
Nirmala Sitharaman: পরিকাঠামোয় পরবর্তী বিনিয়োগ নিয়ে বড় ব্রতা দিলেন সীতারামন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, ভারতের পরিকাঠামো খাতে পরবর্তী বড় বিনিয়োগ হতে চলেছে এআই, সেমিকন্ডাক্টর এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে। পাশাপাশি এমএসএমই বা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য এআই হার্ডওয়্যার এবং প্রশিক্ষণে আরও বেশি জোর দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। অর্থাৎ, এআই, সেমিকন্ডাক্টর এবং কোয়ান্টাম টেক, এই তিনটি বিষয়ের উপর জোর দিয়েছেন। ভারতের পরিকাঠামো খাতে পরবর্তী বড় বিনিয়োগের জায়গা হতে চলেছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), সেমিকন্ডাক্টর এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তি। পাশাপাশি এআই হার্ডওয়্যার, প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে আরও বেশি বিনিয়োগের ডাক দিয়েছেন তিনি।
বেঙ্গালুরুতে আইআইটি মাদ্রাজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের 'সঙ্গম ২০২৬' (Sangam 2026) অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন সীতারামন। তিনি বলেন, ভারতের বর্তমান ডিজিটাল পরিকাঠামো আরও মজবুত করা দরকার। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআই-এর ব্যবহার বাড়াতে সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। তাঁর কথায়, “আমার মনে হয়, পরিকাঠামো খাতে পরবর্তী বড় বিনিয়োগ হবে এআই, সেমিকন্ডাক্টর চিপ এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, এআই হার্ডওয়্যারের পাশাপাশি শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর পিছনেও ভারতের প্রচুর বিনিয়োগ দরকার। যাতে তারা নিজেদের আপডেট রাখতে পারে এবং এআই-ভিত্তিক জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে পারে। ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) জন্য এআই সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
নির্মলা সীতারামনের কথায়, ব্যবসার জন্য শুধু প্রযুক্তি থাকলেই হবে না, এমন ট্রেনারও দরকার যাঁরা এআই ব্যবহার করে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করবেন। যাতে অন্য দেশের কোম্পানিগুলির সঙ্গে পাল্লা দেওয়া যায়। সীতারামন বলেন, "এআই-তে বিনিয়োগই নিশ্চিতভাবে আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য।" তিনি আরও জানান, এই বিনিয়োগের মাত্রা ঠিক করতে শিক্ষাবিদ এবং শিল্পপতিদের মতামত নেওয়া জরুরি। এআই নিয়ে কাজ করা উচিত কি না, সেই বিতর্কে না গিয়ে এখন ভারতের ভাবা উচিত কোন স্তরে কতটা বিনিয়োগ করা প্রয়োজন।
দেশের আর্থিক বৃদ্ধি নিয়ে সীতারামন বলেন, ভারত ১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। তবে এর জন্য সব ক্ষেত্রকেই আরও বেশি চেষ্টা করতে হবে। তিনি বলেন, "১০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব।" এই দ্রুত বৃদ্ধি দেশকে 'আত্মনির্ভর' এবং 'বিকশিত ভারত'-এর দিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, স্টার্টআপগুলোর প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কৃষি সহ আরও অনেক ক্ষেত্রে পৌঁছে দেওয়া দরকার। কৃষিতে ড্রোন, প্রিসিশন ম্যাপিং এবং প্রযুক্তির সাহায্যে বাজার ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর উদাহরণও দেন তিনি।
ডিপ-টেক স্টার্টআপগুলির বিষয়েও কথা বলেন সীতারামন। যে সমস্ত হার্ডওয়্যার কোম্পানির আয় শুরু হতে কয়েক বছর সময় লাগে, তাদের জন্য কীভাবে প্রাথমিক মূলধনের ব্যবস্থা করা যায়, তা নিয়ে তিনি সবার কাছে পরামর্শ চেয়েছেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।