Gold Price Surge: সোনা ক্রেতাদের ও বিনিয়োগকারীদের মিলতে পারে দুঃসংবাদ! দাম পতনের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

Published : Jan 29, 2026, 08:30 PM IST

সোনার দাম: সোনার দাম আকাশছোঁয়া। ইতিহাসে এমন মূল্যবৃদ্ধি আগে কখনও দেখা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির পর এবার পতনের পালা আসতে পারে। 

PREV
15
চাহিদা কমলেও দাম বাড়ছে কেন?

সাধারণত, কোনও জিনিসের ক্রেতা কমে গেলে তার দাম কমার কথা। কিন্তু সোনার ক্ষেত্রে এই যুক্তি কাজ করছে না। বিয়ের মরসুম থাকা সত্ত্বেও খুচরা বাজারে সোনার চাহিদা ব্যাপকহারে কমেছে। তবুও, দাম প্রতিদিন নতুন রেকর্ড গড়ছে। এটাই আসল আশঙ্কার কারণ। জনগণের কাছ থেকে চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও দাম বাড়ার অর্থ হল, এটি বাজারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া নয়, এই যুক্তিটিই জোরালো হচ্ছে।

25
৬০ শতাংশ বৃদ্ধি… এটি কি বাবলের সংকেত?

এই বছরেই সোনার দাম প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। এটি কোনো সাধারণ বৃদ্ধি নয়। বাজার বিশেষজ্ঞরা এটিকে 'বাবল' হিসেবে বর্ণনা করছেন। অর্থাৎ, দাম তার স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি পর্যায়ে পৌঁছেছে। অভিজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের বাবল বেশিদিন স্থায়ী হয় না। এটি হঠাৎ ফেটে গেলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এই পর্যায়ে সর্বোচ্চ দামে সোনা কেনা বিপজ্জনক বলে সতর্কবার্তা বাড়ছে।

35
বিদেশি রিপোর্ট… সাধারণ মানুষই কি লক্ষ্য?

অভিযোগ রয়েছে, সোনার দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছালে বড় বিদেশি ব্যাঙ্কগুলি "দাম আরও বাড়বে" বলে ইতিবাচক রিপোর্ট প্রকাশ করে। গোল্ডম্যান স্যাক্স, জেপি মরগ্যানের মতো সংস্থার পূর্বাভাস দেখে সাধারণ মানুষ সোনা কিনতে ছোটেন। সেই সময়েই বড় বিনিয়োগকারীরা তাদের সোনা বিক্রি করে লাভ তুলে নেন। অবশেষে দাম কমে গেলে সাধারণ মানুষই ক্ষতির শিকার হন।

45
দামের মায়াজাল… অতীতে ফাঁস হওয়া সত্যি

লন্ডন ও নিউইয়র্ক-ভিত্তিক কয়েকটি বড় ব্যাঙ্কের হাতেই সোনার দাম নিয়ন্ত্রিত হয়, এই অভিযোগ নতুন নয়। অতীতে, জেপি মরগ্যান ব্যাঙ্ক "স্পুফিং" নামক অবৈধ পদ্ধতিতে কৃত্রিমভাবে সোনার দাম বাড়িয়েছিল। প্রচুর জাল অর্ডার দিয়ে দাম বাড়ার পর তা বাতিল করাই ছিল এই কৌশল। এই অপরাধের জন্য ব্যাঙ্কটিকে বড় অঙ্কের জরিমানাও দিতে হয়েছিল। এটিই দাম নিয়ন্ত্রণের সন্দেহকে আরও জোরালো করে।

55
অতীতের ইতিহাস থেকে সতর্কতা

অতীতেও এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে। ১৯৮০ সালে সোনার দাম শীর্ষে পৌঁছে ৫৭% কমে যায়। সেই স্তরে ফিরতে ২৫ বছর লেগেছিল। ২০১১ সালেও বড় উত্থানের পর দাম ৪৫% কমেছিল। ঘুরে দাঁড়াতে চার বছর সময় লাগে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৬ সালেও একই ধরনের পতন হতে পারে। শেয়ার বাজারের পতন হলে বিনিয়োগকারীরা নগদের জন্য গোল্ড ও সিলভার ETF বিক্রি শুরু করেন। এতে সোনার দাম হঠাৎ করে কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories