অস্ত্রসহ গ্রেফতার বিজেপি নেতা। তাকে ফাঁসানো হয়েছে অভিযোগ করে থানা ঘোরাও করে বিজেপি। আর তারপরই বেধড়ক লাঠিচার্জ পুলিশের। বুধবার বিকেলে পুলিশ-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তাল হল উত্তর ২৪ পরগনার খড়দা এলাকা।

জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত বুধবার দুপুরে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর পানিহাটির ২ নম্বর ওয়ার্ডের তেজপালের মাঠে  তৃণমূল কংগ্রেসের সভা হওয়ার কথা। এদিন দুপুরে তারই প্রস্তুতির জন্য মাঠ দেখতে গিয়েছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। জানা গিয়েছে তাদের ছবি তুলতে যান, স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। সেই নিয়ে দুই পক্ষে বাদানুবাদ শুরু হয়। কথা কাটাকাটির মধ্য়েই বিজেপি নেতা বুলেট কুমার রায় একটি আগ্নেয়াস্ত্র বের করে তৃণমূল কর্মীদের হুমকি দেন বলে অভিযোগ।

এরপর তৃণমূল কর্মীরা খড়দা থানায় অভিযোগ জানান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ এসে বুলেট রায়-কে গ্রেফতার করে খড়দা থানার পুলিশ। এরপরই বিকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ বিটি রোডে অবরোধ করে বিজেপি। আধঘন্টা অবরোধের পর  তারা রাস্তা মুক্ত করে খড়দা থানা ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভ করে। এরপর পুলিশ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ।

এরপরই আবার বিটি রোড অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের পক্ষ থেকে সেই অবরোধ তুলে দিতে গেলে বিজেপি কর্মীরা পুলিশের উপরই হামলা চালায় বলে দাবি করেছে পুলিশ। ফলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। এরপরই ব়্যাফ বাহিনিকে নামানো হয। পুলিশ ও ব়্যাফের পক্ষ থেকে শুরু হয় বেধড়ক লাঠি চার্জ। এমনকী খড়দা থানার ভিতরেও  লাঠিচার্জ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

এই ঘটনায় মহিলা-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন, পুলিশের এদিনের আচরণ ব্রিটিশ পুলিশের মতো। তিনি বলেন, মিথ্য়া মামলার বিরুদ্ধে রাজনৈচতিক আন্দোলন হচ্ছিল। তাপর উপর পুলিশের এই বর্বর আক্রমণ বাংলার মানুষ মেনে নেবেন না।