প্রকাশিত হল এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল। সাংবাদিক বৈঠক করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করলেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাস।  এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে মুর্শিদাবাদের এক পরীক্ষার্থী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৯। এককভাবে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে ওই মুসলিম ছাত্রী। যা সম্ভবত ইতিহাস। গোটা রাজ্যে প্রথম দশের মধ্যে রয়েছে ৮৬জন। 

আরও পড়ুন- 'NHRC-র রিপোর্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত-রয়েছে একাধিক অসংঙ্গতি', হাইকোর্টে সওয়াল সিংভির

উচ্চমাধ্যমিকে এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮ লক্ষ ১৯ হাজার ২০২ জন। তার মধ্যে এ গ্রেড পেয়েছে ৯৫ হাজার ৭৫৮ জন পরীক্ষার্থী। ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ। পাশের হার ৯৭.৬৯ শতাংশ। ছেলেদের হার ৯৭.৭০ শতাংশ। মেয়েদের হারও প্রায় সমান। রাজ্যের সব জেলায় পাশের হার ৯০ শতাংশ বা তার বেশি। বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণ ৯৯ শতাংশের বেশি পরীক্ষার্থী।

তবে এবার খুব অল্পসংখ্যক পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি বলে জানিয়েছেন মহুয়া দাস। তবে পরে তারা পরীক্ষায় বসতে পারবে। তিনি আরও জানিয়েছে, একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার উত্তরপত্র রিভিউ করা যাবে। সেই রিভিউয়ের জন্য ২৬ জুলাই বেলা তিনটের মধ্যে প্রধান শিক্ষকে মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে পড়ুয়ারা। রিভিউয়ে ফলে তারা যে নম্বর পাবে, তাই চূড়ান্ত বলে বিবেচনা করা হবে।

আরও পড়ুন- সংসদে তুলকালাম শান্তনু সেনের, আইটি মন্ত্রীর পেগাসাস-বিবৃতি ছিনিয়ে নিয়ে ফেললেন ছিঁড়ে

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এবছরের মতো উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়। পরীক্ষা না হওয়ায় বিকল্প মূল্যায়নেই ফল প্রকাশ করা হবে সংসদের তরফে জানানো হয়েছিল। মূল্যায়ন-বিধি অনুযায়ী, উচ্চমাধ্যমিকের মার্কশিট তৈরি হয়েছে মাধ্যমিক, একাদশের বার্ষিক এবং দ্বাদশের প্রাক্টিক্যাল বা প্রজেক্টের নম্বরের ভিত্তিতে। প্রাপ্ত নম্বরে সন্তুষ্ট না হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে পরীক্ষার্থীরা। আগামীকাল অর্থাত্‍ ২৩ জুলাই সকাল ১১টা থেকে স্কুলগুলিতে মার্কশিট ও সার্টিফিকেটের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ডও দেওয়া হবে। তবে পরীক্ষা না হওয়ায় এবারও কোনও মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।