ছত্রধরকে গ্রেফতার করল এনআইএ।রাত সাড়ে তিনটা নাগাদ লালগড়ের বাড়ি থেকে ছত্রধর মাহাতোকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেল এনআইএ। জ্ঞানেশ্বরী মামলায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পরিবারের লোককে জানিয়েছে এনআইএ আধিকারিকরা। এরপর ছত্রধরকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার ৪০ জনের দল পৌছয় তাঁকে গ্রেফতার করতে।  

 

আরও পড়ুন, 'কীভাবে কড়া ডোজ দিতে হয় জানি', সৌমেন্দুর গাড়ি হামলাকাণ্ডে বিস্ফোরক শিশির  

 

 প্রসঙ্গত, প্রায় দশ বছর আগে জঙ্গলমহলে সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো খুন এবং জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেসে নাশকতার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৎকালীন জনসাধারণ কমিটিন নেতা ছত্রধর মাহাতো। তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যেতেই সম্প্রতি তা আরও শক্তিশালী হয়েছে। এনআইএ ঘটনার তদন্তভার পাওয়ার পর সম্প্রতি তা নিয়ে অতি সক্রিয় হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার ছত্রধরকে ডেকে জেরা করেছেন এনআইএ আধিকারিকরা। এদিকে ইতিমধ্য়েই দশ বছর জেলে কাটিয়ে পর কেন এনআইএ এই কেসের তদন্তে নামল, এতদিন কী ঘুমিয়ে ছিল তাহলে, সম্প্রতি  তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগোড়য় দাঁড় করিয়েছিলেন ছত্রধর।

 

আরও পড়ুন, আজ থেকে নন্দীগ্রামে মমতা, শুভেন্দুর সমর্থনে প্রচারের ঝড় তুলতে আসছেন শাহ-মিঠুনও 

 

উল্লেখ্য, প্রবীর মাহাতো খুনে  ৫ মার্চ হাইকোর্টে শুনানি ছিল অভিযুক্ত ছত্রধর মাহাতোর। কিন্তু ছত্রধরকে হেফাজতে চেয়ে এনআইএ যে আবেদন করেছিল তা খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানিতে ছত্রধরের আইনজীবী দেবাশীস রায় আদালতে মামলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো খুন হওয়ার পর তাঁদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে খুন এবঁ দেশদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়। যার সর্বোচ্চ সাজা আমৃত্যু কারাবাস। ১৩ বছর বাদে ছত্রধর মাহাতো সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ইউপিএ ধারা যোগ করার যৌক্তিকতা কোথায়, প্রশ্ন তোলেন আইনজীবি দেবাশিস রায়।  তবে শেষ অবধি লালগড়ে  ভোট মিটতেই ছত্রধরকে গ্রেফতার করল এআইএ। এরপর জল কোন দিকে যাবে তা কেবল সময়েরই অপেক্ষা।