'ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে যুদ্ধের' ডাক দিলেন হলদিয়ার সভামঞ্চে এসে মমতা। এদিন প্রধানমন্ত্রীর খড়গপুর সফরের দিনেই নিশানা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, 'ভারতবর্ষের অর্থনীতি শেষ করে দিয়েছেন মোদী'। এবং মনে করিয়ে দেন তিনি বাংলা জন্য কী কী করেছেন বা কী করবেন। এদিন মমতা বলেন, হলদিয়া বন্দরের উন্নয়ন করেছি। তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর হচ্ছে। দিঘায় তৈরি হচ্ছে মৎসজীবিদের জন্য নীলা এবং আরও বলেন, ক্ষমতায় এলে ৫ লক্ষ কোটি টাকা শিল্পে বিনিয়োগ করব বলে প্রতিশ্রুতি দেন মমতা।

আরও পড়ুন, 'দিদিকে গণতন্ত্র ধ্বংস করতে দেওয়া যাবে না', মোদীর কথায় ঢেউ খেলল খড়গপুরের জনসমুদ্রে, দেখুন ছবি 

 

এদিন মূলত হলদিয়া নমিনেশন ফাইল করার পর প্রথম জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী। ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে পায়ে আঘাত পাওয়ার পর ফের পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় সভা করতে আসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ হলদিয়ায় সভা জনসভা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এইদিন হুইলচেয়ার বসে বক্তব্য রাখার সময় যন্ত্রনা অনুভব করেন।কিন্তু সেই যন্ত্রণা কি উপেক্ষা করেই বক্তব্য রাখতে শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা ফের বলেছেন, আবার যদি পুনরায় তৃণমূল সরকারে আসেন তাহলে মানুষের বাড়িতে রেশন পরিসেবা পৌঁছে দেবো। আপনাদের আর কষ্ট করে রেশন দোকানে যেতে হবে না। আমাদের সরকার ক্ষমতায় এলে প্রতিটি মায়ের একাউন্টে ৫০০ টাকা করে দেবো। কৃষক বন্ধুরা যাদের ৬০০০ টাকা করে দিই সেটা ১০ হাজার টাকা হবে। দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের যে দশ হাজার টাকা দিচ্ছি আমরা সরকারে এলে সেই দশ হাজার টাকা পূনরায় চলতে থাকবে। ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনার সুবিধার জন্য ১০ লাখ টাকা করে ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হবে। সুশীল ধাঁড়া, মাতঙ্গিনী হাজরাকে প্রনাম জানিয়ে বলি এই রাজ্যে অনেক কাজ হয়েছে আমরা থাকলে আরো কাজ হবে।'

আরও পড়ুন, করোনায় আক্রান্ত মমতার ২ নিরাপত্তারক্ষী, নন্দীগ্রাম ইস্যুতে কমিশনের কাছে সময় চাইলেন মুখ্যসচিব 

 

অপরদিকে এদিন হলদিয়ায় এসে নাম না করে শুভেন্দুর কথা বলতে ছাড়েননি। শুক্রবার যাকে বলেছিলেন মীরজাফর, শনিবার তাঁকেই গদ্দার তকমা দিলেন মমতা। এদিন ক্ষোভ উগরে বলেন, 'মেদিনীপুরের কিছু গদ্দাকে পুষেছিলাম।' পাশপাশি এদিন বিধাবা ভাতা সহ মেয়েদের হাতখরচ দেওয়া হবে আরও একবার মনে করিয়ে দেন তিনি।' বিজেপি দলে যে মেয়েরাও সুরক্ষিত নয়', তোপ দাগেন তিনি। তবে শুধু বঙ্গ বিজেপি বলেই শান্ত হননি এদিন মমতা, যোগী রাজ্য়ের প্রসঙ্গও আবার তুলেছেন তিনি।