
অ্যাপ ট্যাক্সি ও অটো রিকশা চালকদের একটি ইউনিয়ন শনিবার এক দিনের ধর্মঘট পালন করছে। যার মধ্যে রয়েছে প্যানিক বোতাম স্থাপন, কম আয় ও বঞ্চনা-সহ বেশ কয়েকটি কারণ। এই ধর্মঘটে দেশের সব অ্যাপ-ক্যাব ও অটো রিকশা চালকরা যোগদান করবে বলেও মহারাষ্ট্রের একটি কর্মিসভা জানিয়েছে। আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ বাইক ট্যাক্সি পরিষেবা ও ওলা, উবের, ব়্যাপিডোর মত রাইড-হোলিং প্ল্যাটফর্মগুলির স্বেচ্ছাচারী ভাড়া নীতির প্রতিবাদে ৭ ফেব্রুয়ারি এই ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে।
দেশব্যাপী এই বিক্ষোভে ওলা, উবার, র্যাপিডো, পোর্টার এবং অন্যান্য অ্যাপ-ভিত্তিক পরিবহন পরিষেবা সহ প্রধান প্ল্যাটফর্মগুলির সঙ্গে যুক্ত ড্রাইভার এবং ডেলিভারি কর্মীরা অংশগ্রহণ করবেন। ইউনিয়নগুলির মতে মোটরযান সংক্রান্ত নির্দেশিকা ২০২৫-এর অধীনে নূন্যতম মূল ভাড়া ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলির ক্রমাগত ব্যর্থতার বিরুদ্ধে এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। এই নির্দেশিকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একতরফাভাবে ভাড়া নির্ধারণ করে চলছে, যা শ্রমিকদের অস্থিতিশীল কর্মপরিবেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একই সঙ্গে কাজের সময় বৃদ্ধি ও আয় হ্রাস পাচ্ছে।
প্যানিক বোতাম ইনস্টলেশনের কারণে চালকদের আর্থিক বোঝা বেড়েছে বলেও দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা। প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'যদিও কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ১৪০টি প্যানিক বাটন ডিভাইস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে, রাজ্য সরকার এই কোম্পানিগুলির প্রায় ৭০%কে অননুমোদিত ঘোষণা করেছে। ফলস্বরূপ, ক্যাব চালকরা পূর্বে ইনস্টল করা ডিভাইসগুলি সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন এবং নতুন ডিভাইস ইনস্টল করার জন্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রায় ১২,০০০ টাকা ব্যয় করছেন, যার ফলে গুরুতর আর্থিক সমস্যা হচ্ছে'।
আন্দোলনকারীদের দাবি ওপেন পারমিট নীতির অধীনে অটো-রিকশার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আয় কমছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। বাইক ও ট্যাক্সি চালকরা দুর্ঘটনা বিমার সুবিধে পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করেন।