যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী রিংকু নস্করের বাড়িতে হামলা। আবার কাঠগড়ায় তৃণমূল। উল্লেখ্য, প্রসঙ্গত,  ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে রক্ত ঝরছে বিজেপির কর্মীর। বিজেপির কার্যকর্তা বেলেঘাটার বাসিন্দা অভিজিৎ সরকার খুনের পাশাপাশি বারুইপুর সহ একাধিক জায়গায় খুন হয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। এবং প্রতিবারই কাঠগড়ায় তৃণমূল।

আরও পড়ুন, রাজ্য় পুলিশে রদবদল, ৩ IPS 'কম্পালসরি ওয়েটিং'-এ, পুরোনো পদে ফিরলেন বিবেক সহায় 

 

 রিপোর্ট তলব করছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং এই বিষয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছিল বিরোধীরা। এরপরেই টুইটে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যপাল। পাশাপাশি, ভারতীয় জনতা পার্টির রাষ্ট্রীয় মিডিয়া প্রভারি শ্রী অনিল বালুনির তরফ থেকে জারি করা  প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,'  পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের হিংসার যে চিত্র সামনে আসছে তা চিন্তাজনক, ভয়ানক এবং দুঃখজনক। ভারতীয় জনতা পার্টি এর নিন্দা করে। হিংসার এই তান্ডব দ্রুত বন্ধ হওয়া দরকার।' কেয়া ঘোষ টুইট করে জানিয়েছেন, যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী রিংকু নস্করের বাড়িতে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত গুণ্ডারা ভাঙচুর চালিয়েছে। এমনকি বাদ দেয়নি সিলিং ফ্য়ানগুলিকেও। এই সমস্ত ঘটনাই ঘটেছে দিনেই আলোর মধ্যেই। ওদিকে ইতিমধ্যেই ভোট পরবর্তী হিংসার রিপোর্ট চেয়ে রাজ্যকে কড়া চিঠি পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

 

;

এবার হামলা হল যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী রিংকু নস্করের বাড়িতেই। তবে রাজ্য়ের একাধিক জায়গায় শুধু ভাঙচুর করেই নয়, আগুনও জ্বালিয়ে দেওয়া অভিযোগ উঠেছে। এদিন রাজ্যে ঘটে চলা একের পর এক হিংসার ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বাংলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল।

 

আরও পড়ুন, বিধানসভায় শপথ নিলেন নবনির্বাচিত বিধায়করা, আজ রয়েছেন রাজ-জুন মালিয়া সহ ১২ তারকা