পুলিশের মর্গে মৃতদেহ দেখে শনাক্ত করেছিলেন পরিবারের সদস্যরাই। এর পর সৎকারও হয়ে গিয়েছিল। এর ঠি তিন মাস পর সবাইকে অবাক করে দিয়ে ফিরে এলেন বৃদ্ধ!

এমনই ঘটনায় রীতিমতো হতবাক উত্তর চব্বিশ পরগণার নৈহাটির সাহেব কলোনি এলাকার বাসিন্দারা। মৃত ভেবে যাঁকে দাহ করা হয়েছিল, সেই বৃদ্ধের নাম ভূষণ পাল (৭২)। যদিও এই তিন মাস তিনি কোথায় ছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। 

জানা গিয়েছে, ভূষণবাবু আদতে মেদিনীপুরের বাসিন্দা। নৈহাটির সাহেব কলোনিতে নিজের ভাইয়ের বাড়িতে মাঝেমধ্যেই যাতায়াত করতেন তিনি। যদিও তিনি  মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ নন বলেই এলাকাবাসী সূত্রে খবর। 

জানা গিয়েছে, গত ১০ নভেম্বর নৈহাটি থেকেই নিখোঁজ হয়ে যান ভূষণবাবু। এর পরে বৃদ্ধের নামে নৈহাটি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করে তাঁর পরিবার। গত ডিসেম্বর মাসে পুলিশের তরফে যোগাযোগ করে ভূষণবাবুর পরিবারকে নৈহাটি হাসপাতালে গিয়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যুর খবর জানানো হয়। তিনি অসুস্থ অবস্থায় ওই হাসাপাতালেই ভর্তি ছিলেন। 

ভূষণবাবুর পরিবার নৈহাটি হাসপাতালে ওই দেহ দেখে সেটি ভূষণবাবুর বলেই পুলিশকে জানায়। তাঁর ছেলেই দেহ শনাক্ত করেছিলেন। পরদনিই দেহের সৎকার করা হয়।