বিশ্বভারতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই দাবি করলেন ব্রাত্য বসু। উল্লেখ্য, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দিল্লি থেকে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যোগ দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল এবং দেশের শিক্ষা মন্ত্রী। 


 ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, শেষ ১৫ দিনে রাজ্য সরকারের কাছে কিংবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কোন আমন্ত্রণপত্র আসেনি। একইসঙ্গে ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, যে চিঠি কিংবা আমন্ত্রণ পত্রের কথা আপনারা বলছেন সেখানে রাজ্য সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো প্রাপ্তি স্বীকার নেই। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের স্বাক্ষর রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়টিকে অত্যন্ত লজ্জার বলেছেন ব্রাত্য বসু। প্রসঙ্গত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দিল্লি থেকে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যোগ দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল এবং দেশের শিক্ষা মন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণ না থাকার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা। 


একই সঙ্গে একদিন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের একাধিক লাইন তুলে ধরে সমালোচনা করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আঞ্চলিক গন্ডিতে বেঁধে রাখার চেষ্টা করছেন। বারবার গুজরাটের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সম্পর্ক টেনে আনার চেষ্টা করছেন। রবীন্দ্রনাথ বিশ্ববরেণ্য তাকে আঞ্চলিক গন্ডিতে বেঁধে রাখা যায় না । একইসঙ্গে ব্রাত্য বসু বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় অবদান আছে সেই সম্পর্কে বলতে গিয়ে দেশের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বললেও যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান সবথেকে বেশি সেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কথা বলেন নি প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে ব্রাত্য বসু বলেন এর মাধ্যমে বাঙালির ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেজ দাদাকে বড়দা বলা এবং তার স্ত্রী নাম ভুল বলার সমালোচনার করেন ব্রাত্য বসু।