রাজ্যে  প্রথম দফার ভোটের সকালেই রক্তাক্ত কেশিয়াড়ি। দিনহাটা-শালবনীর পর এবার শনিবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে উদ্ধার বিজেপি কর্মীর মৃতদেহ। ফের  খুনের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন, কমিশনের গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনায় উঠে এল নয়া তথ্য, কী বলছে পুলিশ 


 শুক্রবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। থানার ডাইরিও করা হয়েছিল। এরপর সকালে বাড়ির উঠোনেই মিলেছে দেহ। এই ঘটনায় ভোটের দিন  পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ির বেগমপুরে মৃত কর্মীর বাড়িতে যান বিজেপি নেতারা। বিজেপির অভিযোগ, তাঁকে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী। রাজনৈতিকভাবে বিজেপির সঙ্গে লড়াই করতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। আর তাই রাজ্য়ের বিভিন্ন প্রান্ত বারবার হিংসার পথ বেছে নিচ্ছে তৃণমূল।  কেশিয়াড়িতে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় দিলীপ ঘোষ বলেছেন, আমার কাছে খবর এসেচে এই রকমের হিংসা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে।

 

 আরও পড়ুন, রাত পেরোলেই নন্দীগ্রামে মমতা, ওদিকে শুভেন্দুকে শক্তি দিতে আসছে অমিত শাহও 


 প্রসঙ্গত, এর আগে সদ্য দিনহাটা-শালবনীতেও বিজেপি নেতার দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রতিবারেই অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকেই। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেছেন, ' আমার পার্টির ১৩০ জনের বেশি কার্যকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচনের একেবারে দোরগড়ায় ৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে। আমি বাংলার জনতার কাছে আবেদন জানাতে চাই-বাংলার রাজনৈতিক হিংসা বিজেপি ছাড়া কেউ বন্ধ করতে পারবে না।'