙুল বা কড়ে আঙুল সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি। হস্তরেখা বিদ্যা অনুসারে, কনিষ্ঠা আঙুল ইঙ্গিত দেয় যে আপনি আপনার কর্মজীবনে কতটা সফল হবেন এবং আপনার আর্থিক জীবন কেমন হবে। এছাড়াও, এই আঙুলটি আপনার ব্যবসায়িক বিচক্ষণতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাও প্রকাশ করে। আসুন এখানে কনিষ্ঠা আঙুলের দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিতগুলো সম্পর্কে আরও জেনে নেওয়া যাক।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;এই ধরনের কনিষ্ঠা আঙুল ধনী হওয়ার ইঙ্গিত দেয়&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হস্তরেখা বিদ্যা অনুসারে, স্বাভাবিকের চেয়ে লম্বা কনিষ্ঠা আঙুলকে শুভ বলে মনে করা হয়। যদি কনিষ্ঠা আঙুল অনামিকার উপরের গাঁটের উপরে পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, তবে এমন ব্যক্তিদের ভাগ্যবান বলে মনে করা হয়। এই ব্যক্তিরা বুদ্ধিমান, পরিশ্রমী এবং ব্যবসায়িক মনোভাবসম্পন্ন হন। তাদের জীবনে প্রচুর সম্পদ অর্জনের সম্ভাবনা থাকে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;এই ধরনের কনিষ্ঠা আঙুলও শুভ লক্ষণ দেয়&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যদি কনিষ্ঠা আঙুল অনামিকার প্রথম গাঁট পর্যন্ত পৌঁছায় বা এমনকি সেই পর্যন্ত আসে, তবে এটিও একটি ভালো লক্ষণ বলে মনে করা হয়। বলা হয় যে এই ধরনের ব্যক্তিরা দায়িত্বশীল এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন। এই মানুষেরা যা করার মনস্থ করেন তা অর্জন করার পরেই কেবল বিশ্রাম নেন। তাদের আর্থিক অবস্থা সাধারণত সচ্ছল থাকে।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কনিষ্ঠা আঙুল স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট হলে তার লক্ষণ কী?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যাঁদের কনিষ্ঠা আঙুল অনামিকার প্রথম গাঁট পর্যন্ত পৌঁছয় না, তাঁদের জীবনে অনেক সংগ্রামের সম্মুখীন হতে হয়। তাঁদের আত্মবিশ্বাসেরও অভাব থাকে। বলা হয়ে থাকে যে, সাফল্য অর্জনের জন্য এই মানুষদের খুব কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;কনিষ্ঠা আঙুল অনামিকার দিকে সামান্য হেলে থাকলে কী হয়?&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যদি আপনার কনিষ্ঠা আঙুল অনামিকার দিকে সামান্য হেলে থাকে, তার মানে হল আপনি পরিস্থিতি বুঝতে এবং সঠিক কৌশল তৈরি করতে পারদর্শী। এই ধরনের মানুষেরা যে কোনও কাজ পরিকল্পনা করে শুরু করেন এবং সাফল্য অর্জনের পরেই কেবল বিশ্রাম নেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Sanjoy Patra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/palmistry-the-little-finger-of-the-palm-gives-a-big-indication/photoshow-c95q74u"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vishwakarma Puja 2026: গাড়ি বারবার খারাপ হচ্ছে? বিশ্বকর্মা পুজোয় এই নিয়ম মানলেই কাটবে বিপদ, বাড়বে আয়]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-2026-car-puja-vidhi-vehicle-puja-car-puja-mantra-anb/articleshow-gkzp71k</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-2026-car-puja-vidhi-vehicle-puja-car-puja-mantra-anb/articleshow-gkzp71k</guid>
            <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 14:41:36 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Vishwakarma Puja 2026: বিশ্বকর্মা পুজো শুধু কল-কারখানার পুজো নয়, যারা গাড়ি চালিয়ে রোজগার করেন বা নিজের গাড়ি আছে, তাদের জন্য এই পুজো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে নিয়ম মেনে গাড়ির পুজো করলে সারা বছর দুর্ঘটনা এড়ানো যায় এবং গাড়ি ভালো থাকে। জেনে নিন সঠিক নিয়ম।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01kg967m3k2knqgtgcstph8vmn,imgname-vishwakarma-aarti-lyrics-1769835057267.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Vishwakarma Puja 2026:&lt;/strong&gt; ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ - বিশ্বকর্মা পুজো। যন্ত্রের দেবতা বিশ্বকর্মার আশীর্বাদ ছাড়া কোনও যন্ত্রই ভালো থাকে না। তাই ড্রাইভার থেকে শুরু করে বড় কোম্পানির মালিক, সবাই এই দিনে নিজের গাড়ি, বাইক, অটো, টোটোর পুজো করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনেকেই শুধু সিঁদুর লাগিয়ে মালা পরিয়ে দেন, কিন্তু শাস্ত্র মতে গাড়ির পুজোর কিছু বিশেষ নিয়ম আছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;গাড়ির পুজোর সঠিক পদ্ধতি:&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;১. গাড়ি পরিষ্কারই আসল পুজো:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পুজোর আগের দিন বিকেলে গাড়ি ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করুন। ভিতরের জঞ্জাল, ধুলো ফেলে দিন। মনে রাখবেন, বিশ্বকর্মা দেব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা খুব পছন্দ করেন। পুজোর দিন সকালে আর গাড়ি চালাবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. কী কী লাগবে:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হলুদ সিঁদুর, লাল সুতো, একটি জবা ফুলের মালা, ধূপ, প্রদীপ, পান-সুপারি, মিষ্টি এবং একটি ছোট ঘটে জল। আর লাগবে একটু সরষের তেল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. পুজোর নিয়ম:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রথমে গাড়ির সামনে, চারটি চাকায় এবং স্টিয়ারিংয়ে হলুদ সিঁদুরের ফোঁটা দিন। এটি নজরদোষ থেকে বাঁচায়। এরপর গাড়ির সামনে জবা ফুলের মালা পরিয়ে দিন। গাড়ির সামনে মাটিতে ধূপ-প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশ্বকর্মা দেবের নাম স্মরণ করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তারপর লাল সুতোটি গাড়ির সামনের আয়নায় বা হ্যান্ডেলে বেঁধে দিন। এটি খুব শুভ বলে মনে করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. চাকা পুজো - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;একটি ছোট বাটিতে সামান্য সরষের তেল নিয়ে প্রতিটি চাকায় একটু করে লাগান। এর মানে আপনি যন্ত্রকে তুষ্ট করছেন। এরপর চাকার সামনে একটু মিষ্টি ও জল দিন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৫. মন্ত্র:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;হাত জোড় করে বলুন - &quot;ওঁ বিশ্বকর্মণে নমঃ&quot; - এই মন্ত্রটি ১০৮ বার জপ করলে যন্ত্রের সমস্ত বাধা কাটে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই ভুলগুলো করবেন না:&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- পুজোর দিন গাড়িতে আমিষ বা মদ্যপান করে উঠবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- পুজো না করে গাড়ি চালাবেন না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;- পুজোর পর গাড়ির সামনে লেবু-লঙ্কা ঝুলিয়ে দিন, এতে দুর্ঘটনার ভয় কমে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বাস করা হয়, এইভাবে শ্রদ্ধা ভরে গাড়ির পুজো করলে সারা বছর গাড়ি ভালো থাকে, মাইলেজ বাড়ে এবং দুর্ঘটনা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-2026-car-puja-vidhi-vehicle-puja-car-puja-mantra-anb/articleshow-gkzp71k"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ganesh Visarjan 2026 Date: ২০২৬ সালে গণেশ বিসর্জনের সঠিক সময় ও পদ্ধতি জানেন কি?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-visarjan-2026-date-do-you-know-the-correct-time-and-procedure-for-the-ganesh-immersion-in-2026/articleshow-gmgo4f8</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-visarjan-2026-date-do-you-know-the-correct-time-and-procedure-for-the-ganesh-immersion-in-2026/articleshow-gmgo4f8</guid>
            <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 00:02:13 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Visarjan 2026 Date and Vidhi: ২০২৬ সালের গণেশ উৎসবের পর বাপ্পাকে বিদায় জানানোর জন্য তৃতীয়, পঞ্চম, সপ্তম এবং দশম দিনের (অনন্ত চতুর্দশী) শুভ সময় ঘোষণা করা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2jwp75q1w72tfdn9hde5j6q,imgname-20260915397l-1789487946935.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Ganesh Visarjan 2026 Date and Vidhi:&lt;/strong&gt; ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থীতে বাড়ি, মন্দির এবং প্যান্ডেলে গণেশ প্রতিমা স্থাপন করা হয়েছে। গণেশ উৎসবের ১০ দিন ধরে ভক্তরা গণপতির পূজা ও সেবা করেন, তারপর গণপতি বিসর্জনের মাধ্যমে বাপ্পাকে বিদায় জানান। গণপতি স্থাপনের দেড় দিন পর বিসর্জন শুরু হয়। ভক্তরা দেড় দিন, ৩ দিন, ৫ দিন, ৭ দিন এবং দশম দিন অর্থাৎ অনন্ত চতুর্দশীতে বাপ্পাকে বিদায় জানান। দেড় দিনের গণপতি বিসর্জন ইতোমধ্যেই ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিম্নলিখিত তারিখগুলিতে বিসর্জনের শুভ সময় এবং সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন। গণেশ বিসর্জন মুহূর্ত ২০২৬&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভক্তরা যে ভক্তি, বিশ্বাস এবং উৎসাহের সাথে ভগবান গণেশকে স্বাগত জানান ও প্রতিষ্ঠা করেন, ঠিক সেই একই ভালোবাসায় তাঁকে বিদায়ও জানান এবং পরের বছর শীঘ্রই ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করেন। এই বছর, গণেশ বিসর্জনের শুভ সময় হল অনন্ত চতুর্দশীর দশম দিন, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬। তবে, এর আগে তৃতীয়, পঞ্চম এবং সপ্তম দিনেও শুভ সময়ে গণেশ বিসর্জন অনুষ্ঠিত হবে। তবে, বিভিন্ন শহরে শুভ সময়ে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে। আমরা যে শুভ সময়গুলি দিচ্ছি তা মূলত দিল্লি এবং এনসিআর-এর জন্য।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তৃতীয় দিনে গণেশ বিসর্জনের শুভ সময়: গণেশ বিসর্জনের তৃতীয় দিন, ১৬ সেপ্টেম্বর, গণেশ বিসর্জনের তিনটি শুভ সময় রয়েছে: সকাল, দুপুর এবং সন্ধ্যা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. সকালের শুভ সময়: সকাল ১০:৪৬ থেকে দুপুর ১২:১৭&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. বিকালের শুভ সময়: বিকাল ৩:২১ থেকে সন্ধ্যা ৬:২৪&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. সন্ধ্যার শুভ সময়: সন্ধ্যা ৭:৫২ থেকে রাত ১২:১৭&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পঞ্চম দিনে গণেশ বিসর্জনের শুভ সময়: গণেশ স্থাপনের পঞ্চম দিন, অর্থাৎ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ গণেশ বিসর্জনের চারটি শুভ সময় রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. সকালের শুভ সময়: সকাল ৬:১১ থেকে সকাল ১০:৪৫&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. দুপুরের শুভ সময়: দুপুর ১২:১৭ থেকে দুপুর ১:৪৮&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. সন্ধ্যার শুভ সময়: বিকেল ৪:৫১ থেকে সন্ধ্যা ৬:২২&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. রাতের শুভ সময়: রাত ৯:১৯ থেকে রাত ১০:৪৮&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সপ্তম দিনের গণেশ বিসর্জনের শুভ সময়: ২০২৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর, গণেশ স্থাপনের সপ্তম দিনে বিসর্জনের জন্য তিনটি শুভ সময় রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. সকালের শুভ সময়: সকাল ৭:৪২ থেকে দুপুর ১২:১৬&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. দুপুরের শুভ সময়: দুপুর ১:৪৭ থেকে বিকেল ৩:১৮&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. সন্ধ্যার শুভ সময়: সন্ধ্যা ৬:২১ থেকে রাত ১০:৪৭&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;অনন্ত চতুর্দশীতে গণেশ বিসর্জনের শুভ সময়:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;গণেশ বিসর্জন প্রধানত অনন্ত চতুর্দশীতে অনুষ্ঠিত হয়, যা গণেশ স্থাপনের দশম দিন। মন্দির, সর্বজনীন স্থান এবং বাড়িতে স্থাপিত ভগবান গণেশকে বিশাল বিসর্জন শোভাযাত্রা এবং ঢাক-বাজনার মাধ্যমে এক জমকালো বিদায় জানানো হয়। এই বছর অনন্ত চতুর্দশী পড়েছে ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে। এই দিনে বিসর্জনের জন্য চারটি শুভ সময় রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;১. সকালের শুভ সময়: সকাল ৬:১১ থেকে সকাল ১০:৪২&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২. দুপুরের শুভ সময়: দুপুর ১২:১৩ থেকে দুপুর ১:৪৪&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৩. সন্ধ্যার শুভ সময়: বিকেল ৪:৪৫ থেকে সন্ধ্যা ৬:১৫&lt;/p&gt;&lt;p&gt;৪. রাতের শুভ সময়: রাত ৯:১৪ থেকে রাত ১০:৪৪&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;গণেশ বিসর্জনের পদ্ধতি&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;যদিও সাধারণত ভগবান গণেশকে পূজা, যজ্ঞ ইত্যাদির পূর্ণ আচারের মাধ্যমে বিদায় জানানো হয়, যদি তা সম্ভব না হয়, তবে আপনি এই সাধারণ আচারের মাধ্যমে বাপ্পাকে বিদায় জানাতে পারেন। এটি করার জন্য, বিসর্জনের আগে ভগবান গণেশের পূজা করুন। তাঁকে দূর্বা ঘাস, ফল, ফুল, মোদক, লাড্ডু ইত্যাদি নিবেদন করুন। ধূপকাঠি জ্বালিয়ে আরতি করুন। নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তারপর, &ldquo;গণপতি বাপ্পা মোরিয়া, আগামী বছর তাড়াতাড়ি এসো!&rdquo; এই মন্ত্র উচ্চারণ করে, সশ্রদ্ধভাবে গণপতির প্রতিমাটি তুলে বিসর্জন স্থলে নিয়ে যান। বিসর্জনের আগে, আপনার পরিবারের সাথে ভগবান গণেশের আরও একবার আরতি করুন। সুখ, সমৃদ্ধি এবং সমস্ত বিপদ থেকে সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা করুন। তারপর, &ldquo;গণপতি বাপ্পা মোরিয়া, আগামী বছর তাড়াতাড়ি এসো!&rdquo; এই মন্ত্র উচ্চারণ করে, সশ্রদ্ধভাবে প্রতিমাটি বিসর্জন দিন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-visarjan-2026-date-do-you-know-the-correct-time-and-procedure-for-the-ganesh-immersion-in-2026/articleshow-gmgo4f8"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ganesh Chaturthi 2026: গণপতি বাপ্পাকে ঘরে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি, রইল কিছু জরুরি টিপস]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-home-preparation-guide-for-ganpati-anbmp/photoshow-go4nwsd</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-home-preparation-guide-for-ganpati-anbmp/photoshow-go4nwsd</guid>
            <pubDate>Mon, 14 Sep 2026 14:42:15 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Chaturthi 2026: ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী পালিত হবে। এই গ্যালারিতে গণপতি বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানানোর জন্য কিছু জরুরি প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। যেমন - বাড়ি পরিষ্কার করা, পুজোর জায়গা তৈরি।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m202xgw6nhmw7vbrb01s5wzc,imgname-ganpati-decoration-ideas-for-home-1788856943494.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Chaturthi 2026: ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী পালিত হবে। এই গ্যালারিতে গণপতি বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানানোর জন্য কিছু জরুরি প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। যেমন - বাড়ি পরিষ্কার করা, পুজোর জায়গা তৈরি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;গণেশ চতুর্থী হিন্দুদের অন্যতম বড় উৎসব। এই উৎসবে বিঘ্নহর্তা, জ্ঞান ও নতুন সূচনার দেবতা ভগবান গণেশের পূজা করা হয়। ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার গণেশ চতুর্থী পালিত হবে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে ভগবান গণেশের জন্মদিন হিসেবে এই উৎসব পালিত হয়। ভক্তরা গণপতি বাপ্পাকে ঘরে আনার আগে বাড়িঘর পরিষ্কার ও সাজিয়ে তোলেন, পুজোর জায়গা তৈরি করেন এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী গুছিয়ে রাখেন। সঠিক প্রস্তুতি নিলে পরিবারের সবাই ভক্তি, পরিচ্ছন্নতা ও আনন্দের সঙ্গে এই উৎসব শুরু করতে পারে।&lt;img&gt;ভক্তরা গণপতি বাপ্পাকে ঘরে আনা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করেন। তাই দেবতার আগমন ও পুজোর জন্য বাড়িকে প্রস্তুত করতে আগে থেকেই কিছু প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। **বাড়ি পরিষ্কার করুন** প্রথমেই পুরো বাড়ি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন, বিশেষ করে যেখানে গণেশের মূর্তি রাখা হবে। মেঝে পরিষ্কার করুন, আসবাবপত্রের ধুলো ঝেড়ে ফেলুন এবং অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে দিন। অনেক পরিবারই দেবতার আগমনের প্রস্তুতি হিসেবে ঘর পরিষ্কার করাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। বাড়ির প্রবেশদ্বার এবং পুজোর জায়গায় বিশেষ মনোযোগ দিতে পারেন, কারণ উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু থাকে এই জায়গাগুলিই। **পুজোর জায়গা তৈরি করুন** গণপতি স্থাপনার জন্য একটি পরিষ্কার ও শান্ত জায়গা বেছে নিন। ফুল, রঙ্গোলি, আম পাতা, তোরন, আলো এবং অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী জিনিস দিয়ে জায়গাটা সাজিয়ে তুলতে পারেন। একটি পরিষ্কার চৌকি বা বেদীর উপর মূর্তিটি স্থাপন করা হবে। বেদীর চারপাশে যথেষ্ট জায়গা রাখুন যাতে ভক্তরা আরামে বসে পুজো করতে পারেন।&lt;img&gt;**প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তৈরি রাখুন** শেষ মুহূর্তে পুজোর সামগ্রী জোগাড় করার জন্য অপেক্ষা করবেন না। পারিবারিক ঐতিহ্য অনুসারে, সাধারণত এই জিনিসগুলি লাগে: একটি পরিষ্কার চৌকি বা বেদী, লাল বা হলুদ কাপড়, ফুল ও মালা, দূর্বা ঘাস, মোদক বা অন্য মিষ্টি, ফল, ধূপকাঠি, প্রদীপ ও তুলোর সলতে, কর্পূর, রোলি বা কুমকুম, অক্ষত বা চাল, কলস, নারকেল, পঞ্চামৃতের উপকরণ, পুজোর থালা এবং পুজোর জন্য জল। **সঠিক মূর্তি বেছে নিন** আজকাল অনেক ভক্তই প্রাকৃতিক মাটি দিয়ে তৈরি পরিবেশ-বান্ধব গণপতি মূর্তি পছন্দ করছেন। মূর্তি বাছাই করার সময়, পরিবারের সদস্যরা মূর্তির আকার, উপাদান এবং বাড়িতে উপলব্ধ জায়গার কথা মাথায় রাখতে পারেন। মূর্তিটি খুব যত্ন ও শ্রদ্ধার সঙ্গে বাড়িতে আনতে হবে। পুজোর নির্দিষ্ট জায়গায় সহজে স্থাপন করা যায় এমন মূর্তি বেছে নিলে প্রতিদিনের পুজো এবং বিসর্জনের সুবিধা হয়। **বাপ্পা আসার আগেই সাজসজ্জা** ফুল, আলো, কাপড়, রঙ্গোলি এবং ঐতিহ্যবাহী তোরন ব্যবহার করে একটি উৎসবের পরিবেশ তৈরি করা যেতে পারে। জাঁকজমকপূর্ণ সজ্জার পরিবর্তে পরিবারগুলি পরিবেশ-বান্ধব এবং সাধারণ সাজসজ্জাও বেছে নিতে পারে। বাপ্পা আসার আগেই ব্যাকড্রপ এবং পুজোর মঞ্চ তৈরি করে রাখলে, স্থাপনার সময় ভক্তরা পুজো ও ভক্তিতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারেন।&lt;img&gt;**ভোগের আয়োজন তৈরি রাখুন** ভগবান গণেশের সঙ্গে জড়িত সবচেয়ে জনপ্রিয় ভোগগুলির মধ্যে একটি হল মোদক। গণেশ পুজোর সময় ফুল, দূর্বা ঘাস, ফল এবং মিষ্টিও দেওয়া হয়। পুজো শুরু হওয়ার আগে সবকিছু তৈরি রাখার জন্য পরিবারগুলির উচিত পুজোর আগেই ভোগ তৈরি বা কিনে রাখা। **বিসর্জনের পরিকল্পনাও করে রাখুন** গণেশ চতুর্থীর প্রস্তুতির সময় উৎসবের সমাপ্তির কথাও মাথায় রাখা উচিত। বাড়িতে গণপতি বিসর্জন দেওয়া হবে নাকি কোনও অনুমোদিত বিসর্জন ঘাটে যাওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত পরিবারকে আগে থেকেই নিতে হবে। যারা পরিবেশ-বান্ধব উৎসব পালন করতে চান, তারা প্রাকৃতিক মাটির মূর্তি এবং পরিবেশ-বান্ধব বিসর্জনের বিকল্প বেছে নিতে পারেন। আগে থেকে পরিকল্পনা করলে স্থাপনা থেকে বিসর্জন পর্যন্ত পুরো উৎসবটি দায়িত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা যায়। ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার, গণপতি বাপ্পাকে ঘরে আনার শুভ মুহূর্ত হল মধ্যাহ্ন পুজোর সময়, যা সাধারণত সকাল ১১:০২ থেকে দুপুর ১:৩১ পর্যন্ত থাকবে।]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Moumita Poddar</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-home-preparation-guide-for-ganpati-anbmp/photoshow-go4nwsd"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রাধা অষ্টমী ২০২৬: জানুন রাধারানীর আবির্ভাব তিথির নির্ঘণ্ট, দিনক্ষণ ও অলৌকিক জন্ম রহস্য]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/radha-ashtami-2026-date-shubh-muhurat-puja-vidhi-19th-september-radha-ashtami/articleshow-la9uaq1</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/radha-ashtami-2026-date-shubh-muhurat-puja-vidhi-19th-september-radha-ashtami/articleshow-la9uaq1</guid>
            <pubDate>Mon, 14 Sep 2026 19:53:38 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[২০২৬ সালে রাধা অষ্টমী পালিত হবে ১৯ সেপ্টেম্বর, শনিবার। এই প্রবন্ধে রাধারানীর আবির্ভাব তিথির নির্ঘণ্ট, মধ্যাহ্ন পুজোর শুভ সময় এবং ব্রত পালনের নিয়মাবলী বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও, বরসানার রাজা বৃষভানুর পদ্মফুলে রাধারানীকে খুঁজে পাওয়ার অলৌকিক কাহিনিটিও বর্ণিত হয়েছে।]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k3tkjyp65hkbt4vb9jged17q,imgname-radha-ashtami-2025-1756460841670.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর ১৫ দিন পরেই পালিত হয় রাধা অষ্টমী। ২০২৬ সালে রাধারানীর আবির্ভাব তিথি কবে, মধ্যাহ্ন পুজোর শুভ সময় কখন এবং কেন এই দিনটি এত গুরুত্বপূর্ণ, জানুন বিস্তারিত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথি বৈষ্ণব সমাজের কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন, কারণ এই দিনেই আবির্ভূত হয়েছিলেন প্রেম ও ভক্তির প্রতীক শ্রীমতী রাধারানী। শাস্ত্রমতে, রাধা ছাড়া কৃষ্ণের পুজো অসম্পূর্ণ এবং কৃষ্ণ ছাড়া রাধার আরাধনাও অসম্পূর্ণ। তাই জন্মাষ্টমীর মতোই নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হয় রাধা অষ্টমী। এই দিনে রাধা-কৃষ্ণের যুগল পুজো করলে দাম্পত্য জীবনে সুখ, প্রেমে সাফল্য এবং সংসারে সমৃদ্ধি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দৃক পঞ্জিকার তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের রাধা অষ্টমীর নির্ঘণ্ট একটু বিস্তারিতভাবে দেখে নেওয়া যাক। ২০২৬ সালে রাধা অষ্টমী পড়েছে ১৯ সেপ্টেম্বর, শনিবার। বাংলা পঞ্জিকা মতে দিনটি হল ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। অষ্টমী তিথির সূচনা হবে তার আগের দিন, অর্থাৎ ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার দুপুর ১টা ১ মিনিট থেকে। এবং তিথি সমাপ্ত হবে পরের দিন, ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টে ২৭ মিনিটে। উদয়া তিথির নিয়ম অনুযায়ী উৎসবটি পালিত হবে ১৯ সেপ্টেম্বরই।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হল মধ্যাহ্ন পুজোর মুহূর্ত। বলা হয়, রাধারানীর জন্ম হয়েছিল মধ্যাহ্ন কালে, যখন সূর্য ঠিক মাথার ওপর থাকে। তাই এই সময়েই তাঁর আবির্ভাব পুজো করা সবচেয়ে শুভ। ২০২৬ সালে মধ্যাহ্ন পুজোর শুভ সময় থাকবে সকাল ১১টা ১৯ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত। এই আড়াই ঘণ্টা সময়ের মধ্যেই ভক্তরা রাধারানীকে পঞ্চামৃত দিয়ে অভিষেক করান, নতুন বস্ত্র, পদ্মফুলের মালা এবং তাঁর প্রিয় ভোগ নিবেদন করেন।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;উপবাস ও ব্রত পালনের নিয়ম:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;সাধারণত ভক্তরা ভোর থেকে শুরু করে মধ্যাহ্ন পূজা পর্যন্ত উপবাস পালন করেন এবং পুজো শেষে প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে ব্রত ভঙ্গ করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উপবাসের ধরন: অনেকেই সারাদিন নির্জলা উপবাস রাখেন। তবে শারীরিক অসুস্থতা থাকলে হালকা ফলাহার করে ব্রত রাখা যায়। অনুমোদিত খাবার: ব্রতের দিনে তাজা ও শুকনো ফল, দুধ, দই, সাবুদানার খিচুড়ি, আলু, মিষ্টি আলু, সৈন্ধব লবণ এবং দুগ্ধজাত মিষ্টি গ্রহণ করা যেতে পারে। বিশেষ নৈবেদ্য: পদ্ম বা গোলাপ ফুল, পঞ্চামৃত, গোলাপি বা গেরুয়া রঙের বস্ত্র এবং মাখন-মিছরি এই পূজার বিশেষ উপাচার।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;রাধারানীর আবির্ভাবের অলৌকিক কাহিনি:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;রাধারানীর জন্ম নিয়ে এক অলৌকিক কাহিনি প্রচলিত আছে। পৌরাণিক কথন অনুযায়ী, মথুরার নিকটবর্তী বরসানা গ্রামের রাজা ছিলেন বৃষভানু এবং রানী কীর্তি। তাঁরা ছিলেন নিঃসন্তান। একদিন রাজা বৃষভানু যমুনা নদীর তীরে যজ্ঞ করছিলেন, তখন হঠাৎ তিনি দেখতে পান যমুনার জলে একটি বিশাল, আলোকিত পদ্মফুল ভেসে আসছে। কৌতূহলবশত কাছে গিয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। তিনি দেখেন, সেই প্রস্ফুটিত পদ্মের ওপর এক অপরূপ সুন্দরী শিশুকন্যা শুয়ে আছে, যার অঙ্গ থেকে দিব্য জ্যোতি বেরোচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রাজা সেই শিশুটিকে অত্যন্ত যত্নে ঘরে নিয়ে আসেন। কিন্তু আরও আশ্চর্যের বিষয় ছিল, শিশুটি চোখ খুলছিল না। রাজা-রানী চিন্তিত হয়ে পড়েন। কথিত আছে, নারদ মুনির পরামর্শে যখন শিশু কৃষ্ণকে সেই শিশুকন্যার সামনে আনা হয়, তখনই প্রথমবার শিশু রাধা চোখ মেলে তাকান। সেই থেকেই রাধা ও কৃষ্ণের দিব্য প্রেমের সূচনা। মনে করা হয়, স্বয়ং মা লক্ষ্মীই রাধা রূপে মর্ত্যে আবির্ভূত হয়েছিলেন কৃষ্ণের প্রেমলীলা সম্পূর্ণ করতে। আর পদ্মফুলে তাঁর আবির্ভাব হয়েছিল বলেই আজও রাধা অষ্টমীর পুজোয় পদ্মফুল অপরিহার্য। পদ্ম ছাড়া রাধারানীর পুজো সম্পূর্ণ হয় না বলেই বিশ্বাস।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/radha-ashtami-2026-date-shubh-muhurat-puja-vidhi-19th-september-radha-ashtami/articleshow-la9uaq1"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ganesh Chaturthi 2026: গণেশ পুজোয় কেন তুলসী পাতা নিষিদ্ধ জানেন? পুজো দেওয়ার আগে অবশ্যই জেনে নিন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-do-you-know-why-tulsi-leaves-are-forbidden-during-ganesh-puja/articleshow-mylhzql</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-do-you-know-why-tulsi-leaves-are-forbidden-during-ganesh-puja/articleshow-mylhzql</guid>
            <pubDate>Sat, 12 Sep 2026 00:39:35 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Chaturthi 2026 ভগবান গণেশের পূজায় তুলসী পাতা অর্পণ করা হয় না, যার পিছনে একটি পৌরাণিক কাহিনী রয়েছে। দেবী তুলসীর বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গণেশ ও তুলসী একে অপরকে অভিশাপ দেন। এই কারণেই গণেশের পূজায় তুলসী বর্জিত হলেও, ভগবান বিষ্ণুর পূজায় তা অপরিহার্য।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m22dczsa6pk9s20h6adxr5sk,imgname-vinayagar-chaturthi-1788935044906.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Ganesh Chaturthi 2026: &lt;/strong&gt;ভগবান গণেশকে উৎসর্গীকৃত গণেশ চতুর্থী উৎসব ২০২৬ সালে ১৪ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে। এই দিনে ভক্তরা বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভগবান গণেশের পূজা করেন এবং তাঁকে তাঁর প্রিয় জিনিসগুলি নিবেদন করেন। গণেশ পূজায় দূর্বা ঘাস এবং মোদককে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়। হিন্দুধর্মে তুলসীকেও অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করা হয় এবং ভগবান বিষ্ণুর পূজায় এর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তবে, ভগবান গণেশের পূজার ক্ষেত্রে তুলসী পাতা নিবেদন করা হয় না। এর পিছনে একটি জনপ্রিয় কিংবদন্তি রয়েছে। বলা হয়, এই কিংবদন্তিটি মা তুলসী এবং ভগবান গণেশের সাথে সম্পর্কিত। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই গল্পটি কী।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তুলসীর বিবাহের প্রস্তাব গণেশের প্রত্যাখ্যান কিংবদন্তি অনুসারে, ভগবান গণেশ একবার গঙ্গা নদীর তীরে ধ্যান করছিলেন। তুলসী দেবী সেই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। গণেশকে ধ্যানে মগ্ন দেখে তুলসী তাঁর প্রতি মুগ্ধ হন এবং তাঁকে বিবাহ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কাহিনী অনুসারে, তুলসী গণেশকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু গণেশ এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে তিনি ব্রহ্মচর্য পালন করছেন এবং বিবাহ করতে চান না। গণেশের এই প্রত্যাখ্যানের কারণে তুলসী ক্রুদ্ধ হন। এখান থেকেই অভিশাপের কাহিনী শুরু হয়। তুলসী গণেশকে অভিশাপ দেন&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিশ্বাস অনুসারে, বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় ক্রুদ্ধ হয়ে তুলসী দেবী ভগবান গণেশকে অভিশাপ দেন যে তাঁর বিবাহ হবে। পরবর্তীতে, অনেক ধর্মীয় ঐতিহ্য ও গ্রন্থে গণেশের ঋদ্ধি ও সিদ্ধির সাথে বিবাহের উল্লেখ পাওয়া যায়। তুলসীর অভিশাপে ক্রুদ্ধ হয়ে ভগবান গণেশ তুলসীকে অভিশাপ দেন যে তাঁর বিবাহ হবে এক অসুরের সাথে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তুলসী ভগবান বিষ্ণুর ভালোবাসা পাওয়ার বর লাভ করেন কিংবদন্তি অনুসারে, গণেশের অভিশাপের পর তুলসী তাঁর ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন। তখন গণেশ তুলসীকে এই বর দেন যে তিনি ভগবান বিষ্ণুর ভালোবাসা পাবেন এবং সারা বিশ্বে একটি পবিত্র উদ্ভিদ হিসাবে পূজিত হবেন। এই কারণে, ভগবান বিষ্ণুর পূজায় তুলসীকে অত্যন্ত বিশেষ বলে মনে করা হয়। ভগবান বিষ্ণু এবং ভগবান কৃষ্ণের পূজায় তুলসী পাতা অর্পণের প্রথা আজও প্রচলিত আছে। গণেশ পূজায় তুলসী ব্যবহার করা হয় না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সব পরিস্থিতিতেই কি গণেশকে তুলসী অর্পণ করা নিষিদ্ধ? প্রচলিত ধর্মীয় ঐতিহ্যে, ভগবান গণেশকে তুলসী অর্পণ না করার বিশ্বাস বেশ প্রচলিত। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের গণেশ অংশে তুলসী এবং গণেশের মধ্যে একটি অভিশাপের উল্লেখ আছে। কিছু ঐতিহ্যে গণেশের বিভিন্ন রূপে তুলসীর ব্যবহারেরও উল্লেখ রয়েছে। তাই, সাধারণ গণেশ পূজায় তুলসী পাতা অর্পণ না করার প্রথাটি অনুসরণ করা হয়। গণেশ পূজায় দূর্বা ঘাসকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং ২১টি পাতা দিয়ে পূজা করার প্রথাও প্রচলিত আছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ভুলবশত তুলসী অর্পণ করা হলে কী করতে হবে? ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, পূজার সময় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। গণেশ পূজার সময় ভুলবশত তুলসী অর্পণ করা হলে, সশ্রদ্ধভাবে তা সরিয়ে ফেলা যেতে পারে এবং ভগবান গণেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া যেতে পারে। অনিচ্ছাকৃতভাবে তুলসী অর্পণ করায় কোনো পাপ নেই। তাই, এ নিয়ে ভয় না পেয়ে, ভক্তি ও নিষ্ঠার সাথে ভগবান গণেশের পূজা করাই শ্রেয় বলে মনে করা হয়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-do-you-know-why-tulsi-leaves-are-forbidden-during-ganesh-puja/articleshow-mylhzql"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Durga Puja 2026: “ধুনুচির ছন্দে আগমনী" হরকুটির রায়-ব্যানার্জি বাড়িতে অভিনব সেলিব্রেশন! তরুণ প্রজন্মের ভিড়, কী জানালেন উদ্যোক্তারা?]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/durga-puja-2026-agomoni-to-the-rhythm-of-the-dhunuchi-dance-unique-celebration-at-harakutir-ray-banerjee-bari-anbsd/articleshow-nafksqo</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/durga-puja-2026-agomoni-to-the-rhythm-of-the-dhunuchi-dance-unique-celebration-at-harakutir-ray-banerjee-bari-anbsd/articleshow-nafksqo</guid>
            <pubDate>Sun, 20 Sep 2026 14:01:07 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Durga Puja 2026: ধুনুচি নাচ এবং ঢাকের বাদ্যি, আক্ষরিক অর্থেই বাঙালির প্রিয় দুর্গাপুজোর ফ্লেভার উপভোগ করলেন প্রত্যেকে। প্রেমিক-প্রেমিকাদের কাছে এই ইভেন্ট ছিল আরও আকর্ষণীয়। হাত ধরে কিংবা কাঁধে হাত রেখে চলল ফটোসেশন। অনেকেই আবার এসেছিলেন বন্ধুদের গ্রুপ নিয়ে। অর্থাৎ, দুর্গাপুজো মানে কী? সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকা এই কয়েকটা দিনের জন্য।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2yy564e83438651b7mwfr3y,imgname-red-and-black-retro-landscape-youtube-thumbnail-background--21--1789892139150.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Durga Puja 2026:&lt;/strong&gt; বাঙালির অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো আসছে। মাঝে আর মাত্র কয়েকটা দিন। মা আসছেন। তারপরেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেবী দুর্গার আগমন। আর তার আগেই কার্যত, কলকাতায় এক অভিনব উৎসবের ছোঁয়া (Durga Puja 2026)। &ldquo;ধুনুচির ছন্দে আগমনী&quot;, অসাধারণ এক প্রি-পুজো সেলিব্রেশন। উত্তর কলকাতার হরকুটির রায়-ব্যানার্জি বাড়িতে (Ray Banerjee Bari History) শনিবার, এমনই এক দুর্দান্ত ইভেন্টের সাক্ষী থাকলেন অনেকে। যেখানে তরুণ প্রজন্মের বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে বয়সকে হার মানিয়ে আরও অনেকেই এসেছিলেন শনিবারের বিকেলে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ধুনুচি নাচ এবং ঢাকের বাদ্যি, আক্ষরিক অর্থেই বাঙালির প্রিয় দুর্গাপুজোর ফ্লেভার উপভোগ করলেন প্রত্যেকে। প্রেমিক-প্রেমিকাদের কাছে এই ইভেন্ট ছিল আরও আকর্ষণীয়। হাত ধরে কিংবা কাঁধে হাত রেখে চলল ফটোসেশন। অনেকেই আবার এসেছিলেন বন্ধুদের গ্রুপ নিয়ে। অর্থাৎ, দুর্গাপুজো মানে কী? সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকা এই কয়েকটা দিনের জন্য। তার আগেই এই মেগা সেলিব্রেশনে সবাই নিজের মতো করে আনন্দ করলেন। আর তার মাঝেই চলতে থাকল পালা করে ধুনুচি নাচ এবং সঙ্গে ঢাকে পড়ল কাঠি। কেউ এসেছেন দক্ষিণ কলকাতা থেকে, আবার কেউ হাওড়া কিংবা হুগলি থেকেও। এক তরুণী জানালেন, &ldquo;এখনও বয়ফ্রেন্ড হয়নি। জানিনা এবারের পুজোটাও সিঙ্গেল কাটবে কিনা? তবে আপাতত মজা করছি বন্ধুদের সঙ্গে। এবার নাচতে যাবো।।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও পড়ুন - Durga Puja 2025: সে এক বিরাট রাজপ্রাসাদ, মাঝে ধ্যানে মগ্ন শিব! অভিনব থিমে তাক লাগিয়ে দিল বেহালা নতুন দল&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;&ldquo;ধুনুচির ছন্দে আগমনী&quot; হরকুটির রায়-ব্যানার্জি বাড়িতে অভিনব সেলিব্রেশন&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;আরেক প্রেমিক যুগলের কথায়, &ldquo;এই প্রথম এইরকম ইভেন্টে এলাম। ভালো লাগছে।&quot; এক তরুণ বলছেন, &ldquo;গোটা জীবনটাই তো লড়ে চলা। তাই প্রেম বারবার আসে।&quot; নিঃসন্দেহে প্রেম তো বারবার আসবেই। আপাতত শনিবার, সবার প্রেম ছিল উত্তর কলকাতার হরকুটির রায়-ব্যানার্জি বাড়িকে কেন্দ্র করে। ঐতিহাসিক এবং ঐতিহ্যপূর্ণ এই বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজো কলকাতার মধ্যে অন্যতম। যে পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কত কত গল্প-কথা। ইতিহাসের আঁতুড়ঘর, শহরের এই বনেদি বাড়িতে এবার দুর্গাপুজোর আগেই নতুন প্রজন্মের মেলবন্ধন। এই প্রসঙ্গে উদ্যোক্তা তথা এই বাড়ির বাসিন্দা অর্চিস্মান রায়-ব্যানার্জি এশিয়ানেট নিউজ বাংলাকে জানালেন, &ldquo;এটা বাংলায় প্রথমবার। হরকুটিরের হাত ধরে আমরা পথ দেখাচ্ছি। বাংলা এবার আসলেই উৎসবে ফিরল। বাঙালির ঐতিহ্য হচ্ছে ধুনুচি। তাই ধুনুচির ছন্দে আগমনী। ঠিক একমাস পর মহাষ্টমী। যেদিন মা মহিষাসুর বধ করেছিল। মাকে আহ্বান জানিয়ে, বাংলার ঐতিহ্য ধুনুচি নাচ, ঢাক, বাংলার কাঁসা, বাংলার শাঁখ এবং উলুধ্বনি দিয়ে আমরা এখন থেকে মাকে জাগ্রত করছি। যাতে মা সকলের মধ্যে ঐক্যতা আনতে পারে এবং বাংলার যে গৌরব তথা আমরা ইউনেস্কো স্ট্যাটাস পেয়েছি দুর্গাপুজোর জন্য। তো সেই দুর্গাপুজোর ছন্দে যাতে মানুষ ফিরে যায়, তাই ধুনুচির ছন্দে আমরা এই প্রোগ্রাম করছি। আমি বারোতম প্রজন্ম। আমাদের পুজো এবার ৩৩৪ তম বর্ষে পা রাখতে চলেছে। আমি ডঃ অর্চিস্মান রায়-ব্যানার্জি। আপনাদের চ্যানেলের মাধ্যমে আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা সকলে আমাদের পুজোতে আসবেন।&quot;&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;তরুণ প্রজন্মের ভিড়, কী জানালেন উদ্যোক্তারা?&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;তাঁর কথায়, &quot;আমরা মনে করি, জেন-জিদের মধ্যে প্রচুর ক্যাপাসিটি আছে। তাই তাদেরকে নিয়েই আমাদের এই প্রোগ্রাম। সবথেকে বড় বিষয়, এই পুজোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের এই প্রোগ্রাম। যাতে তারা আরও ভালো করে আমাদের কালচারটাকে সুষ্ঠুভাবে আত্মস্থ করে আমাদের পরের প্রজন্ম হিসেবে আরও দশগুণ ভালো প্রোগ্রাম করতে পারে। যাতে আমাদের ছাপিয়ে যেতে পারে। সমৃদ্ধ করতে পারে।&quot;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সবিমিলিয়ে, ইতিহাস, নতুনত্ব, বাঙালিয়ানা এবং বনেদি ছোঁয়ায় হরকুটির রায়-ব্যানার্জি বাড়ি হয়ে উঠল উৎসবের ঠিকানা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Subhankar Das</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/west-bengal/kolkata/durga-puja-2026-agomoni-to-the-rhythm-of-the-dhunuchi-dance-unique-celebration-at-harakutir-ray-banerjee-bari-anbsd/articleshow-nafksqo"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ganesha Currency: জানেন এই মুসলিম দেশে টাকার ওপরে রয়েছে গণেশের ছবি? শুনলে চমকে যাবেন!]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/ganesha-on-indonesian-rupiah-and-global-worship-facts-bpsb/photoshow-pi7cgz9</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/ganesha-on-indonesian-rupiah-and-global-worship-facts-bpsb/photoshow-pi7cgz9</guid>
            <pubDate>Mon, 14 Sep 2026 11:04:58 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;শুধু ভারতেই নয়, গণেশ পূজিত হন বিশ্বের নানা দেশে। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশে চলে গণেশের ছবি দেওয়া নোট! জানেন সেই দেশ কোনটি? আর কেনই বা তাদের নোটে গণেশের ছবি রাখা হয়েছে? আসুন, জেনে নেওয়া যাক।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2f0v1fj2zwarks2t3z7dfvy,imgname-gemini-generated-image-w6daxww6daxww6da-1789358081522.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;শুধু ভারতেই নয়, গণেশ পূজিত হন বিশ্বের নানা দেশে। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশে চলে গণেশের ছবি দেওয়া নোট! জানেন সেই দেশ কোনটি? আর কেনই বা তাদের নোটে গণেশের ছবি রাখা হয়েছে? আসুন, জেনে নেওয়া যাক।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;শুধু ভারতেই নয়, গণেশ পূজিত হন বিশ্বের নানা দেশে। ভাষা, ধর্ম বা সংস্কৃতির গণ্ডি পেরিয়ে বিঘ্নহন্তা গণেশকে আপন করে নিয়েছে অনেকেই।&lt;img&gt;&lt;p&gt;ইন্দোনেশিয়ার প্রায় ৮৭% মানুষ মুসলিম। সেই দেশের ২০,০০০ রুপিয়া নোটের ওপর গণেশের ছবি রয়েছে। নোটের একদিকে গণেশ ও দেশের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী কি হজর দেবন্তরার ছবি। অন্যদিকে রয়েছে ক্লাসরুমের ছবি। ইন্দোনেশিয়ার সংস্কৃতিতে গণেশকে জ্ঞান ও বিদ্যার দেবতা মানা হয়। তাই শিক্ষাব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে তাঁর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করেন, ১৯৯০-এর দশকে আর্থিক সংকটের সময় গণেশের ছবিসহ নোট চালু করায় দেশের মুদ্রা স্থিতিশীল ছিল।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;জাপানে গণেশ 'কাঙ্গিতেন' বা 'শোতেন' নামে পরিচিত। সৌভাগ্য, ব্যবসায় উন্নতি ও ভালোবাসার দেবতা হিসেবে তাঁকে পুজো করা হয়। থাইল্যান্ডে গণেশকে 'ফ্রা ফিকানেট' বলা হয়। তিনি শিল্প, সঙ্গীত ও বিদ্যার দেবতা। সেখানকার চাচোয়েংসাও প্রদেশে গণেশের ৩৯ মিটার (প্রায় ১২৮ ফুট) উঁচু একটি ব্রোঞ্জের মূর্তি রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম।&lt;img&gt;নেপালের কাঠমান্ডু উপত্যকায় গণেশের চারটি প্রধান মন্দির রয়েছে। সেখানে তাঁকে শহরের রক্ষাকর্তা হিসেবে পুজো করা হয়। তিব্বতি বৌদ্ধধর্মে গণেশকে 'মহাড়ক্ত গণপতি' বলা হয়। তিনি বাধা দূর করেন এবং সম্পদ দেন। শ্রীলঙ্কায় তামিল ও সিংহলি বৌদ্ধরা শুভ কাজে 'পিল্লাইয়ার' (গণেশ) পুজো করেন। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও মরিশাসে গণেশ চতুর্থীতে সরকারি ছুটি থাকে।]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/international/world-news/ganesha-on-indonesian-rupiah-and-global-worship-facts-bpsb/photoshow-pi7cgz9"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Hindu Temples: কামাখ্যা-তারাপীঠ থেকে পুরী! হিন্দু রীতি মেনেই এই মন্দিরগুলিতে মাছ-মাংস-মদ নিবেদন, জানুন ইতিহাস]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/india/hindu-temple-non-veg-offerings-kamakhya-tarapith-kalighat-fish-meat-alcohol-bhog-bsm/articleshow-rcio3b8</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/india/hindu-temple-non-veg-offerings-kamakhya-tarapith-kalighat-fish-meat-alcohol-bhog-bsm/articleshow-rcio3b8</guid>
            <pubDate>Thu, 10 Sep 2026 20:20:37 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Hindu Temple Non Veg Food: কামাখ্যা, তারাপীঠ, কালীঘাট থেকে কাল ভৈরব&mdash;ভারতের কোন কোন মন্দিরে মাছ, মাংস বা মদ নিবেদনের রীতি রয়েছে? জানুন ধর্মীয় ঐতিহ্যের চমকপ্রদ তথ্য। বৈষ্ণবদের আরাধ্য জগন্নাথ মন্দিরেও এক দেবীর প্রসাদের নিয়ম পুরো আলাদা।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m25w4yex1jrdm4jbbberdc7r,imgname-gemini-generated-image-v6q4m8v6q4m8v6q4-1789051173341.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দুর্গাপুজোর আগে মাংস বিক্রি নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর ফের সামনে এসেছে খাদ্য ও ধর্মীয় রীতির বিতর্ক। বাগেশ্বর বাবা পুজোর সময় বাঙালিদের আমিষ ভোজনের রীতিমত সমালোচনা করেন। কিন্তু ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের মন্দিরের ইতিহাস দেখলে দেখা যায়, দেবদেবীর উদ্দেশে নিবেদিত খাবারের রীতি সর্বত্র এক নয়। কোথাও নিরামিষ ভোগই প্রধান, আবার কোথাও মাছ, মাংস বা মদ নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচারের অংশ। এর ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে। ভারতের হিন্দু উপাসনা বহু শাখা-প্রশাখায় বিকশিত হয়েছে। শাক্ত, তান্ত্রিক, বৈষ্ণব এবং বিভিন্ন লোকধর্মীয় ধারার নিজস্ব আচার রয়েছে। তাই একটিমাত্র খাদ্য-রীতিকে গোটা হিন্দু ধর্মের সর্বজনীন নিয়ম হিসেবে দেখা যায় না।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;কামাখ্যা মন্দিরে পশুবলির প্রাচীন রীতি&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অসমের কামাখ্যা মন্দির ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শক্তিপীঠ। এখানে নির্দিষ্ট শাক্ত ও তান্ত্রিক আচারে পশু উৎসর্গের প্রথা রয়েছে। ছাগ বলি বিশেষ কিছু ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;কামাখ্যা মূলত শাক্ত ও তান্ত্রিক সাধনার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। প্রচলিত দেবীমূর্তির পরিবর্তে এখানে দেবীর যোনিরূপের উপাসনা করা হয়। অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের শক্তি আরাধনার দীর্ঘ ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন এই মন্দির।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;তারাপীঠে মা তারার ভোগে মাছ-মাংস!&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বীরভূমের তারাপীঠ শুধু বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থ নয়, শাক্ত ও তান্ত্রিক সাধনারও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মা তারাকে নির্দিষ্ট রীতিতে মাছ ও ছাগের মাংস নিবেদনের প্রচলন রয়েছে। নিত্য পুজো থেকে বিশেষ পুজো আমিষ ভোগেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিছু তান্ত্রিক আচারে মদ ব্যবহারের কথাও ধর্মীয় ঐতিহ্যে পাওয়া যায়।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;তারাপীঠের ধর্মীয় সংস্কৃতি বাংলার শাক্ত সাধনা, তন্ত্র এবং লোকবিশ্বাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। সাধক বামাক্ষ্যাপার মতো সাধকদের সঙ্গে এই তীর্থের নাম জড়িয়ে রয়েছে। ফলে তারাপীঠের খাদ্য ও পূজার রীতিও বাংলার নিজস্ব শাক্ত ঐতিহ্যের অংশ।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;কালীঘাটে বলির রীতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কলকাতার কালীঘাট মন্দিরে দেবী কালীর আরাধনায় নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে পশু উৎসর্গের প্রথা ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত। ছাগ বলির পর মাংস রান্না করে বিতরণের রীতিও প্রচলিত রয়েছে। নিত্য পুজোতেও দেওয়া হয় মাছের রকমারি পদ। তবে একই মন্দিরে নিরামিষ নিবেদনের ব্যবস্থাও রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;কালীঘাট বাংলার অন্যতম প্রধান শক্তিপীঠ এবং কলকাতার ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাংলার শাক্ত উপাসনার নানা রীতি এখানে বিকশিত হয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ধরনের নিবেদনের উপস্থিতি সেই বৈচিত্র্যই তুলে ধরে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;দক্ষিণেশ্বরে মাছের ভোগ, কিন্তু নেই পশুবলি&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির, কলকাতার ইতিহাসের সঙ্গে অতোপ্রতোভাবে যুক্ত। দেবী ভবতারিণীর ভোগের সঙ্গে মাছের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক রয়েছে। তবে বাংলার কিছু অন্য কালী মন্দিরের মতো এখানে পশুবলি দেওয়া হয় না। অর্থাৎ একই দেবী-উপাসনার ক্ষেত্রেও জায়গাভেদে খাদ্য ও আচার বদলে যেতে পারে। কথিত রয়েছে মন্দিরের পুজারী শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণদেবও আমিষ খাবার বর্জন করতে বলেননি।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;রানি রাসমণি ১৯ শতকে দক্ষিণেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের সাধনাস্থল হিসেবে এই মন্দিরের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। বাংলার ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ইতিহাসে দক্ষিণেশ্বরের বিশেষ স্থান রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;পুরীর মন্দিরে বৈষ্ণব পরিবেশের মধ্যেই শাক্ত রীতি&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ওড়িশার পুরী মানেই সাধারণত জগন্নাথদেবের বৈষ্ণব ঐতিহ্য। বৈষ্ণব রীতিতেই পুজো হয় জগন্নাথ, শুভদ্রা আর বরভদ্রের। নিরামিষ ভোগ নিবেদন করা হয় এই তিন দেবতাকে। কিন্তু একই মন্দির চত্বরে রয়েছে মা বিমলার মন্দির। গুরুত্বপূর্ণ শাক্ত উপাসনা হয় এখানে। নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দেবী বিমলার উদ্দেশে মাছ ও ছাগের মাংস নিবেদনের ঐতিহ্য রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;বিমলা মন্দির দেখায়, একই তীর্থক্ষেত্রে বৈষ্ণব ও শাক্ত ধর্মীয় ঐতিহ্য কীভাবে পাশাপাশি বিকশিত হয়েছে। দুর্গাপুজোর সময় বিমলার উপাসনায় শাক্ত রীতির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। পুরীর ধর্মীয় ইতিহাসে এই সমন্বয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;কেরলের এই মন্দিরে শুকনো মাছ ও তাড়িও নিবেদন!&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;উত্তর কেরলের পারাসিনিক্কাদাভু মুথাপ্পন মন্দিরের রীতি অনেক প্রচলিত মন্দিরের থেকে একেবারেই আলাদা। এখানে মুথাপ্পন দেবতার উদ্দেশে শুকনো মাছ (শুঁটকি মাছ)এবং তাড়ি নিবেদনের ঐতিহ্য রয়েছে। স্থানীয় খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে ধর্মীয় আচারের কী গভীর যোগ থাকতে পারে, এই মন্দির তার বড় উদাহরণ।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;মুথাপ্পন উপাসনা উত্তর কেরলের লোকধর্ম ও থেয়্যম সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। এই উপাসনা মূলধারার মন্দির-রীতির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, জীবনযাপন ও খাদ্যসংস্কৃতির প্রভাবও বহন করে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;মন্দিরের প্রসাদে চিকেন-মাটন বিরিয়ানি!&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের কাছে মুনিয়ান্দি স্বামী মন্দিরের বার্ষিক উৎসবে তৈরি হয় বিপুল পরিমাণ চিকেন ও মাটন বিরিয়ানি। উৎসবে অংশ নেওয়া ভক্তদের মধ্যে এই খাবার বিতরণ করা হয়। ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে স্থানীয় খাবারের এমন সরাসরি যোগ নজর কাড়ে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;মুনিয়ান্দি কোনও সর্বভারতীয় প্রধান দেবতা নন; তিনি মূলত তামিলনাড়ুর গ্রামীণ লোকদেবতা। তাঁর উপাসনার সঙ্গে স্থানীয় গ্রামজীবন, সম্প্রদায়গত উৎসব ও খাদ্যসংস্কৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই বিরিয়ানি বিতরণের এই রীতি স্থানীয় লোকধর্মের চরিত্রকে তুলে ধরে।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;উজ্জয়িনীর কাল ভৈরবকে নিবেদন করা হয় মদ&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর কাল ভৈরব মন্দিরের অন্যতম আলোচিত রীতি হল দেবতার উদ্দেশে মদ নিবেদন। ভক্তরা মন্দিরে মদ কিনে তা পূজার অংশ হিসেবে অর্পণ করেন। প্রচলিত নিরামিষ ভোগের ধারণার তুলনায় এই রীতি নিঃসন্দেহে আলাদা।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;কাল ভৈরবকে শিবের এক উগ্র রূপ হিসেবে মানা হয়। ভৈরব উপাসনার সঙ্গে ভারতের কিছু তান্ত্রিক ধারার ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। উজ্জয়িনীর এই মন্দির সেই বিশেষ ধর্মীয় ঐতিহ্যের অন্যতম পরিচিত নিদর্শন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;আমিষ নিবেদন কি হিন্দু ধর্মে সর্বজনীন? ইতিহাস কী বলছে?&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;&lt;img&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কামাখ্যা থেকে তারাপীঠ, কালীঘাট থেকে বিমলা&mdash;ভারতের বিভিন্ন ধর্মীয় কেন্দ্রে খাদ্য নিবেদনের রীতিতে বিস্তর পার্থক্য দেখা যায়। কোথাও নিরামিষ ভোগ, কোথাও মাছ-মাংস, আবার কোথাও বিশেষ ধর্মীয় আচারে মদও ব্যবহৃত হয়। তাই আমিষ নিবেদনকে যেমন গোটা হিন্দু ধর্মের নিয়ম বলা যায় না, তেমনই নিরামিষকেই সব মন্দিরের একমাত্র ঐতিহ্য বলা যায় না।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;ঐতিহাসিক গুরুত্ব:&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;হিন্দু ধর্মীয় পরম্পরা কোনও একক আচারব্যবস্থায় সীমাবদ্ধ নয়। বৈদিক, শাক্ত, তান্ত্রিক, বৈষ্ণব এবং আঞ্চলিক লোকধর্মের দীর্ঘ বিবর্তনের ফলে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আলাদা আলাদা উপাসনা-পদ্ধতি তৈরি হয়েছে। খাদ্য নিবেদনের বৈচিত্র্য সেই দীর্ঘ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসেরই প্রতিফলন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Saborni Mitra</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/india/hindu-temple-non-veg-offerings-kamakhya-tarapith-kalighat-fish-meat-alcohol-bhog-bsm/articleshow-rcio3b8"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ganesh Chaturthi 2026: মাটির গণেশের মূর্তি কেনার আগে ৪টি প্রশ্ন অবশ্যই করুন]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-you-must-ask-these-4-questions-before-buying-a-clay-ganesha-idol/articleshow-rgufi0w</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-you-must-ask-these-4-questions-before-buying-a-clay-ganesha-idol/articleshow-rgufi0w</guid>
            <pubDate>Sat, 12 Sep 2026 07:40:09 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Chaturthi 2026: গণেশ চতুর্থীর আগে বাজারে আসা মাটির ও পিওপি মূর্তির মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন। শুধুমাত্র রঙ বা গঠন দেখে আসল মাটির প্রতিমা চেনা যায় না। এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং সঠিক পরিবেশবান্ধব মূর্তি বেছে নিতে বিক্রেতাকে চারটি জরুরি প্রশ্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01k3aketsggaqywd7jqtvk8f7a,imgname-2-1755923835696.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Ganesh Chaturthi 2026:&lt;/strong&gt; গণেশ চতুর্থীর আগেই বাজারে সিদ্ধিদাতার ছোট-বড় মূর্তি চলে এসেছে। কিছু মূর্তিকে খাঁটি মাটির, কিছুকে শাদু মাটির, এবং কিছুকে &quot;পরিবেশবান্ধব&quot; বলে দাবি করা হচ্ছে। সমস্যা হলো, শুধুমাত্র রঙ এবং গঠন দেখে কোনো মূর্তি আসলে মাটির তৈরি নাকি প্লাস্টার অফ প্যারিস (পিওপি)-এর, তা নির্ধারণ করা সহজ নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনেক পিওপি মূর্তিকে মাটির মতো দেখানোর জন্য রঙ করা হয়। কিছু মাটির মূর্তি এতটাই মসৃণ এবং সুন্দর হয় যে লোকেরা সেগুলোকে পিওপি বলে ভুল করে। তাই, মূর্তি কেনার সময়, দোকানদারের একটিমাত্র উত্তরের উপর নির্ভর না করে, তাকে সরাসরি চারটি প্রশ্ন করুন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;প্রথম প্রশ্ন: মূর্তিটি কি সম্পূর্ণ মাটির তৈরি নাকি এর সাথে পিওপি মেশানো আছে?&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;মূর্তিটি পরিবেশবান্ধব কিনা, শুধু এই প্রশ্ন করাই যথেষ্ট নয়। দোকানদারকে স্পষ্টভাবে জিজ্ঞাসা করুন যে এটি প্রাকৃতিক মাটি, শাদু মাটি, নাকি কোনো মিশ্রণের তৈরি। যদি এটি মিশ্রণ হয়, তাহলে কী কী উপাদান মেশানো হয়েছে?&lt;/p&gt;&lt;p&gt;অনেকে ওজন দেখে এটি শনাক্ত করার চেষ্টা করেন। মাটির প্রতিমা ভারী এবং পিওপি (POP) প্রতিমা হালকা হয় বলে মনে করা হয়, কিন্তু এগুলোর ছোট আকার, ফাঁপা গঠন এবং আর্দ্রতার কারণে ওজনে তারতম্য হতে পারে। তাই, শুধুমাত্র ওজনই চূড়ান্ত প্রমাণ নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সম্ভব হলে, বিলে প্রতিমার উপাদান উল্লেখ করে নিন। কোনো বড় বিক্রেতা বা নিবন্ধিত ভাস্করের কাছ থেকে কিনলে, আপনি উপাদান সংক্রান্ত একটি শংসাপত্র বা ঘোষণাপত্রও চাইতে পারেন।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;দ্বিতীয় প্রশ্ন: প্রতিমায় কী রং ব্যবহার করা হয়েছে?&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;প্রতিমাটি যদি মাটির তৈরি হয় কিন্তু তাতে রাসায়নিক, তেল বা চকচকে ধাতব রঙের প্রলেপ দেওয়া থাকে, তবে বিসর্জনের পর সেই রং পানিতে মিশে যেতে পারে। তাই, প্রতিমাটি প্রাকৃতিক, পানিতে দ্রবণীয় বা জল-ভিত্তিক রং দিয়ে রাঙানো হয়েছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করুন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এছাড়াও, প্রতিমায় প্লাস্টিকের চোখ, গ্লিটার, থার্মোকল, প্লাস্টিকের পুঁতি এবং তার আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন। এই জিনিসগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয় না। আপনি যদি বাড়িতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে ন্যূনতম অলঙ্করণ এবং প্রাকৃতিক রঙের একটি মূর্তি বেশি সুবিধাজনক হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নির্দেশিকাগুলো সর্বদা প্রাকৃতিক মাটি এবং পরিবেশবান্ধব রং ব্যবহারের পক্ষে সমর্থন করে এসেছে। অনেক জায়গায়, প্রাকৃতিক জলাশয়ে পিওপি (POP) এবং রাসায়নিকভাবে রঙ করা প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ বা ভিন্ন নিয়মকানুন রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;তৃতীয় প্রশ্ন: এই প্রতিমাটি জলে দ্রবীভূত হতে কতক্ষণ সময় লাগবে?&amp;nbsp;&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করুন প্রতিমাটি আগে বিসর্জন পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা এবং সাধারণ জলে এটি দ্রবীভূত হতে কতক্ষণ সময় লাগে। &quot;এটি দুই মিনিটে দ্রবীভূত হয়ে যাবে&quot;-এর মতো দাবি সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বাস করবেন না। প্রতিমার আকার, মাটির পুরুত্ব, তৈরির পদ্ধতি এবং জলের পরিমাণ&mdash;এই সবগুলিই দ্রবীভূত হওয়ার হারকে প্রভাবিত করতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এছাড়াও, জিজ্ঞাসা করুন এই প্রতিমাটি বাড়িতে বালতি, টাব বা কৃত্রিম পুকুরে বিসর্জন দেওয়া যাবে কিনা। যদি বিক্রেতা দাবি করেন যে প্রতিমাটি প্রাকৃতিক মাটি দিয়ে তৈরি কিন্তু কৃত্রিম বিসর্জন সম্পর্কে স্পষ্ট উত্তর দিতে না পারেন, তবে অন্য দোকানে উপাদানটির সাথে তুলনা করে দেখাই ভালো।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আপনি যদি একটি পিওপি (POP) প্রতিমা কিনে থাকেন, তবে এটিকে নদী, পুকুর বা সমুদ্রে নিয়ে যাওয়ার আগে আপনার পৌরসভার নিয়মকানুন অবশ্যই দেখে নেবেন। অনেক শহর এই ধরনের প্রতিমার জন্য কৃত্রিম বিসর্জন পুকুর তৈরি করে। স্থানীয় নিয়মকানুন প্রতিটি শহরে একই নাও হতে পারে।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;&lt;strong&gt;চতুর্থ প্রশ্ন: প্রতিমাটি কে তৈরি করেছেন, এবং আপনি কি একটি রসিদ পাবেন?&lt;/strong&gt;&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;&lsquo;পরিবেশ-বান্ধব&rsquo; শব্দটি নিজে থেকেই উপাদানের প্রমাণ নয়। দোকানদারের কাছে ভাস্কর বা প্রস্তুতকারকের নাম, তৈরির স্থান এবং একটি রসিদ চেয়ে নিন। এতে করে যদি উপাদানটি ভুল হয় বা প্রতিমাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করা সহজ হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;যদি দোকানে প্রাকৃতিক মাটি এবং পিওপি (POP) উভয় প্রকারের প্রতিমা থাকে, তবে সেগুলি আলাদাভাবে দেখতে চান। সেগুলির উপরিভাগ, পিছনের অংশ এবং ভিত্তি পরীক্ষা করুন। প্রতিমার নিচে কাঁচা মাটির একটি স্তর দেখা যেতে পারে, কিন্তু যদি রঙ বা প্রলেপ থাকে তবে এই পদ্ধতিটিও সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য নয়।&lt;/p&gt;&lt;h2&gt;&lt;strong&gt;মাটির প্রতিমা কি শুধুমাত্র ধর্মীয়ভাবে প্রয়োজনীয়?&lt;/strong&gt;&lt;/h2&gt;&lt;p&gt;হিন্দু ঐতিহ্যে, মাটি দিয়ে তৈরি প্রতিমার পূজা করার একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রথা রয়েছে। মাটির প্রতিমা পঞ্চভূত এবং প্রকৃতিতে ফিরে যাওয়ার চেতনারও প্রতীক। তবে, শুধুমাত্র প্রতিমার উপাদানের উপর ভিত্তি করে একজন ভক্তের বিশ্বাস বা পূজাকে বিচার করা সমীচীন নয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রতিমা কেনার সময়, প্রথমে গণপতির রূপের গাম্ভীর্য পরীক্ষা করে নিন। প্রতিমার ধড়, হাত, পা এবং আসন যথাযথভাবে তৈরি হওয়া উচিত। প্রতিমাটি যেন ভাঙা বা ফাটা না হয় এবং এর আকার বাড়ির উপলব্ধ স্থান ও বিসর্জনের আয়োজনের জন্য উপযুক্ত হওয়া উচিত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সবচেয়ে সস্তা বা সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ প্রতিমা বেছে নেওয়ার পরিবর্তে এমন একটি প্রতিমা বেছে নিন, যার বিক্রেতা এর উপাদান, রঙ এবং বিসর্জন সম্পর্কে প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেন। বাপ্পাকে ঘরে আনা শুধু একটি কেনাকাটা নয়, এটি একটি দায়িত্বও বটে। ভক্তিপূর্ণ উপাসনা আরও সুন্দর হবে যদি সেই উদযাপন জল ও প্রকৃতির ক্ষতি না করে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-you-must-ask-these-4-questions-before-buying-a-clay-ganesha-idol/articleshow-rgufi0w"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[গণেশকে ভুলেও দেবেন না তুলসী পাতা, দেখবেন না চাঁদ! গণেশ চতুর্থীর এই ২ নিয়ম না মানলে হবে বড় বিপদ]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-why-moon-sighting-forbidden-on-ganesh-chaturthi-ganesh-chaturthi-puja/articleshow-tdhyduu</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-why-moon-sighting-forbidden-on-ganesh-chaturthi-ganesh-chaturthi-puja/articleshow-tdhyduu</guid>
            <pubDate>Mon, 14 Sep 2026 12:29:25 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;গণেশ চতুর্থীতে গণেশকে তুলসী পাতা দেওয়া এবং চাঁদের দিকে তাকানো দুটোই কেন নিষিদ্ধ জানেন? এর পেছনে রয়েছে এক পৌরাণিক অভিশাপের কাহিনি।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2fb4wr44s57m4fs413ss451,imgname-ranthambore-trinetra-ganesh-1789368890116.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;গণেশ চতুর্থী মানেই বাড়িতে বাপ্পার আগমন, মোদক, লাড্ডু এবং ধুমধাম করে পুজো। কিন্তু এই পুজোর দুটি কঠোর নিয়ম আছে যা অনেকেই জানেন না, আর জানলেও কারণটা জানেন না। একটি হল, সিদ্ধিদাতা গণেশকে কখনও তুলসী পাতা দেওয়া যায় না এবং দ্বিতীয়টি হল, গণেশ চতুর্থীর রাতে চাঁদের দিকে তাকানো একেবারে মানা। এই দুটি নিয়ম না মানলে সংসারে অমঙ্গল হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। এর পেছনে রয়েছে দুটি আলাদা পৌরাণিক গল্প।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রথমে আসি তুলসী পাতার কথায়। প্রায় সব দেবতার পুজোতেই তুলসী পাতা লাগে, কিন্তু গণেশ পুজোয় তুলসী একেবারে নিষিদ্ধ। এর কারণ হল তুলসী দেবীর সঙ্গে জড়িত এক অভিশাপ। কথিত আছে, একবার তুলসী দেবী গঙ্গার তীরে ধ্যান করছিলেন। সেই সময় যুবক গণেশ সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন। তুলসী গণেশের রূপ দেখে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু গণেশ তখন আজীবন ব্রহ্মচারী থাকার ব্রত নিয়েছিলেন, তাই তিনি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। এতে তুলসী দেবী রেগে গিয়ে গণেশকে অভিশাপ দেন যে, তাঁর ব্রহ্মচর্য ভঙ্গ হবে এবং তাঁর দুটি বিয়ে হবে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই কথা শুনে গণেশও রেগে যান এবং পাল্টা তুলসীকে অভিশাপ দেন যে, তিনি কখনও দেবী রূপে পুজো পাবেন না এবং তিনি এক অসুরকে বিয়ে করবেন, যার নাম হবে শঙ্খচূড়। পরে দুজনেই নিজেদের ভুল বুঝতে পারেন। তুলসী ক্ষমা চাইলে গণেশ বলেন, তাঁর অভিশাপ ফলবেই কিন্তু তুলসী গাছ হিসেবে তিনি অত্যন্ত পবিত্র হবেন এবং বিষ্ণুর সবচেয়ে প্রিয় হবেন। কিন্তু গণেশের পুজোয় তিনি কখনও স্থান পাবেন না। সেই থেকেই গণেশকে তুলসী দেওয়া হয় না।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দ্বিতীয় নিয়মটি হল চাঁদ না দেখা। একে বলে মিথ্যা কলঙ্ক বা মিথ্যাচার দোষ। এর পেছনের গল্পটিও বেশ মজার। একবার গণেশ চতুর্থীর দিনে গণেশ অতিরিক্ত মোদক খেয়ে তাঁর বাহন ইঁদুরের পিঠে চড়ে ফিরছিলেন। ইঁদুরটি গণেশের ভার সামলাতে না পেরে হোঁচট খায় এবং গণেশ পড়ে যান। তাঁর পেট ফেটে সব মোদক বেরিয়ে আসে। গণেশ আবার মোদকগুলো পেটে ভরে সাপ দিয়ে পেট বেঁধে নেন। এই পুরো ঘটনাটি আকাশ থেকে দেখছিলেন চন্দ্রদেব। তিনি গণেশের এই অবস্থা দেখে হো হো করে হেসে ওঠেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চন্দ্রের এই অহংকারী হাসি দেখে গণেশ ভীষণ রেগে যান। তিনি চন্দ্রকে অভিশাপ দেন যে, আজ থেকে যে কেউ তোমাকে দেখবে, তার ওপর মিথ্যা কলঙ্ক লাগবে, সবাই তাকে চোর ভাববে। চন্দ্রদেব ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাইলে গণেশ বলেন, বছরের অন্য দিন চাঁদ দেখলে দোষ নেই, কিন্তু ভাদ্র মাসের শুক্লা চতুর্থীর দিন, অর্থাৎ গণেশ চতুর্থীর রাতে চাঁদ দেখলে মিথ্যা অপবাদ অবশ্যই লাগবে। সেই কারণেই আজও গণেশ চতুর্থীর রাতে চাঁদ দেখা মানা। ভুল করে দেখে ফেললে শাস্ত্রে বলা হয়েছে, স্যমন্তক মণির কাহিনি শুনলে এই দোষ কেটে যায়।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>ANB Web Desk</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-why-moon-sighting-forbidden-on-ganesh-chaturthi-ganesh-chaturthi-puja/articleshow-tdhyduu"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Bal Ganesh: মন ভোলানো ছোট্ট গণেশ মূর্তি, কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ভক্তরা]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/webstories/religion/ganesh-chaturthi-special-bal-ganesh-idols-arrive-in-mumbai-market-bpsb-u3leuuc</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/webstories/religion/ganesh-chaturthi-special-bal-ganesh-idols-arrive-in-mumbai-market-bpsb-u3leuuc</guid>
            <pubDate>Sun, 13 Sep 2026 11:23:45 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে গণেশ উৎসব। মহারাষ্ট্রে এই উৎসব ঘিরে উন্মাদনা থাকে তুঙ্গে। এরই মধ্যে মুম্বইয়ের গণেশ টকিজে এসে গিয়েছে ছোট ছোট গণেশের মূর্তি। দেখুন তারই কিছু বিশেষ ছবি।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m2cdw694f4beq030xy3qa3zp,imgname-ganesh-chaturthi-market-price-hike-1789271087396.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Parna Sengupta</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/webstories/religion/ganesh-chaturthi-special-bal-ganesh-idols-arrive-in-mumbai-market-bpsb-u3leuuc"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Ganesh Chaturthi 2026: কেন গণপতিকে সিঁদুর অর্পণ করা হয় জানেন? পুজোর আগেই জানুন এর গুরুত্ব]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-do-you-know-why-ganapati-is-offered-sindoor/articleshow-u4zmzqv</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-do-you-know-why-ganapati-is-offered-sindoor/articleshow-u4zmzqv</guid>
            <pubDate>Mon, 14 Sep 2026 02:54:38 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;Ganesh Chaturthi 2026: ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী পালিত হবে। এই পূজায় সিঁদুরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, যা ছাড়া গণপতির আরাধনা অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01m29xmxpnj27x6jztrxcbh935,imgname-ganesh-chaturthi-stories-1789186963157.png" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;&lt;strong&gt;Ganesh Chaturthi 2026: &lt;/strong&gt;হিন্দু ধর্মে, কোনও শুভ কাজের শুরু ভগবান গণেশ ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না। প্রথম শ্রদ্ধেয় গজানন তাঁর ভক্তদের সকল বাধা দূর করেন। ক্যালেন্ডার অনুসারে, এই বছর ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গণেশ চতুর্থীর পবিত্র উত্সব উদযাপিত হবে। এই দিনে, ভক্তরা তাদের বাড়িতে সিদ্ধিদাতা গণেশ প্রতিষ্ঠা করে এবং ১০ দিন ধরে পূর্ণ আচারের সঙ্গে পূজা করে। সিদ্ধিদাতার পূজার উপকরণে মোদক, লাড্ডু, গাঁদা ফুল এবং দূর্বার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, তবে একটি জিনিস রয়েছে যা ছাড়া গণপতির পূজা অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয় এবং তা হল সিঁদুর। ভগবান গণেশ সিঁদুর খুব পছন্দ করেন। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন কেন গজাননকে সিঁদুর দেওয়া হয় এবং এর পিছনে ধর্মীয় বিশ্বাস কী?&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;গণেশকে সিঁদুর অর্পণ করলে কী হয়?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;গণেশ চতুর্থীতে, ভগবান গণেশের পূজায় অনেক ধরণের উপকরণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে সিঁদুরেরও বিশেষ গুরুত্ব বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, লাল রংকে শুভ ও মঙ্গল গ্রহের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। ভগবান গণেশকে বাধা অপসারণকারী এবং শুভ দেবতা হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তাই তাঁর পূজায় সিঁদুর দেওয়ার প্রথা বহুকাল ধরে চলে আসছে। গণপতির প্রতিমায় সিঁদুর লাগানোর প্রথাও অনেক মন্দিরে দেখা যায়। ভক্তরা সাধারণত গণপতির কপালে সিঁদুরের তিলক লাগান। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে ভক্তি সহকারে বাপ্পাকে সিঁদুর অর্পণ করলে তার আশীর্বাদ পাওয়া যায় এবং জীবনের বাধা-বিপত্তি থেকে মুক্তির ইচ্ছা পূরণ হয়।&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;সিন্দুরসুর সম্পর্কিত একটি পৌরাণিক কাহিনী রয়েছে।&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;ধর্মীয় গ্রন্থ এবং পুরাণ অনুসারে, ভগবান গণেশ সিঁদুর পছন্দ করার পিছনে একটি খুব মজার গল্প রয়েছে। প্রাচীনকালে সিন্দুরাসুর নামে এক ভয়ঙ্কর অসুর ছিল। ভগবান ব্রহ্মার কাছ থেকে কঠোর তপস্যা করে তিনি বর পেয়েছিলেন যে মাতৃগর্ভ থেকে জন্ম না হওয়া পর্যন্ত কোন দেবতা বা মানুষ তাকে হত্যা করতে পারবে না। এই বর পেয়ে সিন্দুরাসুর অত্যন্ত অহংকারী হয়ে ওঠে এবং স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে হৈচৈ সৃষ্টি করে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;দেবতাদের ডাক শুনে ভগবান গণেশ অবতারণা করলেন। তিনি সিন্দুরসুরের সঙ্গে প্রচন্ড যুদ্ধ করেন এবং শেষ পর্যন্ত তাকে হত্যা করেন। সিন্দুরাসুরকে বধ করার পর ভগবান গণেশ তার সারা শরীরে সিঁদুর রঙের রক্ত ​​ঘষে দেন। এই ঘটনার পর থেকে ভগবান গণেশের শরীর সিঁদুরে পরিণত হয় এবং তাঁকে সিঁদুর দেওয়ার প্রথা শুরু হয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে যেই ভক্ত বাপ্পাকে সিঁদুর অর্পণ করেন, ভগবান তার জীবনের সমস্ত পৈশাচিক ঝামেলা এবং বাধা ধ্বংস করেন। গণেশকে সিঁদুর অর্পণ করলে কী হয়?&lt;/p&gt;&lt;h3&gt;কিভাবে গণেশকে সিঁদুর নিবেদন করবেন?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;গণেশ চতুর্থীর দিন স্নান করুন, পরিষ্কার পোশাক পরিধান করুন এবং পূজার স্থান পরিষ্কার করুন। এরপর গণেশের মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে পূজা শুরু করুন। গণেশকে জল, অক্ষত, ফুল ও দূর্বা অর্পণের পর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর কপালে সিঁদুরের তিলক লাগাতে পারেন। সিঁদুর নিবেদনের সময়, ভগবান গণেশের মন্ত্রও জপ করা যেতে পারে। এর পরে তাদের মোদক বা লাড্ডু নিবেদন করুন এবং আরতি করুন। উপাসনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভক্তি ও পরিচ্ছন্ন মন। গণেশ চতুর্থীতে আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে পুজো করার রীতি রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Deblina Dey</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/ganesh-chaturthi-2026-do-you-know-why-ganapati-is-offered-sindoor/articleshow-u4zmzqv"/>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[Vishwakarma Puja Rituals: বিশ্বকর্মা পুজোয় গাড়ি পুজো করার আগে ভুলেও করবেন না এই কাজ, রইল বিশেষ টিপস]]></title>
            <link>https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-rituals-must-follow-these-tips-before-car-or-vehicle-puja-on-vishwakarma-puja-absc/photoshow-zv6a79k</link>
            <guid isPermaLink="true">https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-rituals-must-follow-these-tips-before-car-or-vehicle-puja-on-vishwakarma-puja-absc/photoshow-zv6a79k</guid>
            <pubDate>Fri, 18 Sep 2026 09:32:50 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&lt;p&gt;আজ ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে ব্যবহৃত সমস্ত মেশিন ও গাড়ির পুজো করার রীতি রয়েছে। শাস্ত্র মতে, এদিন গাড়ি পরিষ্কার করে ইঞ্জিনে স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে পুজো করলে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। জেনে নিন আজ কী করবেন।&lt;/p&gt;]]></description>
            <media:content url="https://static.asianetnews.com/images/w-1280,h-720,format-jpg,imgid-01hak71wam88k3d7wvhkdxc5bw,imgname-GettyImages-1672304571-1695009534292.jpg" type="image/jpeg" height="390" width="690"/>
            <content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আজ ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে ব্যবহৃত সমস্ত মেশিন ও গাড়ির পুজো করার রীতি রয়েছে। শাস্ত্র মতে, এদিন গাড়ি পরিষ্কার করে ইঞ্জিনে স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে পুজো করলে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। জেনে নিন আজ কী করবেন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;আজ ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে বিশ্বকর্মা পুজো। এই বিশেষ দিনে মেশিন ও গাড়ির পুজো দেওয়ার রীতিও প্রচলিত আছে। এখনকার দিনে আমরা প্রায় সবাই কোনও না কোনও মেশিন বা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করি।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;কম্পিউটার, স্মার্টফোন, টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিনের মতো জিনিস সকলের ঘরেই থাকে। বিশ্বকর্মা পুজোয় আপনি ব্যবহার করেন এমন সব মেশিনেরই পুজো করা উচিত। মনে করা হয়, পুজো করলে হঠাৎ কোনও মেশিন খারাপ হয়ে গিয়ে আপনাকে বিপদে ফেলবে না।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;শাস্ত্র মতে, বিশ্বকর্মা পুজোর দিন অবশ্যই নিজের গাড়ি পরিষ্কার করবেন। যদি নিজে পরিষ্কার করার সময় না পান, তাহলে অন্য কাউকে দিয়ে পরিষ্কার করান। তেমনই আবার গাড়ি ধোওয়ার জায়গায়ও পাঠাতে পারেন। একান্ত না পারলে নতুন কাপড় দিয়ে গাড়ি মুছে নিন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;আজ গাড়ি পুজোর সময় গাড়ির ইঞ্জিনে সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকুন। ফুল, মালা, চাল নিবেদন করে পুজো করুন। লাল ও হলুদ সুতোর একটি সুপারি জড়িয়ে নিন। সেটি হাতে নিয়ে আপনার গাড়িকে সুরক্ষিত ও নিরাপদ রাখার জন্য বিশ্বকর্মা ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করুন।&lt;/p&gt;&lt;img&gt;&lt;p&gt;তেমনই আজ পুজো করার পর নিজের গাড়ি নিজে চালান। আজ অন্য কাউকে গাড়ি ব্যবহার করতে দেবেন না। ভক্তি ভরে পুজো করুন। মিলবে উপকার।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
            <category>Religion</category>
            <dc:creator>Sayanita Chakraborty</dc:creator>
            <atom:link href="https://bangla.asianetnews.com/religion/vishwakarma-puja-rituals-must-follow-these-tips-before-car-or-vehicle-puja-on-vishwakarma-puja-absc/photoshow-zv6a79k"/>
        </item>
    </channel>
</rss>
