Business News: FD-এর বাইরে বড় রিটার্নের খোঁজ? জানুন এই অল্টারনেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড কতটা ঝুঁকিপূর্ণ

Published : Jul 24, 2026, 10:40 AM IST
SIP Investment Tips

সংক্ষিপ্ত

Business News: ব্যাংক আর মিউচুয়াল ফান্ডের বাইরে বড়লোকরা এখন AIF-এ টাকা লাগাচ্ছে। এখানে লাভ অনেক বেশি হওয়ার সুযোগ আছে, তবে টাকা আটকে যাওয়া আর ডোবার ঝুঁকিও সমান। কারা বিনিয়োগ করতে পারে আর আদৌ আপনার জন্য কিনা, সবটা বুঝে নিন। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

Business News: ব্যাংকের FD তে এখন ৬-৭% সুদ। ভালো মিউচুয়াল ফান্ড দেয় ১২-১৫%। কিন্তু মার্কেটে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা বছরে ২০% - ৩০% রিটার্নের কথা বলছেন। তারা সাধারণ রাস্তায় হাঁটছেন না। তারা যাচ্ছেন অল্টারনেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড বা AIF এর দিকে।

এই AIF আসলে কী?

AIF শুনতে একটু জটিল লাগলেও বিষয়টা সোজা। এটা হল একটা প্রাইভেট ফান্ড। কয়েকজন বড় বিনিয়োগকারী মিলে অনেক টাকা এক জায়গায় জমা করেন। সেই টাকা SEBI-র অনুমতি পাওয়া একটা প্রফেশনাল টিম এমন সব জায়গায় লাগায় যেখানে সাধারণ মিউচুয়াল ফান্ড হাত দিতে পারে না। যেমন কোনো নতুন স্টার্টআপ, প্রাইভেট কোম্পানি, বড় রিয়েল এস্টেট প্রজেক্ট বা বিদেশের কোনো কোম্পানি। মিউচুয়াল ফান্ডের মতো এখানে অত কড়া নিয়ম নেই। তাই ফান্ড ম্যানেজার ইচ্ছা করলে অনেক বেশি ঝুঁকি নিতে পারে। আর ঝুঁকি বেশি মানেই লাভের সম্ভাবনাও বেশি।

SEBI AIF-কে মূলত তিন ভাগে ভাগ করেছে। প্রথম ধরনের AIF-গুলো দেশের কাজে লাগে। এরা স্টার্টআপ, ছোট কোম্পানি বা সোশ্যাল কাজে টাকা দেয়। সরকার এদের কিছু সুবিধাও দেয়। দ্বিতীয় ধরনটা সবচেয়ে জনপ্রিয়। এরা প্রাইভেট কোম্পানিতে সরাসরি টাকা লাগায় বা বড় প্রজেক্টকে লোন দেয়। আর তৃতীয় ধরনটা সবচেয়ে বেশি রিস্কি। এরা শেয়ার বাজারে শর্ট সেল করে, ডেরিভেটিভস নিয়ে খেলে। এখানে খুব তাড়াতাড়ি লাভও হয় আবার লোকসানও হয়।

কিন্তু এই AIF-এ যে কেউ চাইলেই ঢুকতে পারবে না। এটাই সবচেয়ে বড় বাধা। SEBI-র নিয়ম অনুযায়ী AIF-এ বিনিয়োগের জন্য ন্যূনতম ১ কোটি টাকা লাগবে। হ্যাঁ, ১ কোটি। তাই এটা সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি হয়নি। মূলত যাদের কাছে অনেক টাকা আছে, যাদের HNI বলা হয়, বা বড় বড় কোম্পানিরাই এখানে টাকা রাখে। কারণ এখানে টাকা ৫ থেকে ১০ বছরের জন্য আটকে যায়। মাঝে তুলতে চাইলে পারবেন না। একে বলে লিকুইডিটি নেই।

তাহলে AIF-এ লাভ কী? যদি ফান্ড ম্যানেজার ঠিক জায়গা বাছতে পারে, তাহলে ৫ বছরে আপনার টাকা ডবল বা তিনগুণও হয়ে যেতে পারে। কারণ একটা স্টার্টআপ বড় হয়ে গেলে তার রিটার্ন আকাশছোঁয়া হয়। কিন্তু উল্টো দিকটাও আছে। যে কোম্পানিতে টাকা লাগানো হল সেটা যদি মার খায়, তাহলে পুরো টাকাই জলে যেতে পারে। আবার মিউচুয়াল ফান্ডের মতো এখানে রোজ আপনি আপনার টাকার হিসেব দেখতেও পাবেন না। স্বচ্ছতা অনেক কম।

AIF-এর পুরো কনসেপ্টটাই হল হাই রিস্ক, হাই রিটার্ন`। যার কাছে ১ কোটি টাকা ফালতু পড়ে আছে আর যিনি সেই টাকা ১০ বছরের জন্য ভুলে থাকতে পারবেন, শুধুমাত্র তিনিই এটা নিয়ে ভাবতে পারেন। সাধারণ মানুষের জন্য এখনো FD, PPF আর মিউচুয়াল ফান্ডই সবচেয়ে নিরাপদ আর বুদ্ধিমানের বিনিয়োগ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Business News in Bengali (ব্যবসার খবর): Get latest Business news highlights and live updates about stock market news & Updates, Personal finance tips, Indian economy & Budget News Updates at Asianet News Bangla.
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Stock Market Crash: মাত্র একটি কারণেই বাজার খুলতেই শেয়ার মার্কেটে ধস, তাসের ঘরের মতো পড়ল এই ১০ শেয়ার
GPF Interest Rate: অর্থ মন্ত্রক কি জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকের জন্য জিপিএফ-এর সুদের হার পরিবর্তন করেছে?