KCC Loan Scheme: কিষাণ ক্রেডিট কার্ড যোজনার আওতায় কৃষকদের জন্য ঋণের সীমা ৩ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। যারা সময়মতো লোন শোধ করবেন, তাঁদের জন্য সুদের হার হবে মাত্র ৪ শতাংশ।
কিষাণ ক্রেডিট কার্ড (KCC) যোজনা কৃষকদের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঋণ প্রকল্প। বীজ, সার, কীটনাশকের মতো চাষের খরচ ছাড়াও পশুপালন, দুগ্ধ উৎপাদন এবং মাছ চাষের মতো কাজের জন্যও এই লোন ব্যবহার করা যায়। এবার কৃষকদের সুবিধার জন্য, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ থেকে সুদের ভর্তুকি প্রকল্পের অধীনে ঋণের সীমা ৩ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। এর ফলে যোগ্য কৃষকরা তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বেশি টাকা লোন নিতে পারবেন।
25
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুদ
কিষাণ ক্রেডিট কার্ড স্কিমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এর কম সুদের হার। নিয়ম অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদী কৃষি ঋণের জন্য বার্ষিক ৭ শতাংশ হারে সুদ নেওয়া হয়। তবে, যে সমস্ত কৃষক সময়মতো লোন শোধ করেন, তাঁদের অতিরিক্ত ৩ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়। ফলে তাঁদের জন্য কার্যকরী সুদের হার কমে দাঁড়ায় মাত্র ৪ শতাংশ। তবে মনে রাখতে হবে, এই সুদের ছাড় শুধুমাত্র প্রকল্পের নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলেই পাওয়া যাবে।
35
কৃষি ঋণ প্রকল্প
এই স্কিমে বিনা গ্যারান্টিতে লোন পাওয়ার সীমাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে স্বল্পমেয়াদী কৃষি ঋণের ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন কোনও গ্যারান্টি ছাড়াই পাওয়া যাবে। এর ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা জমি বা অন্য কোনও সম্পত্তি বন্ধক না রেখেই প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও, কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা শুধু কৃষিকাজেই সীমাবদ্ধ নেই, পশুপালন, দুগ্ধ উৎপাদন এবং মাছ চাষের মতো কাজেও এর ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে, কিষাণ ক্রেডিট কার্ড লোন সংক্রান্ত প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করতে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। এই সংশোধিত নির্দেশিকাগুলি ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। জানানো হয়েছে যে, এর আগে দেওয়া লোনগুলির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী রিনিউয়াল পর্যন্ত পুরনো নিয়মই চালু থাকবে। তাই নতুন নিয়ম এলেই যে পুরনো সব KCC লোনের ওপর তা প্রযোজ্য হবে, এমনটা ভাবার কারণ নেই।
55
কিষাণ ক্রেডিট কার্ড লোন
সব মিলিয়ে, এই পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হল কৃষকদের আরও বেশি আর্থিক সুবিধা দেওয়া। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের বর্ধিত সীমা, ৭ শতাংশ সুদ এবং সময়মতো পরিশোধ করলে ৩ শতাংশ ছাড়—এগুলিই এই স্কিমের প্রধান আকর্ষণ। তবে, ৫ লক্ষ টাকা প্রত্যেক কৃষক অটোমেটিক্যালি পাবেন না। কৃষকের ফসলের ধরন, ঋণের প্রয়োজনীয়তা, পরিশোধের ক্ষমতা এবং ব্যাঙ্কের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। তাই KCC-র জন্য আবেদন করার আগে, নিকটবর্তী ব্যাঙ্কে গিয়ে নিজের যোগ্যতা এবং ঋণের সীমা সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভালো।
Business News in Bengali (ব্যবসার খবর): Get latest Business news highlights and live updates about stock market news & Updates, Personal finance tips, Indian economy & Budget News Updates at Asianet News Bangla.