উপনির্বাচনের জন্য তৈরি রাজ্য সরকার।  ভবানীপুরসহ ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন যাতে দ্রুততার সঙ্গে করে ফেলা হয় তার জন্য আরও একবার নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ তৈরি করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যের দুটি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন করা যায় কিনা তা জানতে চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন।সেই সময়ই রাজ্য সরকার জানিয়েছে রাজ্যসভার দুটি আসনে নির্বাচন নিয়ে তাদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু একই সঙ্গে  রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে অবিলম্বেই রাজ্যের বিধানসভার উপনির্বাচন সেরে ফেলাও জরুরি। 

রাজ্য সরকার থেকে উপনির্বাচনের জন্য এক আগেও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখনও যেমন নির্বাচন কমিশন কিছুই জানায়নি, এখনও এবারও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত উপনির্বাচনের বিষয়ে কোনও কিছুই জানান হয়নি। 

রাজ্যের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন চাইলে এখনই রাজ্যে উপনির্বাচন সেরে ফেলতে পারে।  সপ্তাহখানেক আগেই সাংবাদিক বৈঠকে তেমনই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন'এখন পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। কমিশন চাইলে এখনই ভোট নিতে পারে।' তারপরেই তিনি বলেছিলেন তিনি জানেন যে প্রধানমন্ত্রী চাইলেই এই রাজ্যে ভোটগ্রহণ হবে। তখনই ছাড়পত্র দেবে নির্বাচন কমিশন। 

এই রাজ্যে দুটি আসনে সাধারণ নির্বাচন আর পাঁচটি আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ আর জঙ্গিপুরে বিধানসভা নির্বাচন হয়নি। এই দুটি আসনে সাধারণ নির্বাচবন হবে। আর ভবানীপুর,খড়দহ, দিনহাটা আর শান্তিপুর, গোসাবায় উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় কৃষি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেও এই বিধায়ক পজথেকে পদত্যাগ করেছেন। এই কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের। নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তিনি পরাজিত হয়েছিলেবন। সেক্ষেত্র সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে ৬ মাসের মধ্যে কোনও বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে। ৬ মাসের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি নভেম্বরে।