চন্ডীপুরের জনসভায় এসে ভোট যুদ্ধে জয় পেতে মরিয়া তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিনও তিনি বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। তবে সোহমের প্রসঙ্গে বলেছেন, আমার সবার বিরুদ্ধে কথা বলি না। সোহম অভিনেতা হলেও কাজ করে।' এদিকে মমতার এহেন প্রতিক্রিয়ায় বাকি অভিনেতা যারা এতদিন তৃণমূলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন, তাঁদের কাজ করা নিয়ে কি দলের অন্দরে সন্দেহর বীজ তৈরি হয়েছে, সেটাই কি পরোক্ষভাবে বোঝাতে চাইলেন মমতা। এমনটাই গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে। 

আরও পড়ুন, 'দরজা ভেঙে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গভীর রাতে নিয়ে গেল ওকে', কান্নায় ভেঙে পড়ল ছত্রধরের পরিবার 


এদিন মমতা নাম না করেই কাঁথির গেরুয়া পরিবারে দিকে নিশানা করেন। তিনি বলেছেন, 'নন্দীগ্রামে ভূমি আন্দোলনের সময় আমাকে ঘন্টার পর ঘন্টা এই চন্ডীপুরে আটকে রাখা হয়েছিল। বাজারের এখানে যে বিজ্রটা আছে, পাশে আমাদের প্রার্টি অফিস আছে, আমাকে সেখানেই আটকেই রেখেছিল। সেদিন কেউ ছিল না পাশে।'   আরও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী, আমাদের সরকার যা যা বলেছিল, সব করেছি। স্বাস্থসাথী, কৃষক বন্ধু, কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, যুবশ্রী সব কাজ আমরা করেছি। যদি আপনারা আমাকে চান, তৃণমূল সরকারকে চান প্রার্থী সোহম কী অদিতি, ভূলে যান। প্রাথী মমতাদি। আমি এখন আছি। আমি আজ, কাল, পরশুও থাকব। আমিই লক্ষ রাখব।  কারণ সরকারটা মমতাদিকে গড়তে হবে। তা না হলে কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী বন্ধ হয়ে যাবে।'

আরও পড়ুন, '৭ বছরেও কেন শেষ হল না সারদা তদন্ত', BJPকে নিশানা করতে গিয়ে মমতার কথায় চাপ বাড়ল কি তৃণমূলে 

 

এদিকে দোল উৎসবের দিনে মমতার এমন কথায় রাজ্য-রাজনীতিতে ঝড় উঠেছে। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই  মাটিগড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে আবারও তৃণমূলের প্রার্থী বদল হয়েছে। শেষবেলায় ভোটের আগে প্রার্থীদের উপর থেকে ভরসা হারালেন কি 'দিদি'-চাপান উতোর রাজনৈতিক মহলে।