ভোটের দোরগড়ায় রাজনীতি থেকে অব্যাহতি চাইলেন এবার চিরঞ্জিত। দল থেকে সরে দাড়ানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। তবে রাজনীতি ছাড়লেও কোনও নির্দিষ্ট দলে যোগ দেবেন না বলেই জানিয়েছেন টলিউডের এই অভিনেতা। 

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে বারাসাত কেন্দ্র থেকে বিধায়ক পদের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লড়েছিলেন চিরঞ্জিত। জয়ী হয়েছিলেন সেবার। তারপেরও একই কেন্দ্র থেকে জয় পান তৃমমূলের হয়ে। এখনও বারাসাত কেন্দ্রের বিধায়ক পদে রয়েছেন তিনি। এদিন তিনি জানান, প্রথম থেকেই রাজনীতির বাইরের লোক তিনি। তবে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের অনুরাগী ছিলেন। মনে হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন আনতে পারবেন তিনিই। সেই আশাতেই মমতা এবং তৃণমূলের হয়ে প্রচার করেছিলেন। মঞ্চে বক্তব্য়ও রেখেছিলেন। ২০১১ সালে তৃণণূলের জন্য তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু পরের বারই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চাইলেও আবার ভোটে দাঁড়াতে হয়।  তবে এবার তিনি নিজের সিদ্ধান্ত দলকে জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর  সিদ্ধান্ত শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন  চিরঞ্জিত।

 

 

  অপরদিকে টলিপাড়ায় আবার উলট পূরাণ। প্রসেজিতের বাড়িতে বিজেপির নেতার সাক্ষাত ঘিরে জোর জল্পনা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধ্য়ায় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান বিজেপি নেতা অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায়। দুজনের মধ্য়ে বেশ কিছুক্ষণ কথা-বার্তা হয়। এদিন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে নিজের লেখা বই অমিত শাহ অ্যান্ড দ্য মার্চ অব বিজেপি বইটি উপহার দেন তিনি। রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতার অবশ্য দাবি, বই দিতেই এদিন অভিনেতার বাড়িতে গিয়েছিলেন অনির্বান। আর তারপরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।