মঙ্গলে নিজের প্রচারে এসে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানো কারণ বললেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেছেন, শুধু মাত্র নিরাপদ আসনের কারণের নয়, মানুষের সমর্থন আর ভালোবাসার টানেই তিনি এবার এখনে পার্থী হয়েছেন। 

 

আরও পড়ুন, 'মৃতদেহ নিয়েও রাজনীতি', অগ্নিকাণ্ড ইস্যুতে মমতাকে নিশানা অগ্নিমিত্রা-মুকুলের  

 

 

 বক্তব্য শুরুতে নন্দীগ্রামের মা-বোনেদের প্রশংসা করতে করতে মমতা বললেন, সেদিন তাঁরা পাশে থাকলে লড়তে পারতেন না। এরপরেই স্মৃতি আওড়াতে গিয়ে বলে ওঠেন, আমি গ্রামেরই মেয়ে। এই গ্রামে আমি যার বাইকে বসে ঢুকেছিলাম, সেই আনিসুরকে এখন জেলেপুরে রেখেছে।' এর পর তিনি বলেন আমার তো ঘরের কেন্দ্র ছিল ভবানীপুর , আমাকে তো কিছু করতেই হত না। আমি ওখানেই থাকি। কিন্তু আমি যেদিন শেষ এসেছিলাম সেদিন নন্দীগ্রামের আসন ফাঁকা ছিল', বলার মুহূর্তে কোথাও যেনও বিষাদের সুর ছিল মমতার কন্ঠে। গলা ধরে আসা ভাবেই যেন তিনি মনে করিয়ে দিলেন ফেলে আসা দিনগুলির কথা। দাপুটে নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু তখন যে তৃণমূলেই ছিলেন। এরপরেই আবার বলে ওঠেন, আমি শেষ বার যখন এখানে আসি তখন এখানে কোনও বিধায়ক ছিল না আমি তখন দেখতে চেয়েছিলাম মানুষ আমাকে চায় কিনা। তেখালির সভা থেকে আমি যখন প্রশ্ন করেছিলাম আমি যদি প্রার্থী হই কেমন হয়। সেদিনের মানুষের সমর্থন আর ভালোবাসাই আমাকে টেনে এনেছে।'  

 

আরও পড়ুন, 'আমার দু'চোখ নন্দীগ্রাম', নিজের প্রথম প্রচারেই বেকারত্ব ঘোচানোর প্রতিশ্রুতি মমতার  

 

 


 এদিন নন্দীগ্রামে নিজের প্রার্থী হওয়ার কারণ বলতে গিয়ে মমতা বলেন, গ্রামের দিকে আমার সবসময় টান ছিল। আমার এবার মাথায় ছিল, আমি হয় সিঙ্গুর নয় নন্দীগ্রামে দাঁড়াবো। কারণ এই দুটো হল আন্দোলনের পীঠস্থান।' এরই সঙ্গে নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে সরাসরি জিজ্ঞেস করেন, যদি আপনারা মনে করেন আমার দাঁড়ানো উচিত নয়, তাহলে কাল আমি মনোনয়ন দেব না। । যদি আপনারা মনে করেন, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে, তাহলেই আমি মনোনয়ন দেব। আপনারা বলু আমি কাল মনোনয়ন দেব তো, ওপাশ থেকে হৃদয় ভরিয়ে দেওয়া হ্য়াঁ এর প্লাবনে ভেসে ওঠে নন্দীগ্রাম। হেসে ফেলেন মমতা।