
পুজোর আগে ঘরদোর পরিষ্কার করা তো চাই-ই। আর ঘর মোছার জন্য আমরা কী করি? আলমারি থেকে পুরনো ছেঁড়া জামা, গেঞ্জি বা নাইটি বের করে তাই দিয়ে ঘর মুছতে শুরু করি। ভাবি, ফেলে দেওয়ার চেয়ে কাজে লেগে গেল। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র ও শাস্ত্রমতে, এই ছোট্ট ভুলটাই আপনার সংসারে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে, বিশেষ করে দুর্গাপুজোর মুখে।
কেন ছেঁড়া পোশাক দিয়ে ঘর মোছা অশুভ?
১. দারিদ্রতাকে আহ্বান করা: বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, ছেঁড়া, ফাটা বা নোংরা কাপড়ে দারিদ্রতা ও নেগেটিভ এনার্জি বাস করে। সেই কাপড় দিয়ে যখন আপনি সারা ঘর মোছেন, তখন আপনি নিজের হাতেই সেই নেগেটিভ এনার্জি পুরো ঘরে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
২. মা লক্ষ্মী রুষ্ট হন: বলা হয়, মা লক্ষ্মী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শ্রী পছন্দ করেন। ছেঁড়া কাপড় অশুভতার প্রতীক। তাই দিয়ে ঘর মুছলে ঘরের পবিত্রতা নষ্ট হয় এবং মা লক্ষ্মী সেই গৃহে প্রবেশ করেন না। পুজোর মুখে এটি অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়।
৩. রাহু-কেতুর দোষ বাড়ে: জ্যোতিষ মতে, ছেঁড়া কাপড় ব্যবহার করলে রাহু-কেতুর অশুভ প্রভাব বাড়ে। এর ফলে সংসারে অশান্তি, টাকা আটকে যাওয়া, কাজে বাধা আসতে থাকে।
তাহলে কী করবেন?
পুজোর আগে ঘর মোছার জন্য সবসময় নতুন বা ভালো অবস্থায় থাকা সুতির কাপড় ব্যবহার করুন। হলুদ বা হালকা রঙের কাপড় সবচেয়ে শুভ। ঘর মোছার কাপড় আলাদা রাখুন। ভুলেও নিজের পরা ছেঁড়া অন্তর্বাস বা জামা দিয়ে ঘর মুছবেন না। আর পুরনো ছেঁড়া জামাকাপড়? পুজোর আগে সেগুলো বের করে গরিবদের দান করবেন না। বরং সেগুলো ভালো করে কেটে বাইরে ফেলে দিন বা রিসাইকেল করুন। দান করতে হলে সবসময় ভালো, ব্যবহারযোগ্য পোশাক দান করুন, তবেই পুণ্য লাভ হবে।