
বাজেট CNG গাড়ির তালিকায় সবার প্রথমে রয়েছে মারুতি সুজুকি এস-প্রেসো। এই গাড়িটির এক্স-শোরুম দাম শুরু হচ্ছে ৪.৬২ লক্ষ টাকা থেকে। মডেলটিতে রয়েছে ১.০ লিটারের ইঞ্জিন এবং ৫-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। CNG মোডে গাড়িটি ৫৭ PS পাওয়ার ও ৮২.১ Nm টর্ক জেনারেট করে। কোম্পানির দাবি, প্রতি কেজি CNG-তে এটি ৩২.৭৩ কিমি মাইলেজ দেয়। প্রায় একই দামে মারুতি সুজুকি অল্টো K10 CNG-ও পাওয়া যায়, যার দাম শুরু ৪.৮২ লক্ষ টাকা থেকে।
ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্যামিলি হ্যাচব্যাক হলো ওয়াগনআর। এটির CNG ভ্যারিয়েন্টের এক্স-শোরুম দাম ৫.৮৯ লক্ষ টাকা। গাড়িটিতে রয়েছে ১.০-লিটারের পেট্রোল-CNG ইঞ্জিন, যা ৫৭ hp পাওয়ার এবং ৮২.১ Nm টর্ক তৈরি করে। ৫-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্সের সাথে আসা এই গাড়িটি প্রতি কেজি CNG-তে ৩৪.০৫ কিমি মাইলেজ দেয় বলে কোম্পানির দাবি। বর্তমানে এটি সবচেয়ে বেশি মাইলেজ দেওয়া গাড়িগুলোর মধ্যে একটি।
কম বাজেটে যারা একটি CNG SUV কিনতে চান, তাদের জন্য টাটা পাঞ্চ CNG একটি সেরা বিকল্প। এই SUV-টির দাম শুরু হচ্ছে ৬.৭৪ লক্ষ টাকা থেকে। গাড়িটিতে রয়েছে ১.২ লিটারের রেভোট্রন iCNG ইঞ্জিন। CNG মোডে এটি ৭৩.৩ hp পাওয়ার এবং ১০৩ Nm টর্ক তৈরি করে। ম্যানুয়াল এবং AMT, দুটি গিয়ারবক্সের অপশনই রয়েছে। কোম্পানির দাবি, এই গাড়ির মাইলেজ প্রতি কেজিতে প্রায় ২৬.৯৯ কিমি। টাটা পাঞ্চ CNG-র বিশেষত্ব হলো এর টুইন-সিলিন্ডার প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির ফলে CNG সিলিন্ডার বসানোর পরেও বুট স্পেসের বেশিরভাগটাই ব্যবহার করা যায়।
ক্রমবর্ধমান জ্বালানির দামের এই বাজারে, CNG গাড়ি কম খরচে বেশি পথ চলতে সাহায্য করে। পেট্রোল গাড়ির তুলনায় এর রক্ষণাবেক্ষণের খরচও বেশ কম। যারা রোজ অনেকটা পথ যাতায়াত করেন, ব্যবসায়ী বা পারিবারিক ব্যবহারের জন্য, CNG গাড়ি আর্থিকভাবে লাভজনক। কম রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, ভালো মাইলেজ এবং পরিবেশ দূষণ কম হওয়ায় CNG গাড়ির গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।