
সামনেই দীপাবলি। নতুন জামাকাপড় কেনার হিড়িক ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু শুধু ফ্যাশন নয়, জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে দীপাবলির দিন সঠিক রঙের পোশাক পরলে জীবনে ইতিবাচক শক্তি আসে এবং মা লক্ষ্মীর কৃপা পাওয়া যায়।
লাল রঙকে হিন্দু শাস্ত্রে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এই রঙ শক্তি, ভালোবাসা ও সমৃদ্ধির প্রতীক। দীপাবলির দিন লাল শাড়ি, লেহেঙ্গা বা পাঞ্জাবি পরলে মা লক্ষ্মী ও মা দুর্গা দুজনেই প্রসন্ন হন। এটি নেগেটিভ এনার্জি দূর করে।
হলুদ রঙ ভগবান বিষ্ণু ও বৃহস্পতির প্রিয়। এই রঙ জ্ঞান, ধন ও ইতিবাচকতার প্রতীক। দীপাবলিতে হলুদ বা সোনালী রঙের পোশাক পরলে ব্যবসায় উন্নতি হয়, চাকরিতে পদোন্নতি হয় এবং ঘরে সুখ-শান্তি বজায় থাকে। সোনালী রঙ সরাসরি সম্পদের সঙ্গে যুক্ত।
*৩. গোলাপি বা রানি কালার - প্রেম ও আনন্দের রঙ*
গোলাপি রঙ ভালোবাসা, আনন্দ ও সৌহার্দ্যের প্রতীক। দীপাবলিতে এই রঙ পরলে পারিবারিক সম্পর্কে মাধুর্য বাড়ে, দাম্পত্য জীবনে সুখ আসে। অবিবাহিতদের জন্য এই রঙ অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
সবুজ রঙ বুধ গ্রহের প্রতীক, যা বুদ্ধি ও ব্যবসার কারক। দীপাবলিতে সবুজ রঙের পোশাক পরলে নতুন ব্যবসা শুরুতে সাফল্য আসে, আর্থিক বৃদ্ধি হয়। এটি মনকে শান্ত রাখে ও নতুন সুযোগের দরজা খোলে।
সাদা রঙ শান্তি ও পবিত্রতার প্রতীক, আর কমলা উৎসাহ ও সৃজনশীলতার। দীপাবলির দিন সাদার সঙ্গে লাল বা কমলা কম্বিনেশন পরতে পারেন। এটি ঘরে ইতিবাচক শক্তি নিয়ে আসে।
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, দীপাবলির দিনে বা লক্ষ্মীপুজোর সময় সম্পূর্ণ কালো, ধূসর বা নীল রঙের পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো। এই রঙগুলো শোক ও নেগেটিভিটির প্রতীক হিসাবে ধরা হয়, যা মা লক্ষ্মীকে অসন্তুষ্ট করতে পারে।