অভিভাবকরা সন্তানের পাশে থেকেও মানসিকভাবে ফোন বা অন্য ডিজিটাল জগতে মগ্ন থাকলে, তাকে 'জম্বি পেরেন্টিং' বলে। আপনি কি একজন জম্বি পেরেন্ট? এতে সমস্যা কী?
সন্তানদের সাথে সময় কাটানোর মুহূর্ত উপভোগ না করে শুধু ভিডিও তোলায় মনোযোগ দিলে, তা শিশুদের সঙ্গে সম্পর্কে খারাপ প্রভাব ফেলে।
পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে খাওয়ার সময় ফোনে ব্যস্ত থাকলে শিশুদের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার সুযোগ নষ্ট হয়।
শিশুরা কথা বলার সময় ফোনে তাকিয়ে উত্তর দিলে তারা নিজেদের উপেক্ষিত এবং একাকী মনে করতে পারে।
স্কুল থেকে ফেরা সন্তানকে হাসিমুখে স্বাগত না জানিয়ে ফোনে ব্যস্ত থাকলে শিশুরা হতাশ হতে পারে।
সন্তানদের সঙ্গে হাঁটার সময় ফোনে মনোযোগ দিলে তাদের সঙ্গে কথা বলার এবং মেশার সুযোগ নষ্ট হয়।
শিশুরা যাতে বিরক্ত না করে, তার জন্য তাদের হাতে ফোন বা ট্যাব দিলে তাদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে ক্ষতি হতে পারে।
সন্তানদের সঙ্গে সুখী হওয়ার চেয়ে, তারা যে সুখী তা অন্যকে দেখানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে এই ধরনের অভিভাবকরা বেশি আগ্রহী।
শিশুরা সাহায্যের জন্য এলে ফোনে ব্যস্ত থাকার কারণে তাদের সরিয়ে দিলে, তাদের মধ্যে রাগ ও দুঃখ তৈরি হতে পারে।
এই ধরনের আচরণ শিশুদের মানসিক বিকাশ এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হয়।
শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারে এমন সাতটি সুপারফুড
শিশু দিবসের আঁকা প্রতিযোগিতায় মিলবে ফুল মার্কস! বেছে নিন সেরা ৭ ছবি
শিশুদের মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলার ৬টি উপায়