Asianet News BanglaAsianet News Bangla

Haldia Refinery Accident: আগুন ছিটকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা হলদিয়া রিফাইনারিতে, মৃত ৩, আহত ৪০

হলদিয়া রিফাইনারির দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু, আহত প্রায় ৪০ জন। জানা গিয়েছে, ওয়েলডিংয়ের আগুন ছিটকে বিকেলেই ভয়াবহ এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।  

3 died seriously injured 40 in tragic accident at Haldia refinery Accident RTB
Author
Kolkata, First Published Dec 21, 2021, 5:56 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

মঙ্গলবার হলদিয়া রিফাইনারির ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু, গুরুতর আহত প্রায় ৪০ জন ( 3 died and seriously injured 40 )। জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলেই এই বড়সড় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। মূলত প্রতিবছরেই হলদিয়া রিফাইনারিতে (Haldia refinery Accident) শার্টডাউন অর্থাৎ রিফাইনারি সংষ্কারের কাজ হয়। ঠিক তেমনভাবেই এদিনও কাজ চলছিল। আচমকাই বিকেলের দিকে কাজ চলাকালীন ওয়েলডিং মেশিন থেকে আগুনির ফুলকি ছিটকে সোজা গিয়ে পড়ে ন্যাপথা ট্যাঙ্কে। আর এরপরেই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ৩ জনের। গুরুতর জখম হয় প্রায় ৪০ জন। আহতদের ইতিমধ্যেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে চার-পাঁচ জনের অবস্থা উদ্বেগজনক। এলাকার স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর ইতিমধ্যেই আহতদের দেখতে হাসাপাতালে এসেছেন। ঘটনাার আকস্মিকতায় এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স-আর চিৎকার খানিকটা কথা হারিয়েছে রিফাইনারির সবাই।

এদিন বিকেলে আচমকাই হলদিয়ার আইওসিএল কারখানায় আগুন লাগে। আগুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। গুরুতর আহত হয়েছে ৪০ জন। তাদের চিকিৎসা চলছে হলদিয়া বিভিন্ন নার্সিংহোমে। সেখান থেকে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর  হওয়ায় তাদের কলকাতায় রেফার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কারখানায় শার্টডাউনের কাজ চলাকালীন  আগুন লেগে যায়। আগুনে পুড়ে আহত হয় ৪৩ জনের মতো। কারখানার অন্যান্য শ্রমিকদের চেষ্টায় তাঁদের সংস্থার নিজস্ব  হাসপাতাল সহ অন্যান্য  নার্সিংহোম  চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। দমকলের ১৫ টি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে লাগে। বেশিরভাগ শ্রমিক প্রায় ৭০-৭৫ শতাংশ আগুনে পুড়েছে। এর আগে বেশ কয়েকবার কারখানায় আগুন লাগে। মৃত্যুর ঘটনাও হয়েছে। তারপর আবারও এই ধরনের আগুনের ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে আহত শ্রমিকদের পাশে হলদিয়া পুরসভার কাউন্সিলর  হাজির হয়েছেন। তবে কারখানা কর্তৃপক্ষ  এখনও বিশেষ কিছু তথ্য জানাচ্ছেন না।

 হলদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল (পূর্ত) শেখ আজগর আলির দাবি স্থানীয়রা বেশিরভাগই স্থানীয় বাসিন্দা নন। অনেকেই ঠিকা শ্রমিকের কাজ করতেন। এদিনের ঘটনায় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিরাপত্তার গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। প্রসঙ্গত,  ফিরে দেখতে গেলে, টানা দুই কোভিড বর্ষে শ্রমিকদের জন্য যন্ত্রনা দগ্ধ বছর। একদিকে পরিযায়ী কোভিডে কাজ হারিয়ে অনেকে আত্মহত্যা করেছেন। অনেকে বাড়ি পৌছাতে পারেননি। রাস্তায় প্রাণ হারিয়েছেন। অনেকে আবার কাজের সন্ধানে বেরিয়ে বাস দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। এবং প্রতিটা প্রেক্ষাপটা আলাদা হলে, মৃত্যুর সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। সব থেকে বড় কথা হয়তো তাঁদের পরিবার এখনও জীবিত। এদিকে একমাত্র রোজগেরে পরিবারের প্রধানকে হারিয়ে প্রায় সর্বশান্ত। এদিনও আবারও তেমনই মর্মান্তিক শোকের ছায়া পড়ল হলদিয়াতেও।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios