ব্রেকফাস্টে ওটস রাখলে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। দুধ দিয়ে ওটস খেতে পারেন। কিংবা ওটসের পুട്ടു বা ধোসার মতো পদও বানিয়ে নেওয়া যায়।
Image credits: Getty
Bangla
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে
ওটসে রয়েছে জরুরি ভিটামিন, মিনারেলস এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই সব উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।
Image credits: Getty
Bangla
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
ওটসে থাকা বিটা-গ্লুকান এলডিএল অর্থাৎ 'খারাপ' কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ওটসের ফাইবার খেলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে।
Image credits: Freepik
Bangla
টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
ওটসের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশ কম। তাই এটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
Image credits: Freepik
Bangla
খিদে নিয়ন্ত্রণে রাখে
ওটসে ফাইবার ও প্রোটিন একসঙ্গে থাকায় অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। ফলে বার বার খিদে পাওয়ার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
Image credits: Getty
Bangla
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে
ওটসে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয়, দুই ধরনের ফাইবারই থাকে। এর মধ্যে থাকা বিটা-গ্লুকান একটি প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও প্রতিরোধ করে।