এক দিনের সফরে কলকাতায় এলেন বিজেপি-র সর্ব ভাবরতীয় জেপি নাড্ডা।  আগামিকাল দিনভর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। কিন্তু এই রাতেও তিনি কলকাতায় নামার পরই বৈঠক করবেন রাজ্যস্তরের নেতাদের সঙ্গে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের মত শীর্ষ নেতৃত্বের। কলকাতা বিমান বন্দরে রাত সাড়ে নটা নাগাদ তাঁর বিমান ল্যান্ড করেন। বিমান বন্দরে বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডাকে স্বাগত জানাতে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে উপস্থিত থেকে সদ্যোই তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগদেওয়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। 


পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে রীতিমত পাখির চোখ করেছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। যতদিন যাচ্ছে ততই রাজ্যে যাতায়াত বাড়ছে দিল্লির নেতাদের। শুধু কলকাতা সফরের মধ্যেই তাঁদের গতিবিধি আটকে থাকছে না। দলীয় কর্মীদের মনোবল বাড়াতে ও স্থানীয় মানুষের মন পেতে সর্বত্রই তাঁরা যাতায়াত করছেন উত্তর থেকে দক্ষিণ। চলতি সফরে জেপি নাড্ডা মালদা ও নদিয়া এই জলায় ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। 
 

আগামিকাল সকাল প্রথমে মালদা যাবেন পরে তিনি যাবেন নদিয়াতে।  ১১টায় জেপি নাড্ডা সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব সাবট্রপিকাল হর্টিকালচার পরিদর্শন করবেন। সেখান থেকেই রওনা দেবেন সাহাপুরের উদ্দেশ্যে। সাহাপুরের মাঠেই কৃষকদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজন সারবেন জেপি নাড্ডা। সেখান থেকেই শুরু হবে তাঁর রোড শো। শ্যামা প্রসাদের মূর্তির পাদদেশ থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে তা শেষ হবে এককিলোমিটার দূরে রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে। এই সফরে তাঁর সঙ্গে প্রায় আড়াই হাজার কৃষক আলোচনা করবেন। কৃষকদের কৃষি সরঞ্জাম ও উৎপাদিত সফলের প্রদর্শনী হবে। 


মালদা থেকেই জেপি নাড্ডা সোজা চলে আসবেন নদিয়ায়। নদিয়া সফরে পরিবর্তন যাত্রার কোনও অনুমতি দেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। পুলিশ সূত্রের খবর কলকাতা হাইকোর্টে বিজেপির রথযাত্রার মামলা চলছে, আর সেই কারণ দেখিয়ে এখনও পর্যন্ত অনুমতি দেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। তবে বিজেপির রাজনৈতিক সভা হবে বলেও জানান হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। গতকালই জেপি নাড্ডা মালদা থেকে আসবেন নবদ্বীপের শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ জনস্থান আশ্রমে।