RBI Interest Rate: বিশ্বব্যাপী মন্দা সত্ত্বেও, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতি অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে বেশ শক্তিশালী রয়েছে। এমনকি, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিও অনেকটা এইরকমই আভাস দিয়ে রেখেছে।
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও ভারত আবার তার শক্তি প্রমাণ করতে পেরেছে। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (আরবিআই) প্রকাশিত “অর্থনীতির অবস্থা” শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীল এবং মুদ্রাস্ফীতি জুন ২০১৭-এর পর সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে। তার ফলে, সুদের হার কিছুটা কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
25
অভ্যন্তরীণ চাহিদাই ভারতের শক্তি
আরবিআই-এর মতে, ভারতীয় অর্থনীতির শক্তি বিদেশি বিনিয়োগে নয়, অভ্যন্তরীণ চাহিদার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত, মানুষের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি খাতের বৃদ্ধি এর একটি প্রধান কারণ। বর্ষা, উন্নত বীজ বপন, পূর্ণ জলাধার এবং আর্দ্র মাটি রবি মরশুমের জন্য একটি ভালো ভিত্তি স্থাপন করতে পেরেছে।
35
উৎপাদন, বিক্রয় এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে
উৎপাদন ও পরিষেবা খাতে ব্যবসায়িক আস্থা গত ৬ মাসে, কার্যত, শীর্ষে পৌঁছে গেছে। সেইসঙ্গে, উৎসবের মরসুম এবং জিএসটি হ্রাস বাজারে চাহিদা আরও বাড়াবে বলে আরবিআই আশা করছে। এর ফলে উৎপাদন, বিক্রয় এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
সেপ্টেম্বর মাসে, ভারতের খুচরা মুদ্রাস্ফীতি (CPI) তীব্রভাবে হ্রাস পেয়েছে। এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে একটি বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে। খাদ্যদ্রব্যের দাম হ্রাস তার প্রধান কারণ। তবে সোনা এবং বাড়ির ভাড়ার মতো কারণে ‘কোর ইনফ্লেশন’ সামান্য বেড়েছে।
55
সুদের হার কমার সম্ভাবনা
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসার ফলে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সুদের হার কমলে বাড়ি, গাড়ি এবং ব্যক্তিগত ঋণের ইএমআইও কিছুটা কমবে। এতে মানুষের ব্যয় বাড়বে এবং উৎপাদন খাত উৎসাহিত হবে। আইএমএফ, বিশ্ব ব্যাঙ্ক, ওইসিডি-র মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিও ভারতের বৃদ্ধির হার ৬.৫%-৬.৮% অনুমান করছে।