তৃনাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়-

টিকা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল আসানসোলের কুলটির চবকা এলাকায়। আসানসোল পৌরনিগমের কোভিড টিকাকরণ শিবিরে আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র তথা বর্তমান প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তাবাসুম আরা নিজেই টিকা দিলেন। সাধারণ পোশাকে নিয়ম নীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে টিকা দেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।

আরও পড়ুন- সরকারি কোভিড বিধি লঙ্ঘন উত্তর দিনাজপুরে, রমরমিয়ে চলছে বেসরকারি স্কুল

আসানসোল পৌরনিগমের তরফে শহরের বিভিন্ন জায়গায় টিকাকরণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কুলটির চবকা এলাকায় শিবির পরিদর্শন করেন তাবাসুম আরা। স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি টিকা নিতে আসা স্থানীয়দের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। এরপর হঠাৎই স্বাস্থ্যকর্মীর হাত থেকে সিরিঞ্জ নেন। যদিও সেই সময় তাঁর হাতে কোনও গ্লাভস ছিল না। তারপর নিজেই এক মহিলাকে টিকা দেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। 

 

কোনও প্রশিক্ষণ ছাড়া যে কেউ কি এভাবে টিকা দিতে পারেন? সঠিক পোশাক না পরে কীভাবে টিকা দিলেন তিনি। এই প্রশ্ন তুলতে শুরু করে করেছে বিরোধীরা। এ বিষয়ে আসানসোল পৌরনিগমের প্রশাসক অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "পৌরনিগমে টিকাকরণ শিবির চলছে। এইভাবে যে কেউ টিকা দিতে পারেন না। বিষয়টা আমি দেখছি। কোনওরকম অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না।"

আরও পড়ুন- কলকাতায় উদ্ধার ১৬ টি তাজা বোমা, এল বম্ব স্কোয়াড, ধৃত ৪

একদিকে ভুয়ো টিকাকাণ্ড নিয়ে যখন উত্তাল রাজ্য, তখনই এমন বিতর্ক তৈরি হল আসানসোলে। কোনও নিয়ম না মেনেই স্থানীয়দের টিকা দিলেন প্রশাসক বোর্ডের সদস্য। প্রসঙ্গত, কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ ক্যাম্প চালানোর সময় সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের জালে ধরা পড়ে দেবাঞ্জন দেব। ঘটনার তদন্তে নেমে কার্যত হতবাক পুলিশ। একের পর এক মিথ্যে দিয়ে নিজের সাম্রাজ্য তৈরি করেছিল ধৃত। ভুয়ো পরিচয় দিয়েই বারবার পৌঁছে গিয়েছিল প্রভাবশালীদের কাছে।