নন্দীগ্রামে তাঁর ওপর হামলা চালান হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন চার থেকে পাঁচ জন তাঁকে হেনস্থা করেছে। তিনি মাথায় আর পায়ে গুরুতর চোট পেয়েছেন। বুধবার রাতে তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামে থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর কলকাতায় ফেরার কথা ছিল। কিন্তু গুরুতর আঘাত পাওয়ায় তিনি এদিন রাতেই কলকাতায় ফিরছেন। গ্রিন করিডোর করে তাঁকে সড়ক পথে  নিয়ে আসা হচ্ছে কলকাতায়। এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে তাঁকে। সূত্রের খবর সেখানেই হবে প্রাথমিক চিকিৎসা। আগেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরূপ বিশ্বাস। এসএসকেএম হাসপাতালে একটি মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি হয়েছে। বর্তমানে তৃণমূল নেত্রীকে রাখা হয়েছে উডবার্ন ওয়ার্ডে। সূত্রের থবর প্রথমে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা তাঁকে দেখবেন। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেই পরবর্তী সিন্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও হাসপাতাল সূত্রের খবর। 

অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার ঘটনার  রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর পুরো ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ও বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক ও বিবেক দুবের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। 


বুধবার মনোনয়ন দাখিলের পর নন্দীগ্রামে ফিরে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে তিনি রানিচকের গুরির বাজার এলাকায় যান। সেখানে একটি মন্দিরে পুজো দেন। হরিনাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়েছিলেন। সেখান থেকে বার হওয়ার সময়ই তিনি পড়ে যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অভিযোগ ভিড়ের মধ্যে চার থেকে পাঁচ জন বহিরাগত ঢুকে পড়েছিল। তারাই তাকে ধাক্কা মারে। যদিও বিজেপি সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক গিমিক বলছেন। বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় সিবিআই তদন্তেরও দাবি করেছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বিষয়টিকে রীতিমত গুরুত্বের সঙ্গেই নিচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।