
বসন্ত পঞ্চমী ২০২৬: বসন্তকে ঋতুরাজ বলা হয়। এই সময় থেকে শীত হালকা ঠান্ডায় পরিণত হয়। গমের ফসল মাঠে দোলা দেয়। ছোলা-সর্ষের ফুল ফোটে। এই মনোরম পরিবেশে আবির্ভূত হন মা সরস্বতী, যিনি বিদ্যাদাত্রী এবং সঙ্গীতের সাধিকা। এমন পরিবেশে প্রকৃতির প্রশংসায় গান শুনতে খুবই ভালো লাগে।
‘আলাপ’ সিনেমার এই গানটি মা সরস্বতীর উদ্দেশ্যে একটি শাস্ত্রীয় স্তুতি, যা বসন্ত ঋতু এবং বিদ্যাদেবীকে উৎসর্গীকৃত। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ঐতিহ্যে বসন্তকে ঋতুদের স্বর্ণযুগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ে এই গান গাওয়া জ্ঞান, শিল্প এবং সৃষ্টির সূচনার প্রতীক।
মনোজ কুমারের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ছবিতে প্রকৃতি, ধর্ম এবং দেশপ্রেমকে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ‘আয়ি ঝুম কে বসন্ত’ গানটি লিখেছেন গুলশন বাওরা এবং সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন কল্যাণজি-আনন্দজি। এই গানটি বসন্তের আগমনের আনন্দ এবং সম্মিলিত উৎসবকে প্রকাশ করে। এটি প্রকৃতি, ঋতু এবং সামাজিক উৎসবকে একটি সহজ ও সরল লোক আঙ্গিকে উপস্থাপন করে।
এই গানটি বসন্তকে প্রেম, শৃঙ্গার এবং রসে ভরপুর হিসেবে দেখায়। এই রচনাটি ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের আবেগের রূপক তৈরি করে। আনন্দ বক্সীর লেখা এই গানের সুর দিয়েছিলেন লক্ষ্মীকান্ত-পেয়ারেলাল।
সঙ্গীত: খেমচাঁদ প্রকাশ | গায়িকা: শমশাদ বেগম
এই গানটি জীবনের সাথে ঋতুচক্রকে তুলে ধরে। ‘পতঝড়’, ‘সাবন’ এবং ‘বসন্ত’-এর মাধ্যমে এই রচনাটি উত্থান-পতন, আশা এবং তারপর কাজে মগ্ন হওয়ার অনুভূতিকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করে।
গীতিকার: জাভেদ আখতার | সঙ্গীত: আর. ডি. বর্মণ
এই গানটি বসন্তকে প্রেম, সতেজতা এবং স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখায়। সবুজ এবং পরিবর্তনশীল ঋতুর সাথে আবেগের প্রস্ফুটনই এর বৈশিষ্ট্য।
গীতিকার: প্রসূন জোশী | সঙ্গীত: এ. আর. রহমান
এই গানটি আধুনিক এবং ক্লাসিক শৈলীতে বসন্তকে বিপ্লব, তরুণ চেতনা এবং পরিবর্তনের রঙে রাঙিয়ে তোলে। এখানে বসন্ত শুধু একটি ঋতু নয়, বরং মানুষের জাগরণ এবং শক্তির প্রতীক হয়ে ওঠে।
বিনোদন জগতের সব বড় খবর এক জায়গায় পেতে পড়ুন Entertainment News in Bangla। চলচ্চিত্র, টিভি শো, ওয়েব সিরিজ ও তারকাদের লেটেস্ট আপডেট জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। বলিউড, টলিউড ও দক্ষিণী সিনেমার নির্ভরযোগ্য খবর ও বিশ্লেষণ এখানেই পড়ুন।