Suzuki Access 125 Vs Honda Activa 125: সুজুকি অ্যাক্সেস নাকি হন্ডা অ্যাক্টিভা? মাইলেজ ও দামে কে সেরা মডেল

Published : Oct 27, 2026, 10:41 PM IST

Suzuki Access 125 Vs Honda Activa 125: সুজুকি অ্যাক্সেস ১২৫ এবং হোন্ডা অ্যাক্টিভা ১২৫-এর অন-রোড দাম, মাইলেজ, মেইনটেন্যান্স খরচ ও ইএমআই-এর বিস্তারিত তুলনা। আপনার পরিবারের জন্য কোনটি সেরা স্কুটার হবে?

PREV
17
ভারতের ১২৫ সিসি স্কুটার মার্কেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মডেল

ভারতের ১২৫ সিসি স্কুটার মার্কেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মডেল হল, সুজুকি অ্যাক্সেস ১২৫ এবং হোন্ডা অ্যাক্টিভা ১২৫। যারা প্রথমবার স্কুটার কিনছেন বা দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য খুঁজছেন, তাদের জন্য এই দুটির এক্স-শোরুম এবং অন-রোড দাম, মাইলেজ, মেইনটেন্যান্স এবং ইএমআই নিয়ে রইল বিস্তারিত তুলনা।

27
ব্রেক স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টের দাম প্রায় ৮২,১৮৫ টাকা
জিএসটি পরিবর্তনের পর দুটি স্কুটারের শোরুম দামে প্রায় ৮,০০০ টাকার ফারাক রয়েছে। সুজুকি অ্যাক্সেস ১২৫ ড্রাম ব্রেক স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টের দাম প্রায় ৮২,১৮৫ টাকা। ডিস্ক ব্রেক স্পেশাল এডিশন প্রায় ৮৭,৮২৭ টাকা এবং ব্লুটুথ যুক্ত রাইড কানেক্ট এডিশন প্রায় ৮৯,০০০ টাকা। টপ মডেলের দাম ১ লাখের কাছাকাছি। দিল্লিতে ট্যাক্স ও ইনস্যুরেন্স মিলিয়ে বেস মডেলের অন-রোড দাম পড়ে প্রায় ৯৪,০০০ থেকে ৯৫,০০০ টাকা।
37
৩৬ মাসের জন্য ১০% সুদে লোন নিলে
হোন্ডা অ্যাক্টিভা ১২৫ ডিএলএক্স (DLX) মডেলের দাম প্রায় ৯১,০০০ টাকা। স্মার্ট-কি যুক্ত H-Smart ভ্যারিয়েন্টের দাম প্রায় ৯৫,০০০ টাকা। দিল্লিতে DLX মডেলের অন-রোড দাম ১.০২ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। ১৫,০০০ টাকা ডাউনপেমেন্ট দিয়ে ৩৬ মাসের জন্য ১০% সুদে লোন নিলে, অ্যাক্সেসের মাসিক ইএমআই আসবে প্রায় ২,৫৮০ টাকা এবং অ্যাক্টিভার প্রায় ২,৮১০ টাকা। পুরো লোনের মেয়াদে অ্যাক্টিভায় প্রায় ৮,১০০ টাকা বেশি খরচ হবে।
47
হন্ডার ইঞ্জিন অনেক বেশি স্মুথ

দুটি স্কুটারেই এয়ার-কুলড, ফুয়েল-ইনজেক্টেড সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন ও CVT গিয়ারবক্স রয়েছে। অ্যাক্টিভার চেয়ে অ্যাক্সেসের ওজন ৬ কেজি কম। তাই সিগন্যাল থেকে দ্রুত পিক-আপ নিতে এটি দারুণ। অন্যদিকে, ৫০-৬০ কিমি/ঘণ্টা বেগে হন্ডার ইঞ্জিন অনেক বেশি স্মুথ। হাইওয়েতে সুজুকি ৫০-৫৩ কিমি এবং শহরে ৪৫-৫০ কিমি মাইলেজ দেয়। সেখানে অ্যাক্টিভা শহরে ৪২-৪৮ কিমি মাইলেজ দেয়। অ্যাক্সেস চালালে মাসে ১৪৩ টাকা (বছরে প্রায় ১,৭০০ টাকা) সাশ্রয় হয়। ফুল ট্যাঙ্কে দুটি স্কুটারই প্রায় ২৪০ কিমি চলতে পারে।

57
ওয়ান-টাচ আনলক ফিচার
সুজুকি অ্যাক্সেসে ২২ লিটার আন্ডার-সিট স্টোরেজ রয়েছে, যেখানে অনায়াসে ফুল-ফেস হেলমেট ও ল্যাপটপ ব্যাগ রাখা যায়। অ্যাক্টিভায় এই স্পেস ১৮ লিটার। অ্যাক্সেসের 'রাইড কানেক্ট' মডেলে ব্লুটুথ, কল, মেসেজ ও নেভিগেশন অ্যালার্ট পাওয়া যায়। অন্যদিকে, অ্যাক্টিভার H-Smart মডেলে স্মার্ট-কি, 'ফাইন্ড-মাই-স্কুটার' এবং ওয়ান-টাচ আনলক ফিচার রয়েছে। দুটি স্কুটারেই এলইডি হেডল্যাম্প রয়েছে।
67
Scooty

হন্ডার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এদের বিশাল সার্ভিস নেটওয়ার্ক। বাইকদেখো-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে অ্যাক্টিভা সিরিজের প্রায় ২.৬ লাখ ইউনিট বিক্রি হয়েছে, যেখানে অ্যাক্সেস বিক্রি হয়েছে ৭২,৬৫৮টি। প্রথম ১০,০০০ কিমি চালানোর পর দুটি স্কুটারেরই সার্ভিসিং খরচ প্রায় ৩,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা হতে পারে। তবে হোন্ডার পার্টসের দাম তুলনামূলক কম। এছাড়া ৩ বছর পর বিক্রি করতে গেলে অ্যাক্সেসের চেয়ে অ্যাক্টিভার রিসেল ভ্যালু বেশি পাওয়া যায়।

77
ভালো রিসেল ভ্যালু চান

যারা কম দামে, হালকা ওজনের এবং বেশি বুট স্পেস যুক্ত স্কুটার খুঁজছেন, তাদের জন্য সুজুকি অ্যাক্সেস ১২৫ সেরা পছন্দ। এতে মাইলেজও কিছুটা বেশি পাওয়া যায়। অন্যদিকে, যারা ভালো সার্ভিস নেটওয়ার্ক, কি-লেস ফিচার এবং ৩-৪ বছর পর ভালো রিসেল ভ্যালু চান, তাদের জন্য হোন্ডা অ্যাক্টিভা ১২৫ একদম পারফেক্ট। বিকল্প হিসেবে টিভিএস জুপিটার ১২৫ এবং হোন্ডা ডিও ১২৫-ও দেখতে পারেন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories