বাড়িতেই শসা গাছ লাগিয়ে ভাল ফলন পেতে চান? কী কী করতে হবে, আসুন ধাপে ধাপে দেখে নেওয়া যাক।
শসা চাষের জন্য এমন জায়গা বাছুন যেখানে প্রচুর রোদ আসে এবং জল জমে না। মাটি ভাল করে খুঁড়ে গোবর সার, নিম খোল এবং হাড়ের গুঁড়ো মিশিয়ে বীজতলা তৈরি করুন।
সারি করে ৪-৫ ফুট দূরত্বে বীজ লাগান। প্রতিটি গর্তে ৩-৪টি করে বীজ দিন। বীজ লাগানোর আগে ২-৩ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখলে তাড়াতাড়ি অঙ্কুর বের হয়।
চারাগাছ বাড়তে শুরু করলে গাছের গোড়ায় সবুজ পাতা বা শুকনো পাতা দিয়ে মালচিং করুন। এতে মাটির আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং আগাছা কম হয়।
গাছের লতা বাড়তে শুরু করলে মাচা তৈরি করে দিন অথবা দড়ি বেঁধে দিন। লতা মাটিতে ঠেকে গেলে ফল পচে যাওয়ার ভয় থাকে।
শসা গাছে প্রতিদিন নিয়ম করে জল দেওয়া দরকার। তবে খেয়াল রাখবেন, গাছের গোড়ায় যেন জল না জমে। ফল ধরার সময় জল কম হলে শসার স্বাদ তেতো হয়ে যেতে পারে।
লতা বাড়তে শুরু করলে জৈব সার দিন। সর্ষের খোল পচানো জল, জীবামৃত বা ভাতের ফ্যানের সঙ্গে গোবর মিশিয়ে গাছের গোড়ায় দিতে পারেন।
ফল ধরার সময় গাছের গোড়ায় ছাই ছড়িয়ে দিলে বেশি করে ফুল ও ফল হতে সাহায্য করে। এটি গাছের জন্য খুব উপকারী।
শসা চাষের সবচেয়ে বড় শত্রু হল ফলের মাছি। ছোট অবস্থাতেই ফলগুলিকে কাগজের প্যাকেট বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখুন, নাহলে পোকা ধরে যাবে।
জাবপোকা বা সাদামাছির মতো পোকা তাড়াতে সপ্তাহে একদিন সন্ধ্যায় ২% ঘনত্বের নিম তেল-রসুন মিশ্রণ বা সাবান জল স্প্রে করুন।
গাছে ফুল আসার ৪৫–৫০ দিনের মধ্যে প্রথমবার ফসল তোলা যায়। দেরি করলে শসা পেকে শক্ত হয়ে যাবে, তাই সঠিক সময়ে তুলে নিন।
Turmeric Water: রোজ সকালে হলুদ জল খেলে শরীরে কী কী পরিবর্তন হয়?
Oats Benefits: রোজ ওটস খেলে কী কী উপকার হয়? জানুন ৮টি দারুণ কারণ
মাত্র ১ গ্রাম সোনাতেই কেল্লাফতে! রইল দারুণ কিছু আংটির ডিজাইন
Silver Anklets: ছোট্ট মেয়েদের জন্য ৭টি লেটেস্ট রুপোর নূপুরের ডিজাইন!